Shuru
Apke Nagar Ki App…
ক্যানিং প্রশাসন মাতলা নদীর চর দখল করে তৈরি করা একটি বেআইনি ক্যাফে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে। এই ক্যাফেটি শওকতের ছেলে ইমরান নির্মাণ করেছিলেন, যা সম্পূর্ণ অবৈধভাবে তৈরি হয়েছে।
Baruipur বার্তা
ক্যানিং প্রশাসন মাতলা নদীর চর দখল করে তৈরি করা একটি বেআইনি ক্যাফে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে। এই ক্যাফেটি শওকতের ছেলে ইমরান নির্মাণ করেছিলেন, যা সম্পূর্ণ অবৈধভাবে তৈরি হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- কুণাল ঘোষ ঋতব্রতকে লক্ষ্য করে এক নজিরবিহীন আক্রমণ করেছেন, যার খবর 'দৈনিক সমাচার' সূত্রে জানা গেছে। কুণাল ঘোষের বিস্ফোরক মন্তব্যে তিনি ঋতব্রতকে সরাসরি 'সিপিএম থেকে লাথি খাওয়া মাল' বলে উল্লেখ করেছেন। কুণাল ঘোষ আরও বলেন, "এই চাটন ঋত সিপিএম থেকে লাথি খাওয়া মাল, তাকে অভিষেক দয়া করে পায়ের কাছে আশ্রয় দিয়েছিল।" এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি ঋতব্রতকে অভিষেক কর্তৃক আশ্রয়প্রাপ্ত বলে আখ্যায়িত করেন।1
- মোথাবাড়ির বিধায়ক মাওলানা নজরুল ইসলাম বিধানসভায় ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে মাদ্রাসার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। তিনি জোরালোভাবে বলেন যে, ভারতবর্ষকে স্বাধীন করতে হাজার হাজার মাওলানা তাঁদের র*ক্ত দিয়েছেন।1
- রাজ্যপাল বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে করে মালদায় পৌঁছেছেন। তিনি সেখানে একটি গুরুদুয়ারায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।1
- সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি 'ককরোচ জনতা পার্টি' (CJP) নামের একটি দলের ভিডিও এবং পোস্ট ব্যাপকভাবে ভাইরাল হচ্ছে, যা দেখে অনেকে এটিকে একটি নতুন ডিজিটাল ফাঁদ বা ভুয়ো ভিডিও বলে বিভ্রান্ত হচ্ছেন। তবে এর পেছনের সত্যটি কোনো সাধারণ প্রতারণা নয়, বরং এটি একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ব্যঙ্গ। এই আন্দোলনের শুরু ২০২৬ সালের মে মাসে, যখন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত একটি মামলার শুনানির সময় মন্তব্য করেছিলেন যে কিছু বেকার যুবক ও অ্যাক্টিভিস্টরা 'তেলাপোকা' (Cockroaches) এবং 'সামাজিক পরজীবী'-র মতো, যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় সিস্টেমকে আক্রমণ করে। প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যে দেশের তরুণ ও শিক্ষার্থীদের মনে তীব্র ক্ষোভ জন্ম নেয়। এই অপমানের প্রতিবাদ হিসেবে ১৬ মে, ২০২৬-এ ডিজিটাল স্ট্র্যাটেজিস্ট অভিজিৎ দিপক প্রতীকীভাবে এই 'ককরোচ জনতা পার্টি' (CJP) তৈরি করেন। তরুণরা তখন ব্যঙ্গ করে বলতে শুরু করে— "যদি দেশের বেকার যুবকদের তেলাপোকা বলা হয়, তবে আমরা গর্বিত তেলাপোকা (Main Bhi Cockroach)।" এটি কোনো সরকারিভাবে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নয় এবং ভারতের নির্বাচন কমিশনের (ECI) কাছে এর কোনো স্বীকৃতি নেই। তারা কোনো ভোটেও লড়ছে না। এটি মূলত একটি ডিজিটাল এবং সামাজিক প্রতিবাদ আন্দোলন, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং কয়েকদিনের মধ্যেই লক্ষাধিক তরুণ এতে প্রতীকী সদস্য হিসেবে যুক্ত হন। যদিও এটি একটি ব্যঙ্গাত্মক দল হিসেবে শুরু হয়েছিল, তবে এর পেছনের দাবিগুলো অত্যন্ত বাস্তব ও গুরুতর। এর মূল দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে সাম্প্রতিক নিট (NEET) পরীক্ষার পেপার ফাঁস ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে থালা-বাসন বাজিয়ে বড়সড় বিক্ষোভ প্রদর্শন এবং দেশের শিক্ষিত যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের সঠিক হিসাব ও স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থার দাবি। সংক্ষেপে, 'ককরোচ জনতা পার্টি'-র ভিডিওগুলো মানুষকে ঠকানোর কোনো প্রতারণা বা ভুয়ো ফাঁদ নয়। এটি দেশের বর্তমান বেকারত্ব সমস্যা, পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস এবং তরুণদের প্রতি ব্যবস্থার উদাসীনতার বিরুদ্ধে ভারতীয় যুবসমাজের (বিশেষত জেন-জি) এক অভিনব ও তীব্র ব্যঙ্গাত্মক প্রতিবাদ।2
- পশ্চিমবঙ্গ বাজেট প্রসঙ্গে শশী সিং ঝা একটি এক্সক্লুসিভ আলোচনায় অংশ নিয়েছেন।1
- প্রকাশিত বিবরণে দৃঢ়ভাবে বলা হয়েছে যে সমস্ত ভুল বক্তার নিজেরই। এতে বারবার উল্লেখ করা হয়েছে যে প্রতিটি ত্রুটির সম্পূর্ণ দায়ভার তার একার।1
- কুণাল নতুন তৃণমূলকে উদ্দেশ্য করে তীব্র কটাক্ষ করেছেন, যেখানে তিনি বলেছেন যে "এরা নিজের মায়ের পিঠেও ছুরি মারতে পারে।" কুণালের এই চরম মন্তব্য দৈনিক সমাচারের প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।1
- পরিবহন দপ্তর একটি নতুন নিয়ম কার্যকর করেছে, যার ফলে মেইন রোডে টোটো চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। এই বিষয়ে দপ্তর কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে।1
- ইসরোর মঞ্চে বাঁকুড়ার জন্য একটি উল্লেখযোগ্য জয় এসেছে, যেখানে অঙ্কিত পান চার লক্ষ পরীক্ষার্থীর মধ্যে চতুর্থ স্থান অধিকার করে এই সাফল্য এনেছেন।2