প্রচার সেরে ফেরার পথে সোনামুখীতে বিজেপির মিছিলে উত্তেজনা, মুখোমুখি তৃনমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে স্লোগান পাল্টা স্লোগান, ধাক্কাধাক্কি। পুলিশের নিস্ক্রিয়তার প্রতিবাদে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ বিজেপির, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের সাথেও ধস্তাধস্তি। :-প্রচার সেরে ফেরার পথে সোনামুখীতে বিজেপির মিছিলে উত্তেজনা, মুখোমুখি তৃনমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে স্লোগান পাল্টা স্লোগান, ধাক্কাধাক্কি। পুলিশের নিস্ক্রিয়তার প্রতিবাদে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ বিজেপির, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের সাথেও ধস্তাধস্তি। প্রচার সেরে ফেরার পথে বিজেপির মিছিলকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়াল সোনামুখী শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে। কমিশনের আগাম অনুমতির ভিত্তিতে আজ বিকালে সোনামুখী শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় বিজেপির প্রার্থী দিবাকর ঘরামী প্রচার সারেন। প্রচার শেষে প্রার্থী সহ বিজেপি কর্মীরা স্থানীয় চেল মোড়ে হাজির হলে বেশ কিছু তৃনমূল কর্মী তাঁদের লক্ষ্য করে গালিগালাজ করতে থাকে বলে অভিযোগ। এতে দুপক্ষের মধ্যে স্লোগান ও পাল্টা স্লোগান এমনকি হালকা ধাক্কাধাক্কিও শুরু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চেল মোড় এলাকায় সন্ধ্যার মুখে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ উত্তেজনার সময় পুলিশ অদূরে দাঁড়িয়ে থাকলেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কোনো চেষ্টাই করেনি। এরপরই পুলিশের বিরুদ্ধে নিস্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে সোনামুখী চৌরাস্তা মোড়ে বসে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন সোনামুখীর বিজেপি প্রার্থী দিবাকর ঘরামী সহ বিজেপির স্থানীয় নেতা কর্মীরা। প্রায় আধ ঘন্টা সোনামুখী চৌরাস্তা অবরুদ্ধ থাকার পর সোনামুখী থানার পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গেও রীতিমত ধস্তাধস্তি বাদে অবরোধকারী বিজেপি কর্মীদের। বিজেপি প্রার্থীর দাবি তৃনমূলের হয়ে কাজ করছে সোনামুখী থানার পুলিশ। তাই অবিলম্বে সোনামুখী থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিককে থানার দায়িত্ব থেকে সরাতে হবে। একইসঙ্গে তৃনমূলের যে বা যারা এই বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করেছে তাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।
প্রচার সেরে ফেরার পথে সোনামুখীতে বিজেপির মিছিলে উত্তেজনা, মুখোমুখি তৃনমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে স্লোগান পাল্টা স্লোগান, ধাক্কাধাক্কি। পুলিশের নিস্ক্রিয়তার প্রতিবাদে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ বিজেপির, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের সাথেও ধস্তাধস্তি। :-প্রচার সেরে ফেরার পথে সোনামুখীতে বিজেপির মিছিলে উত্তেজনা, মুখোমুখি তৃনমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে স্লোগান পাল্টা স্লোগান, ধাক্কাধাক্কি। পুলিশের নিস্ক্রিয়তার প্রতিবাদে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ বিজেপির, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের সাথেও ধস্তাধস্তি। প্রচার সেরে ফেরার পথে বিজেপির মিছিলকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়াল সোনামুখী শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে। কমিশনের
আগাম অনুমতির ভিত্তিতে আজ বিকালে সোনামুখী শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় বিজেপির প্রার্থী দিবাকর ঘরামী প্রচার সারেন। প্রচার শেষে প্রার্থী সহ বিজেপি কর্মীরা স্থানীয় চেল মোড়ে হাজির হলে বেশ কিছু তৃনমূল কর্মী তাঁদের লক্ষ্য করে গালিগালাজ করতে থাকে বলে অভিযোগ। এতে দুপক্ষের মধ্যে স্লোগান ও পাল্টা স্লোগান এমনকি হালকা ধাক্কাধাক্কিও শুরু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চেল মোড় এলাকায় সন্ধ্যার মুখে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ উত্তেজনার সময় পুলিশ অদূরে দাঁড়িয়ে থাকলেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কোনো চেষ্টাই করেনি। এরপরই পুলিশের বিরুদ্ধে
নিস্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে সোনামুখী চৌরাস্তা মোড়ে বসে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন সোনামুখীর বিজেপি প্রার্থী দিবাকর ঘরামী সহ বিজেপির স্থানীয় নেতা কর্মীরা। প্রায় আধ ঘন্টা সোনামুখী চৌরাস্তা অবরুদ্ধ থাকার পর সোনামুখী থানার পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গেও রীতিমত ধস্তাধস্তি বাদে অবরোধকারী বিজেপি কর্মীদের। বিজেপি প্রার্থীর দাবি তৃনমূলের হয়ে কাজ করছে সোনামুখী থানার পুলিশ। তাই অবিলম্বে সোনামুখী থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিককে থানার দায়িত্ব থেকে সরাতে হবে। একইসঙ্গে তৃনমূলের যে বা যারা এই বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করেছে তাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।
- :-প্রচার সেরে ফেরার পথে সোনামুখীতে বিজেপির মিছিলে উত্তেজনা, মুখোমুখি তৃনমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে স্লোগান পাল্টা স্লোগান, ধাক্কাধাক্কি। পুলিশের নিস্ক্রিয়তার প্রতিবাদে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ বিজেপির, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের সাথেও ধস্তাধস্তি। প্রচার সেরে ফেরার পথে বিজেপির মিছিলকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়াল সোনামুখী শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে। কমিশনের আগাম অনুমতির ভিত্তিতে আজ বিকালে সোনামুখী শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় বিজেপির প্রার্থী দিবাকর ঘরামী প্রচার সারেন। প্রচার শেষে প্রার্থী সহ বিজেপি কর্মীরা স্থানীয় চেল মোড়ে হাজির হলে বেশ কিছু তৃনমূল কর্মী তাঁদের লক্ষ্য করে গালিগালাজ করতে থাকে বলে অভিযোগ। এতে দুপক্ষের মধ্যে স্লোগান ও পাল্টা স্লোগান এমনকি হালকা ধাক্কাধাক্কিও শুরু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চেল মোড় এলাকায় সন্ধ্যার মুখে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ উত্তেজনার সময় পুলিশ অদূরে দাঁড়িয়ে থাকলেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কোনো চেষ্টাই করেনি। এরপরই পুলিশের বিরুদ্ধে নিস্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে সোনামুখী চৌরাস্তা মোড়ে বসে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন সোনামুখীর বিজেপি প্রার্থী দিবাকর ঘরামী সহ বিজেপির স্থানীয় নেতা কর্মীরা। প্রায় আধ ঘন্টা সোনামুখী চৌরাস্তা অবরুদ্ধ থাকার পর সোনামুখী থানার পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গেও রীতিমত ধস্তাধস্তি বাদে অবরোধকারী বিজেপি কর্মীদের। বিজেপি প্রার্থীর দাবি তৃনমূলের হয়ে কাজ করছে সোনামুখী থানার পুলিশ। তাই অবিলম্বে সোনামুখী থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিককে থানার দায়িত্ব থেকে সরাতে হবে। একইসঙ্গে তৃনমূলের যে বা যারা এই বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করেছে তাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।3
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- সেহারা গ্রাম পঞ্চায়েত বনাম রায়নার বিজেপি প্রার্থী ,কার দখলে থাকবে বুথ ?1
- SIR: SIR নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য শুনুন।1
- বিধানসভার ভোট আসতে না আসতেই প্রতিটি প্রার্থী তাদের প্রচারে চমক দেখাতে শুরু করে সেরকমই প্রতিদিনই একটির পর একটি চমক আমরা দেখতে পাচ্ছি সন্তু পাল তারকেশ্বর বিধানসভার বিজেপি মনোনীত প্রার্থী তিনি তার প্রতিদিনের প্রচারে নতুন নতুন চমক সামনে আনছেন।1
- Post by Memari Update News1
- কালী মন্দিরে পূজা দিয়ে ভোট প্রচারে চন্দ্রকোনা বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী সূর্যকান্ত দোলই, পূজা দেওয়া শেষ করে গাড়িতে চেপে দলীয় কর্মীদের সাথে নিয়ে প্রচার শুরু করলেন চন্দ্রকোনা বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী3
- পাত্রসায়েরে গরুর হাট মাঠে সোনামুখী ও ইন্দাস বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোনামুখীর প্রার্থী ডঃ কল্লোল সাহা ও ইন্দাসের প্রার্থী শ্যামলী রায় বাগদী-এর সমর্থনে আয়োজিত এই সভায় শুরুতেই মাতৃশক্তিকে প্রণাম জানিয়ে বক্তব্য রাখেন তিনি। সভামঞ্চ থেকে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করে অভিষেক বলেন, যারা বাংলাকে বঞ্চিত করেছে, মানুষই তাদের উপযুক্ত জবাব দেবে। সোনামুখী ও ইন্দাস—এই দুই কেন্দ্রেই তৃণমূল প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত বলেও দাবি করেন তিনি। বিজেপি বিধায়কদের ‘নিখোঁজ’ বলে কটাক্ষ করে উন্নয়ন না হওয়ার অভিযোগ তোলেন। রাজ্যের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, সেতু নির্মাণ, রাস্তা সংস্কার, আবাসন, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষা—সব ক্ষেত্রেই তৃণমূল সরকার কাজ করেছে। লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প চালু থাকবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগও তোলেন। এদিন সভামঞ্চ থেকে একাধিক প্রতিশ্রুতি দেন অভিষেক। তিনি বলেন, জোড়া জয় নিশ্চিত হলে এলাকায় বাইপাস, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও পরিকাঠামোর উন্নয়ন আরও জোরদার করা হবে। রাসূলপুরে কোল্ড স্টোরেজ তৈরির আশ্বাসও দেন তিনি। দলীয় কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি আহ্বান জানান, তৃণমূল প্রার্থীদের বিপুল ভোটে জয়ী করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাকে যারা অপমান করেছে, তাদের গণতান্ত্রিকভাবেই জবাব দেবে মানুষ।4