কোচবিহার জেলার সিতাই ব্লকের ৬/৭৩ নম্বর মধ্য-ভাড়ালি বুথ এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের এক পঞ্চায়েত সদস্য-সহ তিন নেতার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শুক্রবার আক্রান্ত পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আনা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত বুধবার গভীর রাতে একদল দুষ্কৃতী তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য ফিরোজ মিয়া, কর্মী গৌরাঙ্গ বর্মন এবং শামসুজ্জামান প্রামানিকের বাড়িতে চড়াও হয়। ফিরোজ মিয়ার স্ত্রী বিউটি খাতুনের দাবি, তাঁর স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগ নিয়ে বিজেপি-সমর্থিত কয়েকজন ব্যক্তি বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালায় এবং নগদ টাকা ও অন্যান্য সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়। একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন গৌরাঙ্গ বর্মন ও শামসুজ্জামান প্রামানিকের পরিবারের সদস্যরাও। এই হামলায় গৌরাঙ্গ বর্মন গুরুতর জখম হয়েছেন এবং বর্তমানে কোচবিহারের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে বিজেপি। সিতাই বিধানসভার বিজেপি ইনচার্জ সুকুমার বর্মন জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনো সম্পর্ক নেই। তাঁর দাবি, এটি রাজনৈতিক কোনো হামলা নয়, বরং সাধারণ মানুষের ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ।
কোচবিহার জেলার সিতাই ব্লকের ৬/৭৩ নম্বর মধ্য-ভাড়ালি বুথ এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের এক পঞ্চায়েত সদস্য-সহ তিন নেতার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শুক্রবার আক্রান্ত পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আনা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত বুধবার গভীর রাতে একদল দুষ্কৃতী তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য ফিরোজ মিয়া, কর্মী গৌরাঙ্গ বর্মন এবং শামসুজ্জামান প্রামানিকের বাড়িতে চড়াও হয়। ফিরোজ মিয়ার স্ত্রী বিউটি খাতুনের দাবি, তাঁর স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগ নিয়ে বিজেপি-সমর্থিত কয়েকজন ব্যক্তি বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালায় এবং নগদ টাকা ও অন্যান্য সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়। একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন গৌরাঙ্গ বর্মন ও শামসুজ্জামান প্রামানিকের পরিবারের সদস্যরাও। এই হামলায় গৌরাঙ্গ বর্মন গুরুতর জখম হয়েছেন এবং বর্তমানে কোচবিহারের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে বিজেপি। সিতাই বিধানসভার বিজেপি ইনচার্জ সুকুমার বর্মন জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনো সম্পর্ক নেই। তাঁর দাবি, এটি রাজনৈতিক কোনো হামলা নয়, বরং সাধারণ মানুষের ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ।
- কোচবিহারের শীতলকুচি ব্লকের ২৯৮ নম্বর বুথের গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যা নুরনাহার বিবি এবং কাঁসারপাড়া এলাকার পঞ্চায়েত অভিভাবক শাহাজান মিয়ার বাড়িতে শনিবার সকাল থেকেই জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন এলাকাবাসী। তাঁদের দাবি, আবাস যোজনার ঘর দেওয়ার নাম করে বেআইনিভাবে নেওয়া কাট মানির টাকা অবিলম্বে ফেরত দিতে হবে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এই বুথের মোট ১২০ জন উপভোক্তার কাছ থেকে জোরজবরদস্তি ও হুমকি দিয়ে মাথা পিছু ১০,০০০ টাকা করে নিয়েছিলেন শাহাজান মিয়া। এই বিক্ষোভের জেরে কাঁসারপাড়া এলাকার বিজেপির বুথ সভাপতি সৌমেন বর্মন জানান, এলাকার সাধারণ মানুষ নিজেদের দাবি আদায়ে পঞ্চায়েতের কাছে গেছেন বলে তিনি খবর পেয়েছেন। তবে টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে কিনা সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। একইসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন যে, যাঁরা অন্যায় করে মানুষের টাকা নিয়েছেন, তাঁদের সেই টাকা অবশ্যই ফেরত দিতে হবে।1
- শীতলকুচি ব্লকের খলিসামারি অঞ্চলের বড় খলিসামারি ঠাকুর পঞ্চানন মহাতীর্থ ধামে একটি বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শুক্রবার রাজবংশী ক্ষত্রিয় সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শীতলকুচি বিধানসভার বিধায়ক সাবিত্রী বর্মনকে উত্তরীয়, ফুলের তোড়া এবং স্মারক তুলে দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়।1
- কোচবিহার ২ নম্বর ব্লকে রাতে টিনের চালে পাথর পড়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রহস্য দানা বেঁধেছে। এই অদ্ভুত এবং আতঙ্কের পরিস্থিতি মোকাবিলায় রহস্যের কিনারা করতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মূলত রাতের বেলাতেই এই পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।1
- আলিপুরদুয়ারের ভাটিবাড়িতে এক যুবক এবং তার অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী বাবার বিরুদ্ধে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিক যুবক-যুবতীর কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই প্রতারণার ঘটনার জেরে ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগী প্রতারিতরা অভিযুক্তদের বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে ধর্নায় বসেছেন।1
- কোচবিহার জেলার শীতলকুচি থেকে সাইকেলে চেপে আজমের শরীফের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করলেন তাহিজুল হক। প্রায় চার মাসের দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে তিনি এই বিশেষ সফরের প্রস্তুতি নিয়েছেন।1
- কোচবিহার জেলার সিতাই ব্লকের ৬/৭৩ নম্বর মধ্য-ভাড়ালি বুথ এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের এক পঞ্চায়েত সদস্য-সহ তিন নেতার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শুক্রবার আক্রান্ত পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আনা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত বুধবার গভীর রাতে একদল দুষ্কৃতী তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য ফিরোজ মিয়া, কর্মী গৌরাঙ্গ বর্মন এবং শামসুজ্জামান প্রামানিকের বাড়িতে চড়াও হয়। ফিরোজ মিয়ার স্ত্রী বিউটি খাতুনের দাবি, তাঁর স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগ নিয়ে বিজেপি-সমর্থিত কয়েকজন ব্যক্তি বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালায় এবং নগদ টাকা ও অন্যান্য সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়। একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন গৌরাঙ্গ বর্মন ও শামসুজ্জামান প্রামানিকের পরিবারের সদস্যরাও। এই হামলায় গৌরাঙ্গ বর্মন গুরুতর জখম হয়েছেন এবং বর্তমানে কোচবিহারের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে বিজেপি। সিতাই বিধানসভার বিজেপি ইনচার্জ সুকুমার বর্মন জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনো সম্পর্ক নেই। তাঁর দাবি, এটি রাজনৈতিক কোনো হামলা নয়, বরং সাধারণ মানুষের ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ।1