Shuru
Apke Nagar Ki App…
Ameerm Molla
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী ও শিক্ষা দপ্তরের কর্মচারীদের ডাকে বৃহস্পতিবার আলিপুরদুয়ার জেলায় কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। এদিন জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরা সংগঠনের ব্যানারে একত্রিত হয়ে প্রতিবাদে সামিল হন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া ভাতা, পদোন্নতি, শূন্যপদে নিয়োগ এবং পরিষেবা সংক্রান্ত একাধিক সমস্যা ঝুলে রয়েছে। একাধিকবার বিষয়গুলি প্রশাসনের নজরে আনা হলেও এখনো পর্যন্ত স্থায়ী সমাধান মেলেনি। সেই কারণেই তারা বাধ্য হয়ে ধর্মঘট ও প্রতিবাদ কর্মসূচির পথে হাঁটছেন বলে দাবি করেন। এদিন বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দাবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত না হলে শিক্ষা ব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই দ্রুত সমস্যার সমাধান এবং দাবিগুলি মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানান তারা। প্রতিবাদকারীরা আরও জানান, তাদের দাবি দ্রুত পূরণ না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামার কথাও ভাবা হবে। অন্যদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হয়েছে। এদিনের কর্মসূচির ফলে জেলার কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক কাজকর্ম আংশিকভাবে প্রভাবিত হয়েছে বলে জানা গেছে।1
- মাথাভাঙ্গা ২ ব্লকের লতাপাতা গ্রাম পঞ্চায়েতের পুঁটিমারী গ্রাম এলাকায় সাত সকালে দাপাদাপি ৬ টি হাতির, ঘুম থেকে উঠে হাতি দেখে আতঙ্কিত হয়ে পরে অনেকে শুরু হয় চিৎকার চেঁচামেচি। খবর পেয়ে ছুটে আসে ঘোকসাডাঙ্গা থানার পুলিশ এবং বন দপ্তর। আপাতত পূর্ব পুটি মারি গ্রামের সানজাই নদীর তীরে খোকন বর্মণের কলা বাগানে ৬ হাতি অবস্থান করছে বলে জানা যায়। জানা গিয়েছে, লতাপাতা গ্রাম পঞ্চায়েতের পুঁটিমারী গ্রামে ভোর ৫ টায় প্রথম ৬ টি হাতি দেখতে পান স্থানীয় বাবলু বর্মন নামের এক যুবক। এরপর সে চিৎকার শুরু করলে জড়ো হয় স্থানীয়রা এরপর হাতির দল স্থানীয়দের চিৎকারে সানজাই নদী তীরে একটি কলা বাগানে অবস্থান করে। খবর পেয়ে ছুটে আসে ঘোকসাডাঙ্গা থানার পুলিশ, বন দপ্তরের মাথাভাঙ্গা রেঞ্জ, পাতলা খাওয়া রেঞ্জ, জলদাপাড়া রেঞ্জ এর কর্মীরা। আপাতত বন দপ্তরের নজর দারিতে রয়েছে হাতি গুলি। এ বিষয়ে স্থানীয় রফিকুল ইসলাম বলেন আমি সকাল ৫ টা নাগাদ গরু বের করছিলাম দেখলাম আমার বাড়ির পাশ দিয়ে ৬ টি হাতি বেরিয়ে যাচ্ছে। এরপর এলাকায় চিৎকার শুরু হয়। প্রায় পনেরো দিন ধরে এই হাতি গুলি এলাকায় আসছে এবং ভুট্টা, কলা খেত নষ্ট করছে । এতদিন তোর্ষা নদীর চর এলাকায় ঘোড়া ফেরা করে আবার পাতলা খাওয়া জঙ্গলে ফিরে যেতো আজ প্রথম আমাদের এলাকায় প্রবেশ করেছে। সবাই আতঙ্কে আছি আমরা চাই হাতি গুলিকে বন দপ্তর চিলাপাতা জঙ্গলে নিয়ে যাক। অন্য দিকে স্থানীয় স্বপন সাহা জানান,কয়েক দিন ধরে আমাদের এলাকায় হাতির দাপাদাপি চলছে তেমন ক্ষয় ক্ষতি না হলেও প্রচুর ফসল নষ্ট হয়েছে। তবে পাশেই প্রায় দের কিমি দূরে তোরসা নদী পার হলেই পাতলা খাওয়া জঙ্গল স্থানীয়দের অনুমান পাতলা খাওয়া জঙ্গল থেকে হাতি গুলি এসেছে। হাতি দের জঙ্গলে ফেরানোর চেষ্টায় বন দপ্তর।1
- মাথাভাঙ্গা দুই ব্লকের পুটিমারি এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ছয়টি হাতির একটি দল1
- এই রাস্তাটা অনেক খারাপ1
- पश्चिम बंगाल के NH-19 (दुर्गापुर एक्सप्रेसवे) पर बने फ्लाईओवर की दीवार ढह गई। यह फ्लाईओवर 10 महीने पहले बनकर तैयार हुआ था और लगभग 6 महीने पहले चालू किया गया था।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- আলিপুরদুয়ার জেলায় লোকশিল্পীদের বিভিন্ন দাবি নিয়ে জেলা শাসকের কাছে ডেপুটেশন জমা দিল পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী ও লোকশিল্পী সংঘ-এর আলিপুরদুয়ার জেলা কমিটি। বৃহস্পতিবার আলিপুরদুয়ার জেলা প্রশাসনিক ভবনে সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল জেলা শাসকের দপ্তরে গিয়ে এই ডেপুটেশন প্রদান করে। মূলত রাজ্য সরকারের লোকপ্রসার প্রকল্প-এর আওতায় থাকা লোকশিল্পীদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির দাবিতে এই ডেপুটেশন দেওয়া হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জেলার বহু লোকশিল্পী এখনও পর্যন্ত লোকপ্রসার প্রকল্পের সুযোগ থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। এছাড়াও প্রকল্পের ভাতা নিয়মিত প্রদান, নতুন শিল্পীদের দ্রুত অন্তর্ভুক্তি, শিল্পীদের জন্য পরিচয়পত্র প্রদান এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় লোকশিল্পীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। ডেপুটেশন কর্মসূচিতে সংগঠনের জেলা ও ব্লক স্তরের একাধিক সদস্য ও লোকশিল্পীরা উপস্থিত ছিলেন। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, লোকশিল্পীদের সামাজিক ও আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কাছে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডেপুটেশন গ্রহণ করে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।1
- চিলাখানা পশ্চিম পালপাড়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আমরা তুলে ধরলাম2
- ২০২১ সালের ১০ ই এপ্রিল গত বিধানসভা নির্বাচনে শীতলকুচি বিধানসভা তথা মাথাভাঙ্গা ১ নং ব্লকের জোরপাটকী গ্রাম পঞ্চায়েতের ৫ এর ১২৬ নং বুথে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারান এলাকার চার ভোটার। এরপর রাজ্য সরকারের তরফে ওই পরিবার গুলোকে আর্থিক সহায়তা করার পাশাপাশি পরিবারের একজনকে স্পেশাল হোম গার্ডের চাকরি দেওয়া হয়। মর্মান্তিক সেই ঘটনার প্রায় পাঁচ বছর হতে চলল। আজ সেই পরিবারগুলোর সাথে দেখা করে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী ও উপহার তুলে দিলেন উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার চেয়ারম্যান পার্থ প্রতিম রায়।1