Shuru
Apke Nagar Ki App…
বৃষ্টির কারণে কুমারগ্রাম ব্লকের বারবিশা সহ একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। এর জেরে এলাকার স্কুল পড়ুয়াদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও চরম সমস্যায় পড়েছেন।
নিউজ
বৃষ্টির কারণে কুমারগ্রাম ব্লকের বারবিশা সহ একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। এর জেরে এলাকার স্কুল পড়ুয়াদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও চরম সমস্যায় পড়েছেন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- বৃষ্টির কারণে কুমারগ্রাম ব্লকের বারবিশা সহ একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। এর জেরে এলাকার স্কুল পড়ুয়াদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও চরম সমস্যায় পড়েছেন।1
- প্রাক্তন প্রধানের পরিবারের দাবি অনুযায়ী, তাদের বাড়িতে প্রথমে বোমাবাজি করা হয়েছে এবং এরপর ব্যাপক লুটপাট চালানো হয়েছে। এই ঘটনার পর পেট্রোল ঢেলে বাড়িটিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হলে, মুহূর্তের মধ্যে সেটি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়।1
- কালচিনি ব্লকের সুভাষিণী চা বাগানের নদী লাইনের ৩৫টি পরিবারকে ফের ত্রাণ শিবিরে নিয়ে আসা হয়েছে। একটানা বৃষ্টিতে নদীর জল বাড়তে থাকায় নতুন করে দুর্যোগের আশঙ্কায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, গত অক্টোবর মাসে বাঁধ ভেঙে তোর্ষা নদীর জল প্রবেশ করায় এই নদী লাইনটি প্লাবিত হয়েছিল। শুক্রবারের পর শনিবার রাতেও একনাগাড়ে বৃষ্টির কারণে নদীর জলস্তর বাড়ছে, যার ফলে আবারও বন্যার আশঙ্কায় সুভাষিণী চা বাগানের একটি প্রাথমিক স্কুলে ওই নদী লাইনের বাসিন্দাদের সরিয়ে আনা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, গত বছর নদী বাঁধ ভাঙার পরও চা বাগানে এখনও পর্যন্ত বাঁধটি তৈরি করা হয়নি। এর ফলে শুধু নদী লাইনের বাসিন্দারাই নন, চা বাগানের আউট ডিভিশনে থাকা শ্রমিক মহল্লার বাসিন্দারাও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।1
- বিজেপির শীতলখুচি বিধানসভা ২নং মন্ডলের পক্ষ থেকে জোড়পাটকি অঞ্চলে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করা হয়েছে।1
- দিনহাটা শহরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিজয় সাহা, আবাস যোজনা সংক্রান্ত বিষয়ে উদয়ন গুহের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই অভিযোগটি আবাস যোজনার কার্যক্রম ঘিরে উদয়ন গুহের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।1
- আলিপুরদুয়ার জংশন এলাকায় একের পর এক ইলেকট্রিক যন্ত্রাংশের দোকানে চুরির ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভ বাড়ছে। গত কয়েক মাস ধরে এই অঞ্চলে ধারাবাহিকভাবে চুরির ঘটনা ঘটলেও, এখনও পর্যন্ত দুষ্কৃতীদের শনাক্তকরণ ও গ্রেফতারে পুলিশ প্রশাসনের উল্লেখযোগ্য সাফল্য না মেলায় তাদের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে দোকানের শাটার ভেঙে বা তালা কেটে দুষ্কৃতীরা মূল্যবান বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, তার, সুইচ, মোটরসহ বিভিন্ন সামগ্রী চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। প্রতিটি ঘটনার পর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও চুরি রোধে কার্যকর পদক্ষেপের অভাব রয়েছে বলে দাবি তাঁদের। ব্যবসায়ীদের একাংশ আরও জানান যে, এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা থাকা সত্ত্বেও অনেক ক্ষেত্রে চোরদের চিহ্নিত করা যায়নি, যার ফলে চোরচক্র আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। দ্রুত দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার এবং রাতের টহলদারি বাড়ানোর দাবি তুলেছেন তাঁরা। এদিকে, ধারাবাহিক চুরির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ ছড়িয়েছে। ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের চুরির ঘটনা ঘটতে পারে, যা এলাকার সামগ্রিক নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে। স্থানীয়দের দাবি, জংশন এলাকার গুরুত্বপূর্ণ বাজার ও ব্যবসায়িক অঞ্চলে নিয়মিত পুলিশি নজরদারি, রাতের টহলদারি বৃদ্ধি এবং সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ জোরদার করা হলে এই ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলিপুরদুয়ার জংশন এলাকায় ব্যবসায়ী মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। এখন দেখার বিষয়, চুরি রুখতে এবং দুষ্কৃতীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ প্রশাসন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।1
- পশ্চিমবঙ্গ দিবসের দিনে মাথাভাঙ্গার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির একটি দলীয় কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়েছে। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মনোজ ঘোষ, কোচবিহার জেলা কমিটির সদস্য দিলীপ মন্ডল, মাথাভাঙ্গা শহর মন্ডল বিজেপির সভাপতি প্রকাশ দাস এবং শহর মন্ডল সাধারণ সম্পাদক শিব শঙ্কর সাহা সহ অন্যান্য কার্যকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কার্যালয় উদ্বোধনের পর মনোজ ঘোষ জানান যে, মাথাভাঙ্গা শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এই বিজেপির দলীয় কার্যালয়টি খোলা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, মাথাভাঙ্গা শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডেই বিজেপির কার্যালয় স্থাপন করা হবে। মনোজ ঘোষ অভিযোগ করেন যে, এর আগে মাথাভাঙ্গা শহরে বিজেপির কার্যালয় থাকলেও, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সেটি ভেঙে দিয়েছে, যার ফলস্বরূপ নতুন করে ফের মাথাভাঙ্গা শহরে বিজেপির কার্যালয় তৈরি করা হচ্ছে।1
- প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী এবং দিনহাটার প্রাক্তন বিধায়ক উদয়ন গুহ-র গ্রেপ্তারের পর ফের আলোচনায় উঠে এসেছে দিনহাটা। এর প্রেক্ষিতে, শনিবার, ২০ জুন নর্থ বেঙ্গল আইজি কে জয়রামন দিনহাটা থানায় পৌঁছান। সেখানে তিনি জেলা পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের এবং দিনহাটা থানার পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেন। উল্লেখ্য, প্রাক্তন মন্ত্রী উদয়ন গুহকে গত ১৭ জুন কলকাতার ফুলবাগান এলাকার বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আবাস প্রকল্পে আর্থিক অনিয়ম এবং সরকারি হাসপাতালের শিশু ইউনিট গঠনের নামে অর্থ সংগ্রহ-সহ একাধিক অভিযোগের তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পরে তাঁকে আদালতে পেশ করা হলে আদালত তাঁকে পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। শনিবার দিনহাটা থানায় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নর্থ বেঙ্গল আইজি জয়রামন জানান যে তিনি নতুন করে চালু হওয়া কেসগুলি দেখতে এসেছেন। তিনি আরও বলেন যে তদন্ত চলছে এবং এই মুহূর্তে এর বেশি কিছু বলবেন না। আইজির এই সফর ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হলেও, পুলিশ প্রশাসনের তরফে তদন্তের স্বার্থে এর বেশি কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। পুলিশ সূত্রে অনুমান করা হচ্ছে যে বৈঠকে চলমান তদন্তের অগ্রগতি এবং বিভিন্ন মামলার বর্তমান অবস্থান নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তবে প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।1