টাওয়ার বসানোর ফাঁদ পেতে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা! বেনাচিতির ভাড়া বাড়িতে পুলিশের হানা, গ্রেফতার ৭ মোবাইল টাওয়ার বসানোর নাম করে মোটা টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাইবার প্রতারণার অভিযোগ। দুর্গাপুরের বেনাচিতিতে একটি ভাড়া বাড়িতে অফিস খুলে দীর্ঘদিন ধরে এই প্রতারণার কারবার চালানোর অভিযোগ উঠেছে বিহারের একটি দলের বিরুদ্ধে। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার যুবক-যুবতীদের সঙ্গে নিয়ে চলছিল এই চক্র। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই ভাড়া বাড়িতে অভিযান চালায় দুর্গাপুর থানার পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে তিন যুবতী-সহ মোট সাতজনকে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে একাধিক নকল পরিচয়পত্র, সিম কার্ড, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ল্যান ফোন-সহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বেনাচিতির ওই ভাড়া বাড়িতে বসেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করত অভিযুক্তরা। মোবাইল পরিষেবা সংস্থার টাওয়ার বসানোর নাম করে বাড়ি বা জমির মালিকদের মোটা টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হত। সেই প্রস্তাবে কেউ রাজি হলে বিভিন্ন অজুহাতে তাঁর কাছ থেকে ওটিপি চাওয়া হত বলে অভিযোগ। এরপর সেই ওটিপি ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হত বলে অভিযোগ পুলিশের। গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পর রাজ্য পুলিশের সাইবার বিভাগের সহযোগিতায় এবং দুর্গাপুরের এ-জোন ফাঁড়ির পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে অভিযানে নামে দুর্গাপুর থানার পুলিশ। ওই বাড়ি থেকে সাতজনকে গ্রেফতারের পাশাপাশি বেশ কিছু নথি ও ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়।
টাওয়ার বসানোর ফাঁদ পেতে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা! বেনাচিতির ভাড়া বাড়িতে পুলিশের হানা, গ্রেফতার ৭ মোবাইল টাওয়ার বসানোর নাম করে মোটা টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাইবার প্রতারণার অভিযোগ। দুর্গাপুরের বেনাচিতিতে একটি ভাড়া বাড়িতে অফিস খুলে দীর্ঘদিন ধরে এই প্রতারণার কারবার চালানোর অভিযোগ উঠেছে বিহারের একটি দলের বিরুদ্ধে। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার যুবক-যুবতীদের সঙ্গে নিয়ে চলছিল এই চক্র। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই ভাড়া বাড়িতে অভিযান চালায় দুর্গাপুর থানার পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে তিন যুবতী-সহ মোট সাতজনকে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে একাধিক নকল পরিচয়পত্র, সিম কার্ড, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ল্যান ফোন-সহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বেনাচিতির ওই ভাড়া বাড়িতে বসেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করত অভিযুক্তরা। মোবাইল পরিষেবা সংস্থার টাওয়ার বসানোর নাম করে বাড়ি বা জমির মালিকদের মোটা টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হত। সেই প্রস্তাবে কেউ রাজি হলে বিভিন্ন অজুহাতে তাঁর কাছ থেকে ওটিপি চাওয়া হত বলে অভিযোগ। এরপর সেই ওটিপি ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হত বলে অভিযোগ পুলিশের। গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পর রাজ্য পুলিশের সাইবার বিভাগের সহযোগিতায় এবং দুর্গাপুরের এ-জোন ফাঁড়ির পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে অভিযানে নামে দুর্গাপুর থানার পুলিশ। ওই বাড়ি থেকে সাতজনকে গ্রেফতারের পাশাপাশি বেশ কিছু নথি ও ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়।
- sushil Singh durgapur YouTube channel Thank you lord jesus christ name Amen Benachity durgapur1
- দুর্গাপুরে তৃণমূল কর্মীদের বাড়িতে ইট-পাটকেল ছোড়ার অভিযোগ, সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে চাঞ্চল্য বিজেপির বিরুদ্ধে নয়, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই হামলা, দাবি জেলা বিজেপির মুখপাত্রের রাতের অন্ধকারে একের পর এক বাড়ি লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়া, সঙ্গে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ। দুর্গাপুরের নতুন পল্লি এলাকায় একাধিক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ছড়াল চাঞ্চল্য। শুক্রবার গভীর রাতের এই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। ঘটনার জেরে আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার গভীর রাতে লাল রঙের একটি চার চাকা গাড়িতে করে তিন যুবক নতুন পল্লি এলাকায় আসে বলে অভিযোগ। এরপর গাড়ি থেকে নেমে একের পর এক বাড়ি লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়তে শুরু করে তারা। বাড়ির বাসিন্দাদের উদ্দেশে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করারও অভিযোগ উঠেছে। আচমকা এই ঘটনায় রাতের ঘুম উড়ে যায় এলাকার বাসিন্দাদের। স্থানীয় বাসিন্দা সঞ্জয় রায়ের অভিযোগ, এই তিনজন আগে কোনও দিন বিজেপি করেনি। চার তারিখের পর বিজেপি হয়েছে। আমাদের উপর কেন রাগ, তা বুঝতে পারছি না। তৃণমূল করেছিলাম বলেই হয়তো এইভাবে হামলা চালানো হচ্ছে। শুধু ইট ছোড়া হয়নি, গালিগালাজও করা হয়েছে। আমরা পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছি। অন্যদিকে, এই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জেলা বিজেপির মুখপাত্র সুমন্ত মণ্ডল। তিনি বলেন, বিজেপি এই ধরনের সংস্কৃতি চায় না। যারা এই ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে আমার মনে হয়, এগুলো সব তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ঘটনা। সেই সময় থেকেই এই সমস্যা ছিল। এখন সুযোগ পেয়ে একে অপরের উপর হামলা চালাচ্ছে। কিন্তু শান্ত দুর্গাপুরকে যারা অশান্ত করার চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।1
- মানিক ফকির কোথায় আছে? জানে না পরিবারের লোকজন?1
- "আমি ৬ মাসের মধ্যে ঝাড়গ্রামের আমূল বদল চাই" রুপসী বাংলা MEDIA Shuvendu Adhikari | '৬ মাসে ঝাড়গ্রামের আমূল বদল চাই' মুখ্যমন্ত্রীর বড় বার্তা1
- কাল লক্ষ্মীপুজো, সকাল থেকেই উপচে পড়া ভিড়! জমজমাট মালদায়1
- কেনিয়ায় ভয়াবহ ভবন ধস! নাইরোবিতে ১৮ তলা নির্মীয়মান ভবন ভেঙে ধ্বংসস্তূপে আটকা বহু শ্রমিক1
- টাওয়ার বসানোর ফাঁদ পেতে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা! বেনাচিতির ভাড়া বাড়িতে পুলিশের হানা, গ্রেফতার ৭ মোবাইল টাওয়ার বসানোর নাম করে মোটা টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাইবার প্রতারণার অভিযোগ। দুর্গাপুরের বেনাচিতিতে একটি ভাড়া বাড়িতে অফিস খুলে দীর্ঘদিন ধরে এই প্রতারণার কারবার চালানোর অভিযোগ উঠেছে বিহারের একটি দলের বিরুদ্ধে। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার যুবক-যুবতীদের সঙ্গে নিয়ে চলছিল এই চক্র। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই ভাড়া বাড়িতে অভিযান চালায় দুর্গাপুর থানার পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে তিন যুবতী-সহ মোট সাতজনকে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে একাধিক নকল পরিচয়পত্র, সিম কার্ড, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ল্যান ফোন-সহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বেনাচিতির ওই ভাড়া বাড়িতে বসেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করত অভিযুক্তরা। মোবাইল পরিষেবা সংস্থার টাওয়ার বসানোর নাম করে বাড়ি বা জমির মালিকদের মোটা টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হত। সেই প্রস্তাবে কেউ রাজি হলে বিভিন্ন অজুহাতে তাঁর কাছ থেকে ওটিপি চাওয়া হত বলে অভিযোগ। এরপর সেই ওটিপি ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হত বলে অভিযোগ পুলিশের। গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পর রাজ্য পুলিশের সাইবার বিভাগের সহযোগিতায় এবং দুর্গাপুরের এ-জোন ফাঁড়ির পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে অভিযানে নামে দুর্গাপুর থানার পুলিশ। ওই বাড়ি থেকে সাতজনকে গ্রেফতারের পাশাপাশি বেশ কিছু নথি ও ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়।1
- কারখানায় শ্রমিকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, ক্ষতিপূরণের দাবিতে জামুড়িয়ায় উত্তেজনা কাজল মিত্র:- জামুড়িয়ার শিল্পাঞ্চলে ফের চাঞ্চল্য। শনিবার সকালে শ্যামসেল কারখানার ভেতর থেকে উদ্ধার হল শ্রমিক রবি হাঁসদার ঝুলন্ত দেহ। বাড়ি বাবুডাঙা এলাকায়। দেহ উদ্ধারের পরই কারখানার গেটে ক্ষোভে ফেটে পড়েন আদিবাসী সমাজের মানুষ। ক্ষতিপূরণের দাবিতে শুরু হয় বিক্ষোভ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে আসে জামুড়িয়া, কেন্দা ও চুরুলিয়া ফাঁড়ির পুলিশ। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় সমঝোতা হয়। মৃতের পরিবারকে ২০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ, শেষকৃত্যের জন্য ১ লক্ষ টাকা, পরিবারের একজনকে চাকরি এবং বৃদ্ধ মা-বাবার পেনশনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে এখনও রহস্যে ঘেরা রবি হাঁসদার মৃত্যু। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।1