Shuru
Apke Nagar Ki App…
মুর্শিদাবাদের নওদা বিধানসভার শব্দনগর গ্রামে মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষকে গ্রামবাসীরা ফুলের মালা ও পদ্মফুল দিয়ে রাজকীয় সম্বর্ধনা জানিয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উৎসবের মেজাজ দেখা গেছে।
নওদা নিউজ
মুর্শিদাবাদের নওদা বিধানসভার শব্দনগর গ্রামে মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষকে গ্রামবাসীরা ফুলের মালা ও পদ্মফুল দিয়ে রাজকীয় সম্বর্ধনা জানিয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উৎসবের মেজাজ দেখা গেছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- অবৈধ মদের কারবারে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সাগরপাড়া থানা পুলিশ। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে সাগরপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক রাকেশ কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে গতকাল দুপুরে ধনীরামপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এই অভিযান চলাকালীন নিরেন দাসের দোকানে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ বিপুল পরিমাণ বাংলা ও বিদেশি মদ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থেকেই মিলন দাস নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার হওয়া সমস্ত মদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে তাকে জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে। অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পুলিশের এই জোরদার অভিযান অব্যাহত থাকায় এবং একের পর এক সফল অভিযানে এলাকাবাসী বেশ খুশি। স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের কঠোর অবস্থানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। বিশেষ করে সাগরপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক রাকেশ কুমার বিশ্বাস তার এই উদ্যোগের জন্য বিশেষভাবে প্রশংসিত হচ্ছেন।1
- রাজ্যের গ্রন্থাগার ও অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ ভগবানগোলায় আয়োজিত জনকল্যাণ শিবির পরিদর্শনে এসেছিলেন। এই পরিদর্শনে এসে তিনি সাধারণ মানুষের জন্য সরকারের নেওয়া উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং প্রশাসনের ভূমিকারও ভূয়সী প্রশংসা করেন। শিবির পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ বলেন, রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের মাত্র এক মাসের মধ্যেই সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দিতে বিভিন্ন এলাকায় জনকল্যাণ শিবির চালু করা হয়েছে। তাঁর মতে, এই উদ্যোগের ফলে বহু মানুষ সরাসরি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন এবং তাঁদের বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধান হচ্ছে। তিনি ভগবানগোলা ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও) এবং ভগবানগোলা থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকের কাজের বিশেষ প্রশংসা করেন। মন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা ও আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলেই শিবিরে আসা সাধারণ মানুষ সুচারুভাবে পরিষেবা পাচ্ছেন। উল্লেখ্য, গৌরীশঙ্কর ঘোষ ভগবানগোলার পার্শ্ববর্তী বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক হলেও, মন্ত্রিত্ব পাওয়ার পর এই প্রথমবার তাঁকে ভগবানগোলায় দেখা গেল। তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে শিবির প্রাঙ্গণে উৎসাহ-উদ্দীপনার পরিবেশ তৈরি হয়। শিবিরে উপস্থিত সাধারণ মানুষও সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং বলেন যে, এক ছাদের নিচে বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা পাওয়ায় তাঁদের সময় ও হয়রানি অনেকটাই কমেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামী দিনেও এই ধরনের জনমুখী কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে যাতে আরও বেশি সংখ্যক মানুষ সরকারি পরিষেবার আওতায় আসতে পারেন।1
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবসকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে রাজ্যজুড়ে চার দিনব্যাপী বিশেষ সচেতনতামূলক কর্মসূচি শুরু হয়েছে, যার প্রথম পর্যায় নবদ্বীপ পৌরসভায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২১ জুনের মূল আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই ধারাবাহিক কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষের মধ্যে যোগব্যায়ামের গুরুত্ব, উপকারিতা এবং সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া। বুধবার এই কর্মসূচির প্রথম পর্যায় পৌরসভার কার্যালয় চত্বরে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে একটি সচেতনতামূলক সভা এবং বিশেষ যোগব্যায়াম সেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান, দায়িত্বপ্রাপ্ত ফিন্যান্স অফিসার এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। পৌরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার দীপক করের তত্ত্বাবধানে ও উপস্থিতিতে এই আয়োজন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে যোগব্যায়ামের শারীরিক ও মানসিক উপকারিতা এবং কর্মব্যস্ত জীবনে নিয়মিত যোগচর্চার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়। অফিসের বিভিন্ন স্তরের কর্মচারীদের পাশাপাশি আশা কর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বিশেষ নজর কেড়েছে, যা অনুষ্ঠানের সাফল্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। পৌরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার দীপক কর জানান, অল্প সময়ের প্রস্তুতি সত্ত্বেও প্রথম দিনের অনুষ্ঠান সফল হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে যোগ ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন যে, সুস্থ জীবনধারা গড়ে তোলা, কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। আয়োজকরা আগামী কয়েক দিনের কর্মসূচিতেও ব্যাপক অংশগ্রহণের আশা প্রকাশ করেছেন। আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে এই উদ্যোগ কর্মচারী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যথেষ্ট আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।1
- নদিয়ার কৃষ্ণনগর রেলওয়ে স্টেশন ও এর সংলগ্ন এলাকা থেকে গতকাল, ১৬ জুন রাত দশটার পর দখলদারদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদ অভিযানের আগে দখলদারদের নোটিশ দিয়েছিল এবং গতকাল রাত দশটা পর্যন্ত দোকান সরিয়ে নেওয়ার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কিছু দোকানদার তাদের দোকান সরিয়ে নেয়, তবে কিছু দোকানদার দোকানের জিনিসপত্র নিয়ে গেলেও কাঠামো থেকে গিয়েছিল। সেসব অপসারণের জন্য বহু শ্রমিক নিয়োগ করা হয় এবং মাত্র দুই ঘণ্টায় স্টেশনের চত্বর খালি করে দেওয়া হয়। দোকান ভাঙার কাজে হাতুড়ি ও ডান্ডা ব্যবহার করা হয়। এই উচ্ছেদ অভিযানে বিশাল পুলিশ বাহিনী পাহারায় ছিল।1
- কৃষ্ণনগর রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় রেল প্রশাসন হকার উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে। এই অভিযানের জেরে শত শত দোকান ভাঙা পড়েছে, যার ফলে অসংখ্য মানুষ গৃহহীন ও কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।1
- মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা থানা এলাকার এক যুবতী সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণার শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। ন্যায়বিচারের আশায় তিনি বিভিন্ন দপ্তর ও আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। যুবতীর অভিযোগ, ভগবানগোলার বেলিয়াশ্যামপুর এলাকার বাসিন্দা হযরত আলী সুইটের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অভিযুক্ত তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে নিয়ে যান এবং স্বামী-স্ত্রীর মতো সম্পর্ক গড়ে তোলেন। যুবতীর দাবি, উভয় পরিবারের সদস্যরাও তাদের সম্পর্ক ও বিয়ের বিষয়ে অবগত ছিলেন এবং প্রাথমিকভাবে সম্মতিও ছিল। তবে, পরিস্থিতি হঠাৎ করেই পরিবর্তিত হয় যখন অভিযুক্তের বোন বিয়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ান। এর ফলে বিয়ের বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে এবং যুবতী মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টাও করেন বলে অভিযোগ। পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করে প্রাণ বাঁচান। এরপর যুবতী সাগরদিঘী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং জঙ্গিপুর আদালতেও একটি মামলা করেছেন বলে জানা গেছে। সরকারি হাসপাতালের কর্মী হিসেবে কর্মরত ওই যুবতী তার সঙ্গে হওয়া আচরণের উপযুক্ত বিচার এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বর্তমানে প্রশাসন ও আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন।1
- বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে কীর্ণাহারে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকেলে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা কীর্ণাহার থানার সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। একই সময়ে তাঁরা কীর্ণাহার চৌরাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালে সিউড়ি-কাটোয়া রাজ্য সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, মঙ্গলবার দুপুরে কীর্ণাহার থানার মহেশগ্রাম এলাকা থেকে ফিরছিলেন কয়েকজন বিজেপি নেতা-কর্মী। অভিযোগ করা হয়েছে যে, নিমড়া গ্রাম সংলগ্ন রাস্তায় তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং বেশ কয়েকজনকে মারধর করা হয়। বিজেপির নানুর-১ মণ্ডলের সহ-সভাপতি পরমানন্দ সাহা অভিযোগ করেছেন যে, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকেও মারধর করেছে। তাঁর দাবি, মোট ছয়জন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর হস্তক্ষেপে অবরোধ তুলে নেওয়া হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং যান চলাচল পুনরায় শুরু হয়। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে।1