আন্তর্জাতিক যোগ দিবসকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে রাজ্যজুড়ে চার দিনব্যাপী বিশেষ সচেতনতামূলক কর্মসূচি শুরু হয়েছে, যার প্রথম পর্যায় নবদ্বীপ পৌরসভায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২১ জুনের মূল আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই ধারাবাহিক কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষের মধ্যে যোগব্যায়ামের গুরুত্ব, উপকারিতা এবং সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া। বুধবার এই কর্মসূচির প্রথম পর্যায় পৌরসভার কার্যালয় চত্বরে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে একটি সচেতনতামূলক সভা এবং বিশেষ যোগব্যায়াম সেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান, দায়িত্বপ্রাপ্ত ফিন্যান্স অফিসার এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। পৌরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার দীপক করের তত্ত্বাবধানে ও উপস্থিতিতে এই আয়োজন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে যোগব্যায়ামের শারীরিক ও মানসিক উপকারিতা এবং কর্মব্যস্ত জীবনে নিয়মিত যোগচর্চার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়। অফিসের বিভিন্ন স্তরের কর্মচারীদের পাশাপাশি আশা কর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বিশেষ নজর কেড়েছে, যা অনুষ্ঠানের সাফল্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। পৌরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার দীপক কর জানান, অল্প সময়ের প্রস্তুতি সত্ত্বেও প্রথম দিনের অনুষ্ঠান সফল হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে যোগ ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন যে, সুস্থ জীবনধারা গড়ে তোলা, কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। আয়োজকরা আগামী কয়েক দিনের কর্মসূচিতেও ব্যাপক অংশগ্রহণের আশা প্রকাশ করেছেন। আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে এই উদ্যোগ কর্মচারী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যথেষ্ট আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।
আন্তর্জাতিক যোগ দিবসকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে রাজ্যজুড়ে চার দিনব্যাপী বিশেষ সচেতনতামূলক কর্মসূচি শুরু হয়েছে, যার প্রথম পর্যায় নবদ্বীপ পৌরসভায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২১ জুনের মূল আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই ধারাবাহিক কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষের মধ্যে যোগব্যায়ামের গুরুত্ব, উপকারিতা এবং সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া। বুধবার এই কর্মসূচির প্রথম পর্যায় পৌরসভার কার্যালয় চত্বরে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে একটি সচেতনতামূলক সভা এবং বিশেষ যোগব্যায়াম সেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান, দায়িত্বপ্রাপ্ত ফিন্যান্স অফিসার এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। পৌরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার দীপক করের তত্ত্বাবধানে ও উপস্থিতিতে এই আয়োজন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে যোগব্যায়ামের শারীরিক ও মানসিক উপকারিতা এবং কর্মব্যস্ত জীবনে নিয়মিত যোগচর্চার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়। অফিসের বিভিন্ন স্তরের কর্মচারীদের পাশাপাশি আশা কর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বিশেষ নজর কেড়েছে, যা অনুষ্ঠানের সাফল্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। পৌরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার দীপক কর জানান, অল্প সময়ের প্রস্তুতি সত্ত্বেও প্রথম দিনের অনুষ্ঠান সফল হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে যোগ ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন যে, সুস্থ জীবনধারা গড়ে তোলা, কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। আয়োজকরা আগামী কয়েক দিনের কর্মসূচিতেও ব্যাপক অংশগ্রহণের আশা প্রকাশ করেছেন। আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে এই উদ্যোগ কর্মচারী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যথেষ্ট আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবসকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে রাজ্যজুড়ে চার দিনব্যাপী বিশেষ সচেতনতামূলক কর্মসূচি শুরু হয়েছে, যার প্রথম পর্যায় নবদ্বীপ পৌরসভায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২১ জুনের মূল আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই ধারাবাহিক কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষের মধ্যে যোগব্যায়ামের গুরুত্ব, উপকারিতা এবং সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া। বুধবার এই কর্মসূচির প্রথম পর্যায় পৌরসভার কার্যালয় চত্বরে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে একটি সচেতনতামূলক সভা এবং বিশেষ যোগব্যায়াম সেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান, দায়িত্বপ্রাপ্ত ফিন্যান্স অফিসার এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। পৌরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার দীপক করের তত্ত্বাবধানে ও উপস্থিতিতে এই আয়োজন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে যোগব্যায়ামের শারীরিক ও মানসিক উপকারিতা এবং কর্মব্যস্ত জীবনে নিয়মিত যোগচর্চার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়। অফিসের বিভিন্ন স্তরের কর্মচারীদের পাশাপাশি আশা কর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বিশেষ নজর কেড়েছে, যা অনুষ্ঠানের সাফল্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। পৌরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার দীপক কর জানান, অল্প সময়ের প্রস্তুতি সত্ত্বেও প্রথম দিনের অনুষ্ঠান সফল হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে যোগ ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন যে, সুস্থ জীবনধারা গড়ে তোলা, কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। আয়োজকরা আগামী কয়েক দিনের কর্মসূচিতেও ব্যাপক অংশগ্রহণের আশা প্রকাশ করেছেন। আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে এই উদ্যোগ কর্মচারী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যথেষ্ট আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।1
- নদিয়ার কৃষ্ণনগর রেলওয়ে স্টেশন ও এর সংলগ্ন এলাকা থেকে গতকাল, ১৬ জুন রাত দশটার পর দখলদারদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদ অভিযানের আগে দখলদারদের নোটিশ দিয়েছিল এবং গতকাল রাত দশটা পর্যন্ত দোকান সরিয়ে নেওয়ার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কিছু দোকানদার তাদের দোকান সরিয়ে নেয়, তবে কিছু দোকানদার দোকানের জিনিসপত্র নিয়ে গেলেও কাঠামো থেকে গিয়েছিল। সেসব অপসারণের জন্য বহু শ্রমিক নিয়োগ করা হয় এবং মাত্র দুই ঘণ্টায় স্টেশনের চত্বর খালি করে দেওয়া হয়। দোকান ভাঙার কাজে হাতুড়ি ও ডান্ডা ব্যবহার করা হয়। এই উচ্ছেদ অভিযানে বিশাল পুলিশ বাহিনী পাহারায় ছিল।1
- কৃষ্ণনগর রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় রেল প্রশাসন হকার উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে। এই অভিযানের জেরে শত শত দোকান ভাঙা পড়েছে, যার ফলে অসংখ্য মানুষ গৃহহীন ও কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।1
- জনকল্যাণ শিবিরে জনকল্যাণমুখী মানুষের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে একদিন অতিরিক্ত পরিষেবা বাড়ানোর ঘোষণা করা হয়েছে। বিধায়ক মানব গুহ জানিয়েছেন, এই বর্ধিত পরিষেবার মাধ্যমে আরও বেশি মানুষকে সুবিধা দেওয়া সম্ভব হবে। বর্তমানে নির্ধারিত পরিষেবা ক্যাম্পের সময়সূচির বাইরে আগামী ১৮ জুন তারিখেও এই জনকল্যাণ শিবিরের পরিষেবা পাওয়া যাবে।1
- পশ্চিমবঙ্গে 'আসল ডবল ইঞ্জিন সরকার' বিদ্যমান বলে মন্তব্য করা হয়েছে এবং এই সরকার পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠার দাবি জানানো হয়েছে। এই আহ্বান রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এসেছে।1
- রাজ্যের নতুন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বার্তা দিয়েছেন, 'ভয় আউট ভরসা ইন'। তিনি এই স্লোগানের মাধ্যমে মানুষকে আস্থা ও ভরসা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। এই মন্তব্যটি রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।1
- মুর্শিদাবাদের নওদা বিধানসভার শব্দনগর গ্রামে মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষকে গ্রামবাসীরা ফুলের মালা ও পদ্মফুল দিয়ে রাজকীয় সম্বর্ধনা জানিয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উৎসবের মেজাজ দেখা গেছে।1
- যেখানে পুরুষদের অসম্মান করা হবে, সেখানে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, পুরুষদের প্রতি অসম্মানজনক আচরণের ক্ষেত্রে তিনি 'ঘেঁটি ধরে টানবেন', এবং এ বিষয়ে Novesta Group-এ তাঁর সরাসরি ফোন রয়েছে।1