Shuru
Apke Nagar Ki App…
hanji
Gousalazammir
hanji
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- আজকের তাজা খবর1
- Post by Jayashree Mondal1
- নির্বাচন উপলক্ষে ব্যবহার করা হয় কৃষ্ণনগর সরকারি কলেজ মাঠ। এই মাঠে অসংখ্য যানবাহন রাখা হয়। এখান থেকেই বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে যানবাহন পাঠানো হয়। নির্বাচন মিটে গেছে অথচ মাঠের কি পরিস্থিতি? সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেই। মাঠ নয়, যেন মেঠো পথ।1
- রাস্তাঘাটের অপব্যবহার দুর্নীতি রাস্তাঘাট ব্যবহারকারী রাজনীতি কর্মকারী1
- দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রতিষ্ঠানের প্রবৃদ্ধিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ, এনটিপিসি ফারাক্কা আজ অবসরগ্রহণকারী কর্মীদের সম্মানে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অত্যন্ত আন্তরিক ও আবেগঘন পরিবেশে এই বিদায় অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয় টিটিএস (TTS)-এর ‘স্মৃতি বন’-এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে। প্রতিষ্ঠানের সাথে অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের দীর্ঘ ও অটুট সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে এই চারাগাছগুলো রোপণ করা হয়, যা আগামী দিনেও তাঁদের স্মৃতির স্বাক্ষর বহন করবে। এদিন মোট তিনজন কর্মীকে তাঁদের দীর্ঘ ও নিষ্ঠাবান সেবার জন্য সংবর্ধনা জানানো হয়। শ্রী পরেন্দ্র নাথ রায় ইঞ্জিনিয়ার (রসায়ন), শ্রী মোকলেসুর রহমান জুনিয়র টেকনিশিয়ান (অপারেশন), শ্রী প্রেম কুমার সিংহ সহকারী ব্যবস্থাপক (অ্যাশ ডাইক ম্যানেজমেন্ট) ,বিশেষ কারণে তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি। বৃক্ষরোপণের পর গীতাঞ্জলি অডিটোরিয়ামে মূল সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনটিপিসি ফারাক্কার প্রকল্প প্রধান শ্রী দেবব্রত কর। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শ্রী রাজশেখর পলা মহাব্যবস্থাপক (ও অ্যান্ড এম), শ্রী অভাষ রঞ্জন মহান্তি মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন ও এফএম), শ্রী অলোক কুমার রণবীর প্রধান (মানব সম্পদ), বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, কর্মচারী এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের পরিবারের সদস্যরা। অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের তিন দশকেরও অধিক সময়ের পরিশ্রম ও নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে তাঁদের হাতে প্রশংসাপত্র, স্মারক ও সম্মানসূচক শাল তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শ্রী দেবব্রত কর বলেন, "এনটিপিসি ফারাক্কার সাথে এই কর্মীদের দীর্ঘ পথচলা অনেকটা একটি পরিবারের মতো। প্রতিষ্ঠানের আজকের এই অবস্থানে পৌঁছানোর পেছনে তাঁদের নিরলস পরিশ্রম ও নিষ্ঠা জড়িয়ে আছে।" তিনি অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের আগামী জীবনের সুস্বাস্থ্য, সুখ এবং সমৃদ্ধি কামনা করে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন। সব মিলিয়ে অনুষ্ঠানটি ছিল কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধার এক মেলবন্ধন, যা কর্মীদের প্রতি প্রতিষ্ঠানের গভীর মমত্ববোধকে পুনরায় প্রতিফলিত করে।1
- Post by রাজেন্দ্র নাথ দত্ত1
- Post by Jayashree Mondal1