ভগ্নপ্রায় স্কুলেই ভবিষ্যৎ গড়ার লড়াই সেউটি পার্ট-২ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ভগ্নপ্রায় স্কুলেই ভবিষ্যৎ গড়ার লড়াই সেউটি পার্ট-২ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। প্রান্তিক এলাকার এক টুকরো বাস্তব যেন নিঃশব্দে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিচ্ছে—শিক্ষার অধিকার কি শুধু কাগজেই? বামনহাট চক্র সম্পদ কেন্দ্রের অন্তর্গত শুকারুর কুঠি অঞ্চলের সেউটি পার্ট-২ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্র ঠিক তেমনই এক করুণ গল্পের সাক্ষী। প্রায় পাঁচ বছর আগে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গিয়েছিল বিদ্যালয়ের বড় অংশ। সেই ক্ষত আজও শুকায়নি। সংস্কারের কোনও উদ্যোগ না থাকায় একটি মাত্র ভগ্নপ্রায় কক্ষেই গাদাগাদি করে চলছে প্রাক-প্রাথমিক থেকে চতুর্থ শ্রেণির প্রায় ১০০ জন ছাত্রছাত্রীর পড়াশোনা। নেই আলাদা অফিস, নেই পর্যাপ্ত পরিকাঠামো—আছে শুধু সীমাহীন অসুবিধা আর অদম্য চেষ্টা। বর্ষা এলেই দুর্ভোগ চরমে ওঠে। ছাদের ফুটো দিয়ে টপটপ করে জল পড়ে, বই-খাতা ভিজে যায়, ক্লাস নেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। তবুও থেমে থাকে না পড়াশোনা—কারণ এই স্কুলই তাদের একমাত্র ভরসা। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আল হারুন-উল রশিদ জানালেন, বহুবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। অভিভাবকরাও বারবার দাবি তুলেছেন, কিন্তু সমাধান অধরাই। এক পড়ুয়ার কথায় উঠে আসে বাস্তবের নির্মমতা—“আমরা ভালোভাবে পড়তে চাই, কিন্তু স্কুলটা ঠিক না থাকলে কীভাবে পড়ব?” শিক্ষার আলো যেখানে পৌঁছনোর কথা ছিল সবচেয়ে বেশি, সেই প্রান্তিক এলাকায় আজও অবহেলার অন্ধকার। দ্রুত পরিকাঠামো উন্নয়নের দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা, নইলে এই ভগ্নপ্রায় স্কুলেই হারিয়ে যেতে পারে বহু শিশুর স্বপ্ন।
ভগ্নপ্রায় স্কুলেই ভবিষ্যৎ গড়ার লড়াই সেউটি পার্ট-২ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ভগ্নপ্রায় স্কুলেই ভবিষ্যৎ গড়ার লড়াই সেউটি পার্ট-২ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। প্রান্তিক এলাকার এক টুকরো বাস্তব যেন নিঃশব্দে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিচ্ছে—শিক্ষার অধিকার কি শুধু কাগজেই? বামনহাট চক্র সম্পদ কেন্দ্রের অন্তর্গত শুকারুর কুঠি অঞ্চলের সেউটি পার্ট-২ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্র ঠিক তেমনই এক করুণ গল্পের সাক্ষী। প্রায় পাঁচ বছর আগে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গিয়েছিল বিদ্যালয়ের বড় অংশ। সেই ক্ষত আজও শুকায়নি। সংস্কারের কোনও উদ্যোগ না থাকায় একটি মাত্র ভগ্নপ্রায় কক্ষেই গাদাগাদি করে চলছে প্রাক-প্রাথমিক থেকে চতুর্থ শ্রেণির প্রায় ১০০ জন ছাত্রছাত্রীর পড়াশোনা। নেই আলাদা অফিস, নেই পর্যাপ্ত পরিকাঠামো—আছে শুধু সীমাহীন অসুবিধা আর অদম্য চেষ্টা। বর্ষা এলেই দুর্ভোগ চরমে ওঠে। ছাদের ফুটো দিয়ে টপটপ করে জল পড়ে, বই-খাতা ভিজে যায়, ক্লাস নেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। তবুও থেমে থাকে না পড়াশোনা—কারণ এই স্কুলই তাদের একমাত্র ভরসা। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আল হারুন-উল রশিদ জানালেন, বহুবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। অভিভাবকরাও বারবার দাবি তুলেছেন, কিন্তু সমাধান অধরাই। এক পড়ুয়ার কথায় উঠে আসে বাস্তবের নির্মমতা—“আমরা ভালোভাবে পড়তে চাই, কিন্তু স্কুলটা ঠিক না থাকলে কীভাবে পড়ব?” শিক্ষার আলো যেখানে পৌঁছনোর কথা ছিল সবচেয়ে বেশি, সেই প্রান্তিক এলাকায় আজও অবহেলার অন্ধকার। দ্রুত পরিকাঠামো উন্নয়নের দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা, নইলে এই ভগ্নপ্রায় স্কুলেই হারিয়ে যেতে পারে বহু শিশুর স্বপ্ন।
- আলিপুরদুয়ার জেলার বিবেকানন্দ কলেজ সংলগ্ন রাজ্য সড়কে উত্তেজনা ছড়াল স্থানীয় বাসিন্দাদের বিক্ষোভে। অভিযোগ, এস আই আর (SIR) প্রক্রিয়ায় একাধিক ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এর প্রতিবাদে এদিন রাস্তায় নেমে পথ অবরোধ করেন ক্ষুব্ধ মানুষজন। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই এলাকায় বসবাস করলেও হঠাৎ করেই ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী। দ্রুত নাম পুনর্বহালের আশ্বাস না পেলে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভোট বয়কটের হুঁশিয়ারিও দেন বিক্ষোভকারীরা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অবরোধের জেরে রাজ্য সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ বাহিনী এবং প্রশাসনের আধিকারিকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালানো হয় এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়। যদিও বিক্ষোভকারীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, লিখিতভাবে নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর।1
- Post by Jakir Islam1
- 🛑নয়ারহাট পুঁটিমারিতে শীতলকুচি বিধানসভা কেন্দ্রের তৃনমুল প্রার্থী হরিহর দাসের সমর্থনে সভায় বক্তব্য রাখছেন মাথাভাঙা ১ ব্লক সভাপতি মহেন্দ্র বর্মণ1
- North gopal pur primary school coochbehar 2 no block chola chal Kora khuboi kharap2
- ভগ্নপ্রায় স্কুলেই ভবিষ্যৎ গড়ার লড়াই সেউটি পার্ট-২ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। প্রান্তিক এলাকার এক টুকরো বাস্তব যেন নিঃশব্দে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিচ্ছে—শিক্ষার অধিকার কি শুধু কাগজেই? বামনহাট চক্র সম্পদ কেন্দ্রের অন্তর্গত শুকারুর কুঠি অঞ্চলের সেউটি পার্ট-২ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্র ঠিক তেমনই এক করুণ গল্পের সাক্ষী। প্রায় পাঁচ বছর আগে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গিয়েছিল বিদ্যালয়ের বড় অংশ। সেই ক্ষত আজও শুকায়নি। সংস্কারের কোনও উদ্যোগ না থাকায় একটি মাত্র ভগ্নপ্রায় কক্ষেই গাদাগাদি করে চলছে প্রাক-প্রাথমিক থেকে চতুর্থ শ্রেণির প্রায় ১০০ জন ছাত্রছাত্রীর পড়াশোনা। নেই আলাদা অফিস, নেই পর্যাপ্ত পরিকাঠামো—আছে শুধু সীমাহীন অসুবিধা আর অদম্য চেষ্টা। বর্ষা এলেই দুর্ভোগ চরমে ওঠে। ছাদের ফুটো দিয়ে টপটপ করে জল পড়ে, বই-খাতা ভিজে যায়, ক্লাস নেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। তবুও থেমে থাকে না পড়াশোনা—কারণ এই স্কুলই তাদের একমাত্র ভরসা। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আল হারুন-উল রশিদ জানালেন, বহুবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। অভিভাবকরাও বারবার দাবি তুলেছেন, কিন্তু সমাধান অধরাই। এক পড়ুয়ার কথায় উঠে আসে বাস্তবের নির্মমতা—“আমরা ভালোভাবে পড়তে চাই, কিন্তু স্কুলটা ঠিক না থাকলে কীভাবে পড়ব?” শিক্ষার আলো যেখানে পৌঁছনোর কথা ছিল সবচেয়ে বেশি, সেই প্রান্তিক এলাকায় আজও অবহেলার অন্ধকার। দ্রুত পরিকাঠামো উন্নয়নের দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা, নইলে এই ভগ্নপ্রায় স্কুলেই হারিয়ে যেতে পারে বহু শিশুর স্বপ্ন।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের ঘুঘুমারি মোড়ে সোমবার দুপুরে তৈরি হল চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার অভিযোগে ক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের বিক্ষোভে কার্যত ঘেরাও হয়ে পড়েন বিজেপি প্রার্থী **রথীন্দ্রনাথ বোস**। সকাল থেকেই দিনহাটা-২ ব্লকের চৌধুরীহাট, বামনহাট, নয়ারহাট-সহ একাধিক এলাকায় পথ অবরোধে নামেন সাধারণ মানুষ। কারও হাতে জাতীয় পতাকা, কোথাও জ্বলছে টায়ার—ক্ষোভ যেন ফেটে পড়ছে রাস্তায়! অভিযোগ, সব নথি জমা দেওয়ার পরও বহু নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। চতুর্থ অতিরিক্ত তালিকাতেও মিলেনি সমাধান—আর সেই ক্ষোভেই বিস্ফোরণ। এরই মাঝে বিক্ষোভের মুখে পড়ে যায় বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি। কালো পতাকা, উত্তেজনা, স্লোগানে থমকে যায় এলাকা। পরিস্থিতি সামলাতে নেমে পড়ে পুলিশ। ঠিক তখনই দেখা যায় তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী, তৃণমূল প্রার্থী **অভিজিৎ দে ভৌমিক**-কে! ভিড় ঠেলে বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি—রাজনীতির মঞ্চে বিরল এক দৃশ্য! তবে নাটক এখানেই শেষ নয়... গাড়ি বেরিয়ে যাওয়ার পরই বিস্ফোরক অভিযোগ করেন রথীন্দ্রনাথ বোস— “**পুরো ঘটনাই পূর্বপরিকল্পিত! তৃণমূল প্রার্থী নিজেই আক্রমণ করেছেন এবং করিয়েছেন! পুলিশের সামনেই সব হয়েছে!**” 👉 উদ্ধার না কি পরিকল্পিত আক্রমণ? 👉 মানবিকতা না কি রাজনৈতিক চাল? ঘুঘুমারির এই ঘটনায় এখন তোলপাড় গোটা রাজনৈতিক মহল!1
- তুফানগঞ্জে নির্বাচনী প্রচারকে ঘিরে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে একটি স্কুলকে কেন্দ্র করে। তুফানগঞ্জ-২ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত বোচামারি হাই স্কুলে পঠন-পাঠন বন্ধ রেখে রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তুফানগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারে অংশ নিতে অভিনেতা-সাংসদ দীপক অধিকারী (দেব) ওই এলাকায় আসেন। অভিযোগ, তাঁর সভায় যোগ দিতে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা বড় সংখ্যায় জড়ো হন এবং কর্মীদের নিয়ে আসা বাসও স্কুল ক্যাম্পাসের ভিতরে রাখা হয়। এদিকে, অভিভাবকদের একাংশের অভিযোগ—স্কুলের স্বাভাবিক পঠন-পাঠন ব্যাহত করে এই রাজনৈতিক কর্মসূচি করা হয়েছে, যা একেবারেই অনুচিত। তাঁদের দাবি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার না করে পড়াশোনার পরিবেশ বজায় রাখা উচিত। ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। সিপিএম ও বিজেপির তরফে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করা হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, নির্বাচনী স্বার্থে শিক্ষাঙ্গনকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের অসুবিধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। যদিও এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।1