Shuru
Apke Nagar Ki App…
ইয়াচ্ছিনা যত শিখে সরানোর ব্যবস্থা হবে মথরাপুর গ্রাম মাধবপুর গ্রামের ব্রিজটা অতি শীঘ্রই সারানোর ব্যবস্থা করুন ইতি আমার সরকারের কাছে আবেদন রইল
Yeachhin Mondal
ইয়াচ্ছিনা যত শিখে সরানোর ব্যবস্থা হবে মথরাপুর গ্রাম মাধবপুর গ্রামের ব্রিজটা অতি শীঘ্রই সারানোর ব্যবস্থা করুন ইতি আমার সরকারের কাছে আবেদন রইল
More news from Nadia and nearby areas
- বেশ কয়েক জায়গায় চড়ক পূজা হয়েছে নদীয়ার কৃষ্ণনগরে ; এসো ঘুরে আসি, সে রকমই এক চড়ক পূজা থেকে। বাংলা বছরের শেষে, অথবা প্রথমে, চড়ক পূজা শেষে, চড়ক গাছ ঘোরানো হয়! চড়ক গাছের সঙ্গে ঘুরতে থাকে, হুঁকে বিদ্ধ সন্ন্যাসী। দৃশ্যটি অস্বস্তিকর বলে আমি সাধারণত দেখতে যাই না! এই রীতি পালনের প্রস্তুতি চলে, অনেক আগে থেকেই। কিছু মানুষ সাময়িকভাবে সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করে। চলো যাই সে রকমই এক আখড়ায়। লেখনী ভিডিওগ্রাফি ও এডিটিং: অনুপম সরকার চক্রবর্তী।1
- ভোটার দের সাহস দেওয়ার জন্য টহল দেওয়া হলো কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে রুটমার্চ নাকাশীপাড়া পুলিশের বীরপুর ঘাট ও পেটোয়াভাঙা এলাকায়1
- *নবদ্বীপে পুলিশের বড় সাফল্য: হেরোইন-সহ নগদ লক্ষাধিক টাকা উদ্ধার, গ্রেফতার এক!* গোপাল বিশ্বাস, নদীয়াঃ নদীয়ার নবদ্বীপে বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ। নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য হেরোইন ও বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা-সহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে নবদ্বীপ থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নবদ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক বরুণ গায়েণের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী শহরের দক্ষিণাঞ্চলের বিবেকানন্দ কলোনী এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকেই নন্দন রায় ওরফে মনোতোষ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতের বাড়ি নবদ্বীপ পৌরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে। তল্লাশি চালিয়ে ধৃতের কাছ থেকে প্রায় ২৯ গ্রাম নিষিদ্ধ হেরোইন উদ্ধার করে পুলিশ। পাশাপাশি একটি ব্যাগ থেকে মাদক ব্যবসার লেনদেনের সন্দেহে নগদ ২ লক্ষ ৮৭ হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছে। এছাড়াও একটি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা রুজু করে পাঁচ দিনের নিজেদের হেফাজতে চেয়ে বৃহস্পতিবারই তাকে কৃষ্ণনগরের বিশেষ আদালতে পেশ করা হয়েছে। ধৃত ব্যক্তি কোথা থেকে হেরোইন সংগ্রহ করেছিল এবং এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ যুক্ত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রুখতে পুলিশ প্রশাসনের এই তৎপরতা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।1
- জয়ের বিষয়ে আশাবাদী নিয়ে কি জানালেন রানাঘাট দক্ষিণের চিকিৎসক সৌগত বর্মন1
- পুরোটা দেখুন বিস্তারিত জানুন সাংবাদিক চিরঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় WhatsApp 7059664100 Media Centre 97325901041
- রাজ কুমার ঘোষ।কালনা। কালনা২'নম্বর ব্লক আনুখাল গ্রাম পঞ্চায়েতের কদম্বা গ্রামে রাতের অন্ধকারে তৃণমূলের পতাকা ফেস্টুন পোস্টার ছেড়ে দিল কিছু দুষ্কৃতীরা। এ নিয়ে গ্রামে চাপা উত্তেজনাও সৃষ্টি হয়েছে। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি অভিযোগের তীর একমাত্র করতে পারে বিজেপির লোকেরা। কেননা লড়াইটা বিজেপির সঙ্গে তৃণমূলেরই হচ্ছে। অন্য কোন রাজনৈতিক দল এটা করবে না তারা স্পষ্ট ভাবেই জানালেন। তবে বিজেপি নেতা অভিযোগ নস্যাৎ করে বলেন এটা তৃণমূলেরই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আর এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব জেরে তারা পতাকা ফেস্টুন এইভাবে ছিড়ে জলে ফেলে দিচ্ছে এর সঙ্গে বিজেপির কোন যোগ নেই। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে জানালে নির্বাচনী আধিকারিকরা এসে পুকুরের জল থেকে পতাকা ফেস্টুন তোরে এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে আশ্বস্ত করেন এর যথাযথ তদন্ত করা হবে।1
- কল্যাণী বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী আবহে এদিন বিশেষ গুরুত্ব পেল দুই বহুল চর্চিত স্লোগান—“জয় বাংলা” ও “জয় শ্রীরাম”। এই দুই মেরুর রাজনৈতিক বার্তার মাঝেই দাঁড়িয়ে ভিন্ন সুরে কথা বললেন ঘাটালের সাংসদ তথা অভিনেতা দীপক অধিকারী (দেব)। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ডা: অতীন্দ্রনাথ মন্ডল-এর সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় উপস্থিত হয়ে দেব সরাসরি ভোটারদের উদ্দেশে বার্তা দেন— “জয় বাংলা আর জয় শ্রীরামের মাঝে পড়ে থাকবেন না। যারা উন্নয়ন করছে, যারা কাজ করছে—তাদেরই ভোট দিন, তাদেরই বেছে নিন।” দেবের এই বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উঠে আসে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের এক গুরুত্বপূর্ণ দিক—স্লোগান বনাম উন্নয়ন। তিনি বোঝাতে চান, আবেগঘন রাজনৈতিক স্লোগানের চেয়ে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে কাজের প্রভাবই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সভাস্থলে এদিন ব্যাপক জনসমাগম লক্ষ্য করা যায়। দেবকে একঝলক দেখার জন্য ভক্তদের মধ্যে ছিল প্রবল উন্মাদনা। পাশাপাশি রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। মঞ্চে দেব উঠতেই করতালি ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। বক্তব্যের মাধ্যমে দেব একপ্রকার স্পষ্ট বার্তা দেন—ভোট যেন বিভাজনের রাজনীতিতে প্রভাবিত না হয়ে উন্নয়নমূলক কাজের ভিত্তিতে হয়। তাঁর আহ্বান, যাঁরা মানুষের পাশে থেকেছেন এবং বাস্তবে কাজ করেছেন, তাঁদেরই পুনরায় নির্বাচিত করা উচিত। সবমিলিয়ে, “জয় বাংলা” ও “জয় শ্রীরাম”—এই দুই স্লোগানের দ্বন্দ্বের মাঝখানে দাঁড়িয়ে কল্যাণীর এই জনসভা থেকে উঠে এল উন্নয়নমুখী রাজনীতির বার্তা, যা ভোটের আগে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।10
- Post by JYOTIRMOY CHAKRABORTY1