Shuru
Apke Nagar Ki App…
জয়ের বিষয়ে আশাবাদী নিয়ে কি জানালেন রানাঘাট দক্ষিণের চিকিৎসক সৌগত বর্মন
Ranaghat News
জয়ের বিষয়ে আশাবাদী নিয়ে কি জানালেন রানাঘাট দক্ষিণের চিকিৎসক সৌগত বর্মন
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- জয়ের বিষয়ে আশাবাদী নিয়ে কি জানালেন রানাঘাট দক্ষিণের চিকিৎসক সৌগত বর্মন1
- পুরোটা দেখুন বিস্তারিত জানুন সাংবাদিক চিরঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় WhatsApp 7059664100 Media Centre 97325901041
- কল্যাণী বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী আবহে এদিন বিশেষ গুরুত্ব পেল দুই বহুল চর্চিত স্লোগান—“জয় বাংলা” ও “জয় শ্রীরাম”। এই দুই মেরুর রাজনৈতিক বার্তার মাঝেই দাঁড়িয়ে ভিন্ন সুরে কথা বললেন ঘাটালের সাংসদ তথা অভিনেতা দীপক অধিকারী (দেব)। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ডা: অতীন্দ্রনাথ মন্ডল-এর সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় উপস্থিত হয়ে দেব সরাসরি ভোটারদের উদ্দেশে বার্তা দেন— “জয় বাংলা আর জয় শ্রীরামের মাঝে পড়ে থাকবেন না। যারা উন্নয়ন করছে, যারা কাজ করছে—তাদেরই ভোট দিন, তাদেরই বেছে নিন।” দেবের এই বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উঠে আসে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের এক গুরুত্বপূর্ণ দিক—স্লোগান বনাম উন্নয়ন। তিনি বোঝাতে চান, আবেগঘন রাজনৈতিক স্লোগানের চেয়ে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে কাজের প্রভাবই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সভাস্থলে এদিন ব্যাপক জনসমাগম লক্ষ্য করা যায়। দেবকে একঝলক দেখার জন্য ভক্তদের মধ্যে ছিল প্রবল উন্মাদনা। পাশাপাশি রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। মঞ্চে দেব উঠতেই করতালি ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। বক্তব্যের মাধ্যমে দেব একপ্রকার স্পষ্ট বার্তা দেন—ভোট যেন বিভাজনের রাজনীতিতে প্রভাবিত না হয়ে উন্নয়নমূলক কাজের ভিত্তিতে হয়। তাঁর আহ্বান, যাঁরা মানুষের পাশে থেকেছেন এবং বাস্তবে কাজ করেছেন, তাঁদেরই পুনরায় নির্বাচিত করা উচিত। সবমিলিয়ে, “জয় বাংলা” ও “জয় শ্রীরাম”—এই দুই স্লোগানের দ্বন্দ্বের মাঝখানে দাঁড়িয়ে কল্যাণীর এই জনসভা থেকে উঠে এল উন্নয়নমুখী রাজনীতির বার্তা, যা ভোটের আগে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।10
- বেশ কয়েক জায়গায় চড়ক পূজা হয়েছে নদীয়ার কৃষ্ণনগরে ; এসো ঘুরে আসি, সে রকমই এক চড়ক পূজা থেকে। বাংলা বছরের শেষে, অথবা প্রথমে, চড়ক পূজা শেষে, চড়ক গাছ ঘোরানো হয়! চড়ক গাছের সঙ্গে ঘুরতে থাকে, হুঁকে বিদ্ধ সন্ন্যাসী। দৃশ্যটি অস্বস্তিকর বলে আমি সাধারণত দেখতে যাই না! এই রীতি পালনের প্রস্তুতি চলে, অনেক আগে থেকেই। কিছু মানুষ সাময়িকভাবে সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করে। চলো যাই সে রকমই এক আখড়ায়। লেখনী ভিডিওগ্রাফি ও এডিটিং: অনুপম সরকার চক্রবর্তী।1
- রাজ কুমার ঘোষ।কালনা। কালনা২'নম্বর ব্লক আনুখাল গ্রাম পঞ্চায়েতের কদম্বা গ্রামে রাতের অন্ধকারে তৃণমূলের পতাকা ফেস্টুন পোস্টার ছেড়ে দিল কিছু দুষ্কৃতীরা। এ নিয়ে গ্রামে চাপা উত্তেজনাও সৃষ্টি হয়েছে। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি অভিযোগের তীর একমাত্র করতে পারে বিজেপির লোকেরা। কেননা লড়াইটা বিজেপির সঙ্গে তৃণমূলেরই হচ্ছে। অন্য কোন রাজনৈতিক দল এটা করবে না তারা স্পষ্ট ভাবেই জানালেন। তবে বিজেপি নেতা অভিযোগ নস্যাৎ করে বলেন এটা তৃণমূলেরই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আর এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব জেরে তারা পতাকা ফেস্টুন এইভাবে ছিড়ে জলে ফেলে দিচ্ছে এর সঙ্গে বিজেপির কোন যোগ নেই। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে জানালে নির্বাচনী আধিকারিকরা এসে পুকুরের জল থেকে পতাকা ফেস্টুন তোরে এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে আশ্বস্ত করেন এর যথাযথ তদন্ত করা হবে।1
- বাংলায় নির্বাচন, বিধানসভার নির্বাচন। ধীরে ধীরে নির্বাচনের উত্তাপ বাড়ছে। চলছে জনমত সমীক্ষা। কি বলছে কলকাতার আবাঙালি সমাজ? তারা কাকে চাই? মোদী না দিদি?1
- বহুরূপীদের মধ্যে কে হবে প্রথম স্থান অধিকারী ১ যেমন ঢেঁকিতে আটা কোটা ২ মাটির খেলনা দোকান ৩ কোদাল দিয়ে মাটিকাটা ৪ ধান শুকানো ৫ পশুপালন করা এছাড়া আরো বহুরূপী সাজ #News #Jiotvnews1
- রাজ কুমার ঘোষ।কালনা। তৃণমূল প্রার্থীর বেফাশ মন্তব্য, আসরে পদ্ম শিবিরের প্রার্থী, কালনায় পূর্বস্থলী উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন করে চড়ল রাজনৈতিক উত্তাপ। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী বসুন্ধরা গোস্বামীর একটি কর্মীসভায় করা মন্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক, যা ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে শোনা যাচ্ছে, কর্মীদের উদ্দেশ্যে বসুন্ধরা গোস্বামী বলছেন, দিদি আমাদের যাদের পাঠান, তাদের কোনও ব্যক্তিগত ক্ষমতা নেই। আমরা সবাই ল্যাম্পপোস্ট, একটাই পোস্ট। একটা তিনি ধাঁতানি দিলেই সবকিছু একসঙ্গে ঝুরঝুর করে ভেঙে পড়ে যাবে।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।এই ইস্যুকে হাতিয়ার করে সরব হয়েছে বিজেপি। পূর্বস্থলী উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী গোপাল চট্টোপাধ্যায় কড়া ভাষায় পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে বলেন, “উনি কথাটা ঠিকই বলেছেন, তবে এখন আর ল্যাম্পপোস্টও নেই।” পাশাপাশি তিনি আরও অভিযোগ করেন, বসুন্ধরা গোস্বামী নিজের সম্ভাব্য পরাজয়ের আশঙ্কা থেকেই এই ধরনের মন্তব্য করেছেন এবং সেই দায় এড়াতে মুখ্যমন্ত্রীর ওপর চাপানোর চেষ্টা করছেন।1