logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

আরামবাগে যুবককে লক্ষ্য করে গুলি, কাঠগড়ায় খোদ বিজেপি নেতা! নেপথ্যে কি দলেরই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব? রাতের অন্ধকারে যুবককে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল আরামবাগের ৪ নম্বর মণ্ডল এলাকায়। গুলিবিদ্ধ যুবকের নাম সুজন গড়ায়। তিনি নিজেকে বিজেপির যুব মোর্চার সক্রিয় কর্মী বলে দাবি করেছেন। এই ঘটনায় পুলিশ মূল অভিযুক্ত হিসেবে সাঁলাপুর ২ নম্বর অঞ্চলের বিজেপি কনভেনর দীপঙ্কর হাজরাকে গ্রেফতার করে আজ আরামবাগ মহকুমা আদালতে পেশ করেছে। ঘটনাটি বিজেপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল, নাকি নিছকই ব্যক্তিগত শত্রুতা— তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে ডোঙ্গল এলাকা থেকে কার্পাটি বাজারে নিজের বাড়ি ফিরছিলেন সুজন গড়ায়। অভিযোগ, পথিমধ্যেই তাঁকে লক্ষ্য করে আচমকা গুলি চালানো হয়। গুলি তাঁর পা ফুঁড়ে বেরিয়ে যায়। রক্তাক্ত ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। হাসপাতাল শয্যা থেকেই সুজন ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ স্থানীয় বিজেপি নেতা দীপঙ্কর হাজরাকে গ্রেফতার করলেও, তিনি নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। পুলিশি হেফাজতে তিনি পালটা চক্রান্তের অভিযোগ তুলে বলেন, "তৃণমূলের লোকজন রাতের অন্ধকারে বিজেপির ছদ্মবেশে আমার বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। আমি বাড়িতে না থাকায় আমার স্ত্রীর ওপর অত্যাচার করা হয় এবং পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালানো হয়।" শুধু তাই নয়, নিজের শারীরিক অক্ষমতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, "আমার একটা হাত কাটা। এই অবস্থায় আমি কীভাবে বন্দুক ধরে গুলি চালাব?" অভিযোগকারীদের তিনি 'ভোটের সময় তৈরি হওয়া ভণ্ড' বলেও কটাক্ষ করেছেন। আরামবাগ ৪ নম্বর মণ্ডলের বিজেপি সভাপতি সুশোভন রায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্ব সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, আহত যুবক দলের সক্রিয় কর্মীই নন। আর্থিক দেনা-পাওনা বা ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে এই ঘটনা ঘটতে পারে। বিষয়টিকে অহেতুক রাজনৈতিক রং দেওয়া হচ্ছে। আরামবাগ থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার সবকটি দিক খতিয়ে দেখছে। এটি সত্যিই কোনো রাজনৈতিক সংঘর্ষ, নাকি এর পেছনে রয়েছে কোনো ব্যক্তিগত বা আর্থিক বিবাদ—তা স্পষ্ট করতে তদন্ত চলছে। এলাকায় নতুন করে যাতে কোনো উত্তেজনা না ছড়ায়, তার জন্য পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে।

23 hrs ago
user_News Arambagh Town
News Arambagh Town
সাংবাদিক আরামবাগ, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ•
23 hrs ago

আরামবাগে যুবককে লক্ষ্য করে গুলি, কাঠগড়ায় খোদ বিজেপি নেতা! নেপথ্যে কি দলেরই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব? রাতের অন্ধকারে যুবককে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল আরামবাগের ৪ নম্বর মণ্ডল এলাকায়। গুলিবিদ্ধ যুবকের নাম সুজন গড়ায়। তিনি নিজেকে বিজেপির যুব মোর্চার সক্রিয় কর্মী বলে দাবি করেছেন। এই ঘটনায় পুলিশ মূল অভিযুক্ত হিসেবে সাঁলাপুর ২ নম্বর অঞ্চলের বিজেপি কনভেনর দীপঙ্কর হাজরাকে গ্রেফতার করে আজ আরামবাগ মহকুমা আদালতে পেশ করেছে। ঘটনাটি বিজেপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল, নাকি নিছকই ব্যক্তিগত শত্রুতা— তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে ডোঙ্গল এলাকা থেকে কার্পাটি বাজারে নিজের বাড়ি ফিরছিলেন সুজন গড়ায়। অভিযোগ, পথিমধ্যেই তাঁকে লক্ষ্য করে আচমকা গুলি চালানো হয়। গুলি তাঁর পা ফুঁড়ে বেরিয়ে যায়। রক্তাক্ত ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। হাসপাতাল শয্যা থেকেই সুজন ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ স্থানীয় বিজেপি নেতা দীপঙ্কর হাজরাকে গ্রেফতার করলেও, তিনি নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। পুলিশি হেফাজতে তিনি পালটা চক্রান্তের অভিযোগ তুলে বলেন, "তৃণমূলের লোকজন রাতের অন্ধকারে বিজেপির ছদ্মবেশে আমার বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। আমি বাড়িতে না থাকায় আমার স্ত্রীর ওপর অত্যাচার করা হয় এবং পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালানো হয়।" শুধু তাই নয়, নিজের শারীরিক অক্ষমতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, "আমার একটা হাত কাটা। এই অবস্থায় আমি কীভাবে বন্দুক ধরে গুলি চালাব?" অভিযোগকারীদের তিনি 'ভোটের সময় তৈরি হওয়া ভণ্ড' বলেও কটাক্ষ করেছেন। আরামবাগ ৪ নম্বর মণ্ডলের বিজেপি সভাপতি সুশোভন রায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্ব সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, আহত যুবক দলের সক্রিয় কর্মীই নন। আর্থিক দেনা-পাওনা বা ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে এই ঘটনা ঘটতে পারে। বিষয়টিকে অহেতুক রাজনৈতিক রং দেওয়া হচ্ছে। আরামবাগ থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার সবকটি দিক খতিয়ে দেখছে। এটি সত্যিই কোনো রাজনৈতিক সংঘর্ষ, নাকি এর পেছনে রয়েছে কোনো ব্যক্তিগত বা আর্থিক বিবাদ—তা স্পষ্ট করতে তদন্ত চলছে। এলাকায় নতুন করে যাতে কোনো উত্তেজনা না ছড়ায়, তার জন্য পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে।

More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
  • এটা শালতোড়ার বিধায়িকা চন্দনা বাউরির মুখের ভাষা, রীতিমতো হুমকি দিচ্ছে ওই আসা দিদিদের। যদি কেউ ভূল ও করে থাকে আপনি অন ক্যামেরা কাওকে অপমান করতে পারেন না, এটা শালতোড়ার বিধায়িকা চন্দনা বাউরির মুখের ভাষা, রীতিমতো হুমকি দিচ্ছে ওই আসা দিদিদের। যদি কেউ ভূল ও করে থাকে আপনি অন ক্যামেরা কাওকে অপমান করতে পারেন না, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিন। সবার ই রাইট টু প্রাইভেসি , রাইট টু লাইফ আছে (যদিও আপনি ওসব টপিক এর ধার ধারেননি)। আর এটুকু বলতে পারি ওনারা অন্তত অপনার চেয়ে একটু হলেও বেশী কাজ করেন। মানুষ সবই দেখতে পাচ্ছে কারা মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। আজ এই নিয়ম,কাল ওই নিয়ম অপনারা একটা স্কীম ও মানুষকে দিতে চান না। রাজনীতি তে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও শালীনতা এগুলো বড্ড দরকার। ওই মহিলা গুলো মাত্র 10-12 হাজার মাইনে পায় ।গ্রামের প্রায় সব দায়িত্বই ওদের হাতে"They are the backbone of rural India "। ধিক্কার জানাই এরকম রিলবাজী কে।
    1
    এটা শালতোড়ার বিধায়িকা চন্দনা বাউরির মুখের ভাষা, রীতিমতো হুমকি দিচ্ছে ওই আসা দিদিদের। যদি কেউ ভূল ও করে থাকে আপনি অন ক্যামেরা কাওকে অপমান করতে পারেন না,
এটা শালতোড়ার বিধায়িকা চন্দনা বাউরির মুখের ভাষা, রীতিমতো হুমকি দিচ্ছে ওই আসা দিদিদের। যদি কেউ ভূল ও করে থাকে আপনি অন ক্যামেরা কাওকে অপমান করতে পারেন না, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিন। সবার ই রাইট টু প্রাইভেসি , রাইট টু লাইফ আছে (যদিও আপনি ওসব টপিক এর ধার ধারেননি)। আর এটুকু বলতে পারি ওনারা অন্তত অপনার চেয়ে একটু হলেও বেশী কাজ করেন। মানুষ সবই দেখতে পাচ্ছে  কারা মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। আজ এই নিয়ম,কাল ওই নিয়ম অপনারা একটা স্কীম ও মানুষকে দিতে চান না।
রাজনীতি তে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও শালীনতা এগুলো বড্ড দরকার। ওই মহিলা গুলো মাত্র 10-12 হাজার মাইনে পায় ।গ্রামের প্রায় সব দায়িত্বই ওদের হাতে"They are the backbone of rural India "।
ধিক্কার জানাই এরকম রিলবাজী কে।
    user_Chinmoy Pal
    Chinmoy Pal
    Local News Reporter গোগাট ২, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ•
    10 hrs ago
  • Post by Abhijit Santra
    1
    Post by Abhijit Santra
    user_Abhijit Santra
    Abhijit Santra
    Youth Social Services Organisation কোতুলপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিমবঙ্গ•
    7 hrs ago
  • মালদা জেলা পুলিশের উদ্যোগে সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো সড়ক নিরাপত্তা সপ্তাহ
    1
    মালদা জেলা পুলিশের উদ্যোগে সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো সড়ক নিরাপত্তা সপ্তাহ
    user_Tv20 বাংলা
    Tv20 বাংলা
    সাংবাদিক সিন্ধু, বাঁকুড়া, পশ্চিমবঙ্গ•
    2 hrs ago
  • জৈবিক চাষে ফিরল ঐতিহ্য, উত্তর পলাশে দেশি ধানের জোয়ার!#MukherjeeNews #SiliguriNews #Champasari #UttarPalash #OrganicFarming #JaivikChas #DesiDhan #KaloNuniya #Tulaipanji #Siliguri #NorthBengalNews #KrishiKhobor #Environment #ViralNews #BengalNews
    1
    জৈবিক চাষে ফিরল ঐতিহ্য, উত্তর পলাশে দেশি ধানের জোয়ার!#MukherjeeNews #SiliguriNews #Champasari #UttarPalash #OrganicFarming #JaivikChas #DesiDhan #KaloNuniya #Tulaipanji #Siliguri #NorthBengalNews #KrishiKhobor #Environment #ViralNews #BengalNews
    user_মুখার্জী নিউজ
    মুখার্জী নিউজ
    Credit reporting agency কোতুলপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিমবঙ্গ•
    44 min ago
  • আরামবাগে যুবককে লক্ষ্য করে গুলি, কাঠগড়ায় খোদ বিজেপি নেতা! নেপথ্যে কি দলেরই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব? রাতের অন্ধকারে যুবককে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল আরামবাগের ৪ নম্বর মণ্ডল এলাকায়। গুলিবিদ্ধ যুবকের নাম সুজন গড়ায়। তিনি নিজেকে বিজেপির যুব মোর্চার সক্রিয় কর্মী বলে দাবি করেছেন। এই ঘটনায় পুলিশ মূল অভিযুক্ত হিসেবে সাঁলাপুর ২ নম্বর অঞ্চলের বিজেপি কনভেনর দীপঙ্কর হাজরাকে গ্রেফতার করে আজ আরামবাগ মহকুমা আদালতে পেশ করেছে। ঘটনাটি বিজেপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল, নাকি নিছকই ব্যক্তিগত শত্রুতা— তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে ডোঙ্গল এলাকা থেকে কার্পাটি বাজারে নিজের বাড়ি ফিরছিলেন সুজন গড়ায়। অভিযোগ, পথিমধ্যেই তাঁকে লক্ষ্য করে আচমকা গুলি চালানো হয়। গুলি তাঁর পা ফুঁড়ে বেরিয়ে যায়। রক্তাক্ত ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। হাসপাতাল শয্যা থেকেই সুজন ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ স্থানীয় বিজেপি নেতা দীপঙ্কর হাজরাকে গ্রেফতার করলেও, তিনি নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। পুলিশি হেফাজতে তিনি পালটা চক্রান্তের অভিযোগ তুলে বলেন, "তৃণমূলের লোকজন রাতের অন্ধকারে বিজেপির ছদ্মবেশে আমার বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। আমি বাড়িতে না থাকায় আমার স্ত্রীর ওপর অত্যাচার করা হয় এবং পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালানো হয়।" শুধু তাই নয়, নিজের শারীরিক অক্ষমতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, "আমার একটা হাত কাটা। এই অবস্থায় আমি কীভাবে বন্দুক ধরে গুলি চালাব?" অভিযোগকারীদের তিনি 'ভোটের সময় তৈরি হওয়া ভণ্ড' বলেও কটাক্ষ করেছেন। আরামবাগ ৪ নম্বর মণ্ডলের বিজেপি সভাপতি সুশোভন রায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্ব সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, আহত যুবক দলের সক্রিয় কর্মীই নন। আর্থিক দেনা-পাওনা বা ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে এই ঘটনা ঘটতে পারে। বিষয়টিকে অহেতুক রাজনৈতিক রং দেওয়া হচ্ছে। আরামবাগ থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার সবকটি দিক খতিয়ে দেখছে। এটি সত্যিই কোনো রাজনৈতিক সংঘর্ষ, নাকি এর পেছনে রয়েছে কোনো ব্যক্তিগত বা আর্থিক বিবাদ—তা স্পষ্ট করতে তদন্ত চলছে। এলাকায় নতুন করে যাতে কোনো উত্তেজনা না ছড়ায়, তার জন্য পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে।
    1
    আরামবাগে যুবককে লক্ষ্য করে গুলি, কাঠগড়ায় খোদ বিজেপি নেতা! নেপথ্যে কি দলেরই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব?

রাতের অন্ধকারে যুবককে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল আরামবাগের ৪ নম্বর মণ্ডল এলাকায়। গুলিবিদ্ধ যুবকের নাম সুজন গড়ায়। তিনি নিজেকে বিজেপির যুব মোর্চার সক্রিয় কর্মী বলে দাবি করেছেন। এই ঘটনায় পুলিশ মূল অভিযুক্ত হিসেবে সাঁলাপুর ২ নম্বর অঞ্চলের বিজেপি কনভেনর দীপঙ্কর হাজরাকে গ্রেফতার করে আজ আরামবাগ মহকুমা আদালতে পেশ করেছে। ঘটনাটি বিজেপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল, নাকি নিছকই ব্যক্তিগত শত্রুতা— তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে ডোঙ্গল এলাকা থেকে কার্পাটি বাজারে নিজের বাড়ি ফিরছিলেন সুজন গড়ায়। অভিযোগ, পথিমধ্যেই তাঁকে লক্ষ্য করে আচমকা গুলি চালানো হয়। গুলি তাঁর পা ফুঁড়ে বেরিয়ে যায়। রক্তাক্ত ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। হাসপাতাল শয্যা থেকেই সুজন ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ স্থানীয় বিজেপি নেতা দীপঙ্কর হাজরাকে গ্রেফতার করলেও, তিনি নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। পুলিশি হেফাজতে তিনি পালটা চক্রান্তের অভিযোগ তুলে বলেন, "তৃণমূলের লোকজন রাতের অন্ধকারে বিজেপির ছদ্মবেশে আমার বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। আমি বাড়িতে না থাকায় আমার স্ত্রীর ওপর অত্যাচার করা হয় এবং পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালানো হয়।"
শুধু তাই নয়, নিজের শারীরিক অক্ষমতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, "আমার একটা হাত কাটা। এই অবস্থায় আমি কীভাবে বন্দুক ধরে গুলি চালাব?" অভিযোগকারীদের তিনি 'ভোটের সময় তৈরি হওয়া ভণ্ড' বলেও কটাক্ষ করেছেন।
আরামবাগ ৪ নম্বর মণ্ডলের বিজেপি সভাপতি সুশোভন রায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্ব সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, আহত যুবক দলের সক্রিয় কর্মীই নন। আর্থিক দেনা-পাওনা বা ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে এই ঘটনা ঘটতে পারে। বিষয়টিকে অহেতুক রাজনৈতিক রং দেওয়া হচ্ছে।
আরামবাগ থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার সবকটি দিক খতিয়ে দেখছে। এটি সত্যিই কোনো রাজনৈতিক সংঘর্ষ, নাকি এর পেছনে রয়েছে কোনো ব্যক্তিগত বা আর্থিক বিবাদ—তা স্পষ্ট করতে তদন্ত চলছে। এলাকায় নতুন করে যাতে কোনো উত্তেজনা না ছড়ায়, তার জন্য পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে।
    user_News Arambagh Town
    News Arambagh Town
    সাংবাদিক আরামবাগ, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ•
    23 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.