Shuru
Apke Nagar Ki App…
মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ অনুসরণ করে, মাথাভাঙ্গা থানার পুলিশকর্মীরা মাথাভাঙ্গা নেতাজি সুভাষ ক্রীড়াঙ্গনে শরীরচর্চায় অংশ নিচ্ছেন। এই পদক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর নেওয়া হয়েছে।
Pankaj paul
মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ অনুসরণ করে, মাথাভাঙ্গা থানার পুলিশকর্মীরা মাথাভাঙ্গা নেতাজি সুভাষ ক্রীড়াঙ্গনে শরীরচর্চায় অংশ নিচ্ছেন। এই পদক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর নেওয়া হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- আজ জটেশ্বর বাজারে বিজেপির একটি রোড শো এবং মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ইভেন্টকে কেন্দ্র করে বাজারে এক 'জোরদার জ্বর' পরিলক্ষিত হয়েছে।1
- আবাস প্রকল্পে ‘কাটমানি’ নেওয়ার গুরুতর অভিযোগকে কেন্দ্র করে ঘুঘুমারি এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই অভিযোগের জেরে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়ির সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।1
- মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শের পর মাথাভাঙ্গা থানায় পুলিশকর্মীরা শরীরচর্চা শুরু করেছেন।1
- সিপিআই(এম)-এর শ্রমিক সংগঠন সি আই টি ইউ দিনহাটা শহরে হকার উচ্ছেদের প্রতিবাদে এক বিশাল মিছিলের আয়োজন করে। শনিবার দুপুরে সংগঠনের উদ্যোগে এই প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সংগঠনের কর্মী-সমর্থকরা ব্যাপক অংশগ্রহণ করেন। সংগঠনের নেতৃত্বের মূল দাবি হলো, পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে কোনওভাবেই হকার উচ্ছেদ করা চলবে না এবং অবিলম্বে হকারদের জন্য উপযুক্ত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। এই দাবিকে সামনে রেখেই এদিন কর্মী-সমর্থকরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। প্রতিবাদ মিছিলটি শহরের স্টেশন চৌপতি সংলগ্ন এলাকা থেকে শুরু হয়ে দিনহাটার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে। মিছিল থেকে হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে জোরালো স্লোগান তোলা হয় এবং অংশগ্রহণকারীরা পুনর্বাসনের দাবিতে সোচ্চার হন। সি আই টি ইউ নেতৃত্বের অভিযোগ, রাজ্যে ক্ষমতা পরিবর্তনের পর থেকে বিভিন্ন জায়গায় বুলডোজার দিয়ে হকার উচ্ছেদের ঘটনা সামনে এসেছে। তাদের মতে, এর ফলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর জীবিকা সংকটের মুখে পড়েছে। এই ধরনের উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদ জানাতে এবং হকারদের পুনর্বাসনের দাবিতেই দিনহাটা শহরে এই প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয়।1
- রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার পাশাপাশি কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ ব্লকের চ্যাংড়াবান্ধা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে এইচপিভি (HPV) টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। কিশোরীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং গুরুতর রোগের ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে এই কর্মসূচির সূচনা করা হয়েছে। এর আগে, কলকাতায় একটি অনুষ্ঠানে রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী এই টিকাকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। চ্যাংড়াবান্ধা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ আম্বুজ ঠাকুর, চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা। মেখলিগঞ্জের বিধায়ক দধিরাম রায়ের প্রতিনিধি হিসেবে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য সুনির্মল গুহও উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচির উদ্বোধনী পর্বে কয়েকজন কিশোরীকে এইচপিভি টিকা প্রদান করা হয় এবং পরবর্তীতে সবাইকে এই টিকা গ্রহণে আহ্বান জানানো হয়। উপস্থিত অতিথিরা যারা টিকা নিয়েছিল তাদের হাতে শংসাপত্র তুলে দেন। স্বাস্থ্যকর্মীরা টিকাটির গুরুত্ব ও উপকারিতা সম্পর্কে অভিভাবক ও উপভোক্তাদের সচেতন করেন। স্বাস্থ্য দপ্তরের এই উদ্যোগকে এলাকার বাসিন্দারা স্বাগত জানিয়েছেন। কিশোরীদের সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য এই কর্মসূচিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।1
- ডেপুটেশন জমা দিতে চন্ডিতলা থানায় যাওয়ার সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আক্রান্ত হয়ে রক্তাক্ত হন। তাকে ঘিরে একদল সাধারণ মানুষ কালো পতাকা দেখায় এবং 'চোর চোর' স্লোগান দেয়। এই সময় তার গায়ে চর চপাটা লাগে এবং দূর থেকে তাকে লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়া হয়, যা তার মাথায় আঘাত করে। এর ফলে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথায় চোট লাগে। এই ঘটনার পর তিনি অভিযোগ করেন যে বিজেপি কর্মীদের দ্বারা তিনি আক্রান্ত হয়েছেন। তবে, বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।1
- আলিপুরদুয়ার জেলার ফাঁসখাওয়া চা-বাগান এলাকায় গভীর রাতে একটি পূর্ণবয়স্ক বুনো হাতির তাণ্ডবে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খাবারের সন্ধানে হাতিটি চা-বাগান সংলগ্ন একটি রেশন গোডাউনে ঢুকে পড়ে। গোডাউনের সামনে এসে হাতিটি শাটারে জোরে ধাক্কা মারতে শুরু করে এবং একসময় শাটার ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। স্থানীয়দের অনুমান, গোডাউনের ভেতরে থাকা খাদ্যসামগ্রীর গন্ধে আকৃষ্ট হয়েই হাতিটি সেখানে তাণ্ডব চালিয়েছিল। রাতের নিস্তব্ধতায় বিকট শব্দ শুনে এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। অনেকেই ঘর থেকে বেরিয়ে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করলেও বুনো হাতির উপস্থিতির কারণে কেউ কাছে যাওয়ার সাহস পাননি। এই ঘটনায় গোডাউনের শাটারসহ বেশ কিছু সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে বনদপ্তরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। দীর্ঘ সময়ের চেষ্টার পর হাতিটিকে নিরাপদে জঙ্গলের দিকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রায়শই হাতির দল লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। খাদ্যের সন্ধানে চা-বাগান ও জনবসতিপূর্ণ এলাকায় হাতির আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এলাকাবাসী বনদপ্তরের কাছে এই সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। এই বুনো হাতির তাণ্ডবে ফাঁসখাওয়া চা-বাগান এলাকায় এখনও আতঙ্ক ছড়িয়ে রয়েছে। বনদপ্তর পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।1
- অমৃত ভারত স্টেশন স্কিমের অধীনে হলদিবাড়ি স্টেশন চত্বরকে নতুনভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। এই নবনির্মিত স্টেশন চত্বরের উদ্বোধনের ঠিক আগে কাটিহার ডিভিশনের ডিআরএম (DRM) পরিদর্শনে আসেন।1
- রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, কারণ পরপর দু'দিনে তৃণমূলের দুই শীর্ষ নেতা বিক্ষোভ ও হামলার অভিযোগের মুখে পড়েছেন। শনিবার সোনারপুরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার অভিযোগের রেশ কাটতে না কাটতেই রবিবার হুগলির চণ্ডীতলায় শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিক্ষোভের মুখে পড়েন। সোনারপুরের ঘটনার প্রতিবাদে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা চণ্ডীতলা থানায় ডেপুটেশন জমা দিতে গেলে, থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভ চলাকালীনই একদল বিক্ষোভকারী কালো পতাকা দেখিয়ে প্রতিবাদ শুরু করে। তাদের বিরুদ্ধে "চোর" স্লোগান তোলারও অভিযোগ উঠেছে, যার জেরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠতেই তৃণমূলের অভিযোগ, দূর থেকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়া হয়। সেই ঢিল তাঁর মাথায় আঘাত করলে তিনি কিছুক্ষণের জন্য ভারসাম্য হারিয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত দলীয় কর্মীরা দ্রুত তাঁকে ঘিরে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন, এরপর তিনি কিছুটা সুস্থ হয়ে ফের আন্দোলনে যোগ দেন। এই ঘটনার পর ক্ষোভ প্রকাশ করে তৃণমূল সাংসদ চণ্ডীতলা থানার সামনেই অবস্থান বিক্ষোভে বসেন এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করে অভিযোগ করেন যে, রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসার পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। তিনি বাংলার মানুষের কাছে সচেতন হওয়ার আবেদন জানিয়ে বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের উপর বারবার আক্রমণ হচ্ছে। পরপর দুদিনে তৃণমূলের দুই শীর্ষ নেতাকে ঘিরে এই ধরনের বিক্ষোভ ও হামলার অভিযোগে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে এবং এর জেরে রাজ্যের শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।1