Shuru
Apke Nagar Ki App…
আসাম খানাপ
ALiUL SK
আসাম খানাপ
- ALiUL SKSamserganj, Murshidabad🤝on 17 January
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ভরদুপুরে হরিহরপাড়া ব্যাঙ্কে আগুন, আতঙ্কে গ্রাহক ও কর্মীরা ভর দুপুরে হঠাৎ আগুনে চাঞ্চল্য ছড়াল মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া বাজার এলাকায় অবস্থিত ব্যাঙ্ক শাখায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ব্যাংকের ভিতর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই ধোঁয়া দাউ দাউ করে আগুনে রূপ নেয়। ব্যাংকের ভিতরে উপস্থিত কর্মচারী ও গ্রাহকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তড়িঘড়ি সকলকে নিরাপদে বাইরে বের করে আনা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, এসি সুইচ দেওয়ার পর ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। হরিহরপাড়া ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্ক এর শাখায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। ব্যাংক কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের তৎপরতায় দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি না হলেও এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে।1
- নদীয়া, করিমপুর : প্রখ্যাত অভিনেতা সোহম চক্রবর্তী এবার নদিয়ায় প্রার্থী, করিমপুরে ; গতকাল কৃষ্ণনগরে অংশগ্রহণ করলেন সাংগঠনিক সভায়। জেলা সভানেত্রী ও লোকসভা সাংসদ মহুয়া মৈত্র জেলা কার্যালয়ে, নদীয়ার প্রার্থীদের নিয়ে আয়োজন করেছিলেন একটি সভা। সেখানে অন্যান্য প্রার্থীদের সঙ্গে তিনি উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে সোহম যা বললেন, রইল তার কিছুটা অংশ। লেখনী ও ভিডিও এডিটিং: অনুপম সরকার চক্রবর্তী।1
- জলঙ্গীতে জমে উঠছে ত্রিমুখী লড়াই! ফিরলেন পুরনো মুখ ইউনুস সরকার 🔥 জলঙ্গী বিধানসভায় সিপিএম বড় চমক দিল! প্রার্থী করা হলো চার বারের বিধায়ক ইউনুস সরকারকে। প্রার্থী ঘোষণার পরই ময়দানে নেমে পড়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাহেবনগর বাজার ও ধনিরামপুর বাজারে হাজির হয়ে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে করেন জনসংযোগ। বের হয় মিছিল, ওঠে জোরালো শ্লোগান— ইউনুস সরকারকে ঘিরে পুরনো কর্মীদের উচ্ছ্বাস চোখে পড়ার মতো! 👉 উল্লেখ্য, ১৯৯১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত টানা চারবার বিধায়ক ছিলেন ইউনুস সরকার। এরপর ২০১১ সালে নতুন মুখ হিসেবে আব্দুর রাজ্জাককে টিকিট দেওয়া হয়, যিনি পরে তৃণমূলে যোগ দেন। এবার ফের পুরনো ভরসাতেই বাজি ধরল সিপিএম। রাজনৈতিক মহলের মতে, জলঙ্গীতে এবার হতে চলেছে জমজমাট ত্রিমুখী লড়াই— ইতিমধ্যেই বিজেপি ও তৃণমূল প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে। 🗣️ ইউনুস সরকারের দাবি, “এবার লড়াই হবে সরাসরি তৃণমূলের সঙ্গে” — আর জয়ের ব্যাপারেও তিনি বেশ আত্মবিশ্বাসী! 👉 এখন বড় প্রশ্ন— শেষ হাসি কে হাসবে? বিউরো রিপোর্ট প্রতিদিন টাইম।1
- কাটোয়ায় ১৫ টি পরিবারের CPIM ছেড়ে তৃণমূলে যোগ। বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে যোগ।1
- Post by সত্য দর্পণ1
- নবদ্বীপে বিজেপির বাজি! মন্দিরের সেবাইত গোঁসাই শ্রুতি শেখরই প্রার্থী- মাল্যদান, সংবর্ধনা, উচ্ছ্বাস—নবদ্বীপে বিজেপির প্রার্থী ঘিরে কর্মীদের ঢল। নবদ্বীপঃ অবশেষে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে নবদ্বীপ বিধানসভা কেন্দ্রে ২০২৬ সালের নির্বাচনের জন্য বিজেপি তাদের প্রার্থী ঘোষণা করল। দ্বিতীয় দফার তালিকায় নাম উঠে এল নবদ্বীপ শ্রী শ্রী রাধা সুদর্শন লাল জিউ মন্দিরের সেবাইত শ্রুতি শেখর গোস্বামীর। গত কয়েকদিন ধরেই একাধিক নাম নিয়ে জল্পনা চলছিল। তবে সব জল্পনাকে পিছনে ফেলে শেষমেশ ধর্মীয় পরিমণ্ডল থেকে উঠে আসা এই মুখকেই বেছে নিল বিজেপি। প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই এলাকায় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস চোখে পড়ার মতো একে একে ভক্ত ও কর্মীরা মন্দিরে এসে তাকে মাল্যদান ও সংবর্ধনা জানাচ্ছেন। প্রার্থী শ্রুতি শেখর গোস্বামী নিজের প্রতিক্রিয়ায় জানান, “এটা মহাপ্রভুর দেওয়া দায়িত্ব। শ্রীধাম নবদ্বীপের নামকে বিশ্বের দরবারে আরও ছড়িয়ে দেওয়াই আমার লক্ষ্য।” অন্যদিকে, নবদ্বীপের পাঁচ বারের বিধায়ক তথা তৃণমূলের ষষ্ঠবারের প্রার্থী পুন্ডরীকাক্ষ সাহাকে নিয়ে তিনি কোনও ব্যক্তিগত আক্রমণে যাননি। তিনি বলেন, “উনি বর্তমানে অসুস্থ, তাই ওনার বিরুদ্ধে কিছু বলবো না। তবে ওনাকে সামনে রেখে যারা লুটপাট চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেই আমার লড়াই।” জেলা সভানেত্রী অপর্না নন্দী জানান শ্রতি শেখর গোস্বামীকে দল প্রার্থী করায় আমরা আনন্দিত, আমরা আশাবাদী নবদ্বীপের মানুষ তাকে আশির্বাদ করবে আর তাতেই নবদ্বীপ থেকে বালি- মাটি মাফিয়া সহ প্রমোটারি রাজ শেষ হবে পাশাপাশি নবদ্বীপ প্রকৃত হেরিটেজ শহরের মর্যাদা পাবে। এখন নজর নবদ্বীপের মানুষের দিকে। ধর্মীয় ভাবাবেগ ও সমাজসেবার বার্তা নিয়ে এগিয়ে আসা নতুন মুখ শ্রুতি শেখর গোস্বামীকে বেছে নেবেন, নাকি অভিজ্ঞ পাঁচবারের বিধায়ক পুন্ডরীকাক্ষ সাহাকেই আবারও সুযোগ দেবেন—তার উত্তর মিলবে ভোটের ফলেই।1
- উড়িষ্যায় বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকের রহস্যজনক মৃত্যু, পিটিয়ে খুনের অভিযোগ পরিবারের। ফের মুর্শিদাবাদে রঘুনাথগঞ্জ দুই নম্বর ব্লকের মিঠুপুর অঞ্চলের পুকুর কোনা গ্রামে নয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা আনিকুল সেখ এর রহস্যজনক মৃত্যু, কিন্তু পিটিয়ে মারার অভিযোগ মৃতের পরিবারে। বিজেপি শাসিত রাজ্য উড়িষ্যা এক বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতের নাম আনিকুল শেখ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবারের পক্ষ থেকে গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, তাকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কাজের সূত্রে উড়িষ্যায় থাকা অবস্থায় কিছু ব্যক্তির সঙ্গে তার বিবাদ বাধে। এরপরই তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হলেও শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এবং রাজনৈতিক মহলেও প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।2
- উড়িষ্যায় বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকের রহস্যজনক মৃত্যু, পিটিয়ে খুনের অভিযোগ পরিবারের। ফের মুর্শিদাবাদে রঘুনাথগঞ্জ দুই নম্বর ব্লকের মিঠুপুর অঞ্চলের পুকুর কোনা গ্রামে নয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা আনিকুল সেখ এর রহস্যজনক মৃত্যু, কিন্তু পিটিয়ে মারার অভিযোগ মৃতের পরিবারে। বিজেপি শাসিত রাজ্য উড়িষ্যা এক বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতের নাম আনিকুল শেখ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবারের পক্ষ থেকে গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, তাকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কাজের সূত্রে উড়িষ্যায় থাকা অবস্থায় কিছু ব্যক্তির সঙ্গে তার বিবাদ বাধে। এরপরই তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হলেও শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এবং রাজনৈতিক মহলেও প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।1
- ঈদের খুশিতে আলোকিত জলঙ্গি! পবিত্র ঈদুল ফিতর-এর অপেক্ষায় প্রহর গুনছে গোটা দেশ। আর সেই আনন্দের ঢেউ লেগেছে জলঙ্গি ব্লক জুড়েও। আগামী শনিবার উদযাপিত হতে চলা মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসবকে ঘিরে ইতিমধ্যেই সাজ সাজ রব চারিদিকে। মসজিদ থেকে শুরু করে রাস্তা, ঈদগাহ—সবখানেই চলছে জোর কদমে সাজসজ্জার কাজ। জলঙ্গির সাগরপাড়া, ধনিরামপুর, ফকিরাবাদ সহ একাধিক এলাকায় ঝলমলে আলোকসজ্জায় সেজে উঠেছে গোটা অঞ্চল। রাস্তাঘাট, মসজিদ প্রাঙ্গণ, ঈদগাহ—সবখানেই যেন উৎসবের আমেজ স্পষ্ট। এক মাসব্যাপী রোজা পালনের পর আসে এই খুশির ঈদ। তাই স্বাভাবিকভাবেই আনন্দের মাত্রা এখন তুঙ্গে। রোজা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নতুন পোশাক কেনা, কেনাকাটার ভিড়—সব মিলিয়ে জমে উঠেছে ঈদের প্রস্তুতি। ছোট থেকে বড়, যুবক-যুবতী থেকে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা—সবাই মেতে উঠেছেন উৎসবের আনন্দে। জলঙ্গি জুড়ে এখন একটাই বার্তা—আসছে ঈদ, আসছে খুশির দিন!1