ধর্মনগরের অর্ধেন্দু ভট্টাচার্য স্মৃতি ভবনে সোমবার বেলা সাড়ে চার ঘটিকায় তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী ‘ভীষ্মদেব স্মৃতি শিশু নাটক প্রতিযোগিতা’-র শুভ সূচনা হয়েছে। ধর্মনগর বিধানসভার বিধায়ক জহর চক্রবর্তী, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা রিপন চাকমা সহ অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানের সূচনায় অতিথিরা মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন, এরপর উদ্বোধনী সংগীতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় এই সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। শিশুদের সৃজনশীলতা, অভিনয় প্রতিভা এবং নাট্যচর্চাকে উৎসাহিত করাই এই প্রতিযোগিতার মূল লক্ষ্য। প্রতিযোগিতার প্রথম দিনে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মোট ৫টি নাট্যদল অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি দলের পরিবেশনা দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করে এবং শিশু শিল্পীদের অভিনয় দক্ষতা প্রশংসিত হয়। আয়োজকদের মতে, এ ধরনের সাংস্কৃতিক উদ্যোগ শিশুদের সুস্থ মানসিক বিকাশের পাশাপাশি নাট্যচর্চার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দুই দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতাকে ঘিরে সাংস্কৃতিক মহলেও উৎসবের আবহ লক্ষ্য করা গেছে।
ধর্মনগরের অর্ধেন্দু ভট্টাচার্য স্মৃতি ভবনে সোমবার বেলা সাড়ে চার ঘটিকায় তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী ‘ভীষ্মদেব স্মৃতি শিশু নাটক প্রতিযোগিতা’-র শুভ সূচনা হয়েছে। ধর্মনগর বিধানসভার বিধায়ক জহর চক্রবর্তী, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা রিপন চাকমা সহ অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানের সূচনায় অতিথিরা মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন, এরপর উদ্বোধনী সংগীতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় এই সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। শিশুদের সৃজনশীলতা, অভিনয় প্রতিভা এবং নাট্যচর্চাকে উৎসাহিত করাই এই প্রতিযোগিতার মূল লক্ষ্য। প্রতিযোগিতার প্রথম দিনে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মোট ৫টি নাট্যদল অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি দলের পরিবেশনা দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করে এবং শিশু শিল্পীদের অভিনয় দক্ষতা প্রশংসিত হয়। আয়োজকদের মতে, এ ধরনের সাংস্কৃতিক উদ্যোগ শিশুদের সুস্থ মানসিক বিকাশের পাশাপাশি নাট্যচর্চার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দুই দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতাকে ঘিরে সাংস্কৃতিক মহলেও উৎসবের আবহ লক্ষ্য করা গেছে।
- সোমবার বেলা সাড়ে চার ঘটিকায় ধর্মনগরের অর্ধেন্দু ভট্টাচার্য স্মৃতি ভবনে উত্তর ত্রিপুরা জেলা ভিত্তিক দুই দিনব্যাপী ‘ভীষ্মদেব স্মৃতি শিশু নাটক প্রতিযোগিতা’-র শুভ সূচনা হয়েছে। এই প্রতিযোগিতা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ধর্মনগর বিধানসভার বিধায়ক জহর চক্রবর্তী এবং তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা রিপন চাকমা। তাঁদের সাথে অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দরাও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সূচনালগ্নে অতিথিরা মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন। এরপর একটি উদ্বোধনী সংগীতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু হয়।4
- উত্তর ত্রিপুরা জেলার পানিসাগর মহকুমার রেগা ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনিক্যাল বিভাগকে ঘিরে কর্মীদের অনিয়মিত উপস্থিতি, অফিস চলাকালীন নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের নীরব ভূমিকা নিয়ে সাধারণ মানুষ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। দপ্তরে এক অভিনব চিত্র দেখা গেছে, যেখানে অভিযোগ করা হচ্ছে যে বেশ কয়েকজন কর্মচারী নিয়মিতভাবে অফিসে উপস্থিত থাকেন না এবং নির্ধারিত সময়ে তাদের দেখা মেলে না, যার ফলে দপ্তরের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। অভিযোগ আরও গুরুতর যে, অফিসের কক্ষের মধ্যেই কিছু কর্মচারী নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণ করেন। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি দপ্তরের শৃঙ্খলা ও কর্মপরিবেশকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে যেন পুরো অফিসটি একটি ক্লাবঘরে পরিণত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে; তাদের মতে, এমন অনিয়ম চলতে থাকলে পরিষেবা পেতে সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হবে। কর্মচারীদের উপস্থিতি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব হলেও, পানিসাগরের এই দপ্তরকে ঘিরে অভিযোগ ওঠার পরও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এর ফলে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এমনকি, এই দফতরের কর্মচারীরা রাজনৈতিক নেতৃত্বদেরও বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে নিজেদের মনমতো কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে খবর। এখন দেখার বিষয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগগুলির তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে কিনা।4
- উত্তর ত্রিপুরা জেলার ধর্মনগরের কালীদিঘীর উত্তর পাড়ে অবস্থিত প্রবীণ অঙ্গনে গত ২১ জুন ধর্মনগর অকশন ব্রিজ কমিটির উদ্যোগে 'নৃপেন্দ্র কুমার রায় মেমোরিয়াল অকশন ব্রিজ রানিং টুর্নামেন্ট'-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবছর টুর্নামেন্টটি তার দ্বিতীয় বর্ষে পদার্পণ করেছে, যা অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণভাবে পালিত হয়। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ধর্মনগরের বিধায়ক জহর চক্রবর্তী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁর সাথে এলাকার একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি, ক্রীড়াপ্রেমী ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা প্রয়াত নৃপেন্দ্র কুমার রায়ের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং সমাজে ব্রিজ খেলার জনপ্রিয়তা আরও বৃদ্ধির জন্য আহ্বান জানান। বিধায়ক জহর চক্রবর্তী তাঁর উদ্বোধনী ভাষণে টুর্নামেন্টের সার্বিক সাফল্য কামনা করে অংশগ্রহণকারী সকল খেলোয়াড়কে আন্তরিক শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, মানসিক দক্ষতা, ধৈর্য এবং কৌশলনির্ভর এই খেলা সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে একত্রিত করতে এবং একটি সুস্থ প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করতে সক্ষম। ধর্মনগর অকশন ব্রিজ কমিটির সম্পাদক শিবশঙ্কর রায় জানিয়েছেন যে, এবছর মোট ২৮টি দল এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ দিনব্যাপী এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে প্রতিযোগীরা তাঁদের দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ পাবেন। কমিটি আগামী দিনে এই প্রতিযোগিতাকে আরও বৃহৎ পরিসরে নিয়ে গিয়ে রাজ্যব্যাপী টুর্নামেন্টে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনা করছে। প্রবীণ অঙ্গনে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা ইতিমধ্যেই ব্রিজপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করেছে। আয়োজকরা আশা করছেন যে, আগামী বছরগুলোতে আরও বেশি সংখ্যক দল ও খেলোয়াড় এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন এবং এর ফলস্বরূপ ধর্মনগর তথা গোটা রাজ্যেই ব্রিজ খেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে।3
- আসাম-ত্রিপুরা সীমান্তের চুরাইবাড়ি চেক গেটে পুলিশ নেশা মাফিয়াদের জিন্স প্যান্টের পকেটে করে নেশা পাচারের একটি নতুন কৌশল বানচাল করেছে। সোমবার দুপুর ১টা নাগাদ গুয়াহাটি থেকে আগরতলাগামী AS-01-UC-4314 নম্বরের 'সেইফ এক্সপ্রেস ট্রান্সপোর্ট'-এর একটি কন্টেনার লরি আসাম পুলিশের নাকা গেটে পৌঁছালে গেট ইনচার্জ নিরঞ্জন দাস রুটিন তল্লাশি চালান। তল্লাশিতে লরির ভেতরে বিভিন্ন অনলাইন সামগ্রী এবং কাপড়ের বস্তার সাথে প্রতিটি জিন্স প্যান্টের পকেটে লুকিয়ে রাখা নিষিদ্ধ এসকফ সিরাপ দেখতে পান পুলিশ। মোট বারোশো বোতল এসকফ সিরাপ জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক কালোবাজারি মূল্য প্রায় ছয় লক্ষ টাকা হবে বলে পুলিশ অনুমান করছে। এই সিরাপগুলো গুয়াহাটি থেকে ত্রিপুরায় পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে লরির চালক চিরঞ্জীব রাভা (৩২) এবং সহ-চালক বিকাশ রাভা (২৮)-কে আটক করেছে পুলিশ। তারা উভয়ই আসামের কামরূপ জেলার দক্ষিণ পুকুরিপাড়ার বাসিন্দা। বর্তমানে, ইনচার্জ নিরঞ্জন দাস এনডিপিএস আইনে একটি মামলা হাতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছেন।1
- SFI (স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া)-এর নেতৃত্ব একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করেছে। এই সম্মেলনে সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে সৃজন ভট্টাচার্য, দেবাঞ্জন দে, সৃজন দেব এবং প্রীতম শীল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।1
- ত্রিপুরার শিক্ষা ব্যবস্থাকে 'সংকটাপন্ন' উল্লেখ করে এসএফআই রাজ্যজুড়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। ছাত্র সংগঠনটি শিক্ষক নিয়োগের অভাব এবং শিক্ষার বেসরকারিকরণের বিরুদ্ধে এই আন্দোলনের আয়োজন করবে, একইসাথে শিক্ষাঙ্গনে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনারও দাবি জানিয়েছে।1
- বিধায়ক শৈলেন্দ্র চন্দ্রনাথ কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।2
- গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সোনামুড়ার কামালনগর ও ঘাটিগড় এলাকায় অবৈধ গাঁজার কারবারের একটি বড়সড় চক্রের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। রবিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলা এই দীর্ঘ অভিযানে বিশাল পরিমাণ গাঁজার চারা এবং শুকনা গাঁজা জব্দ ও ধ্বংস করা হয়েছে, যা এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং অবৈধ নেশা কারবারিদের মধ্যে আতঙ্কের জন্ম দিয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোনামুড়া থানার পুলিশ কামালনগর ও ঘাটিগড় এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালায়। এই অভিযানে এলাকার বিভিন্ন জায়গায় ১০টি গাঁজার বীজতলা চিহ্নিত করা হয়। পুলিশ আনুমানিক ১ লক্ষ গাঁজার চারা উপড়ে ফেলে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া মেনে ঘটনাস্থলেই তা ধ্বংস করে। এছাড়াও তল্লাশির সময় একটি প্লাস্টিকের বস্তাভর্তি প্রায় ৩০ কেজি গাঁজার বীজ উদ্ধার করা হয়, যা পরবর্তীতে নিয়ম মেনে ধ্বংস করা হয়েছে। অভিযানের সময় ঘাটিগড় এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় আরও ২৯ কেজি ৫০০ গ্রাম শুকনা গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া এই গাঁজা BNSS-2023 আইনের ১০৬ ধারায় জব্দ করা হয়েছে এবং এর আনুমানিক বাজারমূল্য ৬ লক্ষ টাকা বলে পুলিশ জানিয়েছে। এই বিশাল পরিমাণ গাঁজা ও বীজতলার মালিক কে বা কারা, তা খুঁজে বের করতে সোনামুড়া থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।1