“ইঙ্ক লাগাও, সেলফি লো” — তরুণ ভোটারদের উৎসবে নতুন ভোটারদের উৎসাহ দিতে উত্তর ত্রিপুরা জেলাশাসকের অভিনব উদ্যোগে ব্যাপক সাড়া। গণতন্ত্রের উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলতে এক অনন্য উদ্যোগ নিল জেলা প্রশাসন। নতুন ও তরুণ ভোটারদের ভোটদানে আগ্রহী করে তুলতে জেলাশাসক চাঁদনী চন্দ্রনের উদ্যোগে আয়োজিত হলো ব্যতিক্রমী সেলফি প্রতিযোগিতা— “ইঙ্ক লাগাও, সেলফি লো”। আর এই অভিনব উদ্যোগে কার্যত উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে গোটা জেলাজুড়ে। ভোটের পর আঙুলে কালি লাগানো মুহূর্তকে ক্যামেরাবন্দি করে অংশ নেয় অসংখ্য তরুণ-তরুণী। সামাজিক মাধ্যমে সেই ছবির ঢেউ যেন ভোট সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দেয় ঘরে ঘরে। ফলস্বরূপ, প্রতিযোগিতাটি পেয়েছে অভাবনীয় সাড়া। সম্প্রতি আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত কিন্তু গর্বের অনুষ্ঠানে সেরা পাঁচজন বিজয়ীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন জেলাশাসক চাঁদনী চন্দ্রন। বিজয়ীদের মধ্যে ছিলেন— নীলাঞ্জনা ভট্টাচার্য, তমশ্রী সেন, স্নেহা চৌধুরী, অমৃতা সিনহা এবং নবজিৎ দাস। তাদের সৃজনশীল অংশগ্রহণ প্রশংসিত হয়েছে সকল মহলে। জেলাশাসক জানান, “এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ভোটদানের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। গণতন্ত্রে প্রতিটি ভোটই মূল্যবান, আর এই ধরনের সৃজনশীল প্রয়াস সেই বার্তাকেই আরও জোরালো করে তোলে।” তিনি আরও বলেন, এই প্রতিযোগিতা শুধু একটি ইভেন্ট নয়, বরং যুব সমাজকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করার একটি কার্যকর মাধ্যম। ইতিমধ্যেই এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে সাধারণ মানুষ থেকে প্রশাসনের বিভিন্ন মহল। উল্লেখ্য, ৫৬ নং বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসন একাধিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তার মধ্যেই “ইঙ্ক লাগাও, সেলফি লো” প্রতিযোগিতা অন্যতম সফল ও আলোচিত উদ্যোগ হিসেবে উঠে এসেছে। একটি ছোট্ট সেলফি— কিন্তু তার মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে দায়িত্ববোধ, সচেতনতা আর গণতন্ত্রের শক্তি। তাছাড়াও নির্ভরযোগ্য সূত্র মারফত জানা গেছে যে, উত্তর ত্রিপুরার জেলাশাসকের (DM) ব্যক্তিগত সহকারী (PA) শ্রী কৌশিক ভৌমিক নির্বাচনী সচেতনতা অভিযানের জন্য একটি গান রচনা করেছেন; পাশাপাশি তিনি উত্তর ত্রিপুরার জেলাশাসক ও কালেক্টর শ্রীমতি চাঁদনি চন্দ্রনের তত্ত্বাবধানে একটি 'সেলফি প্রতিযোগিতা'-রও আয়োজন করেছেন। উত্তর ত্রিপুরার জেলাশাসকের এই সৃজনশীল উদ্যোগে সমগ্র জেলার মানুষ অত্যন্ত আনন্দিত।
“ইঙ্ক লাগাও, সেলফি লো” — তরুণ ভোটারদের উৎসবে নতুন ভোটারদের উৎসাহ দিতে উত্তর ত্রিপুরা জেলাশাসকের অভিনব উদ্যোগে ব্যাপক সাড়া। গণতন্ত্রের উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলতে এক অনন্য উদ্যোগ নিল জেলা প্রশাসন। নতুন ও তরুণ ভোটারদের ভোটদানে আগ্রহী করে তুলতে জেলাশাসক চাঁদনী চন্দ্রনের উদ্যোগে আয়োজিত হলো ব্যতিক্রমী সেলফি প্রতিযোগিতা— “ইঙ্ক লাগাও, সেলফি লো”। আর এই অভিনব উদ্যোগে কার্যত উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে গোটা জেলাজুড়ে। ভোটের পর আঙুলে কালি লাগানো মুহূর্তকে ক্যামেরাবন্দি করে অংশ নেয় অসংখ্য তরুণ-তরুণী। সামাজিক মাধ্যমে সেই ছবির ঢেউ যেন ভোট সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দেয় ঘরে ঘরে। ফলস্বরূপ, প্রতিযোগিতাটি পেয়েছে অভাবনীয় সাড়া। সম্প্রতি আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত কিন্তু গর্বের অনুষ্ঠানে সেরা পাঁচজন বিজয়ীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন জেলাশাসক চাঁদনী চন্দ্রন। বিজয়ীদের মধ্যে ছিলেন— নীলাঞ্জনা ভট্টাচার্য, তমশ্রী সেন, স্নেহা চৌধুরী, অমৃতা সিনহা এবং নবজিৎ দাস। তাদের সৃজনশীল অংশগ্রহণ প্রশংসিত হয়েছে সকল মহলে। জেলাশাসক জানান, “এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ভোটদানের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। গণতন্ত্রে প্রতিটি ভোটই মূল্যবান, আর এই ধরনের সৃজনশীল প্রয়াস সেই বার্তাকেই আরও জোরালো করে তোলে।” তিনি আরও বলেন, এই প্রতিযোগিতা শুধু একটি ইভেন্ট নয়, বরং যুব সমাজকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করার একটি কার্যকর মাধ্যম। ইতিমধ্যেই এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে সাধারণ মানুষ থেকে প্রশাসনের বিভিন্ন মহল। উল্লেখ্য, ৫৬ নং বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসন একাধিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তার মধ্যেই “ইঙ্ক লাগাও, সেলফি লো” প্রতিযোগিতা অন্যতম সফল ও আলোচিত উদ্যোগ হিসেবে উঠে এসেছে। একটি ছোট্ট সেলফি— কিন্তু তার মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে দায়িত্ববোধ, সচেতনতা আর গণতন্ত্রের শক্তি। তাছাড়াও নির্ভরযোগ্য সূত্র মারফত জানা গেছে যে, উত্তর ত্রিপুরার জেলাশাসকের (DM) ব্যক্তিগত সহকারী (PA) শ্রী কৌশিক ভৌমিক নির্বাচনী সচেতনতা অভিযানের জন্য একটি গান রচনা করেছেন; পাশাপাশি তিনি উত্তর ত্রিপুরার জেলাশাসক ও কালেক্টর শ্রীমতি চাঁদনি চন্দ্রনের তত্ত্বাবধানে একটি 'সেলফি প্রতিযোগিতা'-রও আয়োজন করেছেন। উত্তর ত্রিপুরার জেলাশাসকের এই সৃজনশীল উদ্যোগে সমগ্র জেলার মানুষ অত্যন্ত আনন্দিত।
- গণতন্ত্রের উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলতে এক অনন্য উদ্যোগ নিল জেলা প্রশাসন। নতুন ও তরুণ ভোটারদের ভোটদানে আগ্রহী করে তুলতে জেলাশাসক চাঁদনী চন্দ্রনের উদ্যোগে আয়োজিত হলো ব্যতিক্রমী সেলফি প্রতিযোগিতা— “ইঙ্ক লাগাও, সেলফি লো”। আর এই অভিনব উদ্যোগে কার্যত উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে গোটা জেলাজুড়ে। ভোটের পর আঙুলে কালি লাগানো মুহূর্তকে ক্যামেরাবন্দি করে অংশ নেয় অসংখ্য তরুণ-তরুণী। সামাজিক মাধ্যমে সেই ছবির ঢেউ যেন ভোট সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দেয় ঘরে ঘরে। ফলস্বরূপ, প্রতিযোগিতাটি পেয়েছে অভাবনীয় সাড়া। সম্প্রতি আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত কিন্তু গর্বের অনুষ্ঠানে সেরা পাঁচজন বিজয়ীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন জেলাশাসক চাঁদনী চন্দ্রন। বিজয়ীদের মধ্যে ছিলেন— নীলাঞ্জনা ভট্টাচার্য, তমশ্রী সেন, স্নেহা চৌধুরী, অমৃতা সিনহা এবং নবজিৎ দাস। তাদের সৃজনশীল অংশগ্রহণ প্রশংসিত হয়েছে সকল মহলে। জেলাশাসক জানান, “এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ভোটদানের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। গণতন্ত্রে প্রতিটি ভোটই মূল্যবান, আর এই ধরনের সৃজনশীল প্রয়াস সেই বার্তাকেই আরও জোরালো করে তোলে।” তিনি আরও বলেন, এই প্রতিযোগিতা শুধু একটি ইভেন্ট নয়, বরং যুব সমাজকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করার একটি কার্যকর মাধ্যম। ইতিমধ্যেই এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে সাধারণ মানুষ থেকে প্রশাসনের বিভিন্ন মহল। উল্লেখ্য, ৫৬ নং বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসন একাধিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তার মধ্যেই “ইঙ্ক লাগাও, সেলফি লো” প্রতিযোগিতা অন্যতম সফল ও আলোচিত উদ্যোগ হিসেবে উঠে এসেছে। একটি ছোট্ট সেলফি— কিন্তু তার মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে দায়িত্ববোধ, সচেতনতা আর গণতন্ত্রের শক্তি। তাছাড়াও নির্ভরযোগ্য সূত্র মারফত জানা গেছে যে, উত্তর ত্রিপুরার জেলাশাসকের (DM) ব্যক্তিগত সহকারী (PA) শ্রী কৌশিক ভৌমিক নির্বাচনী সচেতনতা অভিযানের জন্য একটি গান রচনা করেছেন; পাশাপাশি তিনি উত্তর ত্রিপুরার জেলাশাসক ও কালেক্টর শ্রীমতি চাঁদনি চন্দ্রনের তত্ত্বাবধানে একটি 'সেলফি প্রতিযোগিতা'-রও আয়োজন করেছেন। উত্তর ত্রিপুরার জেলাশাসকের এই সৃজনশীল উদ্যোগে সমগ্র জেলার মানুষ অত্যন্ত আনন্দিত।1
- কদমতলা ব্লক এলাকায় ফের রাতের অন্ধকারে বহু মূল্যের আগর গাছ চুরির ঘটনা সামনে এসেছে।জানা গেছে কালাগাঙ্গের পার গ্রাম পঞ্চায়েতের ১ নং ওয়ার্ডের সরসপুর কলোনী মহাদেব বাড়ির বাগান থেকে চোরের দল ১৪ এপ্রিল রাতে চারটি আগর গাছ চুরি করে নিয়ে যায়।চুরি যাওয়া গাছগুলোর মূল্য প্রায় লক্ষাধিক টাকার মত হবে।পহেলা বৈশাখের দিনে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। স্থানীয় সামাজিক পঞ্চায়েতের মূল্যবান সম্পদ হাতছাড়া হওয়ায় বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ। বুধবার রাতে কদমতলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের সময় ওয়ার্ডের পঞ্চায়েত সদস্য আব্দুল হক উপস্থিত ছিলেন। হিন্দু-মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকেরা একসঙ্গে থানায় গিয়ে চোর ধরার দাবি জানান।1
- Post by Unakoti Hadlin1
- ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার কুমারঘাটের বালিকা বিদ্যালয়ে শুক্রবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এডিসি নির্বাচনের মাছমারা ও করমছড়া আসনের ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে একেবারে তুঙ্গে প্রশাসনিক প্রস্তুতি। বিস্তারিত জানালেন মহকুমা শাসক চাকমা।1
- my name fokrlu laskar1
- ✍️ লোকসভায় অনুষ্ঠিত বিশেষ অধিবেশনে মহিলা সংরক্ষণ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ বিল উত্থাপনকে কেন্দ্র করে ত্রিপুরায় রাজনৈতিক মহলে সাড়া পড়েছে। এই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রদেশ বিজেপির উদ্যোগে রাজধানী আগরতলায় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।1
- Post by Gouranga Majumder1
- উত্তর ত্রিপুরা জেলার কদমতলা ব্লক এলাকায় ফের রাতের অন্ধকারে মূল্যবান আগর গাছ চুরির ঘটনা সামনে এসেছে। জানা গেছে, কালাগাঙ্গের পার গ্রাম পঞ্চায়েতের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সরসপুর কলোনির মহাদেব বাড়ির বাগান থেকে গত ১৪ এপ্রিল রাতে চোরের দল চারটি আগর গাছ কেটে নিয়ে যায়। চুরি হওয়া গাছগুলোর আনুমানিক মূল্য লক্ষাধিক টাকা।পহেলা বৈশাখের দিন সকালে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। এলাকার সামাজিক পঞ্চায়েতের মূল্যবান সম্পদ চুরি হওয়ায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে গ্রামবাসীদের মধ্যে। বুধবার রাতে কদমতলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।অভিযোগ দায়েরের সময় ওয়ার্ডের পঞ্চায়েত সদস্য আব্দুল হক উপস্থিত ছিলেন। হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে থানায় গিয়ে দ্রুত চোরদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।মহাদেব বাড়ি কমিটির সম্পাদক রঞ্জিত নাথ জানান,সকলেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে পুলিশের কাছে ন্যায়বিচারের আবেদন করেছেন।কদমতলা থানার পুলিশও দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিয়েছে।এদিকে,এলাকায় আরও কয়েকটি আগর বাগান থেকে চুরির ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি,এ ধরনের অপরাধ রুখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।এই ঘটনার মধ্যে দিয়ে হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে,যা স্থানীয় সমাজের সৌহার্দ্যের পরিচয় বহন করে।4