দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশ প্রশাসনে সম্প্রতি একটি বড়সড় রদবদল করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন থানা ও পুলিশ ইউনিটে কর্মরত একাধিক সাব-ইন্সপেক্টরকে (SI) নতুন দায়িত্বে পাঠানো হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্রানুযায়ী, এই বদলি সম্পূর্ণরূপে প্রশাসনিক স্বার্থে করা হয়েছে। বদলির তালিকা অনুযায়ী, কুশমন্ডি থানা থেকে SI প্রীতম সিংকে পতিরাম থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কুমারগঞ্জ থানার ওসি অনন্ত মণ্ডলকে বদলি করে তপন থানায় পাঠানো হয়েছে। এছাড়া, SI কাজী দুলাল মাসুদকে ফেটাই সেল থেকে অন্যত্র এবং SI তাপস কুমার ঘোষকে অন্য ইউনিটে বদলি করা হয়েছে। এমটিও থেকে SI রঞ্জিত দাসকে হিলি আইসিবিতে এবং হিলি আইসিবি থেকে SI জয়ন্ত মণ্ডলকে এটিওতে পাঠানো হয়েছে। আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে। SI ধ্রুব বর্মনকে লাইন থেকে ডিআইবিতে বদলি করা হয়েছে। হিলি থানা থেকে SI সুদীপ দাস ও ওসি পিসিবিসি থেকে SI রিনা রবি দাসকে কুমারগঞ্জ থানায় পাঠানো হয়েছে। গঙ্গারামপুর থানা থেকে SI রোহিত ভগতকে মনিটরিং সেলে, ডিএপি থেকে SI দেবাশিস রায়কে এবং বালুরঘাট ট্রাফিকের SI অমল কুমার সিংহকে গঙ্গারামপুর ট্রাফিকে বদলি করা হয়েছে। বংশীহারী থানা থেকে SI বাসুদেব ঘোষকে ডিআইবিতে এবং হিলি থানা থেকে SI শরৎ দাসকে কুশমন্ডি থানায় পাঠানো হয়েছে। বালুরঘাট থানা থেকে SI জাহাঙ্গির আলমকে হরিরামপুর থানায় ও SI মঙ্গল হেমব্রমকে বংশীহারী থানায় বদলি করা হয়েছে। ডিআইবি থেকে SI প্রদীপ্ত দাসকে বালুরঘাট থানায় এবং তপন থানা থেকে SI ওবায়দুল হককে গঙ্গারামপুর থানায় বদলি করা হয়েছে। লাইন থেকে SI চন্দন কুমার সিদ্ধান্তকে ডিইবিতে এবং SI শারদীয় কুণ্ডুকে তপন থানায় পাঠানো হয়েছে। হরিরামপুর থানা থেকে SI সিদ্ধার্থ সরকারকে বালুরঘাট থানায় এবং লাইন থেকে SI অসীম রায়কে কুমারগঞ্জ থানায় বদলি করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিদ্যুৎ বর্মনকে টেলিকম বিভাগে পাঠানো হয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক ও রুটিন বদলি প্রক্রিয়ার অংশ।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশ প্রশাসনে সম্প্রতি একটি বড়সড় রদবদল করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন থানা ও পুলিশ ইউনিটে কর্মরত একাধিক সাব-ইন্সপেক্টরকে (SI) নতুন দায়িত্বে পাঠানো হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্রানুযায়ী, এই বদলি সম্পূর্ণরূপে প্রশাসনিক স্বার্থে করা হয়েছে। বদলির তালিকা অনুযায়ী, কুশমন্ডি থানা থেকে SI প্রীতম সিংকে পতিরাম থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কুমারগঞ্জ থানার ওসি অনন্ত মণ্ডলকে বদলি করে তপন থানায় পাঠানো হয়েছে। এছাড়া, SI কাজী দুলাল মাসুদকে ফেটাই সেল থেকে অন্যত্র এবং SI তাপস কুমার ঘোষকে অন্য ইউনিটে বদলি করা হয়েছে। এমটিও থেকে SI রঞ্জিত দাসকে হিলি আইসিবিতে এবং হিলি আইসিবি থেকে SI জয়ন্ত মণ্ডলকে এটিওতে পাঠানো হয়েছে। আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে। SI ধ্রুব বর্মনকে লাইন থেকে ডিআইবিতে বদলি করা হয়েছে। হিলি থানা থেকে SI সুদীপ দাস ও ওসি পিসিবিসি থেকে SI রিনা রবি দাসকে কুমারগঞ্জ থানায় পাঠানো হয়েছে। গঙ্গারামপুর থানা থেকে SI রোহিত ভগতকে মনিটরিং সেলে, ডিএপি থেকে SI দেবাশিস রায়কে এবং বালুরঘাট ট্রাফিকের SI অমল কুমার সিংহকে গঙ্গারামপুর ট্রাফিকে বদলি করা হয়েছে। বংশীহারী থানা থেকে SI বাসুদেব ঘোষকে ডিআইবিতে এবং হিলি থানা থেকে SI শরৎ দাসকে কুশমন্ডি থানায় পাঠানো হয়েছে। বালুরঘাট থানা থেকে SI জাহাঙ্গির আলমকে হরিরামপুর থানায় ও SI মঙ্গল হেমব্রমকে বংশীহারী থানায় বদলি করা হয়েছে। ডিআইবি থেকে SI প্রদীপ্ত দাসকে বালুরঘাট থানায় এবং তপন থানা থেকে SI ওবায়দুল হককে গঙ্গারামপুর থানায় বদলি করা হয়েছে। লাইন থেকে SI চন্দন কুমার সিদ্ধান্তকে ডিইবিতে এবং SI শারদীয় কুণ্ডুকে তপন থানায় পাঠানো হয়েছে। হরিরামপুর থানা থেকে SI সিদ্ধার্থ সরকারকে বালুরঘাট থানায় এবং লাইন থেকে SI অসীম রায়কে কুমারগঞ্জ থানায় বদলি করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিদ্যুৎ বর্মনকে টেলিকম বিভাগে পাঠানো হয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক ও রুটিন বদলি প্রক্রিয়ার অংশ।
- দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশ প্রশাসনে সম্প্রতি একটি বড়সড় রদবদল করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন থানা ও পুলিশ ইউনিটে কর্মরত একাধিক সাব-ইন্সপেক্টরকে (SI) নতুন দায়িত্বে পাঠানো হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্রানুযায়ী, এই বদলি সম্পূর্ণরূপে প্রশাসনিক স্বার্থে করা হয়েছে। বদলির তালিকা অনুযায়ী, কুশমন্ডি থানা থেকে SI প্রীতম সিংকে পতিরাম থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কুমারগঞ্জ থানার ওসি অনন্ত মণ্ডলকে বদলি করে তপন থানায় পাঠানো হয়েছে। এছাড়া, SI কাজী দুলাল মাসুদকে ফেটাই সেল থেকে অন্যত্র এবং SI তাপস কুমার ঘোষকে অন্য ইউনিটে বদলি করা হয়েছে। এমটিও থেকে SI রঞ্জিত দাসকে হিলি আইসিবিতে এবং হিলি আইসিবি থেকে SI জয়ন্ত মণ্ডলকে এটিওতে পাঠানো হয়েছে। আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে। SI ধ্রুব বর্মনকে লাইন থেকে ডিআইবিতে বদলি করা হয়েছে। হিলি থানা থেকে SI সুদীপ দাস ও ওসি পিসিবিসি থেকে SI রিনা রবি দাসকে কুমারগঞ্জ থানায় পাঠানো হয়েছে। গঙ্গারামপুর থানা থেকে SI রোহিত ভগতকে মনিটরিং সেলে, ডিএপি থেকে SI দেবাশিস রায়কে এবং বালুরঘাট ট্রাফিকের SI অমল কুমার সিংহকে গঙ্গারামপুর ট্রাফিকে বদলি করা হয়েছে। বংশীহারী থানা থেকে SI বাসুদেব ঘোষকে ডিআইবিতে এবং হিলি থানা থেকে SI শরৎ দাসকে কুশমন্ডি থানায় পাঠানো হয়েছে। বালুরঘাট থানা থেকে SI জাহাঙ্গির আলমকে হরিরামপুর থানায় ও SI মঙ্গল হেমব্রমকে বংশীহারী থানায় বদলি করা হয়েছে। ডিআইবি থেকে SI প্রদীপ্ত দাসকে বালুরঘাট থানায় এবং তপন থানা থেকে SI ওবায়দুল হককে গঙ্গারামপুর থানায় বদলি করা হয়েছে। লাইন থেকে SI চন্দন কুমার সিদ্ধান্তকে ডিইবিতে এবং SI শারদীয় কুণ্ডুকে তপন থানায় পাঠানো হয়েছে। হরিরামপুর থানা থেকে SI সিদ্ধার্থ সরকারকে বালুরঘাট থানায় এবং লাইন থেকে SI অসীম রায়কে কুমারগঞ্জ থানায় বদলি করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিদ্যুৎ বর্মনকে টেলিকম বিভাগে পাঠানো হয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক ও রুটিন বদলি প্রক্রিয়ার অংশ।1
- সরকারি কর্মীকে মারধর, সরকারি কাজে বাধা এবং কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের হুমকি ও হয়রানির অভিযোগে হেমতাবাদে গ্রেপ্তার হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা এনামুল হক ওরফে ‘সিপিএম’। তিনি হেমতাবাদ ব্লকের বিষ্ণুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের একজন নির্বাচিত তৃণমূল সদস্য। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ দপ্তরের এক কর্মীকে মারধর ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে এনামুল হকের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হয়। একইসঙ্গে, কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের হুমকি ও হয়রানি করার অভিযোগও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠে। এই অভিযোগগুলির ভিত্তিতে বুধবার সকালে হেমতাবাদ থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে এবং সরকারি কর্মীর উপর হামলা, সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বুধবারই এনামুল হককে রায়গঞ্জ আদালতে পেশ করা হয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে যে, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এগোবে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।1
- সাহিত্য ও শিক্ষা ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছেন মালদহ জেলার কৃতি সন্তান অশোককুমার হালদার। মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত এক মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানে ভারতের রাষ্ট্রপতি Droupadi Murmu তাঁর হাতে পদ্মশ্রী পদক ও শংসাপত্র তুলে দেন। এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন। অশোককুমার হালদারের এই সম্মান প্রাপ্তিতে মালদহ জুড়ে খুশির হাওয়া বইছে। জেলার মানুষ তাঁকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনে ভাসিয়ে দিচ্ছেন।1
- ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের বড়বিল্লা এলাকা থেকে ৪১৮ বোতল নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ সহ মহাম্মদ বিলাল নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাকে রায়গঞ্জ বিচারালয়ের বিশেষ আদালতে পেশ করা হলে আদালত ৭ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতকে সোমবার সন্ধ্যায় গ্রেফতার করা হয় এবং তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ বর্তমানে এই কাফ সিরাপগুলির উৎস এবং সীমান্ত এলাকায় এগুলি পাচারের উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি বলে পুলিশ সূত্রে খবর।1
- হরিশ্চন্দ্রপুরে বন্যা ত্রাণ তহবিলের কোটি কোটি টাকা দুর্নীতির ঘটনায় এক বিজেপি নেতা বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন। তাঁর দাবি, এই বিপুল অঙ্কের দুর্নীতিতে জড়িত 'মূল মাথাদের' নাম নিয়ে তিনি সরাসরি অভিযোগের আঙুল তুলেছেন।1
- বিধানসভায় একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে 'সুরাবরদির নাম তো থাকবে না', এবং প্রশ্ন তুলেছেন যে 'নাম থাকবে কেন?'1
- মানিকচকে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সদস্যরা গ্রাম পঞ্চায়েত ঘেরাও করেছেন। তাদের এই ঘেরাও কর্মসূচির মূল দাবি ছিল তৃণমূলের একজন প্রধানকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করা।1
- প্রবল বৃষ্টিপাত এবং এর ফলে আত্রাই নদী ও কাঁশিয়া খাঁড়ির জলস্তর ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় তপন বিধানসভার জলঘর পঞ্চায়েতের ফতেপুর এলাকায় ব্যাপক নদীভাঙন শুরু হয়েছে। এই ভাঙনের তীব্রতা এতটাই বেড়েছে যে কাঁশিয়া খাঁড়ির উপর নির্মিত একটি গুরুত্বপূর্ণ লোহার সেতু এখন বড়সড় বিপদের মুখে পড়েছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিনের একটানা বর্ষণে সেতুর আশপাশের বেশ কিছু কৃষিজমি ইতিমধ্যেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে ভাঙন ক্রমশ সেতুর পিলারের কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় ফতেপুর সহ আশপাশের গ্রামগুলিতে চরম উদ্বেগ ছড়িয়েছে। এই সেতুটি ফতেপুর, ভাতশালা সহ একাধিক গ্রামের বাসিন্দাদের বালুরঘাটের সাথে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে এলাকার হাজার হাজার মানুষ চরম সমস্যার সম্মুখীন হবেন। বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন যে, পরিস্থিতি দ্রুত খারাপের দিকে গেলেও এখনও পর্যন্ত ভাঙন রোধে কোনো স্থায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাদের জোরালো দাবি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবিলম্বে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। অন্যথায় যেকোনো সময় সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে একটি বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন। ফতেপুর ও সংলগ্ন এলাকার মানুষের দিন কাটছে নদীভাঙনের আতঙ্কে, এবং তারা দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন।1