শনিবার রাত প্রায় ৮টা নাগাদ শীতলকুচি ব্লকের ছোট শালবাড়ির ৫ নম্বর মণ্ডলের ২৭৩ নম্বর বুথে বিজেপির বুথ সভাপতি গোবিন্দর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বুথ স্তরের একাংশ কর্মীরা। এই কর্মীরা বুথ সভাপতির পদ থেকে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন। কর্মীদের অভিযোগ, বুথ সভাপতি গোবিন্দ দলের সাংগঠনিক কার্যকলাপে অন্যান্য কর্মীদের সঙ্গে কোনও সমন্বয় না রেখেই এককভাবে সিদ্ধান্ত নেন এবং বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করেন। তাদের আরও দাবি, বুথের কর্মীদের মতামতের গুরুত্ব দেওয়া হয় না এবং গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বিষয়েও কাউকে অবগত করা হয় না, যার ফলে বুথের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। এদিন একাধিক কর্মী প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন যে, বর্তমান নেতৃত্বে বুথের সাংগঠনিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে। তাই দলের স্বার্থে বুথ সভাপতি গোবিন্দকে পদ থেকে সরিয়ে নতুন নেতৃত্ব আনার দাবি জানিয়েছেন তারা। তবে, এই সমস্ত অভিযোগ শুধুমাত্র একাংশ কর্মীদের দাবি। এ বিষয়ে বুথ সভাপতি গোবিন্দ বা বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।
শনিবার রাত প্রায় ৮টা নাগাদ শীতলকুচি ব্লকের ছোট শালবাড়ির ৫ নম্বর মণ্ডলের ২৭৩ নম্বর বুথে বিজেপির বুথ সভাপতি গোবিন্দর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বুথ স্তরের একাংশ কর্মীরা। এই কর্মীরা বুথ সভাপতির পদ থেকে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন। কর্মীদের অভিযোগ, বুথ সভাপতি গোবিন্দ দলের সাংগঠনিক কার্যকলাপে অন্যান্য কর্মীদের সঙ্গে কোনও সমন্বয় না রেখেই এককভাবে সিদ্ধান্ত নেন এবং বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করেন। তাদের আরও দাবি, বুথের কর্মীদের মতামতের গুরুত্ব দেওয়া হয় না এবং গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বিষয়েও কাউকে অবগত করা হয় না, যার ফলে বুথের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। এদিন একাধিক কর্মী প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন যে, বর্তমান নেতৃত্বে বুথের সাংগঠনিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে। তাই দলের স্বার্থে বুথ সভাপতি গোবিন্দকে পদ থেকে সরিয়ে নতুন নেতৃত্ব আনার দাবি জানিয়েছেন তারা। তবে, এই সমস্ত অভিযোগ শুধুমাত্র একাংশ কর্মীদের দাবি। এ বিষয়ে বুথ সভাপতি গোবিন্দ বা বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।
- শনিবার রাত প্রায় ৮টা নাগাদ শীতলকুচি ব্লকের ছোট শালবাড়ির ৫ নম্বর মণ্ডলের ২৭৩ নম্বর বুথে বিজেপির বুথ সভাপতি গোবিন্দর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বুথ স্তরের একাংশ কর্মীরা। এই কর্মীরা বুথ সভাপতির পদ থেকে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন। কর্মীদের অভিযোগ, বুথ সভাপতি গোবিন্দ দলের সাংগঠনিক কার্যকলাপে অন্যান্য কর্মীদের সঙ্গে কোনও সমন্বয় না রেখেই এককভাবে সিদ্ধান্ত নেন এবং বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করেন। তাদের আরও দাবি, বুথের কর্মীদের মতামতের গুরুত্ব দেওয়া হয় না এবং গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বিষয়েও কাউকে অবগত করা হয় না, যার ফলে বুথের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। এদিন একাধিক কর্মী প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন যে, বর্তমান নেতৃত্বে বুথের সাংগঠনিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে। তাই দলের স্বার্থে বুথ সভাপতি গোবিন্দকে পদ থেকে সরিয়ে নতুন নেতৃত্ব আনার দাবি জানিয়েছেন তারা। তবে, এই সমস্ত অভিযোগ শুধুমাত্র একাংশ কর্মীদের দাবি। এ বিষয়ে বুথ সভাপতি গোবিন্দ বা বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।1
- মেখলিগঞ্জের দুই ছেলের একটি ভাইরাল ভিডিও বর্তমানে ফেসবুকে ট্রেন্ডিং করছে।1
- একজন নতুন ভিডিও নির্মাতা দর্শকদের কাছে তাঁর সাম্প্রতিক ভিডিওর জন্য অকুণ্ঠ সমর্থন চেয়েছেন। তিনি সকলের কাছে আন্তরিকভাবে অনুরোধ করেছেন যে, যদি ভিডিওটি ভালো লাগে তবে তাতে লাইক, শেয়ার এবং কমেন্ট করে তাঁকে উৎসাহিত করা হোক। এছাড়াও, ভিডিওটি পছন্দ হলে তা কপি-লিংক করে অন্যদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তিনি বিশেষ আর্জি জানিয়েছেন।1
- নতুন সরকার গঠনের পর রাজ্যের উন্নয়নের বার্তা সামনে রেখে এবার কোচবিহারের জেলা প্রশাসন মাথাভাঙা শহরের সার্বিক উন্নয়নে উদ্যোগী হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে, কোচবিহারের জেলাশাসক জিতিন যাদব শনিবার মাথাভাঙা শহর পরিদর্শন করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর, পূর্ত দফতর, সেচ দফতর এবং মাথাভাঙা পুরসভাসহ বিভিন্ন সরকারি দফতরের আধিকারিকরা। জেলাশাসক শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ঘুরে দেখার পাশাপাশি আধিকারিকদের সঙ্গে একটি পর্যালোচনা বৈঠকও করেন। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এই বৈঠকে মাথাভাঙা আশুতোষ হলের সংস্কার, মাথাভাঙা শ্মশানঘাটের আধুনিকীকরণ ও সেখানে বৈদ্যুতিক চুল্লি স্থাপন, পূর্ত দফতরের জমিতে একটি আধুনিক সুইমিং পুল নির্মাণ, মাথাভাঙা মদনমোহন বাড়ির পুকুর সংস্কার এবং মাথাভাঙা মিনি ইনডোর স্টেডিয়ামের আধুনিকীকরণসহ একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে আরও জানানো হয়েছে যে, এদিন বিভিন্ন প্রকল্পের প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে এবং দ্রুত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কাজ শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রশাসনের বিশ্বাস, এই উন্নয়ন উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মাথাভাঙা শহরের পরিকাঠামো ও নাগরিক পরিষেবার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে।1
- রক্তদানের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে এবার এক অভিনব কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। রাজ্যজুড়ে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার একটি অংশ দিনহাটা কলেজে অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার দিনহাটা কলেজের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালের সুপার রনজিত মন্ডল সহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। মানুষের কাছে রক্তের চাহিদা তুলে ধরার লক্ষ্যে এটি একটি অভিনব প্রচার পদ্ধতি হিসেবে কাজ করছে।1
- বালি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট অভিজিৎ গাঙ্গুলী, যিনি সীতানাথ নামেও পরিচিত, আজ সকালে 'ডিম থেরাপি'র শিকার হয়েছেন। বালিখাল সংলগ্ন এন পাল লেনে তাঁর বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। বেশ কিছু মানুষ তাঁর বাড়িতে যান এবং তিনি যখন বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসছিলেন, ঠিক তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে একের পর এক ডিম নিক্ষেপ করা হয়। এই পরিস্থিতিতে তিনি দ্রুত ঘরের ভেতরে ঢুকে যান এবং গ্রিলের তালা লাগিয়ে দেন।1
- পারিবারিক অশান্তি নিরসনের লক্ষ্যে ডাকা একটি সালিশি সভা মুহূর্তের মধ্যে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এই ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী আবুবক্কর সিদ্দিক গুরুতর জখম হয়েছেন। ঘটনাটি শনিবার সকালে বামনহাট ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের পোয়াতুরকুঠী এলাকায় ঘটেছে, যেখানে অভিযোগ উঠেছে যে আলোচনার মাঝেই গৃহবধূর বাপের বাড়ির লোকজন আবুবক্করের উপর হামলা চালায়। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বাড়িতে আনা পোলট্রির মাংস রান্না না হওয়ায় তা কুকুরে খেয়ে ফেলে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র বচসা শুরু হয়, যেখানে স্বামী উত্তেজনার বশে স্ত্রীর গায়ে হাত তোলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এরপর গৃহবধূ অসুস্থ বোধ করায় শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে পাশেই তাঁর দাদুর বাড়িতে চলে যান। এই পরিস্থিতি মীমাংসার জন্য শনিবার সকাল প্রায় ১১টা নাগাদ দুই পক্ষ আলোচনায় বসেছিল। অভিযোগ, কথাবার্তা চলাকালীন হঠাৎ পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং গৃহবধূর বাপের বাড়ির কয়েকজন সদস্য আবুবক্কর সিদ্দিককে মারধর করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় আবুবক্করকে বামনহাট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে সিটিস্ক্যান করানোর পরামর্শ দেন। আবুবক্করের পরিবারের দাবি, তারা আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে চাইলেও আচমকাই হামলার শিকার হতে হয়। আহতের দিদি অভিযোগ করেছেন যে, হামলাকারীদের হাতে ইট-সহ অস্ত্রসদৃশ সামগ্রী ছিল এবং তাঁর ভাইয়ের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে। অন্যদিকে, গৃহবধূ অভিযোগ করেছেন যে তাঁকে পূর্বে মারধর করা হয়েছিল। তবে শনিবারের ঘটনায় তাঁর স্বামীকে কারা আঘাত করেছে, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন বলে জানিয়েছেন। গৃহবধূর বাপের বাড়ির সদস্যরাও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন যে, আলোচনা চলাকালীন কে বা কারা জামাইয়ের গায়ে হাত তুলেছে, তা তাঁদের জানা নেই। ঘটনার খবর পেয়ে সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং তদন্ত শুরু করেছে।1
- শীতলকুচি ব্লকের ছোট শালবাড়ির বুড়া ধরলা নদীতে বিপুল পরিমাণ কচুরিপানা জমে জলের স্বাভাবিক প্রবাহকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। এর ফলে নদীর স্রোতের প্রচণ্ড চাপ পড়ছে নদীর ওপর অবস্থিত দুটি দুর্বল সেতুর ওপর, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, স্রোতের কারণে সেতু দুটি দুলছে, যার ফলে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছোট শালবাড়ি অঞ্চলের বোচারঘাট ব্রিজ এবং আকরাহাট বাজার–নগর সভাগঞ্জ ব্রিজ দুটি দীর্ঘদিন ধরেই দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। বর্ষার মরসুমে নদীতে কচুরিপানার এই অস্বাভাবিক জট পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। সেতুর সামনে কচুরিপানা জমে থাকায় জলের প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং এর অতিরিক্ত চাপ সরাসরি সেতুর কাঠামোতে পড়ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এলাকাবাসীর জোর দাবি, দ্রুত নদী থেকে কচুরিপানা অপসারণ করে জলের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা হোক। তাদের আশঙ্কা, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এবং সেতু দুটি ভেঙে পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। যদিও ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই দুটি সেতুর প্রবেশমুখে আগেই 'দুর্বল সেতু' লেখা সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে, তবুও দৈনন্দিন প্রয়োজনে বহু মানুষ ঝুঁকি নিয়েই সেতুগুলি ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন। এলাকাবাসী আরও দাবি করছেন যে, কচুরিপানা অপসারণের পাশাপাশি প্রশাসন যেন দ্রুত এই সেতু দুটির স্থায়ী সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করে। এ বিষয়ে শীতলকুচির বিডিও অনিন্দিতা সিনহা ব্রহ্মাকে ফোন করা হলে তিনি জানান যে বিষয়টি তাঁর জানা নেই, তবে তিনি খোঁজ নিয়ে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।1