Shuru
Apke Nagar Ki App…
পাত্রসায়ের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং একজন তৃণমূল নেত্রীকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। ক্ষুব্ধ জনতা তাঁকে উদ্দেশ্য করে 'চোর চোর' স্লোগান দিয়েছে। এই পরিস্থিতির জেরে, ওই নেত্রীকে পুলিশের ঘেরাটোপে এলাকা ত্যাগ করতে হয়েছে।
Sk tousif
পাত্রসায়ের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং একজন তৃণমূল নেত্রীকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। ক্ষুব্ধ জনতা তাঁকে উদ্দেশ্য করে 'চোর চোর' স্লোগান দিয়েছে। এই পরিস্থিতির জেরে, ওই নেত্রীকে পুলিশের ঘেরাটোপে এলাকা ত্যাগ করতে হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- তৃণমূল প্রধানের শাস্তির দাবিতে এবার কয়েকশো গ্রামবাসী ব্লক প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। গ্রামবাসীরা সম্মিলিতভাবে এই দাবি নিয়ে প্রশাসনের কাছে পৌঁছেছেন।1
- হাওড়ার শিশু হাসপাতালে এক তুলকালাম কাণ্ড ঘটেছে, যেখানে প্রাক্তন তৃণমূল মন্ত্রী অরূপ রায়ের এক অনুগামীকে নারীরা জুতোপেটা করেছেন। এই ঘটনার জেরে তৃণমূলের ক্যাডারদের এলাকা থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে।1
- পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা ১ নম্বর মন্ডলে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বিজয় মিছিল সম্পন্ন হয়েছে।1
- পুড়শুড়ার বিধায়ক বিমান ঘোষ একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে দুর্নীতি ও তোলাবাজির বিরুদ্ধে কড়া অবস্থানের কথা স্পষ্ট করে দিয়েছেন। এই ভিডিওতে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আরামবাগের বিধায়ক হেমন্ত বাগ। বিমান ঘোষ জানিয়েছেন যে, পৌরসভার চেয়ারম্যান, প্রাক্তন চেয়ারম্যান, গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বা উপপ্রধান—যেকোনো স্তরের জনপ্রতিনিধি যদি দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হবে এবং আইন অনুযায়ী কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলেছেন, “দুর্নীতি বা তোলাবাজির সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের কাউকেই ছাড়া হবে না।” বিজেপি সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা তুলে ধরে তিনি জানান যে, স্বচ্ছ প্রশাসনই তাদের মূল লক্ষ্য। “ভয় আউট, ভরসা ইন”—এই বার্তা দিয়ে বিধায়ক সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনের কথা বলেন। তাঁর এই মন্তব্যের জেরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।1
- পাত্রসায়র এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের তীব্র বিক্ষোভের মুখে পড়লেন বিষ্ণুপুরের তৃণমূল সভাপতি সুব্রত দত্তের স্ত্রী। তিনি একইসাথে পঞ্চায়েত সভাপতি পদেও আসীন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা পাত্রসায়র এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।1
- মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে বারোটায় বিধায়ক লক্ষণ ঘোরুই গ্রাফাইট ইন্ডিয়া লিমিটেড এবং এসআরএমবি প্রাইভেট লিমিটেড কারখানায় যান। সেখানে তিনি কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং দাবি করেন যে ভোটের কয়েকদিন আগে বহু বহিরাগত শ্রমিককে নিয়োগ করা হয়েছে। বিধায়ক কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে সেই বহিরাগত শ্রমিকদের তালিকা তৈরি করে তাদের সরিয়ে স্থানীয় শ্রমিকদের নিয়োগ করার নির্দেশ দেন। এছাড়াও, শ্রমিকদের শোষণের অভিযোগ তুলে তিনি কিছু শ্রমিক নেতার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এই ঘটনাটি শিল্পাঞ্চলে রাজনৈতিক ও শ্রমিক মহলে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, কারণ বহিরাগত বনাম স্থানীয় শ্রমিক নিয়োগের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই এই শিল্পাঞ্চলে একটি সংবেদনশীল ইস্যু হিসেবে বিবেচিত।1
- দীর্ঘ ৩৩ বছর ধরে ‘ঘরছাড়া’ থাকার পর অবশেষে নিজের বাড়িতে ফিরেছেন এক বিজেপি কর্মী। এই ঘটনায় তাকে বরণ করে নিয়েছেন ইন্দাসের বিধায়ক নির্মল কুমার ধারা। বিধায়ক এই বিজেপি কর্মীর ঘরে ফেরাকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং তাকে উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করেছেন।1
- এক সাত তলা বাড়ির সমান বিশাল মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে, যা নির্মাণে চরম গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এই বিশাল মূর্তিটি বসানোর আগে কোনো রকম মাটি পরীক্ষা করা হয়নি, যা সামগ্রিক নির্মাণ প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত গাফিলতির পরিচায়ক।1
- ভারতীয় সেনা জওয়ান রাকেশ রায় চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগে মারা গেছেন। তাঁর কফিনবন্দি মরদেহ মঙ্গলবার (২৬ তারিখ) আরামবাগ মহকুমার আরান্ডি অঞ্চলে তাঁর বাড়িতে পৌঁছলে গোটা এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। প্রিয় সন্তানকে হারিয়ে পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং এলাকাবাসীও শোকে স্তব্ধ হয়ে যান। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রাকেশ রায় গত ১৫ তারিখ সুস্থ অবস্থায় বাড়ি থেকে ওড়িশায় ডিউটিতে যোগ দিতে রওনা দিয়েছিলেন। ১৮ তারিখ তিনি বাড়িতে ফোন করে অসুস্থতার কথা জানান এবং সেদিনই তাঁকে বিএসএফ ক্যাম্পে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ২২ তারিখে তাঁকে পুনরায় চেকআপের জন্য নিয়ে যাওয়া হলে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটে এবং তিনি একাধিকবার বমি করেন। এরপর তাঁকে ভুবনেশ্বরের আইসিইউতে রেফার করা হয়েছিল। পরিবারের অভিযোগ, গুরুতর অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও ২৩ তারিখ তাঁকে ডিউটিতে রাখা হয়। পরদিন, অর্থাৎ ২৪ তারিখ আবার অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ভুবনেশ্বরে নিয়ে যাওয়ার পথে সম্বলপুরের একটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁকে দীর্ঘক্ষণ স্ট্রেচারে ফেলে রাখা হয়েছিল বলে পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন। পর্যাপ্ত চিকিৎসা না পাওয়ার কারণেই সেখানেই রাকেশ রায়ের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় পরিবার ও এলাকাবাসী গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।1