পুড়শুড়ার বিধায়ক বিমান ঘোষ একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে দুর্নীতি ও তোলাবাজির বিরুদ্ধে কড়া অবস্থানের কথা স্পষ্ট করে দিয়েছেন। এই ভিডিওতে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আরামবাগের বিধায়ক হেমন্ত বাগ। বিমান ঘোষ জানিয়েছেন যে, পৌরসভার চেয়ারম্যান, প্রাক্তন চেয়ারম্যান, গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বা উপপ্রধান—যেকোনো স্তরের জনপ্রতিনিধি যদি দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হবে এবং আইন অনুযায়ী কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলেছেন, “দুর্নীতি বা তোলাবাজির সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের কাউকেই ছাড়া হবে না।” বিজেপি সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা তুলে ধরে তিনি জানান যে, স্বচ্ছ প্রশাসনই তাদের মূল লক্ষ্য। “ভয় আউট, ভরসা ইন”—এই বার্তা দিয়ে বিধায়ক সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনের কথা বলেন। তাঁর এই মন্তব্যের জেরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
পুড়শুড়ার বিধায়ক বিমান ঘোষ একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে দুর্নীতি ও তোলাবাজির বিরুদ্ধে কড়া অবস্থানের কথা স্পষ্ট করে দিয়েছেন। এই ভিডিওতে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আরামবাগের বিধায়ক হেমন্ত বাগ। বিমান ঘোষ জানিয়েছেন যে, পৌরসভার চেয়ারম্যান, প্রাক্তন চেয়ারম্যান, গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বা উপপ্রধান—যেকোনো স্তরের জনপ্রতিনিধি যদি দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হবে এবং আইন অনুযায়ী কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলেছেন, “দুর্নীতি বা তোলাবাজির সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের কাউকেই ছাড়া হবে না।” বিজেপি সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা তুলে ধরে তিনি জানান যে, স্বচ্ছ প্রশাসনই তাদের মূল লক্ষ্য। “ভয় আউট, ভরসা ইন”—এই বার্তা দিয়ে বিধায়ক সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনের কথা বলেন। তাঁর এই মন্তব্যের জেরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
- আজ হুগলি জেলার গোঘাট থানার অন্তর্গত পশ্চিম পাড়া অঞ্চলের পশ্চিমপাড়া গ্রামে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পক্ষ থেকে একটি বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গোঘাট বিধানসভার নবনির্বাচিত বিধায়ক প্রশান্ত দিগার নিজে উপস্থিত থেকে এলাকার বিজেপি কর্মী-সমর্থক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে এই বিজয় মিছিলে অংশ নেন। এই উপলক্ষে পশ্চিমপাড়া অঞ্চল ও পশ্চিমপাড়া গ্রামের বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা এলাকার সকল ধরনের মানুষের জন্য মধ্যাহ্ন ভোজেরও আয়োজন করে। পুরো এলাকা আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও উল্লাসে মুখরিত হয়ে উঠেছে।1
- এক সাত তলা বাড়ির সমান বিশাল মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে, যা নির্মাণে চরম গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এই বিশাল মূর্তিটি বসানোর আগে কোনো রকম মাটি পরীক্ষা করা হয়নি, যা সামগ্রিক নির্মাণ প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত গাফিলতির পরিচায়ক।1
- পাত্রসায়ের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং একজন তৃণমূল নেত্রীকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। ক্ষুব্ধ জনতা তাঁকে উদ্দেশ্য করে 'চোর চোর' স্লোগান দিয়েছে। এই পরিস্থিতির জেরে, ওই নেত্রীকে পুলিশের ঘেরাটোপে এলাকা ত্যাগ করতে হয়েছে।1
- দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বিভিন্ন অভিযোগ খতিয়ে দেখার উদ্দেশ্যে বিধায়ক জগৎবল্লভপুর হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়েছেন।1
- দুর্নীতি ও বঞ্চনার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে তৃণমূলের জেলা সভাপতির স্ত্রী তথা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিকে ঘেরাও করে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়েছে। প্রতিবাদকারীরা স্লোগানে স্লোগানে ওই নেত্রীকে 'চোর চোর' বলে সম্বোধন করেন, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।1
- অন্নপূর্ণা যোজনা সম্পর্কিত একটি নতুন আপডেট এসেছে। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য শোনার কথা বলা হয়েছে।1
- গোঘাটের একটি পেট্রোল পাম্পে তেল কম দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনা ঘিরে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে "কাটমানি" নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ ওঠায় পুরো এলাকায় তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। গোঘাটের বেলি গ্রামের সার্থক এনার্জি স্টেশন, ভারত পেট্রোলিয়াম পাম্পে এই ঘটনাটি সামনে আসে। এক গ্রাহক বোতলে তেল ভরতে গিয়ে টাকার তুলনায় কম তেল পাওয়ার সন্দেহ করলে কর্মচারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, যার ফলে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসে। অভিযোগ অনুযায়ী, পাম্পের ৩ নম্বর নজেলে একটি বিশেষ চিপ লাগানো ছিল, যা মেশিনের রিডিং কমিয়ে দিত, ফলে ১০০ টাকার তেলে প্রায় ২০ টাকা কম তেল দেওয়া হচ্ছিল। এই কারচুপির ঘটনা আরও গুরুতর মোড় নেয় যখন পাম্প কর্মচারীরা দাবি করেন যে, বিষয়টি জানার পর স্থানীয় কয়েকজন তৃণমূল নেতাকে প্রথমে প্রায় ৭ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপর নিয়মিতভাবে প্রতি মাসে প্রায় ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হত বলেও অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভাদুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার স্বামী শেখ সাত্তার ও শেখ কামিরুল-সহ আরও কয়েকজন তৃণমূল নেতার নাম এই ঘটনায় জড়িয়ে পড়েছে বলে এলাকায় ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। এই পাম্পের মালিক হিসেবে হরবিন্দার সিংয়ের নাম উঠে এসেছে, পাশাপাশি চাঁদ সাউয়ের নাম নিয়েও এলাকায় নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে গোঘাট থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পাম্পের চার কর্মচারীকে আটক করে। আটক কর্মচারীরা দাবি করেছেন যে, তারা কেবল ম্যানেজারের নির্দেশ মেনেই কাজ করেছেন এবং পুরো বিষয়টি ম্যানেজারই নিয়ন্ত্রণ করতেন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, মালিক ও ম্যানেজারকে ফোনে ঘটনার কথা জানানো হলেও পরে তারা আর যোগাযোগ করেননি। তেল কম দেওয়ার অভিযোগ এবং "কাটমানি" ইস্যুতে এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।1
- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ‘মা ক্যান্টিন’ বিষয়ক একটি বিরাট ঘোষণা করেছেন।1
- দীর্ঘ ৩৩ বছর ধরে ‘ঘরছাড়া’ থাকার পর অবশেষে নিজের বাড়িতে ফিরেছেন এক বিজেপি কর্মী। এই ঘটনায় তাকে বরণ করে নিয়েছেন ইন্দাসের বিধায়ক নির্মল কুমার ধারা। বিধায়ক এই বিজেপি কর্মীর ঘরে ফেরাকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং তাকে উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করেছেন।1