Shuru
Apke Nagar Ki App…
: বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মর্মান্তিক মৃত্যু এক সিআরপিএফ জওয়ানের : ডিউটি সেরে বাড়ি ফিরে বৈদ্যুতিন পাখায় বিদ্যুৎ সংযোগ করতে গিয়েছিলেন এক সিআরপিএফ জওয়ান। সেই সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে গুরুতর আহত হন তিনি ।শব্দ পেয়ে বাড়ির অন্যান্য লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সিআরপিএফ জওয়ান কে মৃত বলে ঘোষণা করেন ।মৃত জওয়ানের নাম মিথিলেশ রায় ।সিআরপিএফ এর ১২৪ নম্বর ব্যাটেলিয়ানে কর্মরত ছিলেন তিনি ।তার কর্মস্থল ছিল শালবাগান কার্যালয়ে ।তার বাড়ি রায়পুরে ।আগরতলায় গোয়ালা বস্তি এলাকায় একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন তিনি ।বৃহস্পতিবার ময়না তদন্তের জন্য বেসরকারী হাসপাতাল থেকে মৃত জওয়ানের দেহ জিবি হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়া হয় ।জিবি হাসপাতালের মর্গে এনসিসি থানার এক আধিকারিক এই সংবাদ জানান।
PRABIR CRIME
: বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মর্মান্তিক মৃত্যু এক সিআরপিএফ জওয়ানের : ডিউটি সেরে বাড়ি ফিরে বৈদ্যুতিন পাখায় বিদ্যুৎ সংযোগ করতে গিয়েছিলেন এক সিআরপিএফ জওয়ান। সেই সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে গুরুতর আহত হন তিনি ।শব্দ পেয়ে বাড়ির অন্যান্য লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সিআরপিএফ জওয়ান কে মৃত বলে ঘোষণা করেন ।মৃত জওয়ানের নাম মিথিলেশ রায় ।সিআরপিএফ এর ১২৪ নম্বর ব্যাটেলিয়ানে কর্মরত ছিলেন তিনি ।তার কর্মস্থল ছিল শালবাগান কার্যালয়ে ।তার বাড়ি রায়পুরে ।আগরতলায় গোয়ালা বস্তি এলাকায় একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন তিনি ।বৃহস্পতিবার ময়না তদন্তের জন্য বেসরকারী হাসপাতাল থেকে মৃত জওয়ানের দেহ জিবি হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়া হয় ।জিবি হাসপাতালের মর্গে এনসিসি থানার এক আধিকারিক এই সংবাদ জানান।
More news from ত্রিপুরা and nearby areas
- ✍️ দক্ষিণ ত্রিপুরার উত্তর বিলোনিয়ার একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে সিলিং ধসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মেরামতের কাজ শেষ হওয়ার মাত্র ১৩ দিনের মাথায় কেন্দ্রটির সিলিং হঠাৎ ভেঙে পড়ায় নির্মাণকাজের মান ও দায়িত্ব নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।1
- Post by PRABIR CRIME1
- Post by Gouranga Majumder1
- Post by Bishal debbarma1
- লালছড়ি এলাকায় চাঞ্চল্যকর ঘটনা! এক ভাড়াবাড়ি থেকে উদ্ধার এক যুবতী, যাকে ঘিরে উঠেছে অবৈধ কার্যকলাপের অভিযোগ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই ওই বাড়িতে সন্দেহজনক যাতায়াত লক্ষ্য করছিলেন এলাকাবাসী। অবশেষে গতরাতে এলাকাবাসী হাতেনাতে ধরে ফেলেন এক যুবতীকে, যিনি নাকি অর্থের বিনিময়ে অসামাজিক কাজে লিপ্ত ছিলেন বলে অভিযোগ।1
- খোয়াই জেলা, কল্যাণপুর: মাটির রাস্তা পরিদর্শনে বিধায়ক, অল্প কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে নতুন করে পিচ ঢালাইয়ের কাজ।।1
- কলেজ পড়ুয়া কন্যার পাশে বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি ২৩ এপ্রিল হতদরিদ্র পরিবারের কলেজ পড়ুয়া কন্যার পাশে দাঁড়ালেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা। ঘটনা বৃহস্পতিবার দুপুরে। মেলাঘর পৌর পরিষদের ১১ নং ওয়ার্ড সুভাষ নগর এলাকার এক হতদরিদ্র পরিবারের কলেজ পড়ুয়া কন্যা সুমিত্রা দত্তের পাশে দাঁড়ালেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি। তিনি বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্রামগঞ্জ থানায় কাজ শেষ করে মেয়েটির বাড়িতে ছুটে যান। যদিও ঐ সময় মেয়েটি বাড়িতে ছিল না। সে কলেজে গিয়েছিল। তাই মেয়েটির সঙ্গে তার দেখা হয়নি। তিনি সুমিত্রা দত্তের বিছানায় শয্যাশায়ী পিতা স্বপন দত্ত এবং তার মা কাজল দত্তের সঙ্গে কথা বলেন। মেয়েটির মা ওসিকে জানায় দুই মাস পূর্বে তার স্বামীর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শরীরের একটি অঙ্গ অকেজো হয়ে যায়। তারপর থেকে সে বিছানায় শয্যাশায়ী। তার স্বামী রাজমিস্ত্রি যোগালি কাজ করত। স্বামী বিছানায় পড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের রোজগার বন্ধ হয়ে যায়। তাদেরকে মাঝেমধ্যে উপোস থাকতে হয়। তার মেয়ে উদয়পুর কলেজে শিক্ষাবিজ্ঞান নিয়ে অনার্স ফাইনাল ইয়ারে পড়ছে। মেয়ের কলেজে যাবার জন্য গাড়ি ভাড়াও তাদের কাছে অনেক সময় থাকে না। প্রতিবেশীদের কাছ থেকে গাড়ি ভাড়া ধার করে মেয়েকে এনে দিতে হয়। প্রচন্ড আর্থিক সংকটে রয়েছে তারা। অর্থের অভাবে সে তার স্বামীর চিকিৎসা পর্যন্ত করতে পারছে না। মেয়ের পড়াশোনাও বন্ধের মুখে। এই সংবাদটি গতকাল দেখার পর মানবিকতার টানে বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা তাদের বাড়িতে ছুটে যান। সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন এই সংবাদটি দেখতে পেয়ে আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। মানবিকতার টানে আমি তার বাড়িতে ছুটে এসেছি। আমি পরিবারটিকে ডিম তেল নুন বিস্কিট আলু সয়াবিন মুড়ি সাবান পেঁয়াজ সহ এক মাসের খাদ্য সামগ্রী তাদের হাতে তুলে দিয়েছি এবং মেয়েটির কলেজে যাবার জন্য এক বছরের গাড়ি ভাড়াও তার মায়ের হাতে তুলে দিয়েছি। মেয়েটির ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার ক্ষেত্রে ও আমি তাকে অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য এবং সহযোগিতা করব বলে সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা। অজিত দেববর্মার এই মানবিক কাজকে কুর্নিশ জানিয়েছে গোটা মেলাঘর বাসী।" মানুষ মানুষের জন্য"__কবির এই কথাটিকে কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করে দেখালেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি । দরিদ্র ঘরের কলেজ পড়ুয়া কন্যাকে ও সি'র সাহায্য করার বিষয়টি জানতে পেরে এমনটাই বলছে গোটা মেলাঘর এলাকার মানুষ। অতীতেও বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি বেশ কয়েকজন মাধ্যমিক এবং দ্বাদশ পড়ুয়া দিব্যাঙ্গ ছেলে মেয়েকে তাদের ফাইনাল পরীক্ষার আগে সাহায্য করেছেন। ঘটনাটি শোনার পর অনেকেই বলছেন বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা, সত্যিকার অর্থেই একজন মানবদরদী মানুষ ।1
- Post by PRABIR CRIME1