চন্দ্রকোণার আলু চাষিদের হাহাকার কান্না মাঠ ভরা সোনার ফসল, অথচ কৃষকের চোখে জল। পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা এখন যেন এক অভিশপ্ত জনপদ। যে আলু মানুষের অন্ন জোগায়, সেই আলুই আজ কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে চাষিদের জীবনে। ২০০ টাকা বস্তা দরেও মিলছে না খরিদ্দার, মাঠেই ছটফট করছেন অন্নদাতারা।" চন্দ্রকোনার বাজারগুলোতে এখন দুই বস্তা আলুর দাম ঠেকেছে মাত্র ২০০ টাকায়। অথচ ট্র্যাজেডি হলো, এই দামেও আলু নিতে চাইছে না কেউ। চাষিদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে খরচের বহর দেখে। যে পাটের বস্তা কয়েকদিন আগেও ছিল মাত্র ১৪ টাকা, কালোবাজারির দাপটে আজ তার দাম আকাশছোঁয়া—বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়।" "মাঠে আলু ফেলে রাখলে পচে যাবে, এই ভয়ে কৃষকরা ছুটছেন হিমঘরের দিকে। কিন্তু সেখানেও চরম দুর্ভোগ। চন্দ্রকোনার হিমঘরগুলোর সামনে মাইলের পর মাইল ট্রাক আর গরুর গাড়ির দীর্ঘ লাইন। কাঠফাটা রোদে দিন-রাত এক করে লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না আলুর বন্ড। একদিকে চড়া রোদে নষ্ট হচ্ছে ফসল, অন্যদিকে বাড়ছে শ্রমিকের মজুরি। "চাষিদের দাবি—সার, বীজ আর সেচের খরচ মেটানোর পর এখন পকেটে টান পড়েছে। ২০০ টাকা বস্তা দরে আলু বিক্রি করলে শ্রমিকের পয়সাও উঠছে না। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে দিশেহারা চাষিরা এখন শুধুই প্রশাসনের হস্তক্ষেপের আশায় পথ চেয়ে বসে আছেন।" "চন্দ্রকোনার এই ছবি আজ গোটা জেলার কৃষি অর্থনীতির এক করুণ বিজ্ঞাপন। রক্ত জল করা ফসলের সঠিক দাম কি আদেও পাবেন এই কৃষকরা? নাকি ঋণের দায়ে পিষ্ট হয়ে এভাবেই শেষ হয়ে যাবে তাদের স্বপ্ন? চন্দ্রকোনা থেকে আমি.রিয়ার সাথে আশাবুদ্দিন খাঁনের রিপোর্ট পিবিএন বাংলা
চন্দ্রকোণার আলু চাষিদের হাহাকার কান্না মাঠ ভরা সোনার ফসল, অথচ কৃষকের চোখে জল। পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা এখন যেন এক অভিশপ্ত জনপদ। যে আলু মানুষের অন্ন জোগায়, সেই আলুই আজ কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে চাষিদের জীবনে। ২০০ টাকা বস্তা দরেও মিলছে না খরিদ্দার, মাঠেই ছটফট করছেন অন্নদাতারা।" চন্দ্রকোনার বাজারগুলোতে এখন দুই বস্তা আলুর দাম ঠেকেছে মাত্র ২০০ টাকায়। অথচ ট্র্যাজেডি হলো, এই দামেও আলু নিতে চাইছে না কেউ। চাষিদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে খরচের বহর দেখে। যে পাটের বস্তা কয়েকদিন আগেও ছিল মাত্র ১৪ টাকা, কালোবাজারির দাপটে আজ তার দাম আকাশছোঁয়া—বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়।" "মাঠে আলু ফেলে রাখলে পচে যাবে, এই ভয়ে কৃষকরা ছুটছেন হিমঘরের দিকে। কিন্তু সেখানেও চরম দুর্ভোগ। চন্দ্রকোনার হিমঘরগুলোর সামনে মাইলের পর মাইল ট্রাক আর গরুর গাড়ির দীর্ঘ লাইন। কাঠফাটা রোদে দিন-রাত এক করে লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না আলুর বন্ড। একদিকে চড়া রোদে নষ্ট হচ্ছে ফসল, অন্যদিকে বাড়ছে শ্রমিকের মজুরি। "চাষিদের দাবি—সার, বীজ আর সেচের খরচ মেটানোর পর এখন পকেটে টান পড়েছে। ২০০ টাকা বস্তা দরে আলু বিক্রি করলে শ্রমিকের পয়সাও উঠছে না। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে দিশেহারা চাষিরা এখন শুধুই প্রশাসনের হস্তক্ষেপের আশায় পথ চেয়ে বসে আছেন।" "চন্দ্রকোনার এই ছবি আজ গোটা জেলার কৃষি অর্থনীতির এক করুণ বিজ্ঞাপন। রক্ত জল করা ফসলের সঠিক দাম কি আদেও পাবেন এই কৃষকরা? নাকি ঋণের দায়ে পিষ্ট হয়ে এভাবেই শেষ হয়ে যাবে তাদের স্বপ্ন? চন্দ্রকোনা থেকে আমি.রিয়ার সাথে আশাবুদ্দিন খাঁনের রিপোর্ট পিবিএন বাংলা
- চন্দ্রকোণার আলু চাষিদের হাহাকার কান্না মাঠ ভরা সোনার ফসল, অথচ কৃষকের চোখে জল। পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা এখন যেন এক অভিশপ্ত জনপদ। যে আলু মানুষের অন্ন জোগায়, সেই আলুই আজ কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে চাষিদের জীবনে। ২০০ টাকা বস্তা দরেও মিলছে না খরিদ্দার, মাঠেই ছটফট করছেন অন্নদাতারা।" চন্দ্রকোনার বাজারগুলোতে এখন দুই বস্তা আলুর দাম ঠেকেছে মাত্র ২০০ টাকায়। অথচ ট্র্যাজেডি হলো, এই দামেও আলু নিতে চাইছে না কেউ। চাষিদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে খরচের বহর দেখে। যে পাটের বস্তা কয়েকদিন আগেও ছিল মাত্র ১৪ টাকা, কালোবাজারির দাপটে আজ তার দাম আকাশছোঁয়া—বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়।" "মাঠে আলু ফেলে রাখলে পচে যাবে, এই ভয়ে কৃষকরা ছুটছেন হিমঘরের দিকে। কিন্তু সেখানেও চরম দুর্ভোগ। চন্দ্রকোনার হিমঘরগুলোর সামনে মাইলের পর মাইল ট্রাক আর গরুর গাড়ির দীর্ঘ লাইন। কাঠফাটা রোদে দিন-রাত এক করে লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না আলুর বন্ড। একদিকে চড়া রোদে নষ্ট হচ্ছে ফসল, অন্যদিকে বাড়ছে শ্রমিকের মজুরি। "চাষিদের দাবি—সার, বীজ আর সেচের খরচ মেটানোর পর এখন পকেটে টান পড়েছে। ২০০ টাকা বস্তা দরে আলু বিক্রি করলে শ্রমিকের পয়সাও উঠছে না। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে দিশেহারা চাষিরা এখন শুধুই প্রশাসনের হস্তক্ষেপের আশায় পথ চেয়ে বসে আছেন।" "চন্দ্রকোনার এই ছবি আজ গোটা জেলার কৃষি অর্থনীতির এক করুণ বিজ্ঞাপন। রক্ত জল করা ফসলের সঠিক দাম কি আদেও পাবেন এই কৃষকরা? নাকি ঋণের দায়ে পিষ্ট হয়ে এভাবেই শেষ হয়ে যাবে তাদের স্বপ্ন? চন্দ্রকোনা থেকে আমি.রিয়ার সাথে আশাবুদ্দিন খাঁনের রিপোর্ট পিবিএন বাংলা1
- ভবানীপুর কেন্দ্রের বিজেপি মনোনীত প্রার্থী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভোট প্রচার ঘিরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খাস তালুক হিসেবে পরিচিত ভবানীপুরে গেরুয়া ঝড়....1
- কোটি কোটি টাকা নয়, সম্বল জনগণের ভালোবাসা: শালবনির বিজেপি প্রার্থীর ভাঙা মাটির বাড়ি থেকে বদলের ডাক1
- দাসপুরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড | পুড়ে ছাই মাথাগোঁজার ঠাঁই,আসবাব1
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- 🌎🌐🌍👨💻👩💻1
- শাশপুরে একাধিক পরিবারের বেশ কয়েক জন বিজেপি ছেড়ে তাদের দলে যোগ দিয়েছেন বলে তৃণমূল সূত্রে দাবি করা হয়েছে। ওই দলবদলু পরিবার গুলির সদস্যদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন ইন্দাস ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সেখ হামিদ ও ইন্দাস বিধানসভা তৃণমূল প্রার্থী শ্যামলী রায় বাগদি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসা শিশির রায়ের দাবি, শুধুমাত্র উন্নয়নের কর্মযজ্ঞে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই দলবদলের সিদ্ধান্ত। একই সঙ্গে এক একটি পরিবারে দু'তিন জন বাড়ি পাচ্ছেন সেই বিষয়টি মানুষের সামনে তুলে ধরবেন বলে জানান। ইন্দাস বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শ্যামলী রায় বাগদীর দাবি, যেভাবে মানুষ তাদের দলে যোগ দিচ্ছেন তাতে সহজেই আসবে। একই সঙ্গে তিনি জয়ের ব্যাপারে একশো শতাংশ নিশ্চিত বলে জানান। অন্যদিকে বিজেপি নেতা বিপ্রদাস অধিকারী বলেন, যারা বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে গেছে বলা হচ্ছে তারা আমাদের দলেল কেউ নয়। তৃণমূল নিজেদের লোককেই নতুন করে পতাকা ধরিয়ে দলবদলে গল্প বলছে। যে যাই বলুক এবারও এখানে বিজেপিই জিতছে বলে তিনি দাবি করেন।1
- ডট ফাউন্ডেশন এর পরিচালনায় বসন্ত উৎসব1