পূর্ব বর্ধমান জেলার খন্ডকোষে নকল লটারির টিকিট সহ হাতেনাতে ধরা পড়লো প্রতারক খন্ডঘোষে নকল লটারির টিকিটসহ হাতেনাতে ধরা পড়ল প্রতারক, চাঞ্চল্য এলাকায় খন্ডঘোষ: পূর্ব বর্ধমানের খন্ডঘোষ থানা মোড় এলাকায় নকল লটারির টিকিট ভাঙাতে এসে হাতেনাতে ধরা পড়ল এক প্রতারক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। লটারি ব্যবসায়ীদের সাথে দীর্ঘক্ষণ বচসার পর অবশেষে পুলিশ তাকে আটক করে এবং জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেপ্তার করে। শুক্রবার ধৃতকে ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানিয়ে বর্ধমান আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃত ওই যুবকের নাম শুভঙ্কর মজুমদার। সে উত্তর ২৪ পরগনার দক্ষিণ যোগেশগঞ্জ পাড়ার বাসিন্দা। ঘটনার বিবরণ: কী ঘটেছিল: গতকাল সকালে খন্ডঘোষ থানা মোড় এলাকার একটি লটারি কাউন্টারে ৫ হাজার টাকার পুরস্কার নিতে আসেন শুভঙ্কর মজুমদার। সন্দেহ ও জালিয়াতি ধরা পড়া: বিক্রেতার টিকিটটি হাতে নিয়ে সন্দেহ হয়। খুঁটিয়ে দেখার পর স্পষ্ট হয় যে টিকিটটি সম্পূর্ণ নকল। টিকিটের কারুকার্য এমন নিখুঁতভাবে করা হয়েছিল যে আসল ও নকলের মধ্যে ফারাক করা অত্যন্ত কঠিন ছিল। স্বীকারোক্তি: এরপরেই ব্যবসায়ীরা একত্রিত হয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। বচসা বাড়ার একপর্যায়ে সে নকল লটারির টিকিট ব্যবহারের কথা স্বীকার করে নেয়। পুরোনো অপরাধ ও পুলিশের অনুমান: স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মার্চ মাসেও এই একই যুবক খন্ডঘোষে নকল লটারির টিকিট দিয়ে ১ লক্ষ টাকা পুরস্কারের অর্থ নিয়ে চম্পট দিয়েছিল। এবার ৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করতে এসে সে শেষরক্ষা করতে পারেনি, ব্যবসায়ীদের তৎপরতায় ধরা পড়ে যায়। উত্তর ২৪ পরগনা থেকে সুদূর খন্ডঘোষে এসে এমন জালিয়াতির ঘটনায় লটারি মহলে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। এর নেপথ্যে কোনো বড়সড় প্রতারণা চক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে খন্ডঘোষ থানার পুলিশ।
পূর্ব বর্ধমান জেলার খন্ডকোষে নকল লটারির টিকিট সহ হাতেনাতে ধরা পড়লো প্রতারক খন্ডঘোষে নকল লটারির টিকিটসহ হাতেনাতে ধরা পড়ল প্রতারক, চাঞ্চল্য এলাকায় খন্ডঘোষ: পূর্ব বর্ধমানের খন্ডঘোষ থানা মোড় এলাকায় নকল লটারির টিকিট ভাঙাতে এসে হাতেনাতে ধরা পড়ল এক প্রতারক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। লটারি ব্যবসায়ীদের সাথে দীর্ঘক্ষণ বচসার পর অবশেষে পুলিশ তাকে আটক করে এবং জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেপ্তার করে। শুক্রবার ধৃতকে ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানিয়ে বর্ধমান আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃত ওই যুবকের নাম শুভঙ্কর মজুমদার। সে উত্তর ২৪ পরগনার দক্ষিণ যোগেশগঞ্জ পাড়ার বাসিন্দা। ঘটনার বিবরণ: কী ঘটেছিল: গতকাল সকালে খন্ডঘোষ থানা মোড় এলাকার একটি লটারি কাউন্টারে ৫ হাজার টাকার পুরস্কার নিতে আসেন শুভঙ্কর মজুমদার। সন্দেহ ও জালিয়াতি ধরা পড়া: বিক্রেতার টিকিটটি হাতে নিয়ে সন্দেহ হয়। খুঁটিয়ে দেখার পর স্পষ্ট হয় যে টিকিটটি সম্পূর্ণ নকল। টিকিটের কারুকার্য এমন নিখুঁতভাবে করা হয়েছিল যে আসল ও নকলের মধ্যে ফারাক করা অত্যন্ত কঠিন ছিল। স্বীকারোক্তি: এরপরেই ব্যবসায়ীরা একত্রিত হয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। বচসা বাড়ার একপর্যায়ে সে নকল লটারির টিকিট ব্যবহারের কথা স্বীকার করে নেয়। পুরোনো অপরাধ ও পুলিশের অনুমান: স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মার্চ মাসেও এই একই যুবক খন্ডঘোষে নকল লটারির টিকিট দিয়ে ১ লক্ষ টাকা পুরস্কারের অর্থ নিয়ে চম্পট দিয়েছিল। এবার ৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করতে এসে সে শেষরক্ষা করতে পারেনি, ব্যবসায়ীদের তৎপরতায় ধরা পড়ে যায়। উত্তর ২৪ পরগনা থেকে সুদূর খন্ডঘোষে এসে এমন জালিয়াতির ঘটনায় লটারি মহলে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। এর নেপথ্যে কোনো বড়সড় প্রতারণা চক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে খন্ডঘোষ থানার পুলিশ।
- লক্ষ্মীর ছবি আঁকেই জীবিকা, তবু নিজেদের সংসারে লক্ষ্মীলাভের লড়াই! তাহেরপুরের পালপাড়ায় বছরে ২ লক্ষ সরা তৈরি, শিল্পীর অভাবে চাহিদা মেটানোই বড় চ্যালেঞ্জ। লক্ষ্মীর ছবি আঁকেই জীবিকা, তবু নিজেদের সংসারে লক্ষ্মীলাভের লড়াই! তাহেরপুরের পালপাড়ায় বছরে ২ লক্ষ সরা তৈরি, শিল্পীর অভাবে চাহিদা মেটানোই বড় চ্যালেঞ্জ। দুর্গাপুজোর রেশ কাটতেই বাঙালির ঘরে ঘরে শুরু হয়েছে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর প্রস্তুতি। আর সেই পুজোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ লক্ষ্মী সরা তৈরি করতে এখন দিনরাত এক করে কাজ করছেন নদিয়ার তাহেরপুরের পালপাড়ার মৃৎশিল্পীরা। মাটির সরা তৈরি থেকে শুরু করে তার উপর দেবদেবীর ছবি আঁকা—পুরো কাজটাই তাঁদের হাতে। বংশপরম্পরায় চলে আসা এই শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বহু পরিবারের জীবন-জীবিকা। কিন্তু চাহিদা থাকা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত শিল্পীর অভাবে এখন সব অর্ডার সামাল দেওয়াই তাঁদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। তাহেরপুরের পালপাড়ায় লক্ষ্মী সরা তৈরির ইতিহাস কয়েক দশকের। দেশভাগের পর বাংলাদেশ থেকে এসে বেশ কয়েকটি পরিবার এই এলাকায় বসতি গড়ে তোলে। পরবর্তী সময়ে সেই পরিবারগুলির প্রায় ২৫টি পরিবার সরা তৈরি ও তার উপর ছবি আঁকাকে জীবিকার মাধ্যম হিসেবে বেছে নেয়। পরিবারের বয়স্কদের হাত ধরে শেখা সেই কাজ আজও চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁদের পরবর্তী প্রজন্মের শিল্পীরা। তাঁদের হাতের আঁচড়েই সাধারণ মাটির সরা হয়ে ওঠে পুজোর উপযোগী লক্ষ্মী সরা। এই কাজ শুধু লক্ষ্মীপুজোর মরশুমেই সীমাবদ্ধ নয়। সারা বছর ধরেই চলে সরা তৈরি ও ছবি আঁকার কাজ। বৈশাখ মাস থেকেই বিক্রি শুরু হয়। শিল্পীদের হিসেব অনুযায়ী, প্রতি বছর প্রায় দু’লক্ষ সরা তৈরি করেন তাঁরা। তাহেরপুরের পালপাড়ায় তৈরি এই সরা সরবরাহ করা হয় কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে। ফলে স্থানীয় এই শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে রাজ্যের বিস্তৃত বাজার। শিল্পীদের হাতে তৈরি সরাতেও রয়েছে নানা বৈচিত্র্য। কোথাও একক লক্ষ্মীর ছবি, কোথাও লক্ষ্মী-নারায়ণ, আবার কোথাও তিন লক্ষ্মী কিংবা পাঁচ পুতুলের নকশা। পাশাপাশি তৈরি হয় দুর্গা সরা-ও। প্রতিটি সরায় রং ও তুলির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয় দেবদেবীর ছবি। মাটির উপকরণকে সাজিয়ে তোলার এই কাজে দরকার হয় অভিজ্ঞতা, ধৈর্য এবং নিখুঁত হাতের কাজ। বছরের পর বছর ধরে এই শিল্পীরা সেই দক্ষতাই ধরে রেখেছেন। এ বছর লক্ষ্মী সরার চাহিদাও ভালো বলে জানাচ্ছেন শিল্পীরা। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী জোগান দিতে গিয়েই দেখা দিচ্ছে সমস্যা। এই পেশায় নতুন প্রজন্মের আগ্রহ কমে যাওয়ায় পর্যাপ্ত কারিগর পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে কাজের চাপ বাড়লেও সেই অনুপাতে বাড়ছে না উৎপাদন। শিল্পীদের আশঙ্কা, এভাবে চলতে থাকলে আগামী দিনে সরা তৈরির ঐতিহ্য ধরে রাখাই কঠিন হয়ে পড়বে। লক্ষ্মীপুজোর আগে যে সরা বাঙালির ঘরে ঘরে সমৃদ্ধি ও মঙ্গলকামনার প্রতীক হয়ে ওঠে, সেই সরা তৈরির কারিগরদের নিজেদের সংসার চালাতে প্রতিদিন লড়াই করতে হয়। তাঁদের হাতেই তৈরি হয় লক্ষ্মীর মুখ, তাঁদের তুলিতেই সেজে ওঠেন দেবী। অথচ সেই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষগুলির ভবিষ্যৎ আজ নির্ভর করছে নতুন প্রজন্ম এই পেশায় কতটা আগ্রহী হয়, আর বাংলার এই লোকশিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে কতটা উদ্যোগ নেওয়া হয় তার উপর।1
- সাংবাদিকদের মুখোমুখি তৃণমূল বিধায়ক কুনাল ঘোষ,২৫ লক্ষ টাকা সরকারি সহায়তা সঠিক বলে মন্তব্য।1
- কলকাতার চোরবাগানের প্রতিমা আজ বিসর্জন দেওয়া হলো ; 40 জন কুলির সহায়তায়। কলকাতার চোরবাগানের প্রতিমা আজ বিসর্জন দেওয়া হলো ; 40 জন কুলির সহায়তায়। প্যান্ডেল অক্ষত রেখে, তার একাংশ কেটে প্রতিমা বার করা হয়। কোর্ট ও সিটের নির্দেশে, এই কার্যসম্পাদন করা হলো। সঙ্গে পদযাত্রায় ছিল কমিটির লোকজন, কালো ব্যাজ পরে মোমবাতি হাতে নিয়ে।....প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত সপ্তমীর দিনে এখানেই, পদপৃষ্ঠ হয়ে 19 জন দর্শনার্থী নিহত হয়, তার জন্য পূজা মন্ডপটি সিল করে দেয়া হয়েছিল, প্রশাসনের তরফে। সঙ্গে রইল প্রতিমা নিয়ে যাওয়ার সংক্ষিপ্ত ভিডিও, যা সংগৃহীত। লেখনী ও ভিডিও-এডিটিং: অনুপম সরকার চক্রবর্তী। (অনলাইনে নিউজ মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দেবার জন্য, অথবা কোন সংবাদ প্রকাশের জন্য: হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে মেসেজ করুন: +91-9832254656)1
- সাংবাদিকদের মুখোমুখি মুখ্যমন্ত্রী | বাকরাহাট, দক্ষিণ ২৪ পরগনা1
- আউশগ্রামের বাহাদুরপুর মনোহরপুরে ধুমধাম করে অনুষ্ঠিত হলো দুর্গাপুজো আউশগ্রামের বাহাদুরপুর আউশগ্রামের বাহাদুরপুর মনোহরপুরে ধুমধাম করে অনুষ্ঠিত হলো দুর্গাপুজো আউশগ্রামের বাহাদুরপুর মনোহরপুরে মহা ধুমধাম ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো দুর্গাপুজো। পুজোকে ঘিরে এলাকাজুড়ে তৈরি হয় উৎসবের আবহ। পুজোর আয়োজন, ভক্তদের সমাগম এবং আনন্দ-উৎসবে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। ভক্তি, নিষ্ঠা ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে দুর্গোৎসব হয়ে ওঠে আরও প্রাণবন্ত।1
- লক্ষ্ণী পুজোর সময়ে রবিবার বেশ কিছু ট্রেন বাতিল ব্যান্ডেল কাটোয়া শাখায় ব্লকের পরে সময়সূচি জানতে সংশ্লিষ্ট স্টেশন ম্যানেজার এর সঙ্গে দেখা করে জেনে নিন কোন কোন ট্রেন বাতিল করা হচ্ছে সবার আগেই স্কাই বাংলা শুরু নিউজ এ দেখে নিন1
- পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সুন্দরবন বিষয়ক দপ্তরের উদ্যোগে সুন্দরবনের মানুষের সার্বিক উন্নতিকল্পে বিশেষ জনপরিষেবা প্রদান কর্মসূচি | কাকদ্বীপ স্টেডিয়াম, দঃ ২৪ পরগনা1
- ভরতপুরে দুটি বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে : আশঙ্কাজনক দুই শিশুসহ ৫ জন। ভরতপুরে দুটি বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে : আশঙ্কাজনক দুই শিশুসহ ৫ জন। ভরতপুরে কান্দি-সালার রাজ্য সড়কে দুই বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই শিশুসহ মারাত্মকভাবে জখম হলেন অন্তত ৫ জন। শনিবার আনুমানিক সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটা নাগাদ ভরতপুর থানার খাটানপাড়া সংলগ্ন এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সৈয়দকুলুট গ্রাম থেকে ৩৫ বছর বয়সী দানিস সেখ ও তাঁর ভাই ৩০ বছরের ইন্তাজ সেখ নিজ নিজ সন্তানকে নিয়ে ভরতপুর থানার কাছের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের এটিএম থেকে টাকা তুলে বাড়ি ফিরছিলেন। ফেরার পথে খাটানপাড়ার কাছে বিপরীত দিক থেকে আসা ভরতপুর দিঘিরপাড়ার ২১ বছর বয়সী তরুণ রনি সেখের বাইকের সঙ্গে তাঁদের বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ধাক্কার তীব্রতায় সকলেই রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। বিকট আওয়াজ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে ভরতপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে দুই শিশুসহ চারজনের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সরাসরি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে এবং শিশু দুটিকে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়, তবে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ইন্তাজ সেখকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে ভরতপুর থানার পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত বাইক দুটি বাজেয়াপ্ত করেছে এবং ঘটনার পেছনে বেপরোয়া গতি না অন্য কোনো কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে।1