নিজস্ব সংবাদদাতা, হলদিয়া: হলদিয়া পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের পার্টি অফিসে ভাঙচুর, বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ; পাল্টা ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব’ বলল বিজেপি ভোট মিটতেই হলদিয়া পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল। বৃহস্পতিবার সকালে তৃণমূল কর্মীরা এসে দেখে পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, রাতের অন্ধকারে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে। যদিও বিজেপির পাল্টা দাবি, এটি তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হলদিয়া থানার পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,বৃহস্পতিবার রাতে হলদিয়া পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়। অফিসের চেয়ার-টেবিল, ব্যানার-ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলা হয় বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের। এই ঘটনায় হলদিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে তৃণমূল। হলদিয়া শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি জ্যোতিপ্রসাদ দাস বলেন, “শেষ দফার ভোট শেষ হতেই বিভিন্ন এক্সিট পোলে বিজেপিকে এগিয়ে দেখানো হচ্ছে। তারপরই রাতের অন্ধকারে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা আমাদের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের পার্টি অফিস ভাঙচুর করেছে। আমরা হলদিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। পুলিশ তদন্ত করুক”। অভিযোগ পেয়ে হলদিয়া থানার ওসি ঘটনাস্থলে যান ও পার্টি অফিস পরিদর্শন করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। হলদিয়া মণ্ডল ৪-এর সভাপতি কার্তিক দাস বলেন, " নিজেদের দায় ও গোষ্ঠী সংঘর্ষের কারণেই ভাঙচুর হয়েছে। এর সঙ্গে বিজেপির কোনও ভূমিকা নেই”। নিজস্ব সংবাদদাতা, হলদিয়া: হলদিয়া পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের পার্টি অফিসে ভাঙচুর, বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ; পাল্টা ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব’ বলল বিজেপি ভোট মিটতেই হলদিয়া পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল। বৃহস্পতিবার সকালে তৃণমূল কর্মীরা এসে দেখে পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, রাতের অন্ধকারে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে। যদিও বিজেপির পাল্টা দাবি, এটি তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হলদিয়া থানার পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,বৃহস্পতিবার রাতে হলদিয়া পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়। অফিসের চেয়ার-টেবিল, ব্যানার-ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলা হয় বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের। এই ঘটনায় হলদিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে তৃণমূল। হলদিয়া শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি জ্যোতিপ্রসাদ দাস বলেন, “শেষ দফার ভোট শেষ হতেই বিভিন্ন এক্সিট পোলে বিজেপিকে এগিয়ে দেখানো হচ্ছে। তারপরই রাতের অন্ধকারে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা আমাদের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের পার্টি অফিস ভাঙচুর করেছে। আমরা হলদিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। পুলিশ তদন্ত করুক”। অভিযোগ পেয়ে হলদিয়া থানার ওসি ঘটনাস্থলে যান ও পার্টি অফিস পরিদর্শন করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। হলদিয়া মণ্ডল ৪-এর সভাপতি কার্তিক দাস বলেন, " নিজেদের দায় ও গোষ্ঠী সংঘর্ষের কারণেই ভাঙচুর হয়েছে। এর সঙ্গে বিজেপির কোনও ভূমিকা নেই”।
নিজস্ব সংবাদদাতা, হলদিয়া: হলদিয়া পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের পার্টি অফিসে ভাঙচুর, বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ; পাল্টা ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব’ বলল বিজেপি ভোট মিটতেই হলদিয়া পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল। বৃহস্পতিবার সকালে তৃণমূল কর্মীরা এসে দেখে পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, রাতের অন্ধকারে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে। যদিও বিজেপির পাল্টা দাবি, এটি তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হলদিয়া থানার পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,বৃহস্পতিবার রাতে হলদিয়া পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়। অফিসের চেয়ার-টেবিল, ব্যানার-ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলা হয় বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের। এই ঘটনায় হলদিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে তৃণমূল। হলদিয়া শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি জ্যোতিপ্রসাদ দাস বলেন, “শেষ দফার ভোট শেষ হতেই বিভিন্ন এক্সিট পোলে বিজেপিকে এগিয়ে দেখানো হচ্ছে। তারপরই রাতের অন্ধকারে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা আমাদের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের পার্টি অফিস ভাঙচুর করেছে। আমরা হলদিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। পুলিশ তদন্ত করুক”। অভিযোগ পেয়ে হলদিয়া থানার ওসি ঘটনাস্থলে যান ও পার্টি অফিস পরিদর্শন করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। হলদিয়া মণ্ডল ৪-এর সভাপতি কার্তিক দাস বলেন, " নিজেদের দায় ও গোষ্ঠী সংঘর্ষের কারণেই ভাঙচুর হয়েছে। এর সঙ্গে বিজেপির কোনও ভূমিকা নেই”। নিজস্ব সংবাদদাতা, হলদিয়া: হলদিয়া পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের পার্টি অফিসে ভাঙচুর, বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ; পাল্টা ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব’ বলল বিজেপি ভোট মিটতেই হলদিয়া পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল। বৃহস্পতিবার সকালে তৃণমূল কর্মীরা এসে দেখে পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, রাতের অন্ধকারে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে। যদিও বিজেপির পাল্টা দাবি, এটি তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হলদিয়া থানার পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,বৃহস্পতিবার রাতে হলদিয়া পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়। অফিসের চেয়ার-টেবিল, ব্যানার-ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলা হয় বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের। এই ঘটনায় হলদিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে তৃণমূল। হলদিয়া শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি জ্যোতিপ্রসাদ দাস বলেন, “শেষ দফার ভোট শেষ হতেই বিভিন্ন এক্সিট পোলে বিজেপিকে এগিয়ে দেখানো হচ্ছে। তারপরই রাতের অন্ধকারে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা আমাদের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের পার্টি অফিস ভাঙচুর করেছে। আমরা হলদিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। পুলিশ তদন্ত করুক”। অভিযোগ পেয়ে হলদিয়া থানার ওসি ঘটনাস্থলে যান ও পার্টি অফিস পরিদর্শন করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। হলদিয়া মণ্ডল ৪-এর সভাপতি কার্তিক দাস বলেন, " নিজেদের দায় ও গোষ্ঠী সংঘর্ষের কারণেই ভাঙচুর হয়েছে। এর সঙ্গে বিজেপির কোনও ভূমিকা নেই”।
- নিজস্ব সংবাদদাতা, হলদিয়া: হলদিয়া পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের পার্টি অফিসে ভাঙচুর, বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ; পাল্টা ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব’ বলল বিজেপি ভোট মিটতেই হলদিয়া পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল। বৃহস্পতিবার সকালে তৃণমূল কর্মীরা এসে দেখে পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, রাতের অন্ধকারে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে। যদিও বিজেপির পাল্টা দাবি, এটি তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হলদিয়া থানার পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,বৃহস্পতিবার রাতে হলদিয়া পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়। অফিসের চেয়ার-টেবিল, ব্যানার-ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলা হয় বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের। এই ঘটনায় হলদিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে তৃণমূল। হলদিয়া শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি জ্যোতিপ্রসাদ দাস বলেন, “শেষ দফার ভোট শেষ হতেই বিভিন্ন এক্সিট পোলে বিজেপিকে এগিয়ে দেখানো হচ্ছে। তারপরই রাতের অন্ধকারে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা আমাদের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের পার্টি অফিস ভাঙচুর করেছে। আমরা হলদিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। পুলিশ তদন্ত করুক”। অভিযোগ পেয়ে হলদিয়া থানার ওসি ঘটনাস্থলে যান ও পার্টি অফিস পরিদর্শন করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। হলদিয়া মণ্ডল ৪-এর সভাপতি কার্তিক দাস বলেন, " নিজেদের দায় ও গোষ্ঠী সংঘর্ষের কারণেই ভাঙচুর হয়েছে। এর সঙ্গে বিজেপির কোনও ভূমিকা নেই”।1
- বৃষ্টির রাতে দাসপুরের হটাৎ করে হেলে পড়ল বসত বাড়ির কিছু অংশ,এলাকায় চাঞ্চল্য2
- রাসবিহারী কেন্দ্রে অভিনেতা ঢুকতেই শুরু হয় হইচই৷ মা, বাবা ও বোনকে নিয়ে ভোট দিলেন অভিনেতা ৷1
- mmnnnnnnmmmmmnnn vggjljghnmnnkkmmmnbb b nn যস্ডব নজজ বভ্যন্ন বাবা নামনন বাবা bbvvbbnn1
- ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতে। ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকবে নদিয়া মুর্শিদাবাদ বীরভূম উত্তর ও দক্ষিণ ২৪পরগনা পূর্ব বর্ধমান এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতে।1
- Post by JBP NEWS BANGLA1
- 81 বছরের বৃদ্ধ কে হত্যা করা হয়েছে আর এটা নাকি ঘটিয়েছে সিআরপিএফ1
- গত দুদিনের রাতভর তুমুল বৃষ্টি, আর সেই বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হলো কৃষকদের পাকা ধান। জলের তলায় তলিয়ে গেল বিঘার পর বিঘা এভাবেই। ফলে চিন্তায় কৃষক মহলে। এমনই ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর দুই ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকায়। জানা যায় গত দুদিনের বৃষ্টির ফলে দাসপুরের জগন্নাথপুর শ্যামচক সিতাপুর লক্ষণচক শহ একাধিক এলাকায় কৃষকদের বিঘার পর বিঘা জমির ধান একেবারে জলের তলায় তলিয়ে গেছে। আজ কৃষকদেরকে দেখা গেল সেই জমি থেকে ধান জল থেকে তুলে মাথায় করে খামারে নিয়ে আসতে।এক কৃষক বলেন হাজার হাজার টাকা খরচ করে এই ধান রোপন করা হয়েছিল, কিন্তু পাকা ধান তোলার সময় এই বিপত্তি।2