দীর্ঘদিনের বিতর্কের পর অবশেষে সোমবার হরিশ্চন্দ্রপুরের ঘোড়াগাড়ি স্ট্যান্ড দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ নির্মাণ ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার উদ্যোগে বুলডোজার ব্যবহার করে এই নির্মাণগুলি অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনকালে এই ঘোড়াগাড়ি স্ট্যান্ড দখল করে দলীয় কার্যালয়, দোকান, হোটেল ও রেস্টুরেন্ট-সহ একাধিক স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছিল বলে অভিযোগ। এই বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছিল, এবং বিজেপির পক্ষ থেকে বারবার আন্দোলন ও প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। অভিযোগ করা হয় যে, হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এবং চাঁচল মহকুমা শাসকের দফতরে লিখিতভাবে বিষয়টি জানানো হলেও দীর্ঘকাল ধরে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তবে স্থানীয় সূত্রের দাবি, পরবর্তীতে মহকুমা শাসকের পক্ষ থেকে অবৈধ নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ জারি করা হয়েছিল। রাজনৈতিক পালাবদলের পর প্রশাসন অবশেষে সেই নির্দেশ কার্যকর করতে উদ্যোগী হয়। সোমবার সকাল থেকে পুলিশের কড়া নিরাপত্তার মধ্যে বুলডোজার দিয়ে অবৈধ নির্মাণগুলি ভাঙার কাজ শুরু হয়। এদিন ঘটনাস্থলে এলাকার বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে এই দখলমুক্তির দাবি জানিয়ে আসা স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ প্রশাসনের এই পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। যদিও, অভিযোগের বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্বের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সরকারি জমি দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে আইন অনুযায়ী এই অভিযান চালানো হচ্ছে।
দীর্ঘদিনের বিতর্কের পর অবশেষে সোমবার হরিশ্চন্দ্রপুরের ঘোড়াগাড়ি স্ট্যান্ড দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ নির্মাণ ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার উদ্যোগে বুলডোজার ব্যবহার করে এই নির্মাণগুলি অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনকালে এই ঘোড়াগাড়ি স্ট্যান্ড দখল করে দলীয় কার্যালয়, দোকান, হোটেল ও রেস্টুরেন্ট-সহ একাধিক স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছিল বলে অভিযোগ। এই বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছিল, এবং বিজেপির পক্ষ থেকে বারবার আন্দোলন ও প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। অভিযোগ করা হয় যে, হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এবং চাঁচল মহকুমা শাসকের দফতরে লিখিতভাবে বিষয়টি জানানো হলেও দীর্ঘকাল ধরে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তবে স্থানীয় সূত্রের দাবি, পরবর্তীতে মহকুমা শাসকের পক্ষ থেকে অবৈধ নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ জারি করা হয়েছিল। রাজনৈতিক পালাবদলের পর প্রশাসন অবশেষে সেই নির্দেশ কার্যকর করতে উদ্যোগী হয়। সোমবার সকাল থেকে পুলিশের কড়া নিরাপত্তার মধ্যে বুলডোজার দিয়ে অবৈধ নির্মাণগুলি ভাঙার কাজ শুরু হয়। এদিন ঘটনাস্থলে এলাকার বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে এই দখলমুক্তির দাবি জানিয়ে আসা স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ প্রশাসনের এই পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। যদিও, অভিযোগের বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্বের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সরকারি জমি দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে আইন অনুযায়ী এই অভিযান চালানো হচ্ছে।
- আজকের দিনের টপ খবর প্রকাশিত হয়েছে।3
- মালদার ইংলিশ বাজারের কৃষ্ণ পল্লীর কৃষ্ণ পার্কে একাদশ শ্রেণীর এক নাবালক ছাত্রের ওপর প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগ উঠেছে। ছাত্রের পরিবারের সদস্যরা সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, টিউশন পড়তে যাওয়ার নাম করে তাদের ছেলেকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে এসে একদল সমাজ বিরোধী তাকে প্রাণে মারার চেষ্টা করে। এই হামলায় ছাত্রের কাছ থেকে টাকা, মোবাইল ফোন, কানের দুল, সোনার আংটি এবং নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। সাধারণ মানুষের তত্পরতায় ওই স্কুল ছাত্রকে সমাজ বিরোধীদের হাত থেকে উদ্ধার করে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে, যেখানে তার চিকিৎসা চলছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় ইংলিশ বাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ছাত্রের পরিবারের সদস্যরা অভিযুক্ত সমাজ বিরোধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ এই দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।1
- সোমবার মালদার বামনগোলা ব্লকে আইসিডিএস কর্মীরা একগুচ্ছ দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন। তাঁরা বামনগোলা সিডিপিও দপ্তরে বিক্ষোভ-ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন করছেন। পশ্চিমবঙ্গ আইসিডিএস কর্মী সমিতির নেত্রী শিল্পা চক্রবর্তী এই বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, রাজ্য সরকার আইসিডিএস কর্মীদের মোবাইল কেনার জন্য দশ হাজার টাকা করে দিলেও, এখনও পর্যন্ত তাদের সিমকার্ড দেওয়া হয়নি। এর ফলে কর্মীরা ব্যক্তিগত সিমকার্ড ব্যবহার করে সরকারি অ্যাপে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন এবং মোবাইল রিচার্জের খরচও তাদেরই বহন করতে হচ্ছে, যা তারা করতে চান না। এই সব দাবীর পাশাপাশি, প্রতিমাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দেওয়ার দাবিও তুলেছেন তাঁরা।1
- মালদার মানিকচকে ফের ডিম ছুঁড়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বিজেপি নেতাকর্মীরা। এবার তারা তৃণমূল পরিচালিত মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পিংকি মন্ডলের দপ্তরে ঢুকে পড়েন। সেখানে পিংকি মন্ডলের টেবিলে তারই ছবি রেখে ডিম ছুঁড়ে প্রতিবাদ জানান বিজেপি কর্মীরা।1
- মদন মিত্র দল ও সংবিধানের প্রতি তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে তিনি নিজেকে কোনো 'পাহাড়' মনে করেন না। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কেবল একজন কর্মী।1
- মালদার জালালপুর গ্রামে একটি রাস্তার নির্মাণ কাজ নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের মতে, রাস্তাটির দু'পাশে মাটি দেওয়া হয়নি, কেবল প্রথম দিকে সামান্য মাটি ফেলা হয়েছে, যা কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে। এই ত্রুটিপূর্ণ কাজ অবিলম্বে ঠিক করার জন্য প্রশাসনের কাছে জোরালো আবেদন জানানো হয়েছে। জানা গেছে, এই রাস্তা নির্মাণ কাজের ঠিকাদার হলেন আশরাফুল হক। জালালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে, জালালপুর গ্রামের ফজলুল হকের বাড়ি থেকে লম্বা বিল পর্যন্ত এই রাস্তাটি তৈরি করা হচ্ছে।1
- কাজীপাড়া শিশু শিক্ষা কেন্দ্র ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা তীব্র বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। তাদের অভিযোগ, এই দুই প্রতিষ্ঠানে গুরুতর অনিয়ম চলছে, যা শিশুদের শিক্ষা ও পুষ্টির অধিকার খর্ব করছে। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে যে, মাত্র এক বালতি খিচুড়ি দিয়ে ১০০ জন ছাত্রের পেট ভরানো হচ্ছে। এছাড়াও, সরকারি চাল এবং অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী কর্মীদের বাড়িতে রাখা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে। কাজীপাড়া শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের চালে অসংখ্য কালো ও খারাপ পোকা দেখা গেছে, এবং এই পোকাযুক্ত চালই খিচুড়ির জন্য রান্না করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। একইসাথে, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে জমি দানকারীদের পরিবার অবৈধভাবে বসবাস করছে বলেও প্রকাশ্যে এসেছে। এই সকল অনিয়মের বিষয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকদের অবগত করা হলেও, অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন যে এখনও পর্যন্ত কোনো প্রকার ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।1
- সোমবার বিকাল প্রায় চারটা নাগাদ মালদার হবিবপুর থানার বুলবুলচন্ডী অঞ্চলের মধ্যম কেন্দুয়া এলাকায় একটি নিয়ন্ত্রণহীন লরি ব্যাপক তাণ্ডব চালায়। বুলবুলচন্ডীর দিক থেকে মালদার দিকে যাওয়া একটি ১২ চাকার মাল বোঝাই লরির চালক মধ্যম কেন্দুয়ার কাছে পৌঁছাতেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। লরিটি প্রথমে একটি ইলেক্ট্রিক পোল এবং একটি ছোট গাড়িতে ধাক্কা মারে। এরপর এটি রাস্তার ধারের দুটি বাড়িতে হুড়মুড়িয়ে ঢুকে পড়ে, যার ফলে বাড়িগুলি প্রচণ্ডভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ঘটনায় এলাকার সাধারণ মানুষ অল্পের জন্য বড়সড়ো দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেও, পরপর দুটি বাড়ি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই দিনে, সোমবার বিধানসভায় রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার তাদের প্রথম পূর্ণাঙ্গ রাজ্য বাজেট পেশ করে। এই বাজেটে রাজ্যের সিভিক ভলান্টিয়ারদের মাসিক বেতন দুই হাজার টাকা বৃদ্ধি করার ঘোষণা করা হয়। তবে, বেতন বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্তে মালদার সিভিক ভলান্টিয়ার মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। যেখানে অনেকে রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন, সেখানে কেউ কেউ বর্তমান মূল্যবৃদ্ধির পরিস্থিতিতে দুই হাজার টাকা বেতন বৃদ্ধিকে যথেষ্ট মনে করছেন না। তাদের দাবি, সংসার ভালোভাবে প্রতিপালনের জন্য তারা আরও সম্মানজনক বেতন বৃদ্ধির আশা করেছিলেন এবং তাদের মতে, মাত্র দুই হাজার টাকা বৃদ্ধিতে তা সম্ভব নয়।1