জেলা সভাপতি নির্বাচন ঘিরে কোচবিহার কংগ্রেসে প্রকাশ্য গোষ্ঠী কোন্দল! মারধর, হামলার অভিযোগে উত্তপ্ত জেলা পার্টি অফিস কোচবিহার: জেলা কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এবার প্রকাশ্যেই সামনে এল কোচবিহার জেলা কংগ্রেসের অন্দরের তীব্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কংগ্রেস নেতা মীর মোশারফ হোসেনকে মারধর করে জেলা পার্টি অফিস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বর্তমান জেলা কংগ্রেস সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকারের অনুগামীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার কিছুক্ষণের জন্য তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে কোচবিহার জেলা কংগ্রেস পার্টি অফিস চত্বরে। অভিযোগ, জেলা সভাপতি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করেই পার্টি অফিসে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে প্রথমে বচসা শুরু হয়। এরপর পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।০ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা মীর মোশারফ হোসেনের অভিযোগ, বর্তমান জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকারের অনুগামীরা তাঁকে মারধর করেন এবং পার্টি অফিস থেকে কার্যত বের করে দেন। এখানেই থেমে থাকেননি মীর মোশারফ হোসেন। তাঁর আরও বিস্ফোরক অভিযোগ, বিশ্বজিৎ সরকার বিজেপির লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে এসে কংগ্রেসের পার্টি অফিসে হামলা চালিয়েছেন। তাঁর দাবি, পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং দলের অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দেওয়া হয়েছে। যদিও সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন জেলা কংগ্রেস সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকার। পাল্টা তাঁর দাবি, বিরোধী গোষ্ঠীর লোকেরাই বিজেপি এবং তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের সঙ্গে নিয়ে এসে জেলা সভাপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া বানচাল করার চেষ্টা করছে। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনকে ঘিরে অশান্তি তৈরি করে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। ফলে একই ঘটনার দুই সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাখ্যায় আরও ঘনীভূত হয়েছে কোচবিহার জেলা কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল। একদিকে মারধর ও বহিরাগতদের নিয়ে হামলার অভিযোগ, অন্যদিকে নির্বাচন প্রক্রিয়া বানচালের পাল্টা অভিযোগ—সব মিলিয়ে জেলা কংগ্রেসের অন্দরের সংঘাত এবার প্রকাশ্যে চলে এসেছে। দলীয় নেতৃত্ব নির্বাচনের লড়াইকে কেন্দ্র করে যখন পার্টি অফিসেই নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি ও বহিরাগতদের আনার অভিযোগ উঠছে, তখন প্রশ্ন উঠছে—কোচবিহার জেলা কংগ্রেস কি আদৌ নিজেদের ঘর সামলাতে পারছে? ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষের অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে জেলা সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই প্রকাশ্য সংঘাত যে কোচবিহার কংগ্রেসের সাংগঠনিক সংকটকে আরও প্রকট করে তুলেছে, তা বলাই বাহুল্য।
জেলা সভাপতি নির্বাচন ঘিরে কোচবিহার কংগ্রেসে প্রকাশ্য গোষ্ঠী কোন্দল! মারধর, হামলার অভিযোগে উত্তপ্ত জেলা পার্টি অফিস কোচবিহার: জেলা কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এবার প্রকাশ্যেই সামনে এল কোচবিহার জেলা কংগ্রেসের অন্দরের তীব্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কংগ্রেস নেতা মীর মোশারফ হোসেনকে মারধর করে জেলা পার্টি অফিস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বর্তমান জেলা কংগ্রেস সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকারের অনুগামীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার কিছুক্ষণের জন্য তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে কোচবিহার জেলা কংগ্রেস পার্টি অফিস চত্বরে। অভিযোগ, জেলা সভাপতি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করেই পার্টি অফিসে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে প্রথমে বচসা শুরু হয়। এরপর পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।০ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা মীর মোশারফ হোসেনের অভিযোগ, বর্তমান জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকারের অনুগামীরা তাঁকে মারধর করেন এবং পার্টি অফিস থেকে কার্যত বের করে দেন। এখানেই থেমে থাকেননি মীর মোশারফ হোসেন। তাঁর আরও বিস্ফোরক অভিযোগ, বিশ্বজিৎ সরকার বিজেপির লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে এসে কংগ্রেসের পার্টি অফিসে হামলা চালিয়েছেন। তাঁর দাবি, পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং দলের অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দেওয়া হয়েছে। যদিও সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন জেলা কংগ্রেস সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকার। পাল্টা তাঁর দাবি, বিরোধী গোষ্ঠীর লোকেরাই বিজেপি এবং তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের সঙ্গে নিয়ে এসে জেলা সভাপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া বানচাল করার চেষ্টা করছে। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনকে ঘিরে অশান্তি তৈরি করে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। ফলে একই ঘটনার দুই সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাখ্যায় আরও ঘনীভূত হয়েছে কোচবিহার জেলা কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল। একদিকে মারধর ও বহিরাগতদের নিয়ে হামলার অভিযোগ, অন্যদিকে নির্বাচন প্রক্রিয়া বানচালের পাল্টা অভিযোগ—সব মিলিয়ে জেলা কংগ্রেসের অন্দরের সংঘাত এবার প্রকাশ্যে চলে এসেছে। দলীয় নেতৃত্ব নির্বাচনের লড়াইকে কেন্দ্র করে যখন পার্টি অফিসেই নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি ও বহিরাগতদের আনার অভিযোগ উঠছে, তখন প্রশ্ন উঠছে—কোচবিহার জেলা কংগ্রেস কি আদৌ নিজেদের ঘর সামলাতে পারছে? ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষের অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে জেলা সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই প্রকাশ্য সংঘাত যে কোচবিহার কংগ্রেসের সাংগঠনিক সংকটকে আরও প্রকট করে তুলেছে, তা বলাই বাহুল্য।
- ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন নেতা আমীর আলম গ্রেপ্তারের সিসিটিভি ফুটেজ দেখুন প্রাক্তন মন্ত্রী উদায়ন ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন ছাত্র নেতা তৃণমূলের আমির আলমকে গ্রেপ্তারের দেখুন সেই সিসিটিভি ফুটেজ।1
- Post by Mansai News1
- মাথাভাঙ্গা শীতলকুচি রাজ্য সড়কে ই রিক্সা ও পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে আহত তিন। মাথাভাঙ্গা শীতলকুচি রাজ্য সড়কে ই রিক্সা ও পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে আহত তিন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে মাথাভাঙ্গা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে একটি রিক্সা মাথাভাঙ্গা থেকে শীতলকুচিতে যাচ্ছিল সেই সময় সাটিমারি এলাকায় এটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পরে আহত হয় তিনজন। দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় মাথাভাঙা মহাকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।1
- জেলা সভাপতি নির্বাচন ঘিরে কোচবিহার কংগ্রেসে প্রকাশ্য গোষ্ঠী কোন্দল! মারধর, হামলার অভিযোগে উত্তপ্ত জেলা পার্টি অফিস কোচবিহার: জেলা কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এবার প্রকাশ্যেই সামনে এল কোচবিহার জেলা কংগ্রেসের অন্দরের তীব্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কংগ্রেস নেতা মীর মোশারফ হোসেনকে মারধর করে জেলা পার্টি অফিস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বর্তমান জেলা কংগ্রেস সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকারের অনুগামীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার কিছুক্ষণের জন্য তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে কোচবিহার জেলা কংগ্রেস পার্টি অফিস চত্বরে। অভিযোগ, জেলা সভাপতি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করেই পার্টি অফিসে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে প্রথমে বচসা শুরু হয়। এরপর পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।০ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা মীর মোশারফ হোসেনের অভিযোগ, বর্তমান জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকারের অনুগামীরা তাঁকে মারধর করেন এবং পার্টি অফিস থেকে কার্যত বের করে দেন। এখানেই থেমে থাকেননি মীর মোশারফ হোসেন। তাঁর আরও বিস্ফোরক অভিযোগ, বিশ্বজিৎ সরকার বিজেপির লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে এসে কংগ্রেসের পার্টি অফিসে হামলা চালিয়েছেন। তাঁর দাবি, পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং দলের অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দেওয়া হয়েছে। যদিও সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন জেলা কংগ্রেস সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকার। পাল্টা তাঁর দাবি, বিরোধী গোষ্ঠীর লোকেরাই বিজেপি এবং তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের সঙ্গে নিয়ে এসে জেলা সভাপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া বানচাল করার চেষ্টা করছে। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনকে ঘিরে অশান্তি তৈরি করে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। ফলে একই ঘটনার দুই সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাখ্যায় আরও ঘনীভূত হয়েছে কোচবিহার জেলা কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল। একদিকে মারধর ও বহিরাগতদের নিয়ে হামলার অভিযোগ, অন্যদিকে নির্বাচন প্রক্রিয়া বানচালের পাল্টা অভিযোগ—সব মিলিয়ে জেলা কংগ্রেসের অন্দরের সংঘাত এবার প্রকাশ্যে চলে এসেছে। দলীয় নেতৃত্ব নির্বাচনের লড়াইকে কেন্দ্র করে যখন পার্টি অফিসেই নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি ও বহিরাগতদের আনার অভিযোগ উঠছে, তখন প্রশ্ন উঠছে—কোচবিহার জেলা কংগ্রেস কি আদৌ নিজেদের ঘর সামলাতে পারছে? ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষের অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে জেলা সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই প্রকাশ্য সংঘাত যে কোচবিহার কংগ্রেসের সাংগঠনিক সংকটকে আরও প্রকট করে তুলেছে, তা বলাই বাহুল্য।1
- *অস্ত্র আইনে মামলা, আমির আলমের বিরুদ্ধে পাঁচদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ আদালতে.. জানালেন সরকারি আইনজীবী সঞ্জয় বর্মন *অস্ত্র আইনে মামলা, আমির আলমের বিরুদ্ধে পাঁচদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ আদালতে.. জানালেন সরকারি আইনজীবী সঞ্জয় বর্মন1
- ন্যায্য মূল্যে বিক্রেতারা ভুসিমাল দ্রব্য বিক্রয় করছে কিনা এবং ক্রেতারা সঠিক মূল্যে মালপত্র পাচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে আজ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুরের গোবিন্দনগর (কালিবাজার) মার্কেটে সরজমিনে খতিয়ে দেখলেন মহকুমা প্রশাসন। সমস্ত ভুসিমাল সহ অন্যান্য দোকানে খতিয়ে দেখতে বিশেষ টিম উপস্থিত ছিলেন। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে পর্যবেক্ষণ।1
- গ্রেপ্তার তৃণমূল ছাত্রনেতা আমির আলম। আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় মুখে এক গাল হাসি। গ্রেপ্তার তৃণমূল ছাত্রনেতা আমির আলম। আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় মুখে এক গাল হাসি।1
- *ট্রাইব্যুনালে বিচার দ্রুত ফিল রিপোর্ট বিচারই দিন থাকা বাসিন্দাদের সরকারি সুবিধা সহ একাধিক দাবিতে বি*ক্ষো*ভ ও ডেপুটেশন। *ট্রাইব্যুনালে বিচার দ্রুত ফিল রিপোর্ট বিচারই দিন থাকা বাসিন্দাদের সরকারি সুবিধা সহ একাধিক দাবিতে বি*ক্ষো*ভ ও ডেপুটেশন।1