শনিবার বিকেলে উত্তর জেলার পানিসাগর থানাধীন অগ্নিপাশা এলাকায় কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র সংলগ্ন আগরতলা–আসাম জাতীয় সড়কে একটি দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস এবং একটি বৈদ্যুতিক হাইস্পিড অটোর মধ্যে ভয়াবহ মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটেছে। সংঘর্ষের তীব্রতায় হাইস্পিড অটোটি সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। জানা গেছে, আগরতলা থেকে গৌহাটিগামী একটি নৈশকালীন সুপার বাস এবং পানিসাগর থেকে পেঁচারথলগামী হাইস্পিড অটোটির মধ্যে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে অটোর চালক সহ অন্তত ৫ জন আরোহী গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে পানিসাগর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যেখানে হাসপাতাল সূত্র অনুযায়ী কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। দুর্ঘটনার সময় বাসে থাকা আসামের এক প্রত্যক্ষদর্শী যাত্রী জানান, বাস ও অটোর মধ্যে প্রচণ্ড জোরে ধাক্কা লাগে। দুর্ঘটনার পরপরই বাসচালক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে আটক করে ফিরিয়ে আনা হয়। প্রত্যক্ষদর্শী আরও জানান যে, দুর্ঘটনার পর বাসের যাত্রী ও স্থানীয়রা উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন। আহতদের বের করতে গিয়ে তার হাত ও শরীর রক্তে ভিজে যায়। অটো থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় ৫ জনকে উদ্ধার করা হয়, যাদের মধ্যে একজনের ঘাড় ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে ওই প্রত্যক্ষদর্শী দাবি করেন। দুর্ঘটনার পর এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও, উপস্থিত লোকজন মানবিকতার পরিচয় দিয়ে প্রথমে আহতদের উদ্ধারে গুরুত্ব দেন। পরে পুলিশ, দমকল এবং স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। খবর পেয়ে পানিসাগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
শনিবার বিকেলে উত্তর জেলার পানিসাগর থানাধীন অগ্নিপাশা এলাকায় কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র সংলগ্ন আগরতলা–আসাম জাতীয় সড়কে একটি দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস এবং একটি বৈদ্যুতিক হাইস্পিড অটোর মধ্যে ভয়াবহ মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটেছে। সংঘর্ষের তীব্রতায় হাইস্পিড অটোটি সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। জানা গেছে, আগরতলা থেকে গৌহাটিগামী একটি নৈশকালীন সুপার বাস এবং পানিসাগর থেকে পেঁচারথলগামী হাইস্পিড অটোটির মধ্যে
এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে অটোর চালক সহ অন্তত ৫ জন আরোহী গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে পানিসাগর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যেখানে হাসপাতাল সূত্র অনুযায়ী কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। দুর্ঘটনার সময় বাসে থাকা আসামের এক প্রত্যক্ষদর্শী যাত্রী জানান, বাস ও অটোর মধ্যে প্রচণ্ড জোরে ধাক্কা লাগে। দুর্ঘটনার পরপরই বাসচালক
পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে আটক করে ফিরিয়ে আনা হয়। প্রত্যক্ষদর্শী আরও জানান যে, দুর্ঘটনার পর বাসের যাত্রী ও স্থানীয়রা উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন। আহতদের বের করতে গিয়ে তার হাত ও শরীর রক্তে ভিজে যায়। অটো থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় ৫ জনকে উদ্ধার করা হয়, যাদের মধ্যে একজনের ঘাড় ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে
বলে ওই প্রত্যক্ষদর্শী দাবি করেন। দুর্ঘটনার পর এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও, উপস্থিত লোকজন মানবিকতার পরিচয় দিয়ে প্রথমে আহতদের উদ্ধারে গুরুত্ব দেন। পরে পুলিশ, দমকল এবং স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। খবর পেয়ে পানিসাগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
- উত্তর ত্রিপুরা জেলার ধর্মনগর মহকুমার দেওয়ানপাশা এলাকায় গত শনিবার একটি সড়ক দুর্ঘটনায় এক পথচারী আহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, TR05ER3872 নম্বরের একটি দ্রুতগতিতে চলা ই-রিকশা রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় দেওয়ানপাশা এলাকারই বাসিন্দা সত্যনারায়ন তেলি (৪৮) নামে এক ব্যক্তিকে ধাক্কা দেয়। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় লোকজন দ্রুত ধর্মনগর দমকল বিভাগে খবর দেন। খবর পেয়ে দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং চিকিৎসকরা তাঁর শারীরিক অবস্থার পর্যবেক্ষণ করছেন। এই দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় সাময়িক উত্তেজনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করেছে।3
- কদমতলা বাজারে একটি মিছিল শেষ হওয়ার পর সিপিআইএম যুব নেতা কমরেড জহুরুল হক একটি সাক্ষাৎকারে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।1
- ত্রিপুরার কৈলাসহরের ফুলতলী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় জায়গা-সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদের জেরে চরম বিপত্তি ঘটে, যেখানে দুই সহোদর ভাই ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং একজন গুরুতর জখম হন। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। জানা গেছে, ফুলতলী গ্রাম পঞ্চায়েতের ৪ নং ওয়ার্ডের রাজমিস্ত্রী ময়ূর চাঁদ সিনহা এবং ২ নং ওয়ার্ডের অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মী নিলোদ্দজ সিনহা আপন দুই ভাই ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের মধ্যে জায়গা-সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত ১৯ জুন শুক্রবার রাতে ছোট ভাই নিলোদ্দজ সিনহা, যিনি বিগত কয়েকদিন ধরে বাড়িতে ছিলেন না, হঠাৎ করে বড় ভাই ময়ূর চাঁদ সিনহার ঘরে ঢুকে তর্কাতর্কি শুরু করেন। সে সময় ময়ূর চাঁদ সিনহার স্ত্রী ও এক ছেলে ঘরের ভিতরেই ছিলেন। তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে নিলোদ্দজ সিনহা ধারালো ছুরি দিয়ে ময়ূর চাঁদ সিনহার গলায় আঘাত করতে গেলে ময়ূর চাঁদ সিনহার ছেলে তাঁকে আটকানোর চেষ্টা করেন। এতে ছেলের ডান হাত কেটে প্রচুর রক্তপাত হয়। এরপর ময়ূর চাঁদ সিনহা লাঠি খুঁজতে অন্য ঘরে গেলে পিছন থেকে নিলোদ্দজ সিনহা তাঁর গলায় ছুরি দিয়ে আঘাত করেন, যার ফলে ময়ূর চাঁদ সিনহা রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই নিলোদ্দজ সিনহাও রক্তাক্ত অবস্থায় বড় ভাইয়ের মৃতদেহের পাশে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই তাঁরও মৃত্যু হয়। গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মৃদুল সিনহা এই ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছেন। গ্রামবাসীরা চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে ঘটনাস্থলে এসে কৈলাসহর থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে কৈলাসহর থানার পুলিশ অফিসার জনুয়া হালামের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ ও টিএসআর বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে উনকোটি জেলার পুলিশ সুপার সুধামবিকা আর নিজেও ঘটনাস্থলে এসে সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং মৃত ময়ূর চাঁদ সিনহার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। ফরেনসিক দলের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে তদন্ত করেন এবং রাতেই দুই মৃতদেহকে কৈলাসহরের ভগবান নগর এলাকার উনকোটি জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অন্যদিকে, ময়ূর চাঁদ সিনহার ছেলে গুরুতর জখম হওয়ায় পুলিশ তাঁকে উনকোটি জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং চিকিৎসকরা তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে, বড় ভাই ময়ূর চাঁদ সিনহা ছোট ভাইয়ের হাতে খুন হলেও, ছোট ভাই নিলোদ্দজ সিনহা কার হাতে খুন হয়েছেন, তা এখনও সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে রয়েছে।3
- নির্বাচন শেষ হওয়ার পর থেকে এক বিধায়ক ‘নিখোঁজ’ রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই বিধায়ক, চিত্তরঞ্জন দেববর্মা, ভোটের পর থেকে তার ফোনও ধরছেন না বলে জানা গেছে। এই পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।1
- ত্রিপুরার বাধারঘাটে রাতভর তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠেছে, যা গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, একটি প্রেমঘটিত সম্পর্ক বা ব্যক্তিগত রেষারেষিকে কেন্দ্র করে এই ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। দুষ্কৃতীরা শুধু ভাঙচুর করেই ক্ষান্ত হয়নি, তারা গাড়ি এবং বাইক ড্রেনের মধ্যে ফেলে দিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।1
- শনিবার বিকেলে উত্তর জেলার পানিসাগর থানাধীন অগ্নিপাশা এলাকায় কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র সংলগ্ন আগরতলা–আসাম জাতীয় সড়কে একটি দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস এবং একটি বৈদ্যুতিক হাইস্পিড অটোর মধ্যে ভয়াবহ মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটেছে। সংঘর্ষের তীব্রতায় হাইস্পিড অটোটি সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। জানা গেছে, আগরতলা থেকে গৌহাটিগামী একটি নৈশকালীন সুপার বাস এবং পানিসাগর থেকে পেঁচারথলগামী হাইস্পিড অটোটির মধ্যে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে অটোর চালক সহ অন্তত ৫ জন আরোহী গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে পানিসাগর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যেখানে হাসপাতাল সূত্র অনুযায়ী কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। দুর্ঘটনার সময় বাসে থাকা আসামের এক প্রত্যক্ষদর্শী যাত্রী জানান, বাস ও অটোর মধ্যে প্রচণ্ড জোরে ধাক্কা লাগে। দুর্ঘটনার পরপরই বাসচালক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে আটক করে ফিরিয়ে আনা হয়। প্রত্যক্ষদর্শী আরও জানান যে, দুর্ঘটনার পর বাসের যাত্রী ও স্থানীয়রা উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন। আহতদের বের করতে গিয়ে তার হাত ও শরীর রক্তে ভিজে যায়। অটো থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় ৫ জনকে উদ্ধার করা হয়, যাদের মধ্যে একজনের ঘাড় ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে ওই প্রত্যক্ষদর্শী দাবি করেন। দুর্ঘটনার পর এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও, উপস্থিত লোকজন মানবিকতার পরিচয় দিয়ে প্রথমে আহতদের উদ্ধারে গুরুত্ব দেন। পরে পুলিশ, দমকল এবং স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। খবর পেয়ে পানিসাগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।4