এসডিও অফিসের গেট ভেঙে ঢুকল কংগ্রেস কর্মীরা,যোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগে কংগ্রেসের বিক্ষোভ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মহকুমা শাসকের দপ্তর চত্বর এসআইআর-এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ, এসডিও অফিসের গেট ভেঙে ঢুকল কংগ্রেস কর্মীরা। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় যোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগে কংগ্রেসের বিক্ষোভ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মহকুমা শাসকের দপ্তর চত্বর। বৃহস্পতিবার কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে এসডিও অফিসের গেট ভেঙে ভিতরে ঢুকে পড়েন এবং শুরু হয় স্লোগান ও প্রতিবাদ। এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন জেলা কংগ্রেস সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী। তাঁর অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে বহু বৈধ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম এখনও বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে, ফলে তাদের ভোটাধিকার নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কংগ্রেসের দাবি, দ্রুত সমস্যার সমাধান করে বাদ পড়া ভোটারদের নাম পুনরায় তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
এসডিও অফিসের গেট ভেঙে ঢুকল কংগ্রেস কর্মীরা,যোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগে কংগ্রেসের বিক্ষোভ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মহকুমা শাসকের দপ্তর চত্বর এসআইআর-এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ, এসডিও অফিসের গেট ভেঙে ঢুকল কংগ্রেস কর্মীরা। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় যোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগে কংগ্রেসের বিক্ষোভ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মহকুমা শাসকের দপ্তর চত্বর। বৃহস্পতিবার কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে এসডিও অফিসের গেট ভেঙে ভিতরে ঢুকে পড়েন এবং শুরু হয় স্লোগান ও প্রতিবাদ। এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন জেলা কংগ্রেস সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী। তাঁর অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে বহু বৈধ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম এখনও বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে, ফলে তাদের ভোটাধিকার নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কংগ্রেসের দাবি, দ্রুত সমস্যার সমাধান করে বাদ পড়া ভোটারদের নাম পুনরায় তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
- দুর্গাপুরে তীব্র জলসংকট, প্রায় ২০ দিন ধরে ভোগান্তি পাইপলাইন ফাটায় বাড়ছে সমস্যা। দুর্গাপুরের বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে তীব্র জলসংকটের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১ঃ৩০ টায় এলাকাবাসীর দাবি, প্রায় ২০ দিন ধরে নিয়মিত জল সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে বহু মানুষকে বাধ্য হয়ে জল কিনে দৈনন্দিন কাজ চালাতে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কথায়, প্রতিদিনই জল পাওয়ার জন্য হাহাকার পড়ে যাচ্ছে। অনেক এলাকায় ট্যাপ খুললেও জল আসছে না। এর ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। রান্না, পানীয় জল থেকে শুরু করে দৈনন্দিন নানা কাজে সমস্যায় পড়েছেন বাসিন্দারা। অন্যদিকে জল বিক্রেতারাও চাপে পড়েছেন। এক জল বিক্রেতা জানান, বর্তমানে জলের চাহিদা এতটাই বেড়ে গেছে যে পর্যাপ্ত সাপ্লাই দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অনেক এলাকায় চাহিদা থাকা সত্ত্বেও জল পৌঁছে দেওয়া যাচ্ছে না। জানা গেছে, রেলওয়ে এক্সটেনশনের কাজ চলাকালীন দুর্গাপুর প্রোজেক্ট লিমিটেড (ডিপিএল)-এর একটি প্রধান জলের পাইপলাইন ফেটে যায়। তার জেরেই একাধিক এলাকায় জল সরবরাহে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে।1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বীরভূমের বোলপুরে জোরদার রুট মার্চ, টহলে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী, দেখুন সেই ছবি1
- বিষ্ণুপুর পাঞ্চেত বন বিভাগের অন্তর্গত বাঁকাদহ রেঞ্জের অধীনে খরকাটা বিটের জামশুলি জঙ্গলে আগুন1
- ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি স্টেজে উঠতেই ফাঁকা সভা1
- ইন্দাস ব্লকে আকুই 1 নম্বর বনকী গ্ৰামের বাসিন্দা গতো 5বছর ধরে দরখাস্ত দিয়ে জানিয়ে কোনো কাজ হয়নি এবং দিদিকে বলো যে ফোন করা হয়েছে তাতে কোনো কাজ হয়নি আমরা প্রচন্ড কষ্টের মধ্যে আছি যাহাতে তারাতারি কাজ হয় তার ব্যবস্তা করলে খুশি হবো অনেক সেয়ার করুন1
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- Post by রিপোর্টারAbhijit Santra1
- সকাল থেকেই ভোগান্তির ছবি দেখা গেল মুচিপাড়া এলাকার এইচএফসিআই-তে। এইচপি গ্যাস নেওয়ার জন্য ভোর থেকেই গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন পড়ে। কেউ সকাল সাতটা, কেউ আবার আটটা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়ার আশায়। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় অভিযোগ, বুকিং সংক্রান্ত সমস্যার কারণে গ্রাহকদের চরম হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে। অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গ্যাস পাবেন কি না তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। এদিকে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক জানিয়েছে দেশে পর্যাপ্ত গ্যাস মজুত রয়েছে। তবে বাস্তবে এমন ভোগান্তি কেন তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। এই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। গ্যাস নিতে আসা এক গ্রাহকের কথায়, “যুদ্ধ করে গ্যাস নিতে হচ্ছে, বিরাট লাইন, চরম ভোগান্তি।1