মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর-১নং ব্লকের কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের খড়মপুর গ্রামে আবাস যোজনা প্রকল্পে ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পঞ্চায়েত সদস্য উপেন যাদবের বিরুদ্ধে। শনিবার গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে তীব্র বিক্ষোভ দেখান এবং অবিলম্বে নেওয়া কাটমানির টাকা ফেরতের দাবি জানান। অভিযোগকারী গ্রামবাসীদের মতে, নির্দল প্রতীকে জেতা উপেন যাদব পরে শাসক দল তৃণমূলের সঙ্গে মিশে গিয়ে তাদের সমর্থনে কাজ করেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, প্রায় এক বছর আগে তাদের নাম আবাস যোজনায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর পঞ্চায়েত সদস্য উপেন যাদব উপভোক্তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কারও কাছে ১০ হাজার, কারও কাছে ১৫ হাজার, কারও কাছে ২০ হাজার, এমনকি কয়েকজনের কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কাটমানি আদায় করেন। যারা কাটমানি দিতে রাজি হননি, তাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এমনকি দাবী মতো টাকা না দিলে পরের কিস্তির টাকা আটকে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। এর ফলে বাধ্য হয়েই উপভোক্তারা পঞ্চায়েত সদস্যকে কাটমানি দিয়েছেন। এই কাটমানি দেওয়ার কারণে বেশ কয়েকজন উপভোক্তা এখনও পর্যন্ত তাদের বাড়ির নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ করতে পারেননি। এই পরিস্থিতিতেই শনিবার তারা একজোট হয়ে কাটমানি ফেরতের দাবিতে সরব হন। যদিও এই সমস্ত অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্য উপেন যাদব।
মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর-১নং ব্লকের কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের খড়মপুর গ্রামে আবাস যোজনা প্রকল্পে ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পঞ্চায়েত সদস্য উপেন যাদবের বিরুদ্ধে। শনিবার গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে তীব্র বিক্ষোভ দেখান এবং অবিলম্বে নেওয়া কাটমানির টাকা ফেরতের দাবি জানান। অভিযোগকারী গ্রামবাসীদের মতে, নির্দল প্রতীকে জেতা উপেন যাদব পরে শাসক দল তৃণমূলের সঙ্গে মিশে গিয়ে তাদের সমর্থনে কাজ করেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, প্রায় এক বছর আগে তাদের নাম আবাস যোজনায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর পঞ্চায়েত সদস্য উপেন যাদব উপভোক্তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কারও কাছে ১০ হাজার, কারও কাছে ১৫ হাজার, কারও কাছে ২০ হাজার, এমনকি কয়েকজনের কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কাটমানি আদায় করেন। যারা কাটমানি দিতে রাজি হননি, তাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এমনকি দাবী মতো টাকা না দিলে পরের কিস্তির টাকা আটকে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। এর ফলে বাধ্য হয়েই উপভোক্তারা পঞ্চায়েত সদস্যকে কাটমানি দিয়েছেন। এই কাটমানি দেওয়ার কারণে বেশ কয়েকজন উপভোক্তা এখনও পর্যন্ত তাদের বাড়ির নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ করতে পারেননি। এই পরিস্থিতিতেই শনিবার তারা একজোট হয়ে কাটমানি ফেরতের দাবিতে সরব হন। যদিও এই সমস্ত অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্য উপেন যাদব।
- শনিবার হরিশ্চন্দ্রপুর মণ্ডল-২ বিজেপি তাদের দলীয় কার্যালয়ে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করেছে। এই অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, দেশাত্মবোধক গান এবং বাংলার ঐতিহ্যকে বিশেষ গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা হয়। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও ভারতমাতার ছবিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে বাংলার সমৃদ্ধ ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের নানান দিক তুলে ধরা হয়। এই আয়োজনে হরিশ্চন্দ্রপুর মন্ডল ২ সভাপতি অজয় পাসওয়ান, জেলা যুব সহ-সভাপতি মনোজ দাস, মণ্ডল-৩ সভাপতি ভরত কুমার মণ্ডল, জেলা মহিলা মোর্চার সহ-সভাপতি অনামিকা পাণ্ডে, বিজেপি নেতা রতন দাস, কৌশিক মিশ্র, বাবলু কর্মকার, গোপাল শর্মা-সহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব, কর্মী-সমর্থক এবং এলাকার বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান চলাকালীন একটি ষাঁড় দলীয় কার্যালয় চত্বরে চলে এলে উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাকে বিস্কুট খাইয়ে আদর করেন, যা সবার মধ্যে কৌতূহল ও আনন্দের সৃষ্টি করে। সভায় বক্তারা বাংলার গৌরবময় ইতিহাস, ভাষা এবং সংস্কৃতির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁরা বলেন যে, পশ্চিমবঙ্গ দিবস কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। বক্তারা আরও জানান যে, ভবিষ্যতেও এমন কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের মধ্যে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।2
- পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন উপলক্ষে গাজোলে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সংখ্যালঘু মোর্চার উদ্যোগে একটি মহতী রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। পান্ডুয়া এ. কে. হাইস্কুলে এই মানবিক কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়, যার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ দিবসে একটি মানবিক বার্তা দেওয়া হয়েছে।1
- অবশেষে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নবগ্রামের চাণক বাসস্ট্যান্ড সরকারি অনুমোদিত বাসস্ট্যান্ড হিসেবে তার পথচলা শুরু করেছে। এখন থেকে সমস্ত সরকারি বাস নিয়ম মেনে এই স্ট্যান্ডে দাঁড়াবে। শনিবার সকাল প্রায় ১১টায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই নতুন বাসস্ট্যান্ডের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করা হয়। নবগ্রামের বিধায়ক দিলীপ সাহা ফিতা কেটে এবং ফলক উন্মোচন করে এর উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে দু'নম্বর মন্ডল সভাপতি টোটন মিস্ত্রি-সহ এলাকার একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধন উপলক্ষে শনিবার সকাল থেকেই চাণক বাসস্ট্যান্ডটিকে ফুল ও আলো দিয়ে সুসজ্জিত করা হয়েছিল। উদ্যোক্তারা স্ট্যান্ডে আসা প্রথম সরকারি বাসের চালক ও কন্ডাক্টরকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন এবং তাঁদের মিষ্টিমুখও করান। স্থানীয় বিধায়ক ও মন্ডল সভাপতি জানান যে, চাণক এলাকাটিকে বাসস্ট্যান্ডের জন্য বেছে নেওয়ার পেছনে একটি বড় সামাজিক উদ্দেশ্য রয়েছে। মূলত দুটি বিষয়কে এখানে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে: এই এলাকায় আদিবাসী স্কুল-সহ একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকায়, বাসস্ট্যান্ডটি চালু হওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের ভোগান্তির অবসান ঘটবে। এছাড়া, এলাকার মহিলারা যাতে খুব ভোরে বা সন্ধের পর নিরাপদে এবং সহজেই যাতায়াত করতে পারেন, সেই সুরক্ষার দিকটিও বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন উপলক্ষে হাওড়া ব্রিজকে ভারতের জাতীয় পতাকার রঙে রাঙানো আলোয় সজ্জিত করা হয়েছে। এই বিশেষ দিনে সেখানে একটি লেজার শো-ও আয়োজিত হচ্ছে। এই আলোর ঝলকানি এবং লেজার শো-এর মাধ্যমে শহর এক নজিরবিহীন দৃশ্যের সাক্ষী হচ্ছে।1
- রায়গঞ্জের কর্নজোড়া কালিবাড়ি এলাকায় শনিবার বিকেল পৌনে পাঁচটা নাগাদ একটি শুকনো গাছের ডাল আচমকা ভেঙে পড়ায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে যায়। এই বিপত্তির জেরে রায়গঞ্জ-বালুরঘাট রাজ্য সড়কে কিছুক্ষণের জন্য যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাস্তার পাশে থাকা গাছটি অনেক দিন ধরেই শুকিয়ে গিয়েছিল। কোনো রকম ঝড়বৃষ্টি ছাড়াই হঠাৎ করে এই শুকনো ডালটি ভেঙে পড়ে বড়সড় সমস্যার সৃষ্টি করে। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তাঁরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে ছিঁড়ে যাওয়া বিদ্যুতের তার মেরামত করেন। কর্মীদের তৎপরতায় অল্প সময়ের মধ্যেই যান চলাচল আবার স্বাভাবিক হয়।1
- শনিবার নলহাটি পৌরসভার উদ্যোগে স্থানীয় এলআইসি বিল্ডিংয়ে সাড়ম্বরে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে পৌরসভার আধিকারিক, কর্মীবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং বিশিষ্ট সমাজসেবীরা উপস্থিত ছিলেন। একইসঙ্গে, রাজ্যস্তরের মূল অনুষ্ঠান তারকেশ্বরে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন। "পশ্চিমবঙ্গ: ঐতিহ্য, সম্প্রীতি এবং উন্নয়ন" — এই থিমকে সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিবিজড়িত তারকেশ্বরের এই মঞ্চ থেকেই তিনি রাজ্যের উন্নয়ন ও ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরেন। নলহাটির অনুষ্ঠানে পৌরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার সহ অন্যান্য আধিকারিক, স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে দিনটির গুরুত্ব তুলে ধরেন। যথাযথ মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করা হয়।1
- শনিবার হরিশ্চন্দ্রপুর মণ্ডল-২ বিজেপি তাদের দলীয় কার্যালয়ে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন করেছে। এই উপলক্ষে এক মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, দেশাত্মবোধক গান এবং বাংলার ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয়। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও ভারতমাতার ছবিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়, যার পর বাংলার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিভিন্ন দিক সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়। অনুষ্ঠানে বিজেপির বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব, কর্মী-সমর্থক এবং এলাকার বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন হরিশ্চন্দ্রপুর মন্ডল ২ সভাপতি অজয় পাসওয়ান, জেলা যুব সহ-সভাপতি মনোজ দাস, মণ্ডল-৩ সভাপতি ভরত কুমার মণ্ডল, জেলা মহিলা মোর্চার সহ-সভাপতি অনামিকা পাণ্ডে, বিজেপি নেতা রতন দাস, কৌশিক মিশ্র, বাবলু কর্মকার, গোপাল শর্মা-সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। অনুষ্ঠান চলাকালীন একটি ষাঁড় দলীয় কার্যালয় চত্বরে চলে এলে উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাকে বিস্কুট খাইয়ে আদর করেন, যা উপস্থিতদের মধ্যে কৌতূহল ও আনন্দের সৃষ্টি করে। বক্তারা তাঁদের ভাষণে বাংলার গৌরবময় ইতিহাস, ভাষা ও সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন যে, পশ্চিমবঙ্গ দিবস কেবল একটি আনুষ্ঠানিক উদযাপন নয়, বরং বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। তাঁরা আরও জানান যে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের মধ্যে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।1
- শনিবার বিকেলে রায়গঞ্জের কর্নজোড়া কালিবাড়ি এলাকায় আচমকাই একটি শুকনো গাছের বড় ডাল ভেঙে পড়ে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে যায়। এই ঘটনার জেরে রায়গঞ্জ-বালুরঘাট রাজ্য সড়কে বেশ কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। ফলে পথচলতি মানুষ ও বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের ভোগান্তির শিকার হতে হয়।1