মঙ্গলবার দুপুর বারোটায় দুর্গাপুরের সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে রাজ্যের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, গৃহ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কলিতা মাঝি, শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র, দুর্গাপুর পশ্চিম কেন্দ্রের বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুই এবং দুর্গাপুর পূর্ব কেন্দ্রের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ সংশ্লিষ্ট জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, এই বৈঠকে পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান-সহ মোট পাঁচটি জেলার পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, নগরায়ণ, শিল্প সম্প্রসারণ, জনপরিষেবা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং বিভিন্ন চলমান সরকারি প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। প্রকল্পগুলির অগ্রগতি, বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়েও বিস্তৃত আলোচনা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুর বারোটায় দুর্গাপুরের সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে রাজ্যের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, গৃহ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কলিতা মাঝি, শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র, দুর্গাপুর পশ্চিম কেন্দ্রের বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুই এবং দুর্গাপুর পূর্ব কেন্দ্রের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ সংশ্লিষ্ট জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, এই বৈঠকে পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান-সহ মোট পাঁচটি জেলার পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, নগরায়ণ, শিল্প সম্প্রসারণ, জনপরিষেবা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং বিভিন্ন চলমান সরকারি প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। প্রকল্পগুলির অগ্রগতি, বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়েও বিস্তৃত আলোচনা করা হয়েছে।
- বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা একটি জনকল্যাণ শিবিরে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের সমস্যা ও দাবি-দাওয়া শোনেন। তিনি মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা এবং উন্নয়নমূলক উদ্যোগের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এই শিবিরে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। বিধায়ক তাঁর প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেন, 'মানুষের সেবাই আমাদের অঙ্গীকার, জনকল্যাণই আমাদের লক্ষ্য।'1
- একটি বেসরকারি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল অভিভাবকদের ব্যাপক বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে।1
- অনামিকা ঘোষ তাঁর এক বিস্ফোরক মন্তব্যের মাধ্যমে বিতর্কের ঝড় তুলেছেন। তিনি বামদল সিপিএমকে সরাসরি 'ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চার মতো' বলে উল্লেখ করেছেন, যা নিয়ে এখন ব্যাপক আলোচনা চলছে।1
- কাটমানি আদায় এবং জুলুমবাজির মতো গুরুতর অভিযোগে এক দাপুটে তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই পদক্ষেপ তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলির ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে।1
- শহরকে পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত রাখতে রাজ্য সরকার এবার আরও কঠোর পদক্ষেপের পথে হাঁটছে। এই বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে রাজ্যের পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে এগারো টায় দুর্গাপুরের সিটি সেন্টার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঝাড়ু হাতে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন। রাস্তায় নোংরা ফেললেই জরিমানা করা হবে বলে তিনি কড়া বার্তা দিয়েছেন। বাসস্ট্যান্ড, রাস্তাঘাট কিংবা জনবহুল এলাকায় যেখানে-সেখানে আবর্জনা ফেলা বা পানের পিক ছিটানোর বিরুদ্ধে এবার কঠোর নজরদারি শুরু হতে চলেছে। ‘নির্মল বন্ধু’ ও ‘নির্মল সাথী’দের নিয়ে আয়োজিত এই বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা কর্মসূচিতে জেলা শাসক পন্নামবলাম এস, দুর্গাপুর নগর নিগমের কমিশনার আবুল কালাম আজাদ ইসলাম সহ নগর উন্নয়ন দপ্তরের একাধিক আধিকারিক এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এদিন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল নিজে ঝাড়ু হাতে বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। একইসঙ্গে, তিনি স্থানীয় দোকানদারদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদেরকেও নিজ নিজ এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে আহ্বান জানান।1
- কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর ১১ ঘণ্টার দীর্ঘ 'ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ' শেষে তীব্র হুঙ্কার দিয়েছেন অভিষেক। কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার তৎপরতা এবং ইডি অভিযানকে ঘিরে চলমান পরিস্থিতির মধ্যে তিনি দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেছেন, 'গলা কেটে দিলেও আত্মসমর্পণ করব না'।1
- পূর্ব বর্ধমান জেলার মাধবডিহি থানা এলাকায় বর্তমানে চেকিং অভিযান চলছে।1
- পশ্চিমবঙ্গের ফলতায় জাহাঙ্গীর খানকে মুক্তি দেওয়ার দাবিতে তার অনুগামীরা ব্যাপক বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা কেন্দ্রীয় বাহিনী আন্দোলনকারীদের উপর লাঠিচার্জ করে এবং তাদের তাড়া করে। এর ফলে বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন এবং এলাকা ছেড়ে চলে যান।1