Shuru
Apke Nagar Ki App…
বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা একটি জনকল্যাণ শিবিরে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের সমস্যা ও দাবি-দাওয়া শোনেন। তিনি মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা এবং উন্নয়নমূলক উদ্যোগের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এই শিবিরে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। বিধায়ক তাঁর প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেন, 'মানুষের সেবাই আমাদের অঙ্গীকার, জনকল্যাণই আমাদের লক্ষ্য।'
চায় বিজেপি সরকার
বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা একটি জনকল্যাণ শিবিরে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের সমস্যা ও দাবি-দাওয়া শোনেন। তিনি মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা এবং উন্নয়নমূলক উদ্যোগের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এই শিবিরে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। বিধায়ক তাঁর প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেন, 'মানুষের সেবাই আমাদের অঙ্গীকার, জনকল্যাণই আমাদের লক্ষ্য।'
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- রাজ্যজুড়ে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী জনকল্যাণ শিবিরের কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে নলহাটিতে পরিদর্শনে আসেন রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী দুধকুমার মণ্ডল। এই শিবিরগুলির মূল উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া, যার জন্য উপভোক্তাদের হাতে ফর্ম জমা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। মঙ্গলবার তিনি নলহাটি ১ নম্বর ব্লকের জনকল্যাণ শিবিরে উপস্থিত হয়ে সরেজমিনে পরিষেবার অগ্রগতি খতিয়ে দেখেন। নলহাটিতে পৌঁছানোর আগে কৃষিমন্ত্রী মুরারয় এলাকায়ও পরিদর্শন সেরেছিলেন। শিবিরে উপস্থিত থেকে কৃষিমন্ত্রী বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কাজকর্ম পর্যালোচনা করেন। এদিন নলহাটি ১ নম্বর ব্লকের বিডিও শ্রী সৌরভ মেহতা-সহ প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন।1
- রাজ্য সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত জনকল্যাণ শিবিরে সোমবার সকাল থেকেই মুর্শিদাবাদের নেতাজি আবাস ও বিডিও অফিস প্রাঙ্গণে সাধারণ মানুষের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণের জন্য বহু মানুষ এই কর্মসূচিতে উপস্থিত হন, যেখানে সকাল থেকেই পরিষেবা পেতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে এবং আবেদন জানাতে দেখা যায়। এই শিবিরে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, সামাজিক সুরক্ষা, আবাসন এবং খাদ্যসাথী সহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের পরিষেবা ও তথ্য প্রদান করা হয়েছে। এক ছাতার তলায় একাধিক সরকারি পরিষেবা পাওয়ার এই সুযোগকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। প্রবীণ নাগরিক, মহিলা ও যুবক-যুবতীদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ছিল। অনুষ্ঠানে রাজ্য সরকার ও জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। শিবিরে আসা মানুষের আবেদন গ্রহণ, নথিপত্র যাচাই এবং প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য প্রদানের জন্য পৃথক পৃথক কাউন্টার খোলা হয়েছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা আরও সহজ ও দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। দিনভর চলা এই কর্মসূচিতে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং সরকারি পরিষেবা গ্রহণে তাদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।1
- জনকল্যাণ শিবিরের দ্বিতীয় দিনে মঙ্গলবার হরিহরপাড়ার কৃষক বাজারে ক্যাম্প পরিদর্শনে যান জেলা শাসক আর অর্জুন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিডিও, হরিহরপাড়া থানার আইসি সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। শিবিরে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে জেলা শাসক তাঁদের বিভিন্ন সমস্যার খোঁজখবর নেন। প্রথম দিনের মতোই দ্বিতীয় দিনেও এই শিবিরে মানুষের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। প্রশাসনের এই উদ্যোগে উপভোক্তারা তাঁদের সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।1
- মুর্শিদাবাদের লালগোলা থানার রেনু বিএসএফ ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় পদ্মার ভাঙন রোধের কাজ করতে গিয়ে বজ্রাঘাতে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় আরও তিন শ্রমিক গুরুতর জখম হয়েছেন। সোমবার বিকেলে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে, যা এলাকায় শোকের ছায়া নামিয়ে এনেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত শ্রমিকদের নাম আমির শেখ (২৪) এবং খুরশেদ শেখ (২২)। হতাহত সকল শ্রমিকের বাড়িই সামশেরগঞ্জ থানার ধুলিয়ান এলাকায়। সোমবার বিকেলে রেনু বিএসএফ ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় একদল শ্রমিক পদ্মার পাড় বাঁধানোর কাজ করছিলেন। সেই সময় আচমকা ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে কর্মরত শ্রমিকদের মধ্যে সাতজন কাছের একটি আমবাগানে আশ্রয় নেন। হঠাৎ সেই আমগাছের ওপর বজ্রপাত হলে পাঁচজন শ্রমিক গুরুতর জখম হন। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দা ও অন্যান্য কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে লালগোলা কৃষ্ণপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকরা আমির ও খুরশেদকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি তিন শ্রমিক বর্তমানে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে। লালগোলা থানার পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্তদের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে এবং মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য লালবাগ মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।1
- মুর্শিদাবাদের নিমতিতায় একটি হাসপাতালের ঠিক সামনেই সরকারি জমি দখলের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, রাতারাতি ওই সরকারি জমিতে একটি বাউন্ডারি প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। এই ঘটনা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।1
- মুর্শিদাবাদ জেলার ভরতপুরে মানুষের তীব্র জনরোষের কারণে ‘ডিম থেরাপি’ দেওয়া হবে বলে হুঙ্কার দিয়েছেন বিজেপি নেত্রী অনামিকা। এই ঘটনাটি সালার এবং ভরতপুর অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত, যেখানে সুভেন্দু অধিকারী'র উল্লেখও রয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জনকল্যাণ যোজনার শিবিরকে কেন্দ্র করে ভগবানগোলায় সাধারণ মানুষের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ অভিযোগ করেছেন যে, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিতে আসা বহু মানুষকে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছে। বাম যুব সংগঠনের সদস্য মোঃ শফিকুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমের সামনে অভিযোগ করেছেন যে, তীব্র গরম ও প্রায় ৪৫ ডিগ্রি তাপমাত্রার মধ্যেও মানুষকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। তাঁর দাবি, বয়স্ক ভাতা ও বিধবা ভাতাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা নিতে আসা প্রবীণ ও অসহায় ব্যক্তিরাও সঠিকভাবে পরিষেবা পাচ্ছেন না, যার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। অন্যদিকে, এই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। ভগবানগোলা মণ্ডল-১ সভাপতি দীনেশ মণ্ডল, মণ্ডল সভাপতি সোমেন ঘোষ এবং বিজেপি নেতা পলাশ সরকার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ ছিল, কিন্তু বর্তমান সরকার সরাসরি মানুষের কাছে পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। তাঁরা আরও দাবি করেন যে, জনকল্যাণ যোজনার প্রথম পর্যায় হওয়ায় কিছুটা সময় লাগছে এবং সেই কারণে সাময়িক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য অনুযায়ী, শিবিরে আসা মানুষজন বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারছেন এবং ধীরে ধীরে পরিষেবা গ্রহণ করছেন, ফলে প্রথম দিকে কিছু ভিড় ও অসুবিধা হলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে ভগবানগোলা ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে কোনো মন্তব্য করতে চাননি। জনকল্যাণ যোজনার শিবিরকে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে, অন্যদিকে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের লড়াই, ফলে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।1
- রাজ্য সরকারের নতুন উদ্যোগ ‘জনকল্যাণ শিবির’ আজ থেকে গোটা রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে। পূর্বতন ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচির নাম পরিবর্তন করে নতুন সরকারের উদ্যোগে এটি ‘জনকল্যাণ শিবির’ নামকরণ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশক্রমে সোমবার থেকে চালু হওয়া এই শিবিরে সাধারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা ও প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা আগামী ১৭ই জুন পর্যন্ত চলবে। রাজ্যব্যাপী এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া কিষাণ মান্ডিতেও একটি শিবিরের আয়োজন করা হয়। প্রথম দিনের এই শিবির পরিদর্শন করেন হরিহরপাড়া বিধানসভার বিধায়ক নিয়ামত শেখ। তিনি সেখানে উপস্থিত সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেন এবং বিভিন্ন পরিষেবার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এই শিবিরে রাজ্য সরকারের প্রায় ৫৫টি জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা ও আবেদনপত্র পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে সবচেয়ে বেশি মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়াও, বার্ধক্য ভাতা, কৃষি পরিষেবা এবং জব কার্ডসহ একাধিক সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এদিন শিবিরে হরিহরপাড়া ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক ছেরিং জাম ভুটিয়া, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মীর আলমগীর, হরিহরপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান গৌতম কুমার দাসসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।1
- আজ মঙ্গলবার সাত সকালে ভাকুরি টু হরিহরপাড়া রাজ্য সড়কের কুমড়োদহ ঘাট এলাকায় এক ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা ঘটে, যেখানে অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন এক চালক ও এক চায়ের দোকানদার। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চালকের ঘুমন্ত অবস্থায় নিয়ন্ত্রণ হারানোর ফলে একটি সিমেন্ট বোঝাই গাড়ি সোজা ঢুকে পড়ে রাস্তার ধারের একটি চায়ের দোকানে। মুহূর্তের মধ্যেই দোকানটির একাংশ গুড়মুড়িয়ে ভেঙে যায়। এই আকস্মিক দুর্ঘটনার জেরে দোকানটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও, সৌভাগ্যক্রমে গাড়ির চালক এবং চায়ের দোকানদার দুজনেই অক্ষত অবস্থায় রক্ষা পেয়েছেন।1