Shuru
Apke Nagar Ki App…
মুর্শিদাবাদ জেলার ভরতপুরে মানুষের তীব্র জনরোষের কারণে ‘ডিম থেরাপি’ দেওয়া হবে বলে হুঙ্কার দিয়েছেন বিজেপি নেত্রী অনামিকা। এই ঘটনাটি সালার এবং ভরতপুর অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত, যেখানে সুভেন্দু অধিকারী'র উল্লেখও রয়েছে।
Abul Kalam
মুর্শিদাবাদ জেলার ভরতপুরে মানুষের তীব্র জনরোষের কারণে ‘ডিম থেরাপি’ দেওয়া হবে বলে হুঙ্কার দিয়েছেন বিজেপি নেত্রী অনামিকা। এই ঘটনাটি সালার এবং ভরতপুর অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত, যেখানে সুভেন্দু অধিকারী'র উল্লেখও রয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ভরতপুরের এক বিধায়ককে বিস্ফোরক আক্রমণ করেছেন অনামিকা ঘোষ। এই আক্রমণের মূল বিষয়বস্তু ছিল 'পচা ডিম থেরাপি' যা নিয়ে তিনি বিধায়কের বিরুদ্ধে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন।1
- জনকল্যাণ শিবিরের দ্বিতীয় দিনে মঙ্গলবার হরিহরপাড়ার কৃষক বাজারে ক্যাম্প পরিদর্শনে যান জেলা শাসক আর অর্জুন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিডিও, হরিহরপাড়া থানার আইসি সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। শিবিরে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে জেলা শাসক তাঁদের বিভিন্ন সমস্যার খোঁজখবর নেন। প্রথম দিনের মতোই দ্বিতীয় দিনেও এই শিবিরে মানুষের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। প্রশাসনের এই উদ্যোগে উপভোক্তারা তাঁদের সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।1
- বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা একটি জনকল্যাণ শিবিরে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের সমস্যা ও দাবি-দাওয়া শোনেন। তিনি মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা এবং উন্নয়নমূলক উদ্যোগের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এই শিবিরে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। বিধায়ক তাঁর প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেন, 'মানুষের সেবাই আমাদের অঙ্গীকার, জনকল্যাণই আমাদের লক্ষ্য।'1
- হরিহরপাড়ায় চলমান জনকল্যাণ শিবির পরিদর্শনে গেলেন জেলা শাসক আর অর্জুন। সোমবার থেকে শুরু হওয়া এই শিবিরের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার দুপুরে তিনি হরিহরপাড়ার কৃষক বাজারে স্থাপিত ক্যাম্পটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে জেলা শাসক বিডিও এবং অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে ক্যাম্পের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। তিনি সাধারণ মানুষের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং তাঁদের সমস্যার খোঁজখবর নেন। এছাড়াও, সরকারি প্রকল্পের ফর্ম সংক্রান্ত বিষয়গুলি তিনি নিজে তদারকি করেন। প্রথম দিনের মতোই দ্বিতীয় দিনেও হরিহরপাড়ায় এই জনকল্যাণ শিবিরে আয়ুষ্মান ভারত, আবাস যোজনা, এবং অন্নপূর্ণা ভান্ডারের মতো বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের পরিষেবা নিতে সাধারণ মানুষের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।1
- মুর্শিদাবাদের লালগোলা থানার রেনু বিএসএফ ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় পদ্মার ভাঙন রোধের কাজ করতে গিয়ে বজ্রাঘাতে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় আরও তিন শ্রমিক গুরুতর জখম হয়েছেন। সোমবার বিকেলে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে, যা এলাকায় শোকের ছায়া নামিয়ে এনেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত শ্রমিকদের নাম আমির শেখ (২৪) এবং খুরশেদ শেখ (২২)। হতাহত সকল শ্রমিকের বাড়িই সামশেরগঞ্জ থানার ধুলিয়ান এলাকায়। সোমবার বিকেলে রেনু বিএসএফ ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় একদল শ্রমিক পদ্মার পাড় বাঁধানোর কাজ করছিলেন। সেই সময় আচমকা ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে কর্মরত শ্রমিকদের মধ্যে সাতজন কাছের একটি আমবাগানে আশ্রয় নেন। হঠাৎ সেই আমগাছের ওপর বজ্রপাত হলে পাঁচজন শ্রমিক গুরুতর জখম হন। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দা ও অন্যান্য কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে লালগোলা কৃষ্ণপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকরা আমির ও খুরশেদকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি তিন শ্রমিক বর্তমানে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে। লালগোলা থানার পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্তদের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে এবং মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য লালবাগ মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।1
- পূর্ব বর্ধমান জেলায় একটি বহুত পুরনো রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা অবস্থাতেই পড়ে আছে, যা এলাকার মানুষকে চরম দুর্ভোগে ফেলছে। অভিযোগ উঠেছে যে, প্রতিবার নতুন সরকার এলেও রাস্তাটি পাকা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, কিন্তু আজও সেই কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। সামান্য বৃষ্টিতেই এই মাটির রাস্তা হাঁটুসমান কাদায় ভরে যায়, যার ফলে ঈদগাহ, কবরস্থান বা মাঠে-ঘাটে যাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে, স্থানীয়দের পক্ষ থেকে নতুন প্রশাসনের কাছে বিনীত আবেদন জানানো হয়েছে যেন তারা এই দীর্ঘদিনের অবহেলিত মাটির রাস্তাটি দ্রুত পাকা করার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, যাতে দৈনন্দিন জীবনে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমে।1
- পশ্চিমবঙ্গের ভরতপুরে 'ডিম থেরাপি' চালানো হবে বলে বিজেপি নেত্রী অনামিকা হুঙ্কার দিয়েছেন। মানুষের ব্যাপক জনরোষের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এই ঘোষণা করেছেন। এই ঘটনার সঙ্গে Suvendu Adhikar-এর নামও উল্লিখিত হয়েছে।1
- আজ মঙ্গলবার সাত সকালে ভাকুরি টু হরিহরপাড়া রাজ্য সড়কের কুমড়োদহ ঘাট এলাকায় এক ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা ঘটে, যেখানে অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন এক চালক ও এক চায়ের দোকানদার। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চালকের ঘুমন্ত অবস্থায় নিয়ন্ত্রণ হারানোর ফলে একটি সিমেন্ট বোঝাই গাড়ি সোজা ঢুকে পড়ে রাস্তার ধারের একটি চায়ের দোকানে। মুহূর্তের মধ্যেই দোকানটির একাংশ গুড়মুড়িয়ে ভেঙে যায়। এই আকস্মিক দুর্ঘটনার জেরে দোকানটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও, সৌভাগ্যক্রমে গাড়ির চালক এবং চায়ের দোকানদার দুজনেই অক্ষত অবস্থায় রক্ষা পেয়েছেন।1