রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর আবারও 'কাট মানি' (কমিশন) ফেরতের দাবিতে সরব হয়েছেন সাধারণ মানুষ। বুধবার, ইসলামপুর থানার অন্তর্গত কমলাগাঁও সুজালি গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ের আশেপাশে এক প্রতিবাদ মিছিলের পর ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুজালি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নূরী বেগমের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি আবাসন যোজনা (Housing Scheme) এর আওতায় ঘর বরাদ্দ করার সহায়তার নাম করে এলাকার বহু বাসিন্দার কাছ থেকে 'কাট মানি' আদায় করেছেন। এই অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা আগেও বেশ কয়েকবার বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। অতীতে প্রশাসনের উপস্থিতিতে কিছু ব্যক্তির কাট মানি পঞ্চায়েত কার্যালয়ের ভেতরেই ফেরত দেওয়া হয়েছিল। তবে, বিক্ষোভকারীদের দাবি, এখনও অনেকে তাদের টাকা ফেরত পাননি। এই কারণেই রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক পরিবর্তনের পর স্থানীয়রা নতুন করে এই আন্দোলন শুরু করেছেন। আজ, সাধারণ মানুষ পঞ্চায়েত অফিসের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান। তাদের দাবিতে আদায় করা সব কাট মানি অবিলম্বে ফেরত, পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হতে থাকলে, ইসলামপুর থানার পুলিশ কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। অন্যদিকে, সুজালি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নূরী বেগম সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, "যদি আমি সত্যিই দুর্নীতি করে থাকি এবং কাট মানি নিয়ে থাকি, তবে তারা এর প্রমাণ পেশ করুক। আমার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে ফাঁসানোর একটি সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা।" স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন, "দরিদ্র মানুষকে নিজেদের বাড়ির স্বপ্ন দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হয়েছে। এখন তাদের কাছ থেকে কাট মানির প্রতিটি পয়সার হিসাব নিতে হবে।" ইসলামপুর থেকে হিমাংশু দাসের এই রিপোর্ট ক্যামেরা বন্দী করেছেন নির্মল গুপ্ত।
রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর আবারও 'কাট মানি' (কমিশন) ফেরতের দাবিতে সরব হয়েছেন সাধারণ মানুষ। বুধবার, ইসলামপুর থানার অন্তর্গত কমলাগাঁও সুজালি গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ের আশেপাশে এক প্রতিবাদ মিছিলের পর ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুজালি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নূরী বেগমের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি আবাসন যোজনা (Housing Scheme) এর আওতায় ঘর বরাদ্দ করার সহায়তার নাম করে এলাকার বহু বাসিন্দার কাছ থেকে 'কাট মানি' আদায় করেছেন। এই অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা আগেও বেশ কয়েকবার বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। অতীতে
প্রশাসনের উপস্থিতিতে কিছু ব্যক্তির কাট মানি পঞ্চায়েত কার্যালয়ের ভেতরেই ফেরত দেওয়া হয়েছিল। তবে, বিক্ষোভকারীদের দাবি, এখনও অনেকে তাদের টাকা ফেরত পাননি। এই কারণেই রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক পরিবর্তনের পর স্থানীয়রা নতুন করে এই আন্দোলন শুরু করেছেন। আজ, সাধারণ মানুষ পঞ্চায়েত অফিসের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান। তাদের দাবিতে আদায় করা সব কাট মানি অবিলম্বে ফেরত, পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হতে থাকলে, ইসলামপুর থানার পুলিশ কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। অন্যদিকে, সুজালি গ্রাম পঞ্চায়েতের
প্রধান নূরী বেগম সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, "যদি আমি সত্যিই দুর্নীতি করে থাকি এবং কাট মানি নিয়ে থাকি, তবে তারা এর প্রমাণ পেশ করুক। আমার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে ফাঁসানোর একটি সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা।" স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন, "দরিদ্র মানুষকে নিজেদের বাড়ির স্বপ্ন দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হয়েছে। এখন তাদের কাছ থেকে কাট মানির প্রতিটি পয়সার হিসাব নিতে হবে।" ইসলামপুর থেকে হিমাংশু দাসের এই রিপোর্ট ক্যামেরা বন্দী করেছেন নির্মল গুপ্ত।
- রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর আবারও 'কাট মানি' (কমিশন) ফেরতের দাবিতে সরব হয়েছেন সাধারণ মানুষ। বুধবার, ইসলামপুর থানার অন্তর্গত কমলাগাঁও সুজালি গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ের আশেপাশে এক প্রতিবাদ মিছিলের পর ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুজালি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নূরী বেগমের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি আবাসন যোজনা (Housing Scheme) এর আওতায় ঘর বরাদ্দ করার সহায়তার নাম করে এলাকার বহু বাসিন্দার কাছ থেকে 'কাট মানি' আদায় করেছেন। এই অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা আগেও বেশ কয়েকবার বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। অতীতে প্রশাসনের উপস্থিতিতে কিছু ব্যক্তির কাট মানি পঞ্চায়েত কার্যালয়ের ভেতরেই ফেরত দেওয়া হয়েছিল। তবে, বিক্ষোভকারীদের দাবি, এখনও অনেকে তাদের টাকা ফেরত পাননি। এই কারণেই রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক পরিবর্তনের পর স্থানীয়রা নতুন করে এই আন্দোলন শুরু করেছেন। আজ, সাধারণ মানুষ পঞ্চায়েত অফিসের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান। তাদের দাবিতে আদায় করা সব কাট মানি অবিলম্বে ফেরত, পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হতে থাকলে, ইসলামপুর থানার পুলিশ কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। অন্যদিকে, সুজালি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নূরী বেগম সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, "যদি আমি সত্যিই দুর্নীতি করে থাকি এবং কাট মানি নিয়ে থাকি, তবে তারা এর প্রমাণ পেশ করুক। আমার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে ফাঁসানোর একটি সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা।" স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন, "দরিদ্র মানুষকে নিজেদের বাড়ির স্বপ্ন দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হয়েছে। এখন তাদের কাছ থেকে কাট মানির প্রতিটি পয়সার হিসাব নিতে হবে।" ইসলামপুর থেকে হিমাংশু দাসের এই রিপোর্ট ক্যামেরা বন্দী করেছেন নির্মল গুপ্ত।3
- কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী জ্বালানি শুল্কের বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র এবং রাজ্য উভয় সরকারকেই তীব্র আক্রমণ করেছেন। তিনি এই প্রশ্ন তুলেছেন যে বিশ্ববাজারে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমলেও দেশে এই জ্বালানির দাম কমানো হচ্ছে না কেন। এই বিষয়ে তিনি উভয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।1
- বাঙ্গারে সগর রজক বাড়ি থেকে মমতা ঘোষ বাড়ি পর্যন্ত সড়কের অবস্থা অত্যন্ত বেহাল। হালকা বৃষ্টিতেই এই রাস্তার দুরবস্থা প্রকট হয়ে উঠেছে।1
- ডালখোলার মজলিশপুর এলাকায় চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। ভোট দিয়ে কাজে ফেরার সময় এই ঘটনা ঘটায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত শ্রমিকের নাম নারু কুমার দাস, তাঁর বয়স ৫৬ বছর। তিনি চাকুলিয়া থানার তরীয়াল এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। বৃহস্পতিবার ডালখোলা রেল পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে।1
- একজন শ্রমিকের জীবন ফলপ্রসূ বলে মনে হয় না; তারা নিজেদের পরিবার ছেড়ে কাজ করতে এসেছেন।1
- মালদহে গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ সহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মালদহের মানিকচক থানার পুলিশ গোপালপুর পঞ্চায়েতের জেসারতটোলা এলাকায় মহম্মদ ফারুক (২১) নামে এক অস্ত্র কারবারির বাড়িতে হানা দেয়। রাত প্রায় দুটো নাগাদ চালানো এই অভিযানে লুকানো অবস্থায় থাকা দুইটি সেভেন এমএম পিস্তল, একটি পাইপগান, এবং একটি মাসকেট সহ মোট চারটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়। এছাড়াও, সাত রাউন্ড কার্তুজও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃত যুবক ফারুক কী উদ্দেশ্যে এত বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র জমা করেছিল এবং এগুলি কোথা থেকে আনা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পার্শ্ববর্তী ঝাড়খন্ড রাজ্য থেকে এই আগ্নেয়াস্ত্রগুলি আনা হয়েছে কিনা, সে বিষয়েও তদন্ত চলছে। আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ধৃতকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে। পুলিশ ফারুকের সম্পর্কে জেলার কোথাও কোনো পুরনো অপরাধের রেকর্ড আছে কিনা, সে বিষয়েও খোঁজ নিচ্ছে।1