Shuru
Apke Nagar Ki App…
নির্বাচনী প্রচারে বহরমপুরে এসে পৌঁছলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার আজাহারউদ্দিন। নির্বাচনী প্রচারে বহরমপুরে এসে পৌঁছলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার আজাহারউদ্দিন। শনিবার সকাল ১০ টা নাগাদ বহরমপুর স্টেডিয়ামে হেলিকোপ্টারে করে এসে পৌঁছান আজাহারউদ্দিন। তারপর বহরমপুরের একটি বেসরকারি হোটেলে আসেন তিনি। সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী। কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থনে বহরমপুর বিধানসভার দৌলতাবাদে, রাণীনগর বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায় এবং মুর্শিদাবাদ বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায় কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থনে রোড শো করবেন তিনি বলে জানা গিয়েছে।
Bangla News
নির্বাচনী প্রচারে বহরমপুরে এসে পৌঁছলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার আজাহারউদ্দিন। নির্বাচনী প্রচারে বহরমপুরে এসে পৌঁছলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার আজাহারউদ্দিন। শনিবার সকাল ১০ টা নাগাদ বহরমপুর স্টেডিয়ামে হেলিকোপ্টারে করে এসে পৌঁছান আজাহারউদ্দিন। তারপর বহরমপুরের একটি বেসরকারি হোটেলে আসেন তিনি। সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী। কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থনে বহরমপুর বিধানসভার দৌলতাবাদে, রাণীনগর বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায় এবং মুর্শিদাবাদ বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায় কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থনে রোড শো করবেন তিনি বলে জানা গিয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- নির্বাচনী প্রচারে বহরমপুরে এসে পৌঁছলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার আজাহারউদ্দিন। শনিবার সকাল ১০ টা নাগাদ বহরমপুর স্টেডিয়ামে হেলিকোপ্টারে করে এসে পৌঁছান আজাহারউদ্দিন। তারপর বহরমপুরের একটি বেসরকারি হোটেলে আসেন তিনি। সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী। কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থনে বহরমপুর বিধানসভার দৌলতাবাদে, রাণীনগর বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায় এবং মুর্শিদাবাদ বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায় কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থনে রোড শো করবেন তিনি বলে জানা গিয়েছে।3
- বহরমপুরে অধীর চৌধুরীর প্রচারে রোড শো আজাহারউদ্দিনের। শনিবার বহরমপুর স্টেডিয়ামে নামে প্রাক্তন ক্রিকেটার প্রাপ্তন সাংসদ মহম্মদ আজাহারউদ্দিনের হেলিকপ্টার। সেখান থেকে তিনি জান দৌলতাবাদে। দৌলতাবাদ বালির ঘাট থেকে অধীর চৌধুরীকে সাথে নিয়ে শুরু করেন রোড শো। হুডখোলা গাড়িতে চলে প্রচার।1
- হরিহরপাড়ায় আসলেন সুপারস্টার দেব1
- বহরমপুরে ভোট প্রচারে প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক, কংগ্রেস নেতা মহম্মদ আজাহারউদ্দিন। কংগ্রেস প্রার্থীর সমর্থনে সভা করবেন তিনি। শনিবার সকালে বহরমপুর স্টেডিয়ামে নামে আজাহারের হেলিকপ্টার। প্রাক্তন সাংসদ তথা প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ককে উচ্ছবাস কংগ্রেস নেতা কর্মীদের মধ্যে।1
- জলঙ্গীতে রাজনৈতিক সমীকরণে বড়সড় ধাক্কা! সাহেবরামপুরে আজ নজিরবিহীন যোগদান কর্মসূচি—প্রায় ১০০ জন কর্মী-সমর্থক (TMC) ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে (CPIM)-এ যোগ দিলেন। এই ঐতিহাসিক যোগদান সম্পন্ন হয় জলঙ্গী বিধানসভার সিপিআই(এম) প্রার্থী -এর হাত ধরে। এলাকাজুড়ে এখন একটাই আলোচনা—বদলের হাওয়া কি তবে বইতে শুরু করেছে সাহেবরামপুরে? 🌪️🚩 স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, এই যোগদান আগামী নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। সমর্থকদের দাবি—মানুষের আস্থা এখন লাল শিবিরের দিকেই বাড়ছে! 💪 জলঙ্গীর প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে এমন বাস্তব ও এক্সক্লুসিভ খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক 👍, শেয়ার 🔁 এবং চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না! 🔔 আলোকিত বাংলা সত্যের সাথে মানুষের পাশে1
- বৈশাখে ধর্মরাজ, শিবের গাজন ও পুজোয় ঢাক বাজিয়ে কিছু টাকা আয় করেন মুর্শিদাবাদ জেলার ঢাকিরা। এই সময় বাদ দিয়ে বছরের অন্য সময় অন্যের জমিতে চাষ করে তাঁরা দিন গুজরান করেন। তবে এবার নির্বাচন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন দলের প্রচারে ঢাকিদের ডাক পড়ছে। ফলে কিছুটা বাড়তি আয়ের মুখ দেখছেন তাঁরা। ঢাকিরা জানান, একসময় শুধু বিজয় মিছিলেই ডাক আসত। তবে, গত কয়েক বছরে নির্বাচনি প্রচারে ও গণনার দিনেও ডাক আসে। সব দলই তাঁদের প্রচারে নিয়ে যাওয়ার জন্য বায়না করে যাচ্ছে।গাজন ও অন্য ধর্মীয় উৎসবে বছরভর তাঁদের ডাক আসে। চৈত্র থেকে আষাঢ় মাস পর্যন্ত আমাদের বরাত মেলে। সারা বছরের রোজগারের অনেকটাই এই সময় হয়। দুর্গাপুজোর সময়ও এত রোজগার হয় না। গাজনে গেলে থাকা ও খাওয়া বাদে একজনের প্রায় হাজার চারেক টাকা আয় হয়। এবছর নির্বাচন থাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলই ঢাকিদের প্রচারে নিয়ে যাচ্ছে। কীরকম পারিশ্রমিক মেলে? এক জন ঢাকি বলেন, গত বিধানসভা ভোটেও আমাদের প্রচারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।সেবার যাতায়াত ও খাওয়ার খরচ বাদ দিয়ে ৮০০-১০০০ টাকা পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছিল।সোমনাথ দাস বলেন, আমাদের ছোটোবেলায় ভোটের সময় কোনো রাজনৈতিক দলের এত বর্ণাঢ্য প্রচার দেখা যেত না। তবে, এখন ঢাক সহ তাসাপার্টি থাকছে। ফলে, দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলির কয়েকদিন ভালো রোজগার হচ্ছে। বিভিন্ন দলের প্রার্থীর প্রচারে পুরুষদের পাশাপাশি মহিলা ঢাকিদেরও ডাকা হচ্ছে। তবে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঢাক বাজানোয় অনেক বদল আসছে। নিত্যানন্দ পাল বলেন,গাজনের বাজনা, আরতির বাজনা আর নির্বাচনি প্রচারের বাজনা এক নয়। প্রতিটির পৃথক ধারা বা তাল আছে। গাজন,ভোট উৎসবের কারণে আমাদের রোজগার বাড়বে। তবে, ভোট তো আর প্রতি বছর থাকে না।1
- জেলা মুর্শিদাবাদ,ব্লক কান্দি,গ্রাম গোকর্ণ, বাজার পাড়া, আগামী ১৬/০৪/২০২৬থেকে এখন পর্যন্ত বাজার পাড়া রাস্তার উপর দিয়ে ড্রেইন উপচে নোংরা জল বয়ছে1
- লালবাগে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শাওনের সিংহ রায়ের সমর্থনে জনসভা করল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জি। সভা মঞ্চ থেকে অধীর চৌধুরীকে কটাক্ষ। এবং সিপিআইএমকে প্রশ্ন ছুড়লো, এবার ভোটটা কাকে দেবে?1