ভোটের প্রচারে মোটা টাকা বরাত, মুখে হাসি নবাবের জেলার ঢাকিদের বৈশাখে ধর্মরাজ, শিবের গাজন ও পুজোয় ঢাক বাজিয়ে কিছু টাকা আয় করেন মুর্শিদাবাদ জেলার ঢাকিরা। এই সময় বাদ দিয়ে বছরের অন্য সময় অন্যের জমিতে চাষ করে তাঁরা দিন গুজরান করেন। তবে এবার নির্বাচন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন দলের প্রচারে ঢাকিদের ডাক পড়ছে। ফলে কিছুটা বাড়তি আয়ের মুখ দেখছেন তাঁরা। ঢাকিরা জানান, একসময় শুধু বিজয় মিছিলেই ডাক আসত। তবে, গত কয়েক বছরে নির্বাচনি প্রচারে ও গণনার দিনেও ডাক আসে। সব দলই তাঁদের প্রচারে নিয়ে যাওয়ার জন্য বায়না করে যাচ্ছে।গাজন ও অন্য ধর্মীয় উৎসবে বছরভর তাঁদের ডাক আসে। চৈত্র থেকে আষাঢ় মাস পর্যন্ত আমাদের বরাত মেলে। সারা বছরের রোজগারের অনেকটাই এই সময় হয়। দুর্গাপুজোর সময়ও এত রোজগার হয় না। গাজনে গেলে থাকা ও খাওয়া বাদে একজনের প্রায় হাজার চারেক টাকা আয় হয়। এবছর নির্বাচন থাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলই ঢাকিদের প্রচারে নিয়ে যাচ্ছে। কীরকম পারিশ্রমিক মেলে? এক জন ঢাকি বলেন, গত বিধানসভা ভোটেও আমাদের প্রচারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।সেবার যাতায়াত ও খাওয়ার খরচ বাদ দিয়ে ৮০০-১০০০ টাকা পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছিল।সোমনাথ দাস বলেন, আমাদের ছোটোবেলায় ভোটের সময় কোনো রাজনৈতিক দলের এত বর্ণাঢ্য প্রচার দেখা যেত না। তবে, এখন ঢাক সহ তাসাপার্টি থাকছে। ফলে, দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলির কয়েকদিন ভালো রোজগার হচ্ছে। বিভিন্ন দলের প্রার্থীর প্রচারে পুরুষদের পাশাপাশি মহিলা ঢাকিদেরও ডাকা হচ্ছে। তবে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঢাক বাজানোয় অনেক বদল আসছে। নিত্যানন্দ পাল বলেন,গাজনের বাজনা, আরতির বাজনা আর নির্বাচনি প্রচারের বাজনা এক নয়। প্রতিটির পৃথক ধারা বা তাল আছে। গাজন,ভোট উৎসবের কারণে আমাদের রোজগার বাড়বে। তবে, ভোট তো আর প্রতি বছর থাকে না।
ভোটের প্রচারে মোটা টাকা বরাত, মুখে হাসি নবাবের জেলার ঢাকিদের বৈশাখে ধর্মরাজ, শিবের গাজন ও পুজোয় ঢাক বাজিয়ে কিছু টাকা আয় করেন মুর্শিদাবাদ জেলার ঢাকিরা। এই সময় বাদ দিয়ে বছরের অন্য সময় অন্যের জমিতে চাষ করে তাঁরা দিন গুজরান করেন। তবে এবার নির্বাচন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন দলের প্রচারে ঢাকিদের ডাক পড়ছে। ফলে কিছুটা বাড়তি আয়ের মুখ দেখছেন তাঁরা। ঢাকিরা জানান, একসময় শুধু বিজয় মিছিলেই ডাক আসত। তবে, গত কয়েক বছরে নির্বাচনি প্রচারে ও গণনার দিনেও ডাক আসে। সব দলই তাঁদের প্রচারে নিয়ে যাওয়ার জন্য বায়না করে যাচ্ছে।গাজন ও অন্য ধর্মীয় উৎসবে বছরভর তাঁদের ডাক আসে। চৈত্র থেকে আষাঢ় মাস পর্যন্ত আমাদের বরাত মেলে। সারা বছরের রোজগারের অনেকটাই এই সময় হয়। দুর্গাপুজোর সময়ও এত রোজগার হয় না। গাজনে গেলে থাকা ও খাওয়া বাদে একজনের প্রায় হাজার চারেক টাকা আয় হয়। এবছর নির্বাচন থাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলই ঢাকিদের প্রচারে নিয়ে যাচ্ছে। কীরকম পারিশ্রমিক মেলে? এক জন ঢাকি বলেন, গত বিধানসভা ভোটেও আমাদের প্রচারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।সেবার যাতায়াত ও খাওয়ার খরচ বাদ দিয়ে ৮০০-১০০০ টাকা পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছিল।সোমনাথ দাস বলেন, আমাদের ছোটোবেলায় ভোটের সময় কোনো রাজনৈতিক দলের এত বর্ণাঢ্য প্রচার দেখা যেত না। তবে, এখন ঢাক সহ তাসাপার্টি থাকছে। ফলে, দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলির কয়েকদিন ভালো রোজগার হচ্ছে। বিভিন্ন দলের প্রার্থীর প্রচারে পুরুষদের পাশাপাশি মহিলা ঢাকিদেরও ডাকা হচ্ছে। তবে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঢাক বাজানোয় অনেক বদল আসছে। নিত্যানন্দ পাল বলেন,গাজনের বাজনা, আরতির বাজনা আর নির্বাচনি প্রচারের বাজনা এক নয়। প্রতিটির পৃথক ধারা বা তাল আছে। গাজন,ভোট উৎসবের কারণে আমাদের রোজগার বাড়বে। তবে, ভোট তো আর প্রতি বছর থাকে না।
- শ্বশুরবাড়িতে জামাই প্রার্থীকে ঘিরে আবেগের জোয়ার : সালারে পুনাশি গ্রামে জনসংযোগের নয়া নজির সুমনের। রাজ্যের প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচনের রণভেরি বাজতে আর মাত্র চারদিন বাকি, তার আগেই প্রচারের শেষ লগ্নে ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমন নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্র চষে বেড়াচ্ছেন। বিশেষ করে ভরতপুর-২ নম্বর ব্লকের শিমুলিয়া পঞ্চায়েতের পুনাসি ও সোনারুন্দি গ্রামে তাঁর উপস্থিতি এক অন্য মাত্রা যোগ করেছে। পুনাসি গ্রাম প্রার্থীর নিজস্ব শ্বশুরবাড়ি হওয়ায় এদিন প্রচারের মেজাজ ছিল উৎসবের মতো। গোটা গ্রামের মানুষের কণ্ঠে তখন একটাই ধ্বনি, সব ভোট জামাইকে দিন। এলাকার মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছ্বাসে আপ্লুত প্রার্থী সুমন। হুডখোলা গাড়ির প্রথাগত আড়ম্বর ছেড়ে বেছে নিয়েছেন নিবিড় জনসংযোগের পথ। প্রার্থীর কথায়, সাধারণত অন্যান্য প্রার্থীরা গাড়িতে চেপে প্রচার করেন, কিন্তু আমার লক্ষ্য ছিল প্রতিটি অলিতে-গলিতে পৌঁছে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা। প্রায় ৯০ শতাংশ এলাকা পায়ে হেঁটে কভার করেছি, বাকিটুকুও এই ক’দিনে শেষ হবে। ঘরের ছেলেকে কাছে পেয়ে ভোটারদের এই উন্মাদনা ভরতপুরের নির্বাচনী লড়াইয়ে তৃণমূল প্রার্থীকে যে বাড়তি অক্সিজেন জোগাচ্ছে, তা বলাই বাহুল্য।1
- বৈশাখে ধর্মরাজ, শিবের গাজন ও পুজোয় ঢাক বাজিয়ে কিছু টাকা আয় করেন মুর্শিদাবাদ জেলার ঢাকিরা। এই সময় বাদ দিয়ে বছরের অন্য সময় অন্যের জমিতে চাষ করে তাঁরা দিন গুজরান করেন। তবে এবার নির্বাচন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন দলের প্রচারে ঢাকিদের ডাক পড়ছে। ফলে কিছুটা বাড়তি আয়ের মুখ দেখছেন তাঁরা। ঢাকিরা জানান, একসময় শুধু বিজয় মিছিলেই ডাক আসত। তবে, গত কয়েক বছরে নির্বাচনি প্রচারে ও গণনার দিনেও ডাক আসে। সব দলই তাঁদের প্রচারে নিয়ে যাওয়ার জন্য বায়না করে যাচ্ছে।গাজন ও অন্য ধর্মীয় উৎসবে বছরভর তাঁদের ডাক আসে। চৈত্র থেকে আষাঢ় মাস পর্যন্ত আমাদের বরাত মেলে। সারা বছরের রোজগারের অনেকটাই এই সময় হয়। দুর্গাপুজোর সময়ও এত রোজগার হয় না। গাজনে গেলে থাকা ও খাওয়া বাদে একজনের প্রায় হাজার চারেক টাকা আয় হয়। এবছর নির্বাচন থাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলই ঢাকিদের প্রচারে নিয়ে যাচ্ছে। কীরকম পারিশ্রমিক মেলে? এক জন ঢাকি বলেন, গত বিধানসভা ভোটেও আমাদের প্রচারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।সেবার যাতায়াত ও খাওয়ার খরচ বাদ দিয়ে ৮০০-১০০০ টাকা পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছিল।সোমনাথ দাস বলেন, আমাদের ছোটোবেলায় ভোটের সময় কোনো রাজনৈতিক দলের এত বর্ণাঢ্য প্রচার দেখা যেত না। তবে, এখন ঢাক সহ তাসাপার্টি থাকছে। ফলে, দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলির কয়েকদিন ভালো রোজগার হচ্ছে। বিভিন্ন দলের প্রার্থীর প্রচারে পুরুষদের পাশাপাশি মহিলা ঢাকিদেরও ডাকা হচ্ছে। তবে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঢাক বাজানোয় অনেক বদল আসছে। নিত্যানন্দ পাল বলেন,গাজনের বাজনা, আরতির বাজনা আর নির্বাচনি প্রচারের বাজনা এক নয়। প্রতিটির পৃথক ধারা বা তাল আছে। গাজন,ভোট উৎসবের কারণে আমাদের রোজগার বাড়বে। তবে, ভোট তো আর প্রতি বছর থাকে না।1
- জেলা মুর্শিদাবাদ,ব্লক কান্দি,গ্রাম গোকর্ণ, বাজার পাড়া, আগামী ১৬/০৪/২০২৬থেকে এখন পর্যন্ত বাজার পাড়া রাস্তার উপর দিয়ে ড্রেইন উপচে নোংরা জল বয়ছে1
- বহরমপুরে ভোট প্রচারে প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক, কংগ্রেস নেতা মহম্মদ আজাহারউদ্দিন। কংগ্রেস প্রার্থীর সমর্থনে সভা করবেন তিনি। শনিবার সকালে বহরমপুর স্টেডিয়ামে নামে আজাহারের হেলিকপ্টার। প্রাক্তন সাংসদ তথা প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ককে উচ্ছবাস কংগ্রেস নেতা কর্মীদের মধ্যে।1
- নির্বাচনী প্রচারে বহরমপুরে এসে পৌঁছলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার আজাহারউদ্দিন। শনিবার সকাল ১০ টা নাগাদ বহরমপুর স্টেডিয়ামে হেলিকোপ্টারে করে এসে পৌঁছান আজাহারউদ্দিন। তারপর বহরমপুরের একটি বেসরকারি হোটেলে আসেন তিনি। সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী। কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থনে বহরমপুর বিধানসভার দৌলতাবাদে, রাণীনগর বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায় এবং মুর্শিদাবাদ বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায় কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থনে রোড শো করবেন তিনি বলে জানা গিয়েছে।3
- বহরমপুরে অধীর চৌধুরীর প্রচারে রোড শো আজাহারউদ্দিনের। শনিবার বহরমপুর স্টেডিয়ামে নামে প্রাক্তন ক্রিকেটার প্রাপ্তন সাংসদ মহম্মদ আজাহারউদ্দিনের হেলিকপ্টার। সেখান থেকে তিনি জান দৌলতাবাদে। দৌলতাবাদ বালির ঘাট থেকে অধীর চৌধুরীকে সাথে নিয়ে শুরু করেন রোড শো। হুডখোলা গাড়িতে চলে প্রচার।1
- হরিহরপাড়ায় আসলেন সুপারস্টার দেব1
- সালারের তালিবপুর অঞ্চলের তিনটি গ্রামে তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমানের ঝোড়ো প্রচার। ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমনের সমর্থনে শুক্রবার নির্বাচনী উত্তাপ ছড়াল সালারের তালিবপুর অঞ্চলের পূর্বগ্রাম, মাতুয়া ও হাটখিলখুন্ডি গ্রামে। এদিন সকাল থেকেই মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে জনসংযোগের পাশাপাশি চলে সৌজন্য বিনিময়। প্রচার চলাকালীনই পূর্বগ্রামে এক কংগ্রেস বুথ কর্মী প্রার্থীর হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান করেন। তবে প্রচারের মাঝে তালিবপুর পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ সামনে এলে প্রার্থী অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে পরিস্থিতি সামাল দেন। মুস্তাফিজুর রহমান স্পষ্ট জানান, জনপ্রতিনিধিরা মানুষের রক্ষক, ভক্ষক নন। কাল যদি আমি বিধায়ক হয়ে মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে চলি, তবে জনগণ আমাকেও ছাড়বে না। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, ৪ঠা মে-র পর এলাকার মানুষের সমস্ত ক্ষোভ মেটানোর পূর্ণ দায়ভার তিনি নিজের কাঁধে তুলে নেবেন। অন্যদিকে, কলকাতায় কেন্দ্রীয় এজেন্সির হানা প্রসঙ্গে তিনি কড়া ভাষায় বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেন, গণতান্ত্রিকভাবে লড়াই করতে না পেরে বিরোধীরা ষড়যন্ত্র করছে এবং সিবিআই-ইডি-কে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনন্যা ও অদ্বিতীয় আখ্যা দিয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসের সাথে দাবি করেন যে, এবার তৃণমূল ২৩০ থেকে ২৫০টি আসন পেয়ে চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় আসবে এবং বিজেপির আসন সংখ্যা ৫০-এর নিচে নেমে যাবে।1