ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে বারুণী মেলার প্রস্তুতি: আলো, আয়োজন আর ভক্তির মিলনমেলা উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি—মতুয়া ধর্মাবলম্বীদের কাছে এক পবিত্র তীর্থস্থান। প্রতি বছর এখানেই অনুষ্ঠিত হয় মতুয়া সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বারুণী মেলা। সেই মহা উৎসবের আর হাতে গোনা কয়েকটা দিন বাকি। আর তাই এখন থেকেই রাত জেগে চলছে প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তের কাজ। ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি চত্বর যেন ধীরে ধীরে সাজছে এক নতুন রূপে। আলো, রঙ, সাজসজ্জা—সবকিছু মিলিয়ে যেন তৈরি হচ্ছে এক আধ্যাত্মিক পরিবেশ। কর্মীরা দিন-রাত পরিশ্রম করে মেলা প্রাঙ্গণ সাজিয়ে তুলছেন, যাতে দূরদূরান্ত থেকে আসা লক্ষাধিক ভক্তের জন্য তৈরি থাকে সুন্দর ও নিরাপদ ব্যবস্থা। মেলার মূল আকর্ষণ শুধু ধর্মীয় আচার নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মতুয়া সম্প্রদায়ের দীর্ঘ ইতিহাস ও ঐতিহ্য। শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের আদর্শকে সামনে রেখে প্রতি বছর এই বারুণী মেলায় জড়ো হন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ভক্তরা। ভক্তদের কীর্তন, নামসংকীর্তন এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা ঠাকুরনগর। এদিকে মেলা উপলক্ষে প্রশাসন ও স্থানীয় উদ্যোগেও নেওয়া হচ্ছে একাধিক প্রস্তুতি। নিরাপত্তা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবা—সবকিছু নিয়েই চলছে পরিকল্পনা। যাতে লক্ষ লক্ষ মানুষের এই ধর্মীয় সমাবেশ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। রাত যত গভীর হচ্ছে, ততই বাড়ছে প্রস্তুতির ব্যস্ততা। আলোয় ঝলমল করে উঠছে ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি। কর্মীদের একটাই লক্ষ্য—বারুণী মেলার দিন যেন প্রতিটি ভক্ত এখানে এসে অনুভব করতে পারেন ভক্তি, ঐতিহ্য আর মিলনের এক অপূর্ব পরিবেশ। আর তাই এখন ঠাকুরনগরে একটাই প্রতীক্ষা—কবে শুরু হবে সেই বহু প্রতীক্ষিত বারুণী মেলা, যেখানে আবারও মিলিত হবেন হাজার হাজার মতুয়া ভক্ত, আর ভরে উঠবে ঠাকুরবাড়ির আঙিনা ভক্তির সুরে।
ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে বারুণী মেলার প্রস্তুতি: আলো, আয়োজন আর ভক্তির মিলনমেলা উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি—মতুয়া ধর্মাবলম্বীদের কাছে এক পবিত্র তীর্থস্থান। প্রতি বছর এখানেই অনুষ্ঠিত হয় মতুয়া সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বারুণী মেলা। সেই মহা উৎসবের আর হাতে গোনা কয়েকটা দিন বাকি। আর তাই এখন থেকেই রাত জেগে চলছে প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তের কাজ। ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি চত্বর যেন ধীরে ধীরে সাজছে এক নতুন রূপে। আলো, রঙ, সাজসজ্জা—সবকিছু মিলিয়ে যেন তৈরি হচ্ছে এক আধ্যাত্মিক পরিবেশ। কর্মীরা দিন-রাত পরিশ্রম করে মেলা প্রাঙ্গণ সাজিয়ে তুলছেন, যাতে দূরদূরান্ত থেকে আসা লক্ষাধিক ভক্তের জন্য তৈরি থাকে সুন্দর ও নিরাপদ ব্যবস্থা। মেলার মূল আকর্ষণ শুধু ধর্মীয় আচার নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মতুয়া সম্প্রদায়ের দীর্ঘ ইতিহাস ও ঐতিহ্য। শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের আদর্শকে সামনে রেখে প্রতি বছর এই বারুণী মেলায় জড়ো হন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ভক্তরা। ভক্তদের কীর্তন, নামসংকীর্তন এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা ঠাকুরনগর। এদিকে মেলা উপলক্ষে প্রশাসন ও স্থানীয় উদ্যোগেও নেওয়া হচ্ছে একাধিক প্রস্তুতি। নিরাপত্তা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবা—সবকিছু নিয়েই চলছে পরিকল্পনা। যাতে লক্ষ লক্ষ মানুষের এই ধর্মীয় সমাবেশ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। রাত যত গভীর হচ্ছে, ততই বাড়ছে প্রস্তুতির ব্যস্ততা। আলোয় ঝলমল করে উঠছে ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি। কর্মীদের একটাই লক্ষ্য—বারুণী মেলার দিন যেন প্রতিটি ভক্ত এখানে এসে অনুভব করতে পারেন ভক্তি, ঐতিহ্য আর মিলনের এক অপূর্ব পরিবেশ। আর তাই এখন ঠাকুরনগরে একটাই প্রতীক্ষা—কবে শুরু হবে সেই বহু প্রতীক্ষিত বারুণী মেলা, যেখানে আবারও মিলিত হবেন হাজার হাজার মতুয়া ভক্ত, আর ভরে উঠবে ঠাকুরবাড়ির আঙিনা ভক্তির সুরে।
- তারাতলায় মাটির গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারলো লাইট পোস্টে1
- Post by Kolkata News Times1
- New..🥹❤️🔥💫8
- বলাগড়ের নতুন বিডিও বা ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার বা সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক পদে আজকে কাজে যোগদান করলেন মহাশ্বেতা বিশ্বাস তার কাজ শুরুর মুহুর্তের ছবি এক্সক্লুসিভ দেখুন শুরু নিউজ এ সাংবাদিক চিরঞ্জীব WhatsApp 7059664100 Media Centre Telephone 97325901041
- Post by AL ALAMIN SK1
- ১৪ মার্চ ব্রিগেডে ঐতিহাসিক জনসভা মোদীজির। পরিবর্তনের লক্ষ্যে আপনিও যোগ দিন। #BrigadeChalo1
- দেশ জুড়ে ক্রমশ বাড়তে থাকা রান্নার গ্যাসের সঙ্কট এবং মূল্যবৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। বিরোধীদের অভিযোগ, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে জড়িত এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে আগাম কোনো পরিকল্পনা করতে পারেনি কেন্দ্রীয় সরকার। এই ইস্যুকে সামনে রেখেই শুক্রবার সকালে সংসদ ভবনের বাইরে প্রতিবাদে সামিল হন Kakoli Ghosh Dastidar সহ ইন্ডিয়া ব্লকের বিভিন্ন দলের সাংসদরা। তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরাও এই বিক্ষোভে যোগ দেন এবং কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন। প্রতিবাদকারীদের অভিযোগ, পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে সমস্যা তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কা আগেই ছিল। কিন্তু সেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিকল্প আমদানির ব্যবস্থা বা দীর্ঘমেয়াদি কৌশল নির্ধারণে ব্যর্থ হয়েছে Narendra Modi-র নেতৃত্বাধীন সরকার। সাংসদদের বক্তব্য, রান্নার গ্যাস সাধারণ মানুষের জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রয়োজনীয় সামগ্রী। অথচ সরবরাহের ঘাটতির পাশাপাশি হঠাৎ করেই দাম বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। বিরোধী সাংসদদের দাবি, কেন্দ্রের এই নীতির ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষ। এই পরিস্থিতিতে সংসদ ভবনের বাইরে দাঁড়িয়েই কেন্দ্রের কাছে একাধিক প্রশ্ন তোলেন ইন্ডিয়া ব্লকের সাংসদরা। কেন আগাম বিকল্প উৎস থেকে গ্যাস আমদানির ব্যবস্থা করা হল না? কেন সাধারণ মানুষের ঘাড়ে বাড়তি আর্থিক বোঝা চাপিয়ে গ্যাসের দাম বাড়ানো হল? প্রতিবাদকারীরা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, এই বিষয়ে দেশের মানুষের কাছে জবাবদিহি করতেই হবে কেন্দ্রকে। তাদের দাবি, অবিলম্বে রান্নার গ্যাসের দাম নিয়ন্ত্রণে আনা এবং সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এই ঘটনাকে ঘিরে সংসদ চত্বরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।3
- Post by Kolkata News Times1
- AL ALAMIN SK1