logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

রান্নার গ্যাসের সঙ্কট নিয়ে সংসদের বাইরে ইন্ডিয়া ব্লকের প্রতিবাদ, সরব তৃণমূল সাংসদ ড. কাকলি ঘোষ দস্তিদার দেশ জুড়ে ক্রমশ বাড়তে থাকা রান্নার গ্যাসের সঙ্কট এবং মূল্যবৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। বিরোধীদের অভিযোগ, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে জড়িত এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে আগাম কোনো পরিকল্পনা করতে পারেনি কেন্দ্রীয় সরকার। এই ইস্যুকে সামনে রেখেই শুক্রবার সকালে সংসদ ভবনের বাইরে প্রতিবাদে সামিল হন Kakoli Ghosh Dastidar সহ ইন্ডিয়া ব্লকের বিভিন্ন দলের সাংসদরা। তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরাও এই বিক্ষোভে যোগ দেন এবং কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন। প্রতিবাদকারীদের অভিযোগ, পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে সমস্যা তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কা আগেই ছিল। কিন্তু সেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিকল্প আমদানির ব্যবস্থা বা দীর্ঘমেয়াদি কৌশল নির্ধারণে ব্যর্থ হয়েছে Narendra Modi-র নেতৃত্বাধীন সরকার। সাংসদদের বক্তব্য, রান্নার গ্যাস সাধারণ মানুষের জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রয়োজনীয় সামগ্রী। অথচ সরবরাহের ঘাটতির পাশাপাশি হঠাৎ করেই দাম বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। বিরোধী সাংসদদের দাবি, কেন্দ্রের এই নীতির ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষ। এই পরিস্থিতিতে সংসদ ভবনের বাইরে দাঁড়িয়েই কেন্দ্রের কাছে একাধিক প্রশ্ন তোলেন ইন্ডিয়া ব্লকের সাংসদরা। কেন আগাম বিকল্প উৎস থেকে গ্যাস আমদানির ব্যবস্থা করা হল না? কেন সাধারণ মানুষের ঘাড়ে বাড়তি আর্থিক বোঝা চাপিয়ে গ্যাসের দাম বাড়ানো হল? প্রতিবাদকারীরা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, এই বিষয়ে দেশের মানুষের কাছে জবাবদিহি করতেই হবে কেন্দ্রকে। তাদের দাবি, অবিলম্বে রান্নার গ্যাসের দাম নিয়ন্ত্রণে আনা এবং সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এই ঘটনাকে ঘিরে সংসদ চত্বরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

2 hrs ago
user_Biswaji Bala
Biswaji Bala
Reporter হাবরা 1, উত্তর 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
2 hrs ago

রান্নার গ্যাসের সঙ্কট নিয়ে সংসদের বাইরে ইন্ডিয়া ব্লকের প্রতিবাদ, সরব তৃণমূল সাংসদ ড. কাকলি ঘোষ দস্তিদার দেশ জুড়ে ক্রমশ বাড়তে থাকা রান্নার গ্যাসের সঙ্কট এবং মূল্যবৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। বিরোধীদের অভিযোগ, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে জড়িত এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে আগাম কোনো পরিকল্পনা করতে পারেনি কেন্দ্রীয় সরকার। এই ইস্যুকে সামনে রেখেই শুক্রবার সকালে সংসদ ভবনের বাইরে প্রতিবাদে সামিল হন Kakoli Ghosh Dastidar সহ ইন্ডিয়া ব্লকের বিভিন্ন দলের সাংসদরা। তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরাও এই বিক্ষোভে যোগ দেন এবং কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তীব্র

সমালোচনা করেন। প্রতিবাদকারীদের অভিযোগ, পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে সমস্যা তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কা আগেই ছিল। কিন্তু সেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিকল্প আমদানির ব্যবস্থা বা দীর্ঘমেয়াদি কৌশল নির্ধারণে ব্যর্থ হয়েছে Narendra Modi-র নেতৃত্বাধীন সরকার। সাংসদদের বক্তব্য, রান্নার গ্যাস সাধারণ মানুষের জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রয়োজনীয় সামগ্রী। অথচ সরবরাহের ঘাটতির পাশাপাশি হঠাৎ করেই দাম বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। বিরোধী সাংসদদের দাবি, কেন্দ্রের এই নীতির ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষ। এই পরিস্থিতিতে সংসদ

ভবনের বাইরে দাঁড়িয়েই কেন্দ্রের কাছে একাধিক প্রশ্ন তোলেন ইন্ডিয়া ব্লকের সাংসদরা। কেন আগাম বিকল্প উৎস থেকে গ্যাস আমদানির ব্যবস্থা করা হল না? কেন সাধারণ মানুষের ঘাড়ে বাড়তি আর্থিক বোঝা চাপিয়ে গ্যাসের দাম বাড়ানো হল? প্রতিবাদকারীরা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, এই বিষয়ে দেশের মানুষের কাছে জবাবদিহি করতেই হবে কেন্দ্রকে। তাদের দাবি, অবিলম্বে রান্নার গ্যাসের দাম নিয়ন্ত্রণে আনা এবং সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এই ঘটনাকে ঘিরে সংসদ চত্বরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
  • উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি—মতুয়া ধর্মাবলম্বীদের কাছে এক পবিত্র তীর্থস্থান। প্রতি বছর এখানেই অনুষ্ঠিত হয় মতুয়া সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বারুণী মেলা। সেই মহা উৎসবের আর হাতে গোনা কয়েকটা দিন বাকি। আর তাই এখন থেকেই রাত জেগে চলছে প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তের কাজ। ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি চত্বর যেন ধীরে ধীরে সাজছে এক নতুন রূপে। আলো, রঙ, সাজসজ্জা—সবকিছু মিলিয়ে যেন তৈরি হচ্ছে এক আধ্যাত্মিক পরিবেশ। কর্মীরা দিন-রাত পরিশ্রম করে মেলা প্রাঙ্গণ সাজিয়ে তুলছেন, যাতে দূরদূরান্ত থেকে আসা লক্ষাধিক ভক্তের জন্য তৈরি থাকে সুন্দর ও নিরাপদ ব্যবস্থা। মেলার মূল আকর্ষণ শুধু ধর্মীয় আচার নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মতুয়া সম্প্রদায়ের দীর্ঘ ইতিহাস ও ঐতিহ্য। শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের আদর্শকে সামনে রেখে প্রতি বছর এই বারুণী মেলায় জড়ো হন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ভক্তরা। ভক্তদের কীর্তন, নামসংকীর্তন এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা ঠাকুরনগর। এদিকে মেলা উপলক্ষে প্রশাসন ও স্থানীয় উদ্যোগেও নেওয়া হচ্ছে একাধিক প্রস্তুতি। নিরাপত্তা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবা—সবকিছু নিয়েই চলছে পরিকল্পনা। যাতে লক্ষ লক্ষ মানুষের এই ধর্মীয় সমাবেশ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। রাত যত গভীর হচ্ছে, ততই বাড়ছে প্রস্তুতির ব্যস্ততা। আলোয় ঝলমল করে উঠছে ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি। কর্মীদের একটাই লক্ষ্য—বারুণী মেলার দিন যেন প্রতিটি ভক্ত এখানে এসে অনুভব করতে পারেন ভক্তি, ঐতিহ্য আর মিলনের এক অপূর্ব পরিবেশ। আর তাই এখন ঠাকুরনগরে একটাই প্রতীক্ষা—কবে শুরু হবে সেই বহু প্রতীক্ষিত বারুণী মেলা, যেখানে আবারও মিলিত হবেন হাজার হাজার মতুয়া ভক্ত, আর ভরে উঠবে ঠাকুরবাড়ির আঙিনা ভক্তির সুরে।
    1
    উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি—মতুয়া ধর্মাবলম্বীদের কাছে এক পবিত্র তীর্থস্থান। প্রতি বছর এখানেই অনুষ্ঠিত হয় মতুয়া সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বারুণী মেলা। সেই মহা উৎসবের আর হাতে গোনা কয়েকটা দিন বাকি। আর তাই এখন থেকেই রাত জেগে চলছে প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তের কাজ।
ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি চত্বর যেন ধীরে ধীরে সাজছে এক নতুন রূপে। আলো, রঙ, সাজসজ্জা—সবকিছু মিলিয়ে যেন তৈরি হচ্ছে এক আধ্যাত্মিক পরিবেশ। কর্মীরা দিন-রাত পরিশ্রম করে মেলা প্রাঙ্গণ সাজিয়ে তুলছেন, যাতে দূরদূরান্ত থেকে আসা লক্ষাধিক ভক্তের জন্য তৈরি থাকে সুন্দর ও নিরাপদ ব্যবস্থা।
মেলার মূল আকর্ষণ শুধু ধর্মীয় আচার নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মতুয়া সম্প্রদায়ের দীর্ঘ ইতিহাস ও ঐতিহ্য। শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের আদর্শকে সামনে রেখে প্রতি বছর এই বারুণী মেলায় জড়ো হন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ভক্তরা। ভক্তদের কীর্তন, নামসংকীর্তন এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা ঠাকুরনগর।
এদিকে মেলা উপলক্ষে প্রশাসন ও স্থানীয় উদ্যোগেও নেওয়া হচ্ছে একাধিক প্রস্তুতি। নিরাপত্তা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবা—সবকিছু নিয়েই চলছে পরিকল্পনা। যাতে লক্ষ লক্ষ মানুষের এই ধর্মীয় সমাবেশ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।
রাত যত গভীর হচ্ছে, ততই বাড়ছে প্রস্তুতির ব্যস্ততা। আলোয় ঝলমল করে উঠছে ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি। কর্মীদের একটাই লক্ষ্য—বারুণী মেলার দিন যেন প্রতিটি ভক্ত এখানে এসে অনুভব করতে পারেন ভক্তি, ঐতিহ্য আর মিলনের এক অপূর্ব পরিবেশ।
আর তাই এখন ঠাকুরনগরে একটাই প্রতীক্ষা—কবে শুরু হবে সেই বহু প্রতীক্ষিত বারুণী মেলা, যেখানে আবারও মিলিত হবেন হাজার হাজার মতুয়া ভক্ত, আর ভরে উঠবে ঠাকুরবাড়ির আঙিনা ভক্তির সুরে।
    user_Biswaji Bala
    Biswaji Bala
    Reporter হাবরা 1, উত্তর 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    56 min ago
  • আমি এখানে কয়েকটি রাস্তার ফটো দিয়েছি সেখান থেকে একটি রাস্তা হল বাগানের ভিতর বাড়ি একটু রাস্তা থেকে একটু দূরে বাড়ি এই রাস্তাটির সমস্যা হল পানির সময় এখানে এই রাস্তাটিতে যাওয়া আসার বিশাল একটি সমস্যা হয়। মানে পানি জমে থাকে এখানে যাওয়া আসার বিশাল অসুবিধে আর আর কটি ফটো দিয়েছে কে এখানে এই রাস্তার জন্য পিছনে আরো কয়েকটি বাড়ি ছিল তারাই রাস্তার জন্য উঠে গিয়েছে। এখানে আর থাকে না তারা এখন আমরাই আছি সবচেয়ে রাস্তার একটু কাছেই আছি কিন্তু এখান থেকে পানির সময় আবার ঘর থেকে বের হতে পারি না এইজন্য আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এই আবেদনটি জানাচ্ছি কে এর আগে আমাদের মেম্বারের সাথেও কথা বলেছি এই বিষয়ে কে এমন এমন সমস্যা তারা এতে কোন গুরুত্বই আমাদের দেয়নি এই জন্য আমি আজকে ফেসবুক দেখতে দেখতে এই অ্যাপটি পেয়েছি এখান থেকে বলছে কে আমি সাহায্য নাকি পাব আমার অভিযোগ যেন মুখ্যমন্ত্রী পর্যন্ত যায় আমাদের এই রাস্তাটা তৈরি করার একটি ব্যবস্থা আপনারা নিন
    1
    আমি এখানে কয়েকটি রাস্তার ফটো দিয়েছি সেখান থেকে একটি রাস্তা হল বাগানের ভিতর বাড়ি একটু রাস্তা থেকে একটু দূরে বাড়ি এই রাস্তাটির সমস্যা হল পানির সময় এখানে এই রাস্তাটিতে যাওয়া আসার বিশাল একটি সমস্যা হয়। মানে পানি জমে থাকে এখানে যাওয়া আসার বিশাল অসুবিধে আর আর কটি ফটো দিয়েছে কে এখানে এই রাস্তার জন্য পিছনে আরো কয়েকটি বাড়ি ছিল তারাই রাস্তার জন্য উঠে গিয়েছে। এখানে আর থাকে না তারা এখন আমরাই আছি সবচেয়ে রাস্তার একটু কাছেই আছি কিন্তু এখান থেকে পানির সময় আবার ঘর থেকে বের হতে পারি না এইজন্য আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এই আবেদনটি জানাচ্ছি কে এর আগে আমাদের মেম্বারের সাথেও কথা বলেছি এই বিষয়ে কে এমন এমন সমস্যা তারা এতে কোন গুরুত্বই আমাদের দেয়নি এই জন্য আমি আজকে ফেসবুক দেখতে দেখতে এই অ্যাপটি পেয়েছি এখান থেকে বলছে কে আমি সাহায্য নাকি পাব আমার অভিযোগ যেন মুখ্যমন্ত্রী পর্যন্ত যায় আমাদের এই রাস্তাটা তৈরি করার একটি ব্যবস্থা আপনারা নিন
    user_Abul Kalam
    Abul Kalam
    Farmer বাদুড়িয়া, উত্তর 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    7 hrs ago
  • আজ বসিরহাট উত্তরের, বসিরহাট ২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ইফতার মজলিশ এর মুহুর্তে।
    1
    আজ বসিরহাট উত্তরের, বসিরহাট ২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ইফতার মজলিশ এর মুহুর্তে।
    user_Network bangla
    Network bangla
    বসিরহাট ২, উত্তর 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    1 hr ago
  • তিনি আরো বললেন এই সরকারকে বিশ্বাস করবেন না শিক্ষিত ছেলেদের ৫০ টাকা ভাতা দিয়েছে প্রতিদিন ওয়াকাপ সম্পত্তিকে ধ্বংস করেছে চাকরি নেই শিক্ষার মেরুদন্ডে ভেঙে দিয়েছে #Newd#Jiotvnews
    1
    তিনি  আরো বললেন এই সরকারকে বিশ্বাস করবেন না শিক্ষিত ছেলেদের ৫০ টাকা ভাতা  দিয়েছে প্রতিদিন ওয়াকাপ সম্পত্তিকে ধ্বংস  করেছে চাকরি নেই শিক্ষার মেরুদন্ডে ভেঙে দিয়েছে  #Newd#Jiotvnews
    user_Jio Tv News
    Jio Tv News
    Barasat - I, 24 Parganas North•
    11 hrs ago
  • শুক্রবার রাত আটটা নাগাদ টাকি পৌরসভার রুজিপুর এলাকায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি বসতবাড়ি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গেছে। জানা গেছে, বাড়ির এক বয়স্ক মহিলা স্টোভে রান্না বসিয়ে ঘুমিয়ে পড়লে আচমকা স্টোভটি ফেটে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন রান্নাঘর থেকে সারা বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের লেলিহান শিখায় বাড়ির আসবাবপত্রসহ সমস্ত সামগ্রী পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে প্রতিবেশীদের তৎপরতায় ওই বৃদ্ধাকে জ্বলন্ত ঘর থেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে পরিবারটি
    1
    শুক্রবার রাত আটটা নাগাদ টাকি পৌরসভার রুজিপুর এলাকায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি বসতবাড়ি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গেছে। জানা গেছে, বাড়ির এক বয়স্ক মহিলা স্টোভে রান্না বসিয়ে ঘুমিয়ে পড়লে আচমকা স্টোভটি ফেটে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন রান্নাঘর থেকে সারা বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে।
আগুনের লেলিহান শিখায় বাড়ির আসবাবপত্রসহ সমস্ত সামগ্রী পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে প্রতিবেশীদের তৎপরতায় ওই বৃদ্ধাকে জ্বলন্ত ঘর থেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে পরিবারটি
    user_BASIRHAT UPDATE
    BASIRHAT UPDATE
    সাংবাদিক Hasnabad, 24 Parganas North•
    34 min ago
  • গ্যাস সিলিন্ডার অমিল।ভক্তদের পাত পেড়ে ভোগপ্রসাদ আর খাওয়ানো সম্ভব নয়। বাধ্য হয়ে আগামী সোমবার থেকে ভক্তদের জন্য প্রসাদ বিতরণ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল নৈহাটী বড়ো মা ট্রাষ্টি বোর্ড। শুক্রবারই শেষ ভোগপ্রসাদ খাওয়ানো হয়। এদিন বড়ো মা কমিটির সভাপতি তাপস ভট্টাচার্য বলেন, যে পরিমাণে ভোগ রান্না হয় তাতে মাসে কুড়ি থেকে পঁচিশটা বানিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডার লাগে। গ্যাস সরবরাহকারিরা পাঁচটার বেশি দিতে পারবে না। ফলে বাধ্য হয়ে কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে সোমবার থেকে ভক্তদের মধ্যে ভোগপ্রসাদ বিতরণ বন্ধ রাখা হবে। শুধুমাত্র অমাবস্যায় মাকে ভোগ নিবেদন করা হবে। পুনরায় গ্যাস পরিষেবা স্বাভাবিক হলে ভোগপ্রসাদ চালু হয়ে যাবে।
    3
    গ্যাস সিলিন্ডার অমিল।ভক্তদের পাত পেড়ে ভোগপ্রসাদ আর খাওয়ানো সম্ভব নয়। বাধ্য হয়ে আগামী সোমবার থেকে ভক্তদের জন্য প্রসাদ  বিতরণ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল নৈহাটী বড়ো মা ট্রাষ্টি বোর্ড। শুক্রবারই শেষ ভোগপ্রসাদ খাওয়ানো হয়।    এদিন বড়ো মা কমিটির সভাপতি তাপস ভট্টাচার্য বলেন, যে পরিমাণে ভোগ রান্না হয় তাতে মাসে কুড়ি থেকে পঁচিশটা বানিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডার লাগে। গ্যাস সরবরাহকারিরা পাঁচটার বেশি দিতে পারবে না। ফলে বাধ্য হয়ে কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে সোমবার থেকে ভক্তদের মধ্যে ভোগপ্রসাদ বিতরণ বন্ধ রাখা হবে। শুধুমাত্র অমাবস্যায় মাকে ভোগ নিবেদন করা হবে। পুনরায় গ্যাস পরিষেবা স্বাভাবিক হলে  ভোগপ্রসাদ চালু হয়ে যাবে।
    user_Sampa Dam Pal
    Sampa Dam Pal
    Journalist Barrackpur - I, 24 Parganas North•
    7 hrs ago
  • বিরাটি ড্রেনের অবস্থা কি কেউ কি দেখতে পারছে না
    1
    বিরাটি ড্রেনের অবস্থা কি কেউ কি দেখতে পারছে না
    user_প্রঁতিঁবাঁদী মুঁখঁ
    প্রঁতিঁবাঁদী মুঁখঁ
    Bhangar - Ii, 24 Paraganas South•
    22 hrs ago
  • আগামী বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ। বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে তরজা, অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের রাজনীতি। এই আবহেই বিজেপির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে সরব হলেন হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রের কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব। কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি চন্দন ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি পরিকল্পিতভাবে রাজ্যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে। মানুষের উন্নয়নের বদলে বিভাজনের রাজনীতি করে ভোটের ফায়দা তোলার চেষ্টা চলছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আরও বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস মানুষের পাশে থেকে কাজ করে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বাংলায় একের পর এক উন্নয়নমূলক প্রকল্প চালু হয়েছে। গ্রাম থেকে শহর—সর্বত্র উন্নয়নের কাজ হয়েছে। কিন্তু বিজেপি সেই উন্নয়নের কথা না বলে শুধুমাত্র মিথ্যা প্রচার করে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।” চন্দন ঘোষের দাবি, হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রেও তৃণমূল কংগ্রেস সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করে মানুষের পাশে থাকার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আসন্ন নির্বাচনেও সাধারণ মানুষ উন্নয়নের পক্ষেই রায় দেবে বলে তিনি আশাবাদী। এদিকে নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হচ্ছে। একদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, অন্যদিকে বিজেপিও বিভিন্ন ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করছে। ফলে আগামী দিনে এই রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। এখন দেখার বিষয়, ভোটের ময়দানে শেষ পর্যন্ত মানুষের রায় কোন দিকে যায়।
    1
    আগামী বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ। বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে তরজা, অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের রাজনীতি। এই আবহেই বিজেপির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে সরব হলেন হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রের কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব।
কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি চন্দন ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি পরিকল্পিতভাবে রাজ্যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে। মানুষের উন্নয়নের বদলে বিভাজনের রাজনীতি করে ভোটের ফায়দা তোলার চেষ্টা চলছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস মানুষের পাশে থেকে কাজ করে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বাংলায় একের পর এক উন্নয়নমূলক প্রকল্প চালু হয়েছে। গ্রাম থেকে শহর—সর্বত্র উন্নয়নের কাজ হয়েছে। কিন্তু বিজেপি সেই উন্নয়নের কথা না বলে শুধুমাত্র মিথ্যা প্রচার করে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।”
চন্দন ঘোষের দাবি, হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রেও তৃণমূল কংগ্রেস সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করে মানুষের পাশে থাকার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আসন্ন নির্বাচনেও সাধারণ মানুষ উন্নয়নের পক্ষেই রায় দেবে বলে তিনি আশাবাদী।
এদিকে নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হচ্ছে। একদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, অন্যদিকে বিজেপিও বিভিন্ন ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করছে। ফলে আগামী দিনে এই রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
এখন দেখার বিষয়, ভোটের ময়দানে শেষ পর্যন্ত মানুষের রায় কোন দিকে যায়।
    user_Biswaji Bala
    Biswaji Bala
    Reporter হাবরা 1, উত্তর 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    2 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.