Shuru
Apke Nagar Ki App…
শুক্রবার রাত আটটা নাগাদ টাকি পৌরসভার রুজিপুর এলাকায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি বসতবাড়ি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গেছে। জানা গেছে, বাড়ির এক বয়স্ক মহিলা স্টোভে রান্না বসিয়ে ঘুমিয়ে পড়লে আচমকা স্টোভটি ফেটে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন রান্নাঘর থেকে সারা বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের লেলিহান শিখায় বাড়ির আসবাবপত্রসহ সমস্ত সামগ্রী পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে প্রতিবেশীদের তৎপরতায় ওই বৃদ্ধাকে জ্বলন্ত ঘর থেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে পরিবারটি
BASIRHAT UPDATE
শুক্রবার রাত আটটা নাগাদ টাকি পৌরসভার রুজিপুর এলাকায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি বসতবাড়ি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গেছে। জানা গেছে, বাড়ির এক বয়স্ক মহিলা স্টোভে রান্না বসিয়ে ঘুমিয়ে পড়লে আচমকা স্টোভটি ফেটে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন রান্নাঘর থেকে সারা বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের লেলিহান শিখায় বাড়ির আসবাবপত্রসহ সমস্ত সামগ্রী পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে প্রতিবেশীদের তৎপরতায় ওই বৃদ্ধাকে জ্বলন্ত ঘর থেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে পরিবারটি
More news from 24 Parganas North and nearby areas
- শুক্রবার রাত আটটা নাগাদ টাকি পৌরসভার রুজিপুর এলাকায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি বসতবাড়ি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গেছে। জানা গেছে, বাড়ির এক বয়স্ক মহিলা স্টোভে রান্না বসিয়ে ঘুমিয়ে পড়লে আচমকা স্টোভটি ফেটে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন রান্নাঘর থেকে সারা বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের লেলিহান শিখায় বাড়ির আসবাবপত্রসহ সমস্ত সামগ্রী পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে প্রতিবেশীদের তৎপরতায় ওই বৃদ্ধাকে জ্বলন্ত ঘর থেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে পরিবারটি1
- আজ বসিরহাট উত্তরের, বসিরহাট ২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ইফতার মজলিশ এর মুহুর্তে।1
- Post by ১১ নম্বর1
- উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি—মতুয়া ধর্মাবলম্বীদের কাছে এক পবিত্র তীর্থস্থান। প্রতি বছর এখানেই অনুষ্ঠিত হয় মতুয়া সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বারুণী মেলা। সেই মহা উৎসবের আর হাতে গোনা কয়েকটা দিন বাকি। আর তাই এখন থেকেই রাত জেগে চলছে প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তের কাজ। ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি চত্বর যেন ধীরে ধীরে সাজছে এক নতুন রূপে। আলো, রঙ, সাজসজ্জা—সবকিছু মিলিয়ে যেন তৈরি হচ্ছে এক আধ্যাত্মিক পরিবেশ। কর্মীরা দিন-রাত পরিশ্রম করে মেলা প্রাঙ্গণ সাজিয়ে তুলছেন, যাতে দূরদূরান্ত থেকে আসা লক্ষাধিক ভক্তের জন্য তৈরি থাকে সুন্দর ও নিরাপদ ব্যবস্থা। মেলার মূল আকর্ষণ শুধু ধর্মীয় আচার নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মতুয়া সম্প্রদায়ের দীর্ঘ ইতিহাস ও ঐতিহ্য। শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের আদর্শকে সামনে রেখে প্রতি বছর এই বারুণী মেলায় জড়ো হন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ভক্তরা। ভক্তদের কীর্তন, নামসংকীর্তন এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা ঠাকুরনগর। এদিকে মেলা উপলক্ষে প্রশাসন ও স্থানীয় উদ্যোগেও নেওয়া হচ্ছে একাধিক প্রস্তুতি। নিরাপত্তা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবা—সবকিছু নিয়েই চলছে পরিকল্পনা। যাতে লক্ষ লক্ষ মানুষের এই ধর্মীয় সমাবেশ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। রাত যত গভীর হচ্ছে, ততই বাড়ছে প্রস্তুতির ব্যস্ততা। আলোয় ঝলমল করে উঠছে ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি। কর্মীদের একটাই লক্ষ্য—বারুণী মেলার দিন যেন প্রতিটি ভক্ত এখানে এসে অনুভব করতে পারেন ভক্তি, ঐতিহ্য আর মিলনের এক অপূর্ব পরিবেশ। আর তাই এখন ঠাকুরনগরে একটাই প্রতীক্ষা—কবে শুরু হবে সেই বহু প্রতীক্ষিত বারুণী মেলা, যেখানে আবারও মিলিত হবেন হাজার হাজার মতুয়া ভক্ত, আর ভরে উঠবে ঠাকুরবাড়ির আঙিনা ভক্তির সুরে।1
- New..🥹❤️🔥💫8
- আমি এখানে কয়েকটি রাস্তার ফটো দিয়েছি সেখান থেকে একটি রাস্তা হল বাগানের ভিতর বাড়ি একটু রাস্তা থেকে একটু দূরে বাড়ি এই রাস্তাটির সমস্যা হল পানির সময় এখানে এই রাস্তাটিতে যাওয়া আসার বিশাল একটি সমস্যা হয়। মানে পানি জমে থাকে এখানে যাওয়া আসার বিশাল অসুবিধে আর আর কটি ফটো দিয়েছে কে এখানে এই রাস্তার জন্য পিছনে আরো কয়েকটি বাড়ি ছিল তারাই রাস্তার জন্য উঠে গিয়েছে। এখানে আর থাকে না তারা এখন আমরাই আছি সবচেয়ে রাস্তার একটু কাছেই আছি কিন্তু এখান থেকে পানির সময় আবার ঘর থেকে বের হতে পারি না এইজন্য আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এই আবেদনটি জানাচ্ছি কে এর আগে আমাদের মেম্বারের সাথেও কথা বলেছি এই বিষয়ে কে এমন এমন সমস্যা তারা এতে কোন গুরুত্বই আমাদের দেয়নি এই জন্য আমি আজকে ফেসবুক দেখতে দেখতে এই অ্যাপটি পেয়েছি এখান থেকে বলছে কে আমি সাহায্য নাকি পাব আমার অভিযোগ যেন মুখ্যমন্ত্রী পর্যন্ত যায় আমাদের এই রাস্তাটা তৈরি করার একটি ব্যবস্থা আপনারা নিন1
- Post by সময় এখন2
- আগামী বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ। বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে তরজা, অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের রাজনীতি। এই আবহেই বিজেপির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে সরব হলেন হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রের কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব। কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি চন্দন ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি পরিকল্পিতভাবে রাজ্যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে। মানুষের উন্নয়নের বদলে বিভাজনের রাজনীতি করে ভোটের ফায়দা তোলার চেষ্টা চলছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আরও বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস মানুষের পাশে থেকে কাজ করে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বাংলায় একের পর এক উন্নয়নমূলক প্রকল্প চালু হয়েছে। গ্রাম থেকে শহর—সর্বত্র উন্নয়নের কাজ হয়েছে। কিন্তু বিজেপি সেই উন্নয়নের কথা না বলে শুধুমাত্র মিথ্যা প্রচার করে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।” চন্দন ঘোষের দাবি, হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রেও তৃণমূল কংগ্রেস সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করে মানুষের পাশে থাকার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আসন্ন নির্বাচনেও সাধারণ মানুষ উন্নয়নের পক্ষেই রায় দেবে বলে তিনি আশাবাদী। এদিকে নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হচ্ছে। একদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, অন্যদিকে বিজেপিও বিভিন্ন ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করছে। ফলে আগামী দিনে এই রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। এখন দেখার বিষয়, ভোটের ময়দানে শেষ পর্যন্ত মানুষের রায় কোন দিকে যায়।1