Shuru
Apke Nagar Ki App…
ব্রিগেড ময়দানে আজ মুখোমুখি বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়
Kolkata News Times
ব্রিগেড ময়দানে আজ মুখোমুখি বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- AL ALAMIN SK1
- মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে ফোন পেলেন বেহালার লেখক পিন্টু পোহান1
- Post by JBP NEWS BANGLA1
- গ্যাস সিলিন্ডার অমিল।ভক্তদের পাত পেড়ে ভোগপ্রসাদ আর খাওয়ানো সম্ভব নয়। বাধ্য হয়ে আগামী সোমবার থেকে ভক্তদের জন্য প্রসাদ বিতরণ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল নৈহাটী বড়ো মা ট্রাষ্টি বোর্ড। শুক্রবারই শেষ ভোগপ্রসাদ খাওয়ানো হয়। এদিন বড়ো মা কমিটির সভাপতি তাপস ভট্টাচার্য বলেন, যে পরিমাণে ভোগ রান্না হয় তাতে মাসে কুড়ি থেকে পঁচিশটা বানিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডার লাগে। গ্যাস সরবরাহকারিরা পাঁচটার বেশি দিতে পারবে না। ফলে বাধ্য হয়ে কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে সোমবার থেকে ভক্তদের মধ্যে ভোগপ্রসাদ বিতরণ বন্ধ রাখা হবে। শুধুমাত্র অমাবস্যায় মাকে ভোগ নিবেদন করা হবে। পুনরায় গ্যাস পরিষেবা স্বাভাবিক হলে ভোগপ্রসাদ চালু হয়ে যাবে।3
- মতিয়ার রহমান, উলুবেড়িয়া শ্যামপুরে জাতীয় কংগ্রেসের পথ অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি। শুক্রবার সকাল ৯টায় শ্যামপুর ২নং বিডিও অফিস শশাটিতে শ্যামপুর কেন্দ্র কংগ্রেসের সভাপতি মঞ্জুর আলমের নেতৃত্বে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদীর সরকার কর্তৃক রান্নার এল পি জি গ্যাসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি সেই সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণে যোগানের অভাব এবং সাধারণ মানুষের গ্যাসের বুকিংয়ের হয়রানির প্রতিবাদে প্রদেশ কংগ্রেসের নির্দেশে শ্যামপুর ২নং বিডিও অফিসের সামনে পথ অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়।এই অবরোধের ফলে শ্যামপুর বাগনান রোড বেশ কিছুক্ষণ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে,যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন শ্যামপুর থানার পুলিশ, পুলিশ এসে শ্যামপুর কেন্দ্র কংগ্রেসের কংগ্রেসের সভাপতি মঞ্জুর আলমের সঙ্গে কথা বলে অবরোধ অবরোধ কর্মসূচি উঠে যায়। এক প্রশ্নের জবাবে কংগ্রেসের সভাপতি মঞ্জুর আলম বলেন আগামী দিনে প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি শুভঙ্কর সরকার ও হাওড়া জেলা গ্ৰামীন কংগ্রেসের সভাপতি আলম দেইয়ানের নির্দেশ পেলে আরো বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে সারা শ্যামপুরে।4
- Post by Mustak Haldar1
- Post by Kolkata News Times1
- Post by JBP NEWS BANGLA1
- উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি—মতুয়া ধর্মাবলম্বীদের কাছে এক পবিত্র তীর্থস্থান। প্রতি বছর এখানেই অনুষ্ঠিত হয় মতুয়া সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বারুণী মেলা। সেই মহা উৎসবের আর হাতে গোনা কয়েকটা দিন বাকি। আর তাই এখন থেকেই রাত জেগে চলছে প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তের কাজ। ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি চত্বর যেন ধীরে ধীরে সাজছে এক নতুন রূপে। আলো, রঙ, সাজসজ্জা—সবকিছু মিলিয়ে যেন তৈরি হচ্ছে এক আধ্যাত্মিক পরিবেশ। কর্মীরা দিন-রাত পরিশ্রম করে মেলা প্রাঙ্গণ সাজিয়ে তুলছেন, যাতে দূরদূরান্ত থেকে আসা লক্ষাধিক ভক্তের জন্য তৈরি থাকে সুন্দর ও নিরাপদ ব্যবস্থা। মেলার মূল আকর্ষণ শুধু ধর্মীয় আচার নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মতুয়া সম্প্রদায়ের দীর্ঘ ইতিহাস ও ঐতিহ্য। শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের আদর্শকে সামনে রেখে প্রতি বছর এই বারুণী মেলায় জড়ো হন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ভক্তরা। ভক্তদের কীর্তন, নামসংকীর্তন এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা ঠাকুরনগর। এদিকে মেলা উপলক্ষে প্রশাসন ও স্থানীয় উদ্যোগেও নেওয়া হচ্ছে একাধিক প্রস্তুতি। নিরাপত্তা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবা—সবকিছু নিয়েই চলছে পরিকল্পনা। যাতে লক্ষ লক্ষ মানুষের এই ধর্মীয় সমাবেশ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। রাত যত গভীর হচ্ছে, ততই বাড়ছে প্রস্তুতির ব্যস্ততা। আলোয় ঝলমল করে উঠছে ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি। কর্মীদের একটাই লক্ষ্য—বারুণী মেলার দিন যেন প্রতিটি ভক্ত এখানে এসে অনুভব করতে পারেন ভক্তি, ঐতিহ্য আর মিলনের এক অপূর্ব পরিবেশ। আর তাই এখন ঠাকুরনগরে একটাই প্রতীক্ষা—কবে শুরু হবে সেই বহু প্রতীক্ষিত বারুণী মেলা, যেখানে আবারও মিলিত হবেন হাজার হাজার মতুয়া ভক্ত, আর ভরে উঠবে ঠাকুরবাড়ির আঙিনা ভক্তির সুরে।1