Shuru
Apke Nagar Ki App…
সিতাইয়ের গোসানিমারী টাকিমারী এলাকায় প্রতিবছরের ন্যায় এবারও চড়ক পূজা ও মেলার আয়োজন করেছে। কোচবিহার জেলার সিতাই ব্লকের গোসানামারি এলাকায় প্রতিবছরের মতো এবারও চড়ক মেলা উৎসবের আয়োজন হয়েছে। চৈত্র মাসের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত এই ঐতিহ্যবাহী মেলায় স্থানীয় মানুষদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চড়ক পূজাকে কেন্দ্র করে মেলায় বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভক্তরা মানত পূরণ করতে শিবের পূজা, হুকঝুলা (চড়ক ঘোরা) সহ নানা আচার পালন করছেন। পাশাপাশি মেলায় বসেছে বিভিন্ন দোকানপাট, খেলনা ও খাবারের স্টল, যা ছোট-বড় সবার কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।
SITAI UPDATE সিতাই আপডেট
সিতাইয়ের গোসানিমারী টাকিমারী এলাকায় প্রতিবছরের ন্যায় এবারও চড়ক পূজা ও মেলার আয়োজন করেছে। কোচবিহার জেলার সিতাই ব্লকের গোসানামারি এলাকায় প্রতিবছরের মতো এবারও চড়ক মেলা উৎসবের আয়োজন হয়েছে। চৈত্র মাসের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত এই ঐতিহ্যবাহী মেলায় স্থানীয় মানুষদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চড়ক পূজাকে কেন্দ্র করে মেলায় বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভক্তরা মানত পূরণ করতে শিবের পূজা, হুকঝুলা (চড়ক ঘোরা) সহ নানা আচার পালন করছেন। পাশাপাশি মেলায় বসেছে বিভিন্ন দোকানপাট, খেলনা ও খাবারের স্টল, যা ছোট-বড় সবার কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- কোচবিহার জেলার সিতাই ব্লকের গোসানামারি এলাকায় প্রতিবছরের মতো এবারও চড়ক মেলা উৎসবের আয়োজন হয়েছে। চৈত্র মাসের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত এই ঐতিহ্যবাহী মেলায় স্থানীয় মানুষদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চড়ক পূজাকে কেন্দ্র করে মেলায় বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভক্তরা মানত পূরণ করতে শিবের পূজা, হুকঝুলা (চড়ক ঘোরা) সহ নানা আচার পালন করছেন। পাশাপাশি মেলায় বসেছে বিভিন্ন দোকানপাট, খেলনা ও খাবারের স্টল, যা ছোট-বড় সবার কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে শীতলকুচি ব্লকের গোলেনাওহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় বয়স্ক ও অসুস্থ ভোটারদের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট গ্রহণের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই উদ্যোগে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। জানা যায়, যেসব ভোটার শারীরিক অসুবিধার কারণে ভোটকেন্দ্রে যেতে অক্ষম, বিশেষ করে ৮০ বছরের ঊর্ধ্বে প্রবীণ নাগরিক এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য এই হোম ভোটিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে নির্বাচন কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের ভোট গ্রহণ করছেন।1
- *দিনহাটা যৌ*/নপল্লী*/তে আ*/গ্নেয়া*/স্ত্র হাতে বিশৃঙ্খলা করার অভিযোগ উঠল দিনহাটা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়ের ছায়া সঙ্গীদের বিরুদ্ধে।1
- tranding videos1
- #হরিহর দাসের সমর্থনে বৈরাগীর হাটে তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিল1
- নির্বাচনের প্রাক্কালে ফের রাজনৈতিক সমীকরণে বড়সড় পরিবর্তনের ছবি ধরা পড়ল ৭/১৫০ নং বুথ এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই বুথের প্রায় ৩০টি পরিবার তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-তে যোগদান করেছেন। এদিন একটি যোগদান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এই পরিবারগুলিকে দলে স্বাগত জানান বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব। উপস্থিত ছিলেন দলের একাধিক ব্লক ও বুথ স্তরের নেতৃবৃন্দ। নতুন সদস্যদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে তাদের স্বাগত জানানো হয়। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, রাজ্যের শাসকদলের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ক্রমশ কমছে। উন্নয়নের অভাব, দুর্নীতি ও স্থানীয় স্তরে অসন্তোষের জেরেই মানুষ তৃণমূল ছেড়ে বিজেপির দিকে ঝুঁকছেন। অন্যদিকে, এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনের আগে এই ধরনের দলবদল আগামী দিনে আরও বাড়তে পারে, যা ভোটের ফলাফলেও প্রভাব ফেলতে পারে। এদিকে এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়ালেও পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।1
- মাথাভাঙ্গা সেন্ট্রাল পার্টি অফিসে সাংবাদিক বৈঠক করে পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ তৃণমূল ব্লক সভাপতির ।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে দুদিক আগে মাথাভাঙ্গা শহরে ৫ নম্বর ওয়ার্ডে স্লোগান যুদ্ধ।এরপর তৃণমূল বিজেপি হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।এই ঘটনার পরই থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভ থেকে বিজেপি প্রার্থী সাবিত্রী বর্মনের গাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ ওঠে।এই ঘটনার পরই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ধরপাকড় শুরু করে।তৃণমূলের অভিযোগ বেছে বেছে তৃণমূল নেতৃত্ব ও কর্মীদের বাড়িতে পুলিশ তল্লাশি করছে।1
- সিতাই ৬ নং বিধানসভায় প্রতিবন্ধী ভোটারদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, যেসব ভোটার শারীরিকভাবে ভোটকেন্দ্রে যেতে অক্ষম, তাঁদের বাড়িতে গিয়েই ভোট গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী নাগরিকদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা হচ্ছে। নির্বাচনী আধিকারিকরা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে, নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা বজায় রেখে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট নিচ্ছেন। এতে করে সকল ভোটার সমানভাবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, এই উদ্যোগের ফলে অনেকেই স্বস্তি পেয়েছেন এবং ভোট দিতে আগ্রহী হচ্ছেন, যারা আগে শারীরিক অসুবিধার কারণে ভোট দিতে পারতেন না।1