পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতার চন্দ্রকোনারোড সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ড থেকে রাজ্য সরকারের বিতর্কিত ‘বিশ্ববাংলা’ লোগোটি অপসারণ করেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের মনে জমে থাকা ক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপির এই পদক্ষেপকে এলাকার সর্বস্তরের মানুষ সাধুবাদ জানিয়েছেন, যার ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের স্পষ্ট দাবি, সরকারি অর্থ কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রচার বা প্রতীকের আদলে তৈরি লোগো বসানোর কাজে অপচয় করা উচিত নয়। এটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, বরং সরকারি সম্পত্তিকে দলীয় সংকীর্ণ রাজনীতির ঊর্ধ্বে রেখে তার পবিত্রতা রক্ষা করার একটি সৎ ও আদর্শগত প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। বিজেপি কর্মীরা আরও জানিয়েছেন যে, লোগোটি সরিয়ে সেখানে দেশের কোনো বরেণ্য মহাপুরুষের মূর্তি অথবা সর্বজনীন কোনো প্রতীক বসানো হবে, যা দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য ও অনুপ্রেরণাদায়ক হবে। বিজেপির এই সময়োপযোগী ও সাহসী সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক খুশির আমেজ দেখা গেছে। তাঁদের মতে, বিজেপি নেতৃত্ব জনগণের প্রকৃত দাবিকে মর্যাদা দিয়ে বাসস্ট্যান্ডটিকে রাজনৈতিক কলঙ্কমুক্ত করেছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিজেপি যেভাবে সরব হয়ে সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এলাকার শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি বিজেপি কর্মীরাও সদা সতর্ক রয়েছেন।
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতার চন্দ্রকোনারোড সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ড থেকে রাজ্য সরকারের বিতর্কিত ‘বিশ্ববাংলা’ লোগোটি অপসারণ করেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের মনে জমে থাকা ক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপির এই পদক্ষেপকে এলাকার সর্বস্তরের মানুষ সাধুবাদ জানিয়েছেন, যার ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের স্পষ্ট দাবি, সরকারি অর্থ কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রচার বা প্রতীকের আদলে তৈরি লোগো বসানোর কাজে অপচয় করা উচিত নয়। এটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, বরং সরকারি সম্পত্তিকে দলীয় সংকীর্ণ রাজনীতির ঊর্ধ্বে রেখে তার পবিত্রতা রক্ষা করার একটি সৎ ও আদর্শগত প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। বিজেপি কর্মীরা আরও জানিয়েছেন যে, লোগোটি সরিয়ে সেখানে দেশের কোনো বরেণ্য মহাপুরুষের মূর্তি অথবা সর্বজনীন কোনো প্রতীক বসানো হবে, যা দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য ও অনুপ্রেরণাদায়ক হবে। বিজেপির এই সময়োপযোগী ও সাহসী সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক খুশির আমেজ দেখা গেছে। তাঁদের মতে, বিজেপি নেতৃত্ব জনগণের প্রকৃত দাবিকে মর্যাদা দিয়ে বাসস্ট্যান্ডটিকে রাজনৈতিক কলঙ্কমুক্ত করেছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিজেপি যেভাবে সরব হয়ে সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এলাকার শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি বিজেপি কর্মীরাও সদা সতর্ক রয়েছেন।
- নিউ ফরাক্কায় পুলিশ একটি মেগা অভিযান পরিচালনা করেছে, যেখানে বিপুল পরিমাণ হেরোইন এবং লক্ষাধিক নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এই অভিযানে চারজন মহিলাসহ মোট সাত জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে, এই চক্রের মূল হোতা এখনও পলাতক রয়েছে।1
- মালদহে ঐতিহ্যবাহী রামকেলি মেলা আজ থেকে শুরু হয়েছে, যা প্রতি বছর জ্যৈষ্ঠ সংক্রান্তি থেকে তিন দিন ধরে চলে। এই স্থানটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ কারণ ৫১২ বছর আগে মহাপ্রভু চৈতন্য এখানে পদার্পণ করেছিলেন, যে কারণে এটি 'গুপ্ত বৃন্দাবন' নামেও পরিচিত। প্রতি বছর এই মেলা উপলক্ষে রাজ্য ও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু সাধু-সন্তের সমাগম ঘটে। এ বছর মেলায় উত্তর-পূর্ব অঞ্চল থেকে আগত কাঁচ বাবা তাঁর বিশেষ প্রদর্শনী দেখাচ্ছেন, যেখানে তিনি ভাঙা কাঁচের ওপর দাঁড়িয়ে থাকেন এবং কখনও কখনও তার উপর হেঁটে বেড়ান। কাঁচ বাবার এই অভিনব দৃশ্য দেখতে রামকেলিতে মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। প্রশাসনের দাবি অনুযায়ী, গত বছর লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হয়েছিল এবং এবারও একইরকম দর্শনার্থীর ভিড় হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মেলা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা করা হয়েছে।1
- রাজ্য সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত জনকল্যাণ শিবিরে সোমবার সকাল থেকেই মুর্শিদাবাদের নেতাজি আবাস ও বিডিও অফিস প্রাঙ্গণে সাধারণ মানুষের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণের জন্য বহু মানুষ এই কর্মসূচিতে উপস্থিত হন, যেখানে সকাল থেকেই পরিষেবা পেতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে এবং আবেদন জানাতে দেখা যায়। এই শিবিরে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, সামাজিক সুরক্ষা, আবাসন এবং খাদ্যসাথী সহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের পরিষেবা ও তথ্য প্রদান করা হয়েছে। এক ছাতার তলায় একাধিক সরকারি পরিষেবা পাওয়ার এই সুযোগকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। প্রবীণ নাগরিক, মহিলা ও যুবক-যুবতীদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ছিল। অনুষ্ঠানে রাজ্য সরকার ও জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। শিবিরে আসা মানুষের আবেদন গ্রহণ, নথিপত্র যাচাই এবং প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য প্রদানের জন্য পৃথক পৃথক কাউন্টার খোলা হয়েছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা আরও সহজ ও দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। দিনভর চলা এই কর্মসূচিতে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং সরকারি পরিষেবা গ্রহণে তাদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।1
- ১৪ জুন মালদায় ছিনতাইবাজদের হাতে এক তরুণী ব্যাঙ্ক কর্মীর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় শহরজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ দেখা দিয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় মালদা শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে এই দুস্কৃতিদের শাস্তির দাবিতে মোমবাতি হাতে প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেন মালদার বাসিন্দারা। নিহত তরুণীর পরিবারের সদস্যরা দুস্কৃতিদের এনকাউন্টারের দাবি জানিয়েছেন।1
- মালদা জেলার ইংরেজবাজার থানা এলাকায় ব্যাগ ছিনতাইয়ের চেষ্টায় এক তরুণী গুরুতর আহত হয়ে মারা যাওয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনাটি গত ১১ জুন বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত তরুণী চন্দ্রিমা ঝা তাঁর বন্ধু ঝুমা হালদারের সঙ্গে স্কুটারে করে মালদা মেইন ব্রাঞ্চ অ্যাক্সিস ব্যাংক থেকে সুজাপুর অ্যাক্সিস ব্যাংকে ফিরছিলেন। মায়াবানের কাছে পাঞ্জাবি ঢাবার কাছাকাছি স্থানে তিনজন ব্যক্তি তাদের উপর হামলা চালিয়ে চন্দ্রিমা ঝার ব্যাগ ছিনতাই করার চেষ্টা করে। এই হামলায় চন্দ্রিমা গুরুতর আহত হন। তাঁকে দ্রুত মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হলে, চিকিৎসাধীন অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরপরই ইংরেজবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং স্থানীয় তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন ১৯ বছর বয়সী হানিফ শেখ (পিতা- সাবির শেখ), ১৮ বছর বয়সী সাবির শেখ (পিতা- মাহিবুর শেখ) এবং মোবারক শেখ (পিতা- প্রয়াত খোকা শেখ)। এই তিনজনেরই গ্রাম সুজাপুর, বিশ্বাসপাড়া এবং থানা কালিয়াচক, জেলা মালদা। আজ তাদের আদালতে তোলা হলে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।1
- সোমবার সকালে বহরমপুরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে জর্জকোট মোড়ের পার্কের পাশে স্থাপিত বিশ্ব বাংলার লোগোটি পৌরসভার উদ্যোগে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার সময় বহরমপুরের বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। বিধায়কের ঘোষণা অনুযায়ী, বিশ্ব বাংলার লোগোর এই জায়গায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর মূর্তি স্থাপন করা হবে। পৌরসভার কর্মীরা এদিন লোগোটি ভেঙে স্থানটি খালি করার কাজ সম্পন্ন করেছেন।1
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতার চন্দ্রকোনারোড সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ড থেকে রাজ্য সরকারের বিতর্কিত ‘বিশ্ববাংলা’ লোগোটি অপসারণ করেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের মনে জমে থাকা ক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপির এই পদক্ষেপকে এলাকার সর্বস্তরের মানুষ সাধুবাদ জানিয়েছেন, যার ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের স্পষ্ট দাবি, সরকারি অর্থ কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রচার বা প্রতীকের আদলে তৈরি লোগো বসানোর কাজে অপচয় করা উচিত নয়। এটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, বরং সরকারি সম্পত্তিকে দলীয় সংকীর্ণ রাজনীতির ঊর্ধ্বে রেখে তার পবিত্রতা রক্ষা করার একটি সৎ ও আদর্শগত প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। বিজেপি কর্মীরা আরও জানিয়েছেন যে, লোগোটি সরিয়ে সেখানে দেশের কোনো বরেণ্য মহাপুরুষের মূর্তি অথবা সর্বজনীন কোনো প্রতীক বসানো হবে, যা দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য ও অনুপ্রেরণাদায়ক হবে। বিজেপির এই সময়োপযোগী ও সাহসী সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক খুশির আমেজ দেখা গেছে। তাঁদের মতে, বিজেপি নেতৃত্ব জনগণের প্রকৃত দাবিকে মর্যাদা দিয়ে বাসস্ট্যান্ডটিকে রাজনৈতিক কলঙ্কমুক্ত করেছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিজেপি যেভাবে সরব হয়ে সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এলাকার শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি বিজেপি কর্মীরাও সদা সতর্ক রয়েছেন।1
- মমতার বাড়ি যাওয়ার সময় সাধারণ মানুষের রোষের মুখে পড়েন কুনাল ঘোষ। এই সময় তাকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ করা হয়েছে।1