Shuru
Apke Nagar Ki App…
Babulal Sarkar
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- নববর্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বহরমপুরে পদযাত্রার মধ্যে দিয়ে জনসংযোগে তৃণমূল প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখার্জী। বুধবার বহরমপুরের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মোড় থেকে শুরু হয় পদযাত্রা। কাউন্সিলরকে সাথে নিয়ে শহরবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু হয় প্রচার। এদিন এই পদযাত্রা মোহন মোড়, কলেজ ঘাট মোর সহ বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করে। পদযাত্রায় নববর্ষে কী বললেন বহরমপুরের তৃণমূল প্রার্থী ।1
- বাবরি মসজিদ বাঁধা দিতে আসলে দু একশো জনের সমাধিস্থল করে দেব, অমিত শাহ ও মমতাকে কড়া হুশিয়ারি হুমায়ুনের।বাবরি মসজিদ বাঁধা দিতে আসলে দু একশো জনের সমাধিস্থল করে দেব, অমিত শাহ ও মমতাকে কড়া হুশিয়ারি হুমায়ুনের1
- আমজনতা পার্টির চেয়ারম্যান রেজিনগরে সাংবাদিক বৈঠক করে ,কয়লা চোর বালি চোর টাকা চোর বলে কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রীকে1
- Post by সত্য দর্পণ1
- তাল গাছ থেকে পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু শ্রমিকের : অথৈ জলে ভরতপুরের খড়িন্দা গ্রামের দুঃস্থ পরিবার। সাতসকালে পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার লড়াইয়ে বেরিয়েছিলেন, কিন্তু সেই যাত্রাই যে শেষ যাত্রা হবে তা কল্পনাও করতে পারেনি পরিবার। বুধবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ ভরতপুর ব্লকের খড়িন্দা গ্রামের বাসিন্দা বছর ৩৬ এর প্রশান্ত বিত্তেল নামের এক ব্যক্তি তাল গাছে কাজ করতে উঠে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে যান। স্থানীয়দের তৎপরতায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ভরতপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা অবস্থার অবনতি দেখে তাকে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে, হাসপাতালের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর কয়েক মিটার আগেই মাঝরাস্তায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। মৃত প্রশান্তবাবু অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সদস্য ছিলেন। বাড়িতে তার বিধবা মা বিপদ বিত্তেল, স্ত্রী শ্রাবণী বিত্তেল এবং দুই কন্যাসন্তান রয়েছে। জানা গেছে, অভাবের সংসারে তার স্ত্রী অন্যের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করে কোনোমতে দিন গুজরান করেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তির এই আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো গ্রাম শোকস্তব্ধ। খবর পেয়ে ভরতপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কান্দি মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে এক নিমেষে সহায় সম্বলহীন হয়ে পড়া এই দুস্থ পরিবারটির ভবিষ্যৎ এখন ঘোর অনিশ্চয়তার মুখ।1
- হাতে মাত্র আর কয়েকটা দিন। আর সেই বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে এখন অন্যতম আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু মুর্শিদাবাদের আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির।এদিন নিজের ফর্মে ফিরে হুমায়ুন দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে প্রচারের মধ্যে দিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিস্ফোরক হয়ে উঠলেন একাধিক ইস্যুতে। সরাসরি দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত সাহুর নাম নিয়ে তাকে যেমন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন একই সঙ্গে রাজ্যে এই মুহূর্তে হুমায়ুনের অন্যতম প্রধান শত্রু বলে পরিচিত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেউ হুঁশিয়ারি দিলেন বাবরি মসজিদ ইস্যুতে1
- ভোটের লড়াইয়ে যেন ১ ইঞ্চি মাটিও ছাড়তে রাজি নন বাবর আলী! ভোটের আর মাত্র হাতে গোনা কয়েকটা দিন বাকি—এই সময়ে পায়ে হাঁটা প্রচারের আবেগ আর বাইক র্যালির শক্তি—দুই কৌশলেই ফুল স্পিডে মাঠ দখলের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন বাবর আলী! মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি বিধানসভায় ভোট যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। আর সেই উত্তপ্ত পরিবেশের মাঝেই আজ চোয়াপাড়া অঞ্চলের দেবেন না এলাকায় দেখা গেল একেবারে বিস্ফোরক শক্তি প্রদর্শন। খোলা গাড়িতে দাঁড়িয়ে সামনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ‘মাস্টারমশাই’, আর তাঁর সামনে-পিছনে শত শত বাইকের দীর্ঘ মিছিল—ইঞ্জিনের গর্জন আর স্লোগানের ঢেউয়ে যেন কেঁপে উঠল পুরো এলাকা! 💥🏍️ রাস্তার দু’ধারে মানুষের ঢল—কেউ হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন, কেউ মোবাইলে বন্দি করছেন মুহূর্ত, আবার কেউ স্লোগানে গলা মিলিয়ে জানিয়ে দিচ্ছেন সমর্থনের বার্তা। রাজনৈতিক মহলের মতে, এটা শুধু প্রচার নয়—এটা শেষ ল্যাপের লড়াই, মানুষের হৃদয় জয়ের লড়াই। ⚡ আজ চোয়াপাড়া একটাই কথা বলছে—লড়াই এখন চরমে… আর বাবর আলী নেমে পড়েছেন অল-আউট অ্যাটাকে! 🚩🔥 আলোকিত বাংলাসত্যের সাথে, মানুষের পাশে1
- নওদার হরিকানায় তৃণমূলে যোগদান, বিরোধী শিবির ছেড়ে প্রায় ৩০০ কর্মীর যোগ আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মুর্শিদাবাদের নওদা ব্লকে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আবহেই বড়সড় ভাঙন দেখা গেল বিরোধী শিবিরে। নওদা ব্লকের বালি ২ নম্বর অঞ্চলের হরিকানা গ্রামে কংগ্রেস, AJUP ও বিজেপি ছেড়ে প্রায় তিন শতাধিক কর্মী-সমর্থক তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন। জানা গেছে, নওদা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সফিউজ্জামান সেখ-এর নেতৃত্বে এবং তৃণমূল প্রার্থী শাহিনা মমতাজ খানের উপস্থিতিতে এই যোগদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। দলীয় পতাকা হাতে তুলে দিয়ে নতুন সদস্যদের স্বাগত জানান নেতৃত্ব। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এই যোগদান আগামী নির্বাচনে তাদের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবে। অন্যদিকে, বিরোধীদের একাংশ এই ঘটনাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। নির্বাচনের আগে এই ধরনের যোগদান যে রাজনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে, তা বলাই বাহুল্য।1