তাল গাছ থেকে পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু শ্রমিকের : অথৈ জলে ভরতপুরের খড়িন্দা গ্রামের দুঃস্থ পরিবার। সাতসকালে পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার লড়াইয়ে বেরিয়েছিলেন, কিন্তু সেই যাত্রাই যে শেষ যাত্রা হবে তা কল্পনাও করতে পারেনি পরিবার। বুধবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ ভরতপুর ব্লকের খড়িন্দা গ্রামের বাসিন্দা বছর ৩৬ এর প্রশান্ত বিত্তেল নামের এক ব্যক্তি তাল গাছে কাজ করতে উঠে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে যান। স্থানীয়দের তৎপরতায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ভরতপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা অবস্থার অবনতি দেখে তাকে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে, হাসপাতালের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর কয়েক মিটার আগেই মাঝরাস্তায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। মৃত প্রশান্তবাবু অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সদস্য ছিলেন। বাড়িতে তার বিধবা মা বিপদ বিত্তেল, স্ত্রী শ্রাবণী বিত্তেল এবং দুই কন্যাসন্তান রয়েছে। জানা গেছে, অভাবের সংসারে তার স্ত্রী অন্যের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করে কোনোমতে দিন গুজরান করেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তির এই আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো গ্রাম শোকস্তব্ধ। খবর পেয়ে ভরতপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কান্দি মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে এক নিমেষে সহায় সম্বলহীন হয়ে পড়া এই দুস্থ পরিবারটির ভবিষ্যৎ এখন ঘোর অনিশ্চয়তার মুখ।
তাল গাছ থেকে পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু শ্রমিকের : অথৈ জলে ভরতপুরের খড়িন্দা গ্রামের দুঃস্থ পরিবার। সাতসকালে পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার লড়াইয়ে বেরিয়েছিলেন, কিন্তু সেই যাত্রাই যে শেষ যাত্রা হবে তা কল্পনাও করতে পারেনি পরিবার। বুধবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ ভরতপুর ব্লকের খড়িন্দা গ্রামের বাসিন্দা বছর ৩৬ এর প্রশান্ত বিত্তেল নামের এক ব্যক্তি তাল গাছে কাজ করতে উঠে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে যান। স্থানীয়দের তৎপরতায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ভরতপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা অবস্থার অবনতি দেখে তাকে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে, হাসপাতালের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর কয়েক মিটার আগেই মাঝরাস্তায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। মৃত প্রশান্তবাবু অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সদস্য ছিলেন। বাড়িতে তার বিধবা মা বিপদ বিত্তেল, স্ত্রী শ্রাবণী বিত্তেল এবং দুই কন্যাসন্তান রয়েছে। জানা গেছে, অভাবের সংসারে তার স্ত্রী অন্যের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করে কোনোমতে দিন গুজরান করেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তির এই আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো গ্রাম শোকস্তব্ধ। খবর পেয়ে ভরতপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কান্দি মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে এক নিমেষে সহায় সম্বলহীন হয়ে পড়া এই দুস্থ পরিবারটির ভবিষ্যৎ এখন ঘোর অনিশ্চয়তার মুখ।
- তাল গাছ থেকে পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু শ্রমিকের : অথৈ জলে ভরতপুরের খড়িন্দা গ্রামের দুঃস্থ পরিবার। সাতসকালে পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার লড়াইয়ে বেরিয়েছিলেন, কিন্তু সেই যাত্রাই যে শেষ যাত্রা হবে তা কল্পনাও করতে পারেনি পরিবার। বুধবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ ভরতপুর ব্লকের খড়িন্দা গ্রামের বাসিন্দা বছর ৩৬ এর প্রশান্ত বিত্তেল নামের এক ব্যক্তি তাল গাছে কাজ করতে উঠে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে যান। স্থানীয়দের তৎপরতায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ভরতপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা অবস্থার অবনতি দেখে তাকে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে, হাসপাতালের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর কয়েক মিটার আগেই মাঝরাস্তায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। মৃত প্রশান্তবাবু অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সদস্য ছিলেন। বাড়িতে তার বিধবা মা বিপদ বিত্তেল, স্ত্রী শ্রাবণী বিত্তেল এবং দুই কন্যাসন্তান রয়েছে। জানা গেছে, অভাবের সংসারে তার স্ত্রী অন্যের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করে কোনোমতে দিন গুজরান করেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তির এই আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো গ্রাম শোকস্তব্ধ। খবর পেয়ে ভরতপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কান্দি মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে এক নিমেষে সহায় সম্বলহীন হয়ে পড়া এই দুস্থ পরিবারটির ভবিষ্যৎ এখন ঘোর অনিশ্চয়তার মুখ।1
- বাবরি মসজিদ বাঁধা দিতে আসলে দু একশো জনের সমাধিস্থল করে দেব, অমিত শাহ ও মমতাকে কড়া হুশিয়ারি হুমায়ুনের।বাবরি মসজিদ বাঁধা দিতে আসলে দু একশো জনের সমাধিস্থল করে দেব, অমিত শাহ ও মমতাকে কড়া হুশিয়ারি হুমায়ুনের1
- আমজনতা পার্টির চেয়ারম্যান রেজিনগরে সাংবাদিক বৈঠক করে ,কয়লা চোর বালি চোর টাকা চোর বলে কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রীকে1
- নববর্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বহরমপুরে পদযাত্রার মধ্যে দিয়ে জনসংযোগে তৃণমূল প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখার্জী। বুধবার বহরমপুরের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মোড় থেকে শুরু হয় পদযাত্রা। কাউন্সিলরকে সাথে নিয়ে শহরবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু হয় প্রচার। এদিন এই পদযাত্রা মোহন মোড়, কলেজ ঘাট মোর সহ বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করে। পদযাত্রায় নববর্ষে কী বললেন বহরমপুরের তৃণমূল প্রার্থী ।1
- নাকাশিপাড়া বেথুয়ারীর অন্যতম স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান দশভূজা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি-র উদ্যোগে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে শুরু হলো বিশেষ কর্মসূচি। বুধবার সন্ধ্যা ছ’টা নাগাদ বস্ত্র দানের মাধ্যমে এই কর্মসূচির সূচনা করা হয়। ২০১৭ সাল থেকে পথচলা শুরু এই সংগঠনের—সমাজের বিভিন্ন কল্যাণমূলক কাজে নিয়মিত এগিয়ে আসছেন তারা। কয়েকজন মহিলার হাত ধরে শুরু হওয়া এই সংস্থা, কর্ণধার শাশ্বতী দাস চ্যাটার্জী-র নেতৃত্বে আজ একটি বড় পরিবারে পরিণত হয়েছে। গত কয়েক বছরে বহু মানুষ এই সোসাইটি-র সঙ্গে যুক্ত হয়ে সমাজসেবার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। নতুন বছরের শুরুতেই ভালো কাজের মাধ্যমে সমাজের পাশে থাকার বার্তা দিল দশভূজের ওয়েলফেয়ার সোসাইটি। 📹 স্পট বাংলার ক্যামেরায় ধরা পড়ল সেই মানবিক মুহূর্ত। 👉 Spot Bangla Media-এর সাথে থাকুন, পাশে থাকুন। চ্যানেলটি লাইক, শেয়ার ও সাবস্ক্রাইব করুন।1
- selimsk selimsk1
- Post by সত্য দর্পণ1
- ভরতপুরের আলুগ্রাম অঞ্চলের একাধিক গ্রামে : জনসংযোগ সারলেন তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন)। ৬৯ ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ভরতপুর-১ নম্বর ব্লকে মঙ্গলবার দিনভর বর্ণাঢ্য নির্বাচনী প্রচার চালালেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমন। এ দিন আলুগ্রাম অঞ্চলের করাইল গ্রাম থেকে মুস্তাফিজুর রহমানের বর্ণাঢ্য এই প্রচার অভিযান শুরু হয়, যেখানে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে পুষ্পবৃষ্টি, মিষ্টিমুখ ও ফুলের মালায় উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। বাজনার তালে কর্মীদের উল্লাস আর ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে এদিন আকাশ-বাতাস মুখরিত হয়ে ওঠে। প্রার্থী কেবল রাজপথেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং রাজারামপুর, মন্ডলপুর, চুঁয়াতোর, আঙ্গারপুর, আলুগ্রাম, সুনিয়া, মদনপুর ও মাসলা সহ একাধিক গ্রামের অলিতে-গলিতে ঢুকে ৮ থেকে ৮০ তথা সর্বস্তরের মানুষের সাথে সৌজন্য বিনিময় করেন। এই নিবিড় জনসংযোগ অভিযানে প্রার্থীর পাশে থেকে পা মিলিয়েছেন অঞ্চল সভাপতি নিছার উদ্দিন সেখ, জেলা পরিষদ সদস্য বাবর আলী সেখ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সালমা সুলতানা ও তাঁর স্বামী সেলিম সেখ, এবং পঞ্চায়েত প্রধান জাহিরুল সেখ সহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃত্ব। গ্রামবাসীর উপচে পড়া ভিড় আর কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আগামী নির্বাচনে তৃণমূল শিবিরের আত্মবিশ্বাসকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।1