ভরতপুরের আলুগ্রাম অঞ্চলের একাধিক গ্রামে : জনসংযোগ সারলেন তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন) ভরতপুরের আলুগ্রাম অঞ্চলের একাধিক গ্রামে : জনসংযোগ সারলেন তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন)। ৬৯ ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ভরতপুর-১ নম্বর ব্লকে মঙ্গলবার দিনভর বর্ণাঢ্য নির্বাচনী প্রচার চালালেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমন। এ দিন আলুগ্রাম অঞ্চলের করাইল গ্রাম থেকে মুস্তাফিজুর রহমানের বর্ণাঢ্য এই প্রচার অভিযান শুরু হয়, যেখানে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে পুষ্পবৃষ্টি, মিষ্টিমুখ ও ফুলের মালায় উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। বাজনার তালে কর্মীদের উল্লাস আর ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে এদিন আকাশ-বাতাস মুখরিত হয়ে ওঠে। প্রার্থী কেবল রাজপথেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং রাজারামপুর, মন্ডলপুর, চুঁয়াতোর, আঙ্গারপুর, আলুগ্রাম, সুনিয়া, মদনপুর ও মাসলা সহ একাধিক গ্রামের অলিতে-গলিতে ঢুকে ৮ থেকে ৮০ তথা সর্বস্তরের মানুষের সাথে সৌজন্য বিনিময় করেন। এই নিবিড় জনসংযোগ অভিযানে প্রার্থীর পাশে থেকে পা মিলিয়েছেন অঞ্চল সভাপতি নিছার উদ্দিন সেখ, জেলা পরিষদ সদস্য বাবর আলী সেখ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সালমা সুলতানা ও তাঁর স্বামী সেলিম সেখ, এবং পঞ্চায়েত প্রধান জাহিরুল সেখ সহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃত্ব। গ্রামবাসীর উপচে পড়া ভিড় আর কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আগামী নির্বাচনে তৃণমূল শিবিরের আত্মবিশ্বাসকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
ভরতপুরের আলুগ্রাম অঞ্চলের একাধিক গ্রামে : জনসংযোগ সারলেন তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন) ভরতপুরের আলুগ্রাম অঞ্চলের একাধিক গ্রামে : জনসংযোগ সারলেন তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন)। ৬৯ ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ভরতপুর-১ নম্বর ব্লকে মঙ্গলবার দিনভর বর্ণাঢ্য নির্বাচনী প্রচার চালালেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমন। এ দিন আলুগ্রাম অঞ্চলের করাইল গ্রাম থেকে মুস্তাফিজুর রহমানের বর্ণাঢ্য এই প্রচার অভিযান শুরু হয়, যেখানে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে পুষ্পবৃষ্টি, মিষ্টিমুখ ও ফুলের মালায় উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। বাজনার তালে কর্মীদের উল্লাস আর ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে এদিন আকাশ-বাতাস মুখরিত হয়ে ওঠে। প্রার্থী কেবল রাজপথেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং রাজারামপুর, মন্ডলপুর, চুঁয়াতোর, আঙ্গারপুর, আলুগ্রাম, সুনিয়া, মদনপুর ও মাসলা সহ একাধিক গ্রামের অলিতে-গলিতে ঢুকে ৮ থেকে ৮০ তথা সর্বস্তরের মানুষের সাথে সৌজন্য বিনিময় করেন। এই নিবিড় জনসংযোগ অভিযানে প্রার্থীর পাশে থেকে পা মিলিয়েছেন অঞ্চল সভাপতি নিছার উদ্দিন সেখ, জেলা পরিষদ সদস্য বাবর আলী সেখ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সালমা সুলতানা ও তাঁর স্বামী সেলিম সেখ, এবং পঞ্চায়েত প্রধান জাহিরুল সেখ সহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃত্ব। গ্রামবাসীর উপচে পড়া ভিড় আর কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আগামী নির্বাচনে তৃণমূল শিবিরের আত্মবিশ্বাসকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
- User7072Kaliganj, Nadia👏1 hr ago
- ভরতপুরের আলুগ্রাম অঞ্চলের একাধিক গ্রামে : জনসংযোগ সারলেন তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন)। ৬৯ ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ভরতপুর-১ নম্বর ব্লকে মঙ্গলবার দিনভর বর্ণাঢ্য নির্বাচনী প্রচার চালালেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমন। এ দিন আলুগ্রাম অঞ্চলের করাইল গ্রাম থেকে মুস্তাফিজুর রহমানের বর্ণাঢ্য এই প্রচার অভিযান শুরু হয়, যেখানে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে পুষ্পবৃষ্টি, মিষ্টিমুখ ও ফুলের মালায় উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। বাজনার তালে কর্মীদের উল্লাস আর ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে এদিন আকাশ-বাতাস মুখরিত হয়ে ওঠে। প্রার্থী কেবল রাজপথেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং রাজারামপুর, মন্ডলপুর, চুঁয়াতোর, আঙ্গারপুর, আলুগ্রাম, সুনিয়া, মদনপুর ও মাসলা সহ একাধিক গ্রামের অলিতে-গলিতে ঢুকে ৮ থেকে ৮০ তথা সর্বস্তরের মানুষের সাথে সৌজন্য বিনিময় করেন। এই নিবিড় জনসংযোগ অভিযানে প্রার্থীর পাশে থেকে পা মিলিয়েছেন অঞ্চল সভাপতি নিছার উদ্দিন সেখ, জেলা পরিষদ সদস্য বাবর আলী সেখ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সালমা সুলতানা ও তাঁর স্বামী সেলিম সেখ, এবং পঞ্চায়েত প্রধান জাহিরুল সেখ সহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃত্ব। গ্রামবাসীর উপচে পড়া ভিড় আর কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আগামী নির্বাচনে তৃণমূল শিবিরের আত্মবিশ্বাসকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।1
- বাবরি মসজিদ বাঁধা দিতে আসলে দু একশো জনের সমাধিস্থল করে দেব, অমিত শাহ ও মমতাকে কড়া হুশিয়ারি হুমায়ুনের।বাবরি মসজিদ বাঁধা দিতে আসলে দু একশো জনের সমাধিস্থল করে দেব, অমিত শাহ ও মমতাকে কড়া হুশিয়ারি হুমায়ুনের1
- আমজনতা পার্টির চেয়ারম্যান রেজিনগরে সাংবাদিক বৈঠক করে ,কয়লা চোর বালি চোর টাকা চোর বলে কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রীকে1
- নববর্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বহরমপুরে পদযাত্রার মধ্যে দিয়ে জনসংযোগে তৃণমূল প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখার্জী। বুধবার বহরমপুরের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মোড় থেকে শুরু হয় পদযাত্রা। কাউন্সিলরকে সাথে নিয়ে শহরবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু হয় প্রচার। এদিন এই পদযাত্রা মোহন মোড়, কলেজ ঘাট মোর সহ বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করে। পদযাত্রায় নববর্ষে কী বললেন বহরমপুরের তৃণমূল প্রার্থী ।1
- পায়ে হেঁটে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তৃণমূল প্রার্থী শাহিনা মমতাজ খানের জোরদার প্রচার নওদায়। মুর্শিদাবাদের নওদা থানার কেদার চাঁদপুর এক নম্বর অঞ্চলের ঝাউবোনা এলাকায় ভোটের আবহে জোর প্রচারে নামলেন নওদা বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সাহিনা মমতাজ খান । শুক্রবার বিকেলে ঝাউবোনা বাজারে এবং পাড়ায় পাড়ায় বাড়ি বাড়ি পায়ে হেঁটে গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যান তিনি। এদিন তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের সদস্য শ্রাবণী মোদক, মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি মোশাররফ হোসেন, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সাহিনাম মমতাজ খানের মেয়ে নাজনীন খান ওরফে টুম্পা সহ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বরা। প্রচার চলাকালীন স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সমস্যা ও চাহিদার কথা শোনেন প্রার্থী। পাশাপাশি আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে সমর্থন চেয়ে প্রচার চালান তিনি। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই প্রচারের গতি বাড়াচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলি। সেই তালিকায় পিছিয়ে নেই তৃণমূল কংগ্রেসও1
- selimsk selimsk1
- সোনাতলা ও তৈবিচাড়া,অরিজনগর এলাকার প্রতন্ত্য গ্রাম্য এলাকার ভিতরে গিয়ে ভোটার দের সাহস দেওয়ার জন্য টহল দেওয়া হলো। কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে রুটমার্চ নাকাশীপাড়া পুলিশের সোনাতলা ও তৈবিচাড়া,অরিজনগর এলাকায় মঙ্গলবার ৫টায় পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ নির্বাচনের আগে প্রশাসনে তৎপরতা জোরকদমে। নাকাশিপাড়ায় বিভিন্ন স্থানে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে রুটমার্চ। । নাকাশিপাড়া পুলিশের সহায়তায় সোনাতলা ও তৈবিচাড়া,অরিজনগর বিভিন্ন এলাকায় রুটমার্চ কেন্দ্রীয় বাহিনীর । কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নেতৃত্ব দেন নাকাশীপাড়া থানার এএসআই তপন কুমার দাস1
- ভরতপুরের আঙ্গারপুরে গভীর রাতে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড : পুড়ে মৃত ৬টি, ছাগল নিঃস্ব প্রতিবন্ধী পরিবার। মুর্শিদাবাদের ভরতপুর থানার অন্তর্গত আলুগ্রাম পঞ্চায়েতের আঙ্গারপুর মাঝপাড়ায় সোমবার গভীর রাতে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্বান্ত হলেন প্রতিবন্ধী ফেরিওয়ালা কামাল উদ্দিন খাঁ ও তাঁর পরিবার। গভীর রাতে যখন সবাই ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন হঠাৎ আগুন লাগে কামাল উদ্দিনের বাড়িতে। গবাদি পশুর চিৎকারে তাঁর বৌদি ডালিয়া বিবির ঘুম ভাঙলে তিনি দেখেন ঘরটি দাউ দাউ করে জ্বলছে। তাঁর আর্তচিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন এবং পাশের পুকুর থেকে জল তুলে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন, কিন্তু ততক্ষণে ঘরের আসবাবপত্র ও পরনের পোশাক সহ সব কিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুনের তীব্রতায় পাশের একটি একতলা বাড়ির ছাদের উপরে থাকা ধানের পালুইও ভস্মীভূত হয়। এই ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ৬টি ছাগলের মৃত্যু হয়েছে এবং ২টি ছাগল গুরুতর আহত হয়েছে। প্রতিবন্ধী কামাল উদ্দিন যিনি ভিন জেলায় ফেরি করে কষ্টে সংসার চালাতেন, তাঁর দাবি অনুযায়ী আগুনে প্রায় দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব এই পরিবারটি প্রশাসনের কাছে জরুরি ভিত্তিতে সরকারি সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।1