Shuru
Apke Nagar Ki App…
ভগবানগোলায় সিপিআইএম–কংগ্রেসে বড় ভাঙন, ৩০০ পরিবার তৃণমূলে যোগ #ভগবানগোলা #তৃণমূলকংগ্রেস #দলবদল #সিপিআইএম #কংগ্রেস #রেয়াতহোসেনসরকার #মুর্শিদাবাদ #পঞ্চায়েতনির্বাচন #বাংলাররাজনীতি #TMC #PoliticalUpdate
সত্য দর্পণ
ভগবানগোলায় সিপিআইএম–কংগ্রেসে বড় ভাঙন, ৩০০ পরিবার তৃণমূলে যোগ #ভগবানগোলা #তৃণমূলকংগ্রেস #দলবদল #সিপিআইএম #কংগ্রেস #রেয়াতহোসেনসরকার #মুর্শিদাবাদ #পঞ্চায়েতনির্বাচন #বাংলাররাজনীতি #TMC #PoliticalUpdate
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- নওদার হরিকানায় তৃণমূলে যোগদান, বিরোধী শিবির ছেড়ে প্রায় ৩০০ কর্মীর যোগ আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মুর্শিদাবাদের নওদা ব্লকে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আবহেই বড়সড় ভাঙন দেখা গেল বিরোধী শিবিরে। নওদা ব্লকের বালি ২ নম্বর অঞ্চলের হরিকানা গ্রামে কংগ্রেস, AJUP ও বিজেপি ছেড়ে প্রায় তিন শতাধিক কর্মী-সমর্থক তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন। জানা গেছে, নওদা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সফিউজ্জামান সেখ-এর নেতৃত্বে এবং তৃণমূল প্রার্থী শাহিনা মমতাজ খানের উপস্থিতিতে এই যোগদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। দলীয় পতাকা হাতে তুলে দিয়ে নতুন সদস্যদের স্বাগত জানান নেতৃত্ব। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এই যোগদান আগামী নির্বাচনে তাদের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবে। অন্যদিকে, বিরোধীদের একাংশ এই ঘটনাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। নির্বাচনের আগে এই ধরনের যোগদান যে রাজনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে, তা বলাই বাহুল্য।1
- ভোটের দামামা বাজছে... আর জলঙ্গীতে সিপিআই(এম)-এর ঝড় উঠছে! 🔥💪 ভোট যত এগোচ্ছে, ইয়ানুস আলী সরকার ততই ময়দান কাঁপিয়ে দিচ্ছেন! জলঙ্গীর ৭৬ নম্বর বিধানসভায় সিপিআই(এম) প্রার্থী ইয়ানুস আলী সরকার বুধবার সকাল থেকেই পুরোদমে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন জনসংযোগে। কাটাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের কাটাবাড়ি বাজার থেকে শুরু করে রাজাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ২ নম্বর বুথ — সর্বত্র তাঁর তুমুল প্রচার! বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনছেন, তাদের সমস্যা মন দিয়ে শুনছেন এবং স্পষ্ট আশ্বাস দিচ্ছেন — “ভোটে জিতলে আমি তোমাদের পাশে থাকবো, প্রতিটি দিন, প্রতিটি সমস্যায়!” গ্রামের রাস্তায়-ঘাটে, মাটির সঙ্গে মিশে যাচ্ছেন ইয়ানুসদা। শয়ে শয়ে, হাজারে হাজারে কর্মী-সমর্থক তাঁর সঙ্গে ঢল নামিয়ে হাঁটছেন। প্রতিটি এলাকায় দেখা যাচ্ছে বিপুল জনসমর্থন আর উচ্ছ্বাস! মানুষ বলছেন — “ইয়ানুস আলী আমাদের লোক। আমাদের দুঃখ-কষ্ট বোঝেন। এবার জলঙ্গীতে বদল আসবেই!” জলঙ্গীতে এখন একটাই স্লোগান উঠছে — ইয়ানুস আলীকে চাই! 🌾❤️ ভোট হবে ২৩ ও ২৯ এপ্রিল। ফল ঘোষণা ৪ঠা মে। শেষ পর্যন্ত কী হয় দেখার জন্য অপেক্ষা করতেই হবে... কিন্তু এখন যা হাওয়া বইছে, তাতে জলঙ্গীতে লাল ঝড়ের সম্ভাবনা প্রবল! আলোকিত বাংলা সত্যের সাথে মানুষের পাশে1
- আজ রঘুনাথগঞ্জের অন্তর্গত কাঁসাইডাঙ্গা অঞ্চলে Asaduddin Owaisi সাহেবের আগমনে জনসমুদ্রের সৃষ্টি হয়। চারিদিকে মানুষের উচ্ছ্বাস আর উপস্থিতি স্পষ্ট করে দিয়েছে, সাধারণ মানুষের মধ্যে তার প্রতি কতটা সমর্থন ও ভালোবাসা রয়েছে। কাঁসাইডাঙ্গার মাটিতে আজকের এই ভিড় যেন নতুন এক রাজনৈতিক বার্তা বহন করছে।1
- সাহেবনগরে তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন! বাবর আলীর জয় নিশ্চিত করতে বড় পথসভা জলঙ্গী ৭৬ নম্বর বিধানসভা এলাকায় ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই জোরদার হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচার। আজ সাহেবনগর বাজার এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে এক বিশাল পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সাহেবনগর অঞ্চলের নির্বাচনী কনভেনার আবু কাউসারের নেতৃত্বে প্রথমে একটি বড় মিছিল বের হয়, এরপর বাজার এলাকায় পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভা থেকে মূল লক্ষ্য ছিল—কিভাবে তৃণমূল মনোনীত প্রার্থী বাবর আলীর জয় নিশ্চিত করা যায়। বক্তারা সেই দিকেই কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন। এদিন সভা থেকে বিজেপি, সিপিএম ও কংগ্রেসকে একাধিক ইস্যুতে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন আবু কাউসার, শেখ ডলার আহমেদ, আফজাল হোসেন, কবিরুল ইসলাম, বিজন কুমার মন্ডল সহ একাধিক তৃণমূল নেতৃত্ব। 📍 ভোটের লড়াই জমে উঠেছে, সাহেবনগরে তৃণমূলের এই শক্তি প্রদর্শন নতুন বার্তা দিচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। 👉 আপনি কি মনে করেন, এই পথসভা বাবর আলীর জয় নিশ্চিত করতে পারবে? কমেন্টে জানান 👇1
- মুরারইয়ে AIMIM-এর জনজোয়ার, ওয়াইসির সভায় জমল রাজনৈতিক মঞ্চ আজ বীরভূমের মুরারই ১ নম্বর ব্লকের পলসা কারবালা মাঠে All India Majlis-e-Ittehadul Muslimeen (AIMIM)-এর উদ্যোগে এক বৃহৎ জনসভার আয়োজন করা হয়। সভাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই এলাকায় উৎসাহ ও উদ্দীপনার পরিবেশ তৈরি হয়, ভিড় জমাতে শুরু করেন দলীয় কর্মী ও সমর্থকেরা। এই জনসভার মূল আকর্ষণ ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি Asaduddin Owaisi। তাঁর আগমনকে ঘিরে মাঠে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন নীতির সমালোচনা করেন এবং সংখ্যালঘু সহ সাধারণ মানুষের অধিকার নিয়ে সরব হন। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে এই সভা রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল।1
- ভরতপুরের আলুগ্রাম অঞ্চলের একাধিক গ্রামে : জনসংযোগ সারলেন তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন)। ৬৯ ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ভরতপুর-১ নম্বর ব্লকে মঙ্গলবার দিনভর বর্ণাঢ্য নির্বাচনী প্রচার চালালেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমন। এ দিন আলুগ্রাম অঞ্চলের করাইল গ্রাম থেকে মুস্তাফিজুর রহমানের বর্ণাঢ্য এই প্রচার অভিযান শুরু হয়, যেখানে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে পুষ্পবৃষ্টি, মিষ্টিমুখ ও ফুলের মালায় উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। বাজনার তালে কর্মীদের উল্লাস আর ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে এদিন আকাশ-বাতাস মুখরিত হয়ে ওঠে। প্রার্থী কেবল রাজপথেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং রাজারামপুর, মন্ডলপুর, চুঁয়াতোর, আঙ্গারপুর, আলুগ্রাম, সুনিয়া, মদনপুর ও মাসলা সহ একাধিক গ্রামের অলিতে-গলিতে ঢুকে ৮ থেকে ৮০ তথা সর্বস্তরের মানুষের সাথে সৌজন্য বিনিময় করেন। এই নিবিড় জনসংযোগ অভিযানে প্রার্থীর পাশে থেকে পা মিলিয়েছেন অঞ্চল সভাপতি নিছার উদ্দিন সেখ, জেলা পরিষদ সদস্য বাবর আলী সেখ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সালমা সুলতানা ও তাঁর স্বামী সেলিম সেখ, এবং পঞ্চায়েত প্রধান জাহিরুল সেখ সহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃত্ব। গ্রামবাসীর উপচে পড়া ভিড় আর কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আগামী নির্বাচনে তৃণমূল শিবিরের আত্মবিশ্বাসকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।1
- নলহাটিতে রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার, খুনের অভিযোগে চাঞ্চল্য বীরভূমের নলহাটি থানার অন্তর্গত গো গ্রামের মাঠ থেকে এক ব্যক্তির রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। মৃত ব্যক্তির নাম মুকুল শেখ (বয়স আনুমানিক ৪২)। তাঁর বাড়ি নলহাটি থানার পাখা গ্রামে বলে জানা গেছে। তিনি পেশায় একজন মাছ ব্যবসায়ী ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে গো গ্রামের মাঝ মাঠে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় দেহটি দেখতে পান গ্রামবাসীরা। খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। সঙ্গে সঙ্গে নলহাটি থানায় খবর দেওয়া হয়। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, মুকুল শেখকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহটি উদ্ধার করে রামপুরহাট মহকুমা হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কে বা কারা এই খুনের সঙ্গে জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পুলিশ নজরদারি বাড়িয়েছে।1
- ভরতপুরের আঙ্গারপুরে গভীর রাতে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড : পুড়ে মৃত ৬টি, ছাগল নিঃস্ব প্রতিবন্ধী পরিবার। মুর্শিদাবাদের ভরতপুর থানার অন্তর্গত আলুগ্রাম পঞ্চায়েতের আঙ্গারপুর মাঝপাড়ায় সোমবার গভীর রাতে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্বান্ত হলেন প্রতিবন্ধী ফেরিওয়ালা কামাল উদ্দিন খাঁ ও তাঁর পরিবার। গভীর রাতে যখন সবাই ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন হঠাৎ আগুন লাগে কামাল উদ্দিনের বাড়িতে। গবাদি পশুর চিৎকারে তাঁর বৌদি ডালিয়া বিবির ঘুম ভাঙলে তিনি দেখেন ঘরটি দাউ দাউ করে জ্বলছে। তাঁর আর্তচিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন এবং পাশের পুকুর থেকে জল তুলে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন, কিন্তু ততক্ষণে ঘরের আসবাবপত্র ও পরনের পোশাক সহ সব কিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুনের তীব্রতায় পাশের একটি একতলা বাড়ির ছাদের উপরে থাকা ধানের পালুইও ভস্মীভূত হয়। এই ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ৬টি ছাগলের মৃত্যু হয়েছে এবং ২টি ছাগল গুরুতর আহত হয়েছে। প্রতিবন্ধী কামাল উদ্দিন যিনি ভিন জেলায় ফেরি করে কষ্টে সংসার চালাতেন, তাঁর দাবি অনুযায়ী আগুনে প্রায় দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব এই পরিবারটি প্রশাসনের কাছে জরুরি ভিত্তিতে সরকারি সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।1
- Post by Numan sk1