সিপাহীজলার জম্পুইজলা মহকুমার উত্তর চড়িলাম গ্রাম পঞ্চায়েতের পুরান বাড়ি অঙ্গনওয়াড়ী সেন্টারে শনিবার উওর চড়িলাম উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্যোগে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপন করা হয়। এই সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন লাল সিং মুড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্বাস্থ্য আধিকারিক মমতা সাহা, উত্তর চড়িলাম উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সি এইচ ও প্রত্যাশা ভৌমিক, এমওয়াইসি অর্পিতা ভৌমিক, আশা ফেসিলিটেটর বিউটি দেবনাথ এবং অন্যান্য আশা কর্মীরা। এই আলোচনা সভায় উত্তর চড়িলাম গ্রাম পঞ্চায়েতের পুরান বাড়ি এলাকার স্থানীয় মহিলারাও অংশ নেন। বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এই সচেতনতামূলক আলোচনা শেষে উপস্থিত মহিলাদের মধ্যে একটি কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। যে সমস্ত মহিলারা কুইজের সঠিক উত্তর দিয়েছেন, তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে লাল সিং মুড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্বাস্থ্য আধিকারিক মমতা সাহা বর্তমান সময়ে কীভাবে জনসংখ্যা সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় এবং এ বিষয়ে মহিলাদের কীভাবে আরও সচেতন করা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
সিপাহীজলার জম্পুইজলা মহকুমার উত্তর চড়িলাম গ্রাম পঞ্চায়েতের পুরান বাড়ি অঙ্গনওয়াড়ী সেন্টারে শনিবার উওর চড়িলাম উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্যোগে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপন করা হয়। এই সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন লাল সিং মুড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্বাস্থ্য আধিকারিক মমতা সাহা, উত্তর চড়িলাম উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সি এইচ ও প্রত্যাশা ভৌমিক, এমওয়াইসি অর্পিতা ভৌমিক, আশা ফেসিলিটেটর বিউটি দেবনাথ এবং অন্যান্য আশা কর্মীরা। এই আলোচনা সভায় উত্তর চড়িলাম গ্রাম পঞ্চায়েতের পুরান বাড়ি এলাকার স্থানীয় মহিলারাও অংশ নেন। বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এই সচেতনতামূলক আলোচনা শেষে উপস্থিত মহিলাদের মধ্যে একটি কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। যে সমস্ত মহিলারা কুইজের সঠিক উত্তর দিয়েছেন, তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে লাল সিং মুড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্বাস্থ্য আধিকারিক মমতা সাহা বর্তমান সময়ে কীভাবে জনসংখ্যা সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় এবং এ বিষয়ে মহিলাদের কীভাবে আরও সচেতন করা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
- সিপাহীজলা জেলার বিশালগড় বাইপাস এলাকায় শনি মন্দিরের পুজোকে কেন্দ্র করে চাঁদা আদায় এবং সাধারণ মানুষকে হেনস্তা করার অভিযোগে নতুন করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জামিনে মুক্তি পাওয়া একটি ছিনতাই মামলার অভিযুক্তরা এই ঘটনার সাথে জড়িত। তারা পুজোর নামে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করছে এবং চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে মহিলা ও মেয়েদের ভয়ভীতি দেখিয়ে এলাকায় নানা ঝামেলা সৃষ্টি করছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় এখন চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।1
- সিপাহিজলার চড়িলাম ব্লকের অন্তর্গত চেছুড়িমাই গ্রাম পঞ্চায়েতের বালুয়াছড়ি রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে শনিবার সকালে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিলেন স্থানীয় এলাকাবাসী। বিশেষ করে এলাকার মহিলারা এই দীর্ঘকালীন সমস্যা নিয়ে চরম ক্ষুব্ধ। বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিগত ২০ বছর ধরে এই রাস্তাটি সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে এবং এর কোনো সুরাহা করা হয়নি। রাস্তার করুণ অবস্থার কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বর্ষার দিনে রাস্তাটি এতটাই যাতায়াতের অযোগ্য হয়ে পড়ে যে জুতো হাতে নিয়ে পথ চলতে হয় এবং ওই অবস্থায় বাজারে যেতে হয়। চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা জানান, রাস্তার এই বেহাল দশার কারণে কোনো আত্মীয়-স্বজনকে নিমন্ত্রণ করলেও তারা এই গ্রামে আসতে চান না। এই পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে অতি দ্রুত রাস্তাটি সারাইয়ের জোরালো দাবি জানিয়েছেন এলাকার ক্ষুব্ধ মহিলারা ও বাসিন্দারা।1
- মান্দাইয়ের ভদ্রাই সেনাপতি পাড়া জে.বি স্কুলের চরম অব্যবস্থার চিত্র সামনে এসেছে। এই বিদ্যালয়ে ইএমআইএস থাকলেও মাথার ওপর কোনো ছাদ নেই। সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো স্কুলটি বৃষ্টির জলে ভেসে যাচ্ছে।1
- পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার বামুটিয়া বিধানসভা এলাকার কালিবাজারে কোর্ট ম্যারেজের নামে প্রতারণা করে একটি অসহায় পরিবারের পৈতৃক বাড়ি ও জমি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পেতে ভুক্তভোগী পরিবারটি মুখ্যমন্ত্রী, জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে। প্রতারণার শিকার হয়ে পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার আশায় অসহায় পরিবারটি মুখ্যমন্ত্রী ও প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে।1
- সোনামুড়ার গভীর জঙ্গল থেকে এক অজ্ঞাতপরিচয় যুবককে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারের পর বর্তমানে ওই যুবক চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তাঁর সঠিক পরিচয় এখনও জানা সম্ভব না হওয়ায়, তাঁর পরিবারের সন্ধান পাওয়ার জন্য একটি বিশেষ আবেদন জানানো হয়েছে।1
- ত্রিপুরায় বিদ্যুৎ পরিষেবার বেসরকারিকরণ, স্মার্ট মিটার বাতিল এবং বিদ্যুৎ নিগমের সীমাহীন দুর্নীতির প্রতিবাদে ধর্মনগরে নেতাজি মূর্তির পাদদেশে এক তীব্র প্রতিবাদ ও তিন ঘণ্টার গণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে জেলা কংগ্রেস। শনিবার আয়োজিত এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা। আন্দোলন চলাকালীন বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতন লাল নাথের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা। তিনি অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ সরবরাহের নামে সাধারণ মানুষের ওপর সীমাহীন দুর্নীতি ও অযৌক্তিক মাসুল চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং রেগুলেটরি কমিশনের দোহাই দিয়ে সরকারি ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা করছেন মন্ত্রী। বিদ্যুৎ মন্ত্রীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ দপ্তর চালাতে ব্যর্থ হলে মন্ত্রীকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। বিদ্যুতের আকাশছোঁয়া মাশুল বৃদ্ধির কারণে প্রান্তিক মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে এবং সাংবাদিকদের ও সাধারণ মানুষের প্রশ্নের কোনো সদুত্তর মন্ত্রী দিতে পারছেন না বলেও তিনি তোপ দাগেন। এই কর্মসূচিতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওবিসি কংগ্রেসের মনোরঞ্জন নাথ, প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি দিবাচন্দ্র রাঙ্খল, রাজ্য কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তরুণ সাহা, ধর্মনগর জেলা কংগ্রেস সভাপতি নিরূপণ দে, প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক চয়ন ভট্টাচার্য, পি সি সি সদস্য কেবল নন্দী এবং প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত জেলা কংগ্রেস সভাপতি দিগ্বিজয় চক্রবর্তী সহ দলের শীর্ষ ও অভিজ্ঞ নেতৃবৃন্দ। অবস্থান বিক্ষোভ থেকে বক্তারা একযোগে অবিলম্বে স্মার্ট মিটার প্রকল্প বাতিল এবং বিদ্যুৎ পরিষেবার উন্নয়নের দাবি জানান। এই দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে রাজপথে কংগ্রেসের আন্দোলনের ঝাঁঝ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।1
- আগরতলা রাধানগর মোটর স্ট্যান্ড এবং মোহনপুর সড়কে কমান্ডার জিপ ও টমটম তথা ই-রিকশা চালকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও মারপিটের জেরে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। জিপ চালকরা সড়কে গাড়ি নামানো বন্ধ রাখার পাশাপাশি বাস চালকরাও তাদের সাথে একমত পোষণ করে স্টিয়ারিং না ঘোরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই পরিস্থিতির কারণে পথ চলতি যাত্রীরা চরম বিপাকে পড়েছেন। খোয়াই, কমলপুর, সিমনা ও মোহনপুরের মতো বিভিন্ন রুটের নিয়মিত যাত্রীরা বিভিন্ন জায়গায় আটকে পড়ে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।1
- সোনামুড়া মহকুমার অন্তর্গত মোহনভোগ আর.ডি. ব্লক এবং ধনপুর বিধানসভা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে অবস্থিত তেল কাজলা ঝুলন্ত সেতুটি বর্তমানে অত্যন্ত বেহাল ও বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। গোমতী নদীর দুই পাড়ের মানুষের যোগাযোগের একমাত্র ভরসা এই সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষকে চরম ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। খুব বেশি দিন আগে নয়, অত্যন্ত জাঁকজমকভাবে এই সেতুর সংস্কারকাজ সম্পন্ন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সংস্কারের গুণগত মান নিয়ে এখন গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে, কারণ অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যেই সেতুর বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্ত ও ছিদ্র তৈরি হয়েছে। এতে স্পষ্ট যে সংস্কারকাজ অত্যন্ত নিম্নমানের ছিল এবং কোটি টাকার সরকারি অর্থ ব্যয়ের পরও আজ সেতুটি আবারও বিপজ্জনক অবস্থায় পৌঁছেছে। এই একটিমাত্র ঝুলন্ত সেতুর ওপর প্রায় ছয়টি পঞ্চায়েতের মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী এবং প্রতিদিন শত শত মোটরসাইকেল আরোহী নির্ভরশীল। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই সেতু দিয়ে চলাচল করা মানেই নিজের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া, কারণ যেকোনো মুহূর্তে এখানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এবং প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। সংস্কারের নামে সরকারি অর্থের অপচয় এবং সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে এমন অবহেলার শেষ কোথায়—এখন সেই প্রশ্নই তুলছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।1