সোনামুড়া মহকুমার অন্তর্গত মোহনভোগ আর.ডি. ব্লক এবং ধনপুর বিধানসভা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে অবস্থিত তেল কাজলা ঝুলন্ত সেতুটি বর্তমানে অত্যন্ত বেহাল ও বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। গোমতী নদীর দুই পাড়ের মানুষের যোগাযোগের একমাত্র ভরসা এই সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষকে চরম ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। খুব বেশি দিন আগে নয়, অত্যন্ত জাঁকজমকভাবে এই সেতুর সংস্কারকাজ সম্পন্ন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সংস্কারের গুণগত মান নিয়ে এখন গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে, কারণ অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যেই সেতুর বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্ত ও ছিদ্র তৈরি হয়েছে। এতে স্পষ্ট যে সংস্কারকাজ অত্যন্ত নিম্নমানের ছিল এবং কোটি টাকার সরকারি অর্থ ব্যয়ের পরও আজ সেতুটি আবারও বিপজ্জনক অবস্থায় পৌঁছেছে। এই একটিমাত্র ঝুলন্ত সেতুর ওপর প্রায় ছয়টি পঞ্চায়েতের মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী এবং প্রতিদিন শত শত মোটরসাইকেল আরোহী নির্ভরশীল। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই সেতু দিয়ে চলাচল করা মানেই নিজের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া, কারণ যেকোনো মুহূর্তে এখানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এবং প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। সংস্কারের নামে সরকারি অর্থের অপচয় এবং সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে এমন অবহেলার শেষ কোথায়—এখন সেই প্রশ্নই তুলছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
সোনামুড়া মহকুমার অন্তর্গত মোহনভোগ আর.ডি. ব্লক এবং ধনপুর বিধানসভা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে অবস্থিত তেল কাজলা ঝুলন্ত সেতুটি বর্তমানে অত্যন্ত বেহাল ও বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। গোমতী নদীর দুই পাড়ের মানুষের যোগাযোগের একমাত্র ভরসা এই সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষকে চরম ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। খুব বেশি দিন আগে নয়, অত্যন্ত জাঁকজমকভাবে এই সেতুর সংস্কারকাজ সম্পন্ন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সংস্কারের গুণগত মান নিয়ে এখন গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে, কারণ অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যেই সেতুর বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্ত ও ছিদ্র তৈরি হয়েছে। এতে স্পষ্ট যে সংস্কারকাজ অত্যন্ত নিম্নমানের ছিল এবং কোটি টাকার সরকারি অর্থ ব্যয়ের পরও আজ সেতুটি আবারও বিপজ্জনক অবস্থায় পৌঁছেছে। এই একটিমাত্র ঝুলন্ত সেতুর ওপর প্রায় ছয়টি পঞ্চায়েতের মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী এবং প্রতিদিন শত শত মোটরসাইকেল আরোহী নির্ভরশীল। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই সেতু দিয়ে চলাচল করা মানেই নিজের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া, কারণ যেকোনো মুহূর্তে এখানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এবং প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। সংস্কারের নামে সরকারি অর্থের অপচয় এবং সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে এমন অবহেলার শেষ কোথায়—এখন সেই প্রশ্নই তুলছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
- মান্দাইয়ের ভদ্রাই সেনাপতি পাড়া জে.বি স্কুলের চরম অব্যবস্থার চিত্র সামনে এসেছে। এই বিদ্যালয়ে ইএমআইএস থাকলেও মাথার ওপর কোনো ছাদ নেই। সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো স্কুলটি বৃষ্টির জলে ভেসে যাচ্ছে।1
- ত্রিপুরার সিপাহিজলা জেলার চড়িলাম ব্লকের ধারিয়াথল ভিলেজ অফিসে এক অদ্ভুত ছবি ধরা পড়েছে। সরকারি অফিসের কাজের সময় টিভিসহ ফ্যান চালিয়ে আরাম করে ঘুমানোর দৃশ্য দেখা গেছে খোদ বড়কর্তার। অফিসের পরিবেশকে হোটেলের মতো আরামদায়ক স্থানে পরিণত করে এই সরকারি কর্মচারীর ঘুমানোর ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি কর্মক্ষেত্রে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণে সাধারণ মানুষ কার্যত হতবাক।1
- ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে স্কুলে এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) চালু করা হলেও, বাস্তব চিত্রে শিক্ষার্থীদের মাথার ওপর একটি নিরাপদ ছাদের ন্যূনতম ব্যবস্থাটুকুও নেই। এমনই এক চরম বৈপরীত্যের চিত্র ধরা পড়েছে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জিরানীয়া মহকুমার বরখা সার্কেলের অধীন টিটিএএএডিসি-র ইন্সপেক্টর অব স্কুল (আইএস) মান্দাই এলাকার ভদ্রাই সেনাপতি পাড়া জেবি স্কুলে। বর্তমানে মান্দাইয়ের এই ভদ্রাই সেনাপতি পাড়া জেবি স্কুলটি অত্যন্ত বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বিদ্যালয়টির পরিকাঠামো এতটাই বিপর্যস্ত যে, বর্ষার মরসুমে বাধ্য হয়ে শিক্ষকদের স্টাফ রুমের ভেতরেই শিক্ষার্থীদের পঠনপাঠনের কাজ চালাতে হচ্ছে।1
- রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর প্রসারে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহা ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন নতুন বেসরকারি মাল্টি-স্পেশালিটি 'টাইম হাসপাতাল'-এর উদ্বোধন করলেন। এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তিনি স্বাস্থ্য পরিষেবার মানোন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী আমবাসা জেলা হাসপাতালকে কেন্দ্র করে একটি মেডিকেল কলেজ গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন। তিনি জানান, এই প্রকল্পের জন্য বন্ধন ব্যাংককে ইতিমধ্যে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। সরকারি এবং বেসরকারি উদ্যোগের এই সমন্বয় রাজ্যের চিকিৎসা ক্ষেত্রে এক নতুন দিশা দেখাবে বলে আশা করা হচ্ছে।1
- শিক্ষাক্ষেত্রের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের দাবিতে খোয়াইয়ের সুভাষ পার্কে একটি গণঅবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করে ভারতের ছাত্র ফেডারেশন (এসএফআই)। শনিবার আয়োজিত এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীরা এসে উপস্থিত হন। এই গণঅবস্থান কর্মসূচি থেকে এসএফআই-এর পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। তাদের এই দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে স্কুলে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ করা, শিক্ষার বেসরকারিকরণ বন্ধ করা এবং ক্যাম্পাসে ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।4
- বিজনেস কনক্লেভে প্রোটোকল ভেঙে এক ভবঘুরে ব্যক্তি সরাসরি হলঘরে ঢুকে পড়ায় বড়সড় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। যে সময় এই ঘটনা ঘটে, তখন সেখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতিরা উপস্থিত ছিলেন। ত্রিপুরায় আয়োজিত এই কর্মসূচিতে এমন ঘটনা ঘটায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন চিহ্ন তৈরি হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিক জাকির হোসেন প্রশ্ন তুললেও শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের আধিকারিক কিরণ গিত্তে কোনও সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি।1
- সিপাহীজলার জম্পুইজলা মহকুমার উত্তর চড়িলাম গ্রাম পঞ্চায়েতের পুরান বাড়ি অঙ্গনওয়াড়ী সেন্টারে শনিবার উওর চড়িলাম উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্যোগে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপন করা হয়। এই সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন লাল সিং মুড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্বাস্থ্য আধিকারিক মমতা সাহা, উত্তর চড়িলাম উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সি এইচ ও প্রত্যাশা ভৌমিক, এমওয়াইসি অর্পিতা ভৌমিক, আশা ফেসিলিটেটর বিউটি দেবনাথ এবং অন্যান্য আশা কর্মীরা। এই আলোচনা সভায় উত্তর চড়িলাম গ্রাম পঞ্চায়েতের পুরান বাড়ি এলাকার স্থানীয় মহিলারাও অংশ নেন। বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এই সচেতনতামূলক আলোচনা শেষে উপস্থিত মহিলাদের মধ্যে একটি কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। যে সমস্ত মহিলারা কুইজের সঠিক উত্তর দিয়েছেন, তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে লাল সিং মুড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্বাস্থ্য আধিকারিক মমতা সাহা বর্তমান সময়ে কীভাবে জনসংখ্যা সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় এবং এ বিষয়ে মহিলাদের কীভাবে আরও সচেতন করা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।1
- সাব্রুমে 'ছাড়পত্র' নিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাস-জিপ চালক সংঘকে ঘিরে তীব্র অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।1
- ত্রিপুরার সেপাহিজলা জেলার চড়িলাম ব্লকের চেছুড়িমাই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার নতুন দিশা স্ব-সহায়ক দলের মহিলারা বিরল রোগে আক্রান্ত ২২ মাসের শিশু মনুশ্রী চৌধুরীর সহায়তায় এগিয়ে এলেন। শুক্রবার বিকেলে দলটির মহিলারা একত্রিত হয়ে শিশুটির চিকিৎসার জন্য তার বাবার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১০,২০০ টাকা পাঠিয়েছেন। এই মানবিক উদ্যোগের পাশাপাশি শিশুটির দ্রুত আরোগ্য কামনা করে ঈশ্বররের কাছে প্রার্থনা জানিয়েছেন ওই স্ব-সহায়ক দলের সদস্যরা। তাদের একমাত্র লক্ষ্য, শিশুটি যেন সুস্থ হয়ে আবারও তার মায়ের কোলে ফিরে আসতে পারে।1