Shuru
Apke Nagar Ki App…
“আগে রাস্তা, তারপর ভোট” — মেমারিতে চরম হুঁ*শি/য়ারি গ্রামবাসীদের
Memari Update News
“আগে রাস্তা, তারপর ভোট” — মেমারিতে চরম হুঁ*শি/য়ারি গ্রামবাসীদের
More news from Purba Bardhaman and nearby areas
- Post by Memari Update News1
- আগামীকাল ২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বলাগড়ের ইছাপুর এলাকার নিশ্চিন্তপুর জুনিয়র বেসিক স্কুল পরিচালন কমিটির পরিচালনায় ৭৯ তম জন্ম জয়ন্তী পালন উপলক্ষে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির এর আয়োজন করা হয়েছে বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষার পাশাপাশি অল্প ব্যয়ে চশমা বিতরণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে আপনি ও এই মহান উদ্যোগে সামিল হতে পারেন সাংবাদিক চিরঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় WhatsApp 7059664100 Media Centre 97325901041
- সিঙ্গুর বিধানসভার ১১০ নম্বর বুথে ৬৫ জন বৈধ্য ভোটারকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে ইলেকশন কমিশন... সকলেরই প্রায় নিজের নাম অথবা তার আত্মীয়-স্বজনের নাম ২০০২ সালে আছেই। তা সত্ত্বেও হেয়ারিং আশাতে, কেউ পাসপোর্ট, কেউ জন্ম সার্টিফিকেট, কেউ কাস্ট সার্টিফিকেট, কেউ মাধ্যমিকের সার্টিফিকেট জমা দিয়েছে ... তবুও তারা রেহাই পায়নি। অথচ অন্যান্য বিধানসভায় শুধুমাত্র আধার কার্ড এবং প্যান কার্ড জমা দেওয়াতেই তাদের নাম রয়ে গেছে নতুন ভোটার তালিকা তে... ইলেকশন কমিশনের এই দু'রকম বিচার এবং সমস্ত ডকুমেন্টস থাকা সত্ত্বেও ঠিকমতো যাচাই না করে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করে ইচ্ছাকৃত নাম কেটে দেওয়া বৈধ্য ভোটাররা...1
- ভোটের মুখে নদীয়ার নবদ্বীপ বিধানসভার ভালুকা পঞ্চায়েতে বড়সড় রাজনৈতিক পালাবদল। সিপিআইএম পরিচালিত পঞ্চায়েতে ভাঙন ধরিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা দখল করল তৃণমূল কংগ্রেস। নবদ্বীপ বিধান সভার তৃণমূল প্রার্থী পুন্ডরীকাক্ষ সাহার সমর্থনে আয়োজিত কর্মীসভা মুহূর্তে রূপ নেয় মহা যোগদান সভায়। সভামঞ্চ থেকেই সিপিআইএমের পঞ্চায়েত প্রধান হবিজুল মন্ডল ও সদস্য আক্কেল মন্ডল তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেন। এই যোগদানের ফলে ভালুকা পঞ্চায়েতের অঙ্ক একেবারে বদলে যায়। মোট ১৮ আসন বিশিষ্ট এই পঞ্চায়েতে আগে সিপিআইএমের সদস্য সংখ্যা ছিল ৮, বিজেপির ৬ এবং তৃণমূলের ৩, নির্দল ১—সেখানে ধীরে ধীরে ভাঙনের জেরে তৃণমূলের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৭-এ। আর এদিন আরও দু-জন সিপিএম ছেড়ে যোগ দিলো তৃণমূলে, ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে কার্যত তৃণমূলের দখলে চলে যেতে চলছে। সভায় উপস্থিত ছিলেন, পুণ্ডরীকাক্ষ সাহা, রানাঘাট সাংগঠনিক জেলার সভাপতি দেবাশীষ গাঙ্গুলী, জেলা পরিষদের সদস্যা রিক্তা কুন্ডু, নবদ্বীপ পৌরসভার পৌরপতি বিমান কৃষ্ণ সাহা, ব্লক সভাপতি কল্লোল কর, কুমার ধারা সহ একাধিক নেতা। বিমান কৃষ্ণ সাহা দাবি করেন, “পুন্ডরীকাক্ষ সাহার সততা ও উন্নয়নের রাজনীতির জন্যই মানুষের আস্থা দিনদিন বাড়ছে। জয় এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।” অন্যদিকে জেলা সভাপতি দেবাশীষ গাঙ্গুলী বিজেপিকে কটাক্ষ করে বলেন, “গতবার মানুষকে বিভ্রান্ত করে জয় পেয়েছিল বিজেপি। এবার সেই মোহভঙ্গ হয়েছে, মানুষই জবাব দেবে।” যোগদানকারী হবিজুল মন্ডল জানান, পূর্বে তিনি তৃণমূলের প্রধান থাকলেও টিকিট না পাওয়ায় সিপিআইএমে যোগ দেন। তবে এবার বিজেপিকে রুখতে এবং এলাকায় সম্প্রীতি বজায় রাখতে ফের তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভালুকার এই পরিবর্তন আসন্ন নির্বাচনের আগে বড় বার্তা দিচ্ছে—গ্রামবাংলার জমি শক্ত করতে মরিয়া তৃণমূল, আর সিপিআইএমের ঘাঁটিতে ভাঙনের সুর ক্রমশ স্পষ্ট।1
- Post by JBP NEWS BANGLA1
- প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভ এবার কংগ্রেসের অন্দরেও, প্রার্থী করার ব্যাপারে পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ কংগ্রেসের একাংশের, অস্বস্তিতে প্রার্থী ও দলের জেলা নেতৃত্ব :-প্রার্থী নিয়ে কোতুলপুরে কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ এবার চরমে। দলের তরফে ওই কেন্দ্রে সুমিত্রা মল্লিক সাঁতরাকে প্রার্থী করা হলেও স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্বির একাংশ তা মানতে নারাজ। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা দিব্যেন্দু মণ্ডলের দাবি, সর্বসম্মতভাবে কোতুলপুর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হিসেবে জেলা যুব কংগ্রেসের সভাপতি মৌমিতা লোহারের নাম ঠিক করা হয়েছিল। বিষয়টি জেলা ও প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বকেও জানানো হয়। তারপরেও কোন রাজনীতি সম্পর্কে ধারণা না থাকা সত্বেও এক নেতার স্ত্রী হওয়ার সুবাদে সুমিত্রা মল্লিক সাঁতরাকে প্রার্থী করে দল। এই বিষয়টি সিংহভাগ কংগ্রেস কর্মী নেতা মানতে পারছেননা। অবিলম্বে এবিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে তাঁরা বসে যাবেন বলে জানান। যদিও জেলা কংগ্রেসের নেতা দেবু চ্যাটার্জীর দাবি, দরের গঠণতন্ত্র মেনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। প্রয়োজনে বিক্ষুব্ধদের সঙ্গে আলোচনায় বসা হবে। কংগ্রেস প্রার্থী সুমিত্রা মল্লিক সাঁতরা বলেন, দল আমাকে যোগ্য মনে করেছে। এবার কারও আপত্তি থাকলে মিডিয়াকে না জানিয়ে দলকে জানানো উচিৎ। কোতুরপুর ব্লক তৃণমূলের কনভেনর তুষার কান্তি রায়ের দাবি, এই এলাকায় অস্তিত্বহিন কংগ্রেস। এসব বিরোধিদের নিয়ে আমরা ভাবিত নই। বিজেপির স্থানীয় মণ্ডল সভাপতি কেশবি নাগার দাবি, কংগ্রেস পরিবারতান্ত্রিক দল। যা হয়েছে তা স্বাভাবিক। তবে বিক্ষুদ্ধ কংগ্রেসীরা তাদের দলে এলে যোগ্য সম্মান পাবেন বলে তিনি জানান।3
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- Post by মুখার্জী নিউজ1