গত ১৮ তারিখে আরামবাগ-গোতান রুটের একটি বাসে করে আরামবাগে পৌঁছানোর পর এক গৃহবধূ তার ব্যাগ থেকে হারিয়ে যাওয়া দশ হাজার টাকা ফিরে পেলেন আরামবাগ থানার পুলিশের তৎপরতায়। মৌসুমী পাল নামে ওই মহিলা তার অসুস্থ স্বামীকে আরামবাগ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন। হাসপাতাল মোড়ে নামার পর তিনি খেয়াল করেন, তার ব্যাগে রাখা ১০ হাজার টাকা উধাও। এই ঘটনায় হতবাক হয়ে মৌসুমী দেবী অভিযোগ করেন যে, বাসের মধ্যেই কেউ কৌশলে তার টাকা চুরি করেছে। তিনি দ্রুত আরামবাগ থানায় বিষয়টি জানান। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ তদন্তে নামে এবং বিভিন্ন সূত্র ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে অবশেষে হারিয়ে যাওয়া টাকার সন্ধান পায়। গত বৃহস্পতিবার আরামবাগ থানায় ওই দম্পতিকে ডেকে উদ্ধার হওয়া দশ হাজার টাকা তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। টাকা ফিরে পেয়ে মৌসুমী পাল এবং তার পরিবার স্বস্তি প্রকাশ করেন। পুলিশের এই তৎপরতায় খুশি হয়ে তারা আরামবাগ থানার পুলিশকে ধন্যবাদ জানান, যার ফলে দম্পতির মুখে হাসি ফিরে আসে।
গত ১৮ তারিখে আরামবাগ-গোতান রুটের একটি বাসে করে আরামবাগে পৌঁছানোর পর এক গৃহবধূ তার ব্যাগ থেকে হারিয়ে যাওয়া দশ হাজার টাকা ফিরে পেলেন আরামবাগ থানার পুলিশের তৎপরতায়। মৌসুমী পাল নামে ওই মহিলা তার অসুস্থ স্বামীকে আরামবাগ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন। হাসপাতাল মোড়ে নামার পর তিনি খেয়াল করেন, তার ব্যাগে রাখা ১০ হাজার টাকা উধাও। এই ঘটনায় হতবাক হয়ে মৌসুমী দেবী অভিযোগ করেন যে, বাসের মধ্যেই কেউ কৌশলে তার টাকা চুরি করেছে। তিনি দ্রুত আরামবাগ থানায় বিষয়টি জানান। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ তদন্তে নামে এবং বিভিন্ন সূত্র ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে অবশেষে হারিয়ে যাওয়া টাকার সন্ধান পায়। গত বৃহস্পতিবার আরামবাগ থানায় ওই দম্পতিকে ডেকে উদ্ধার হওয়া দশ হাজার টাকা তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। টাকা ফিরে পেয়ে মৌসুমী পাল এবং তার পরিবার স্বস্তি প্রকাশ করেন। পুলিশের এই তৎপরতায় খুশি হয়ে তারা আরামবাগ থানার পুলিশকে ধন্যবাদ জানান, যার ফলে দম্পতির মুখে হাসি ফিরে আসে।
- আরামবাগ টাউন এলাকায় এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে দুই মহিলাকে বেধড়ক মারধর, গলা টিপে শ্লীলতাহানি এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এমনকি এই ঘটনার ভিডিও রেকর্ডিং করতে গেলে অভিযুক্ত যুবক মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। তদন্ত চলাকালীন অভিযুক্তের পেশাগত পরিচয় ও কাজে একটি বড়সড় দুর্নীতির বিষয়টিও সামনে এসেছে। অভিযুক্ত যুবকের নাম অর্ঘ, যিনি নিজেকে বিজেপির সক্রিয় নেতা হিসাবে পরিচয় দেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আক্রান্ত এক মহিলা জানিয়েছেন যে, পূর্বের একটি ঘটনার জেরে অভিযুক্ত অর্ঘ তাঁদের বাড়িতে চড়াও হয়। বাড়িতে ঢুকেই সে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে এবং ধারালো ছুরি দেখিয়ে পুরো পরিবারকে খুনের হুমকি দেয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিবাদ করার পর এক মহিলার গলা টিপে ধরে তাঁকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করা হয়, এবং দ্বিতীয় মহিলাকেও গলা টিপে মারধর করা হয়। পরিবারের অন্য সদস্যরা যখন এই অত্যাচারের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও করার চেষ্টা করছিলেন, তখন অভিযুক্ত অর্ঘ প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে জোরপূর্বক তাঁদের ফোন কেড়ে নেয়। এই মারধরের ফলে আক্রান্ত এক মহিলার বাবাও গুরুতর জখম হয়েছেন এবং তিনি বর্তমানে আরামবাগ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আক্রান্ত মহিলা আরও উল্লেখ করেন যে, অভিযুক্ত অর্ঘ একটি লোন রিকভারি কোম্পানিতে কাজ করেন। তবে চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, ঐ কোম্পানিতে অর্ঘের নিজের কোনো বৈধ আইডি নেই; তিনি তাঁর স্ত্রীর আইডির আড়ালে বেআইনিভাবে লোন রিকভারির কাজ চালাতেন। আক্রান্তদের দাবি, এই লোন রিকভারির নাম করেই অর্ঘ এলাকায় ক্ষমতার দাপট দেখাতেন এবং নিজেকে বিজেপি নেতা পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে হুমকি দিতেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে আরামবাগ টাউনের বিজেপির নেতা সুমন তেওয়ারি জানিয়েছেন যে, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, "আইন সবার জন্য সমান। পুলিশ নিরপেক্ষভাবে ঘটনার তদন্ত করুক। কোনো অন্যায়কারীকে ভারতীয় জনতা পার্টি প্রশ্রয় দেয় না। অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি দোষী সাব্যস্ত হন, তবে পুলিশ যেন তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়, সে তিনি যে দলেরই হোন না কেন।" ইতিমধ্যেই আক্রান্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ বেআইনিভাবে অন্যের আইডি ব্যবহার করে লোন রিকভারির বিষয়টি এবং মোবাইল ফোন উদ্ধারের জন্য অভিযুক্তের সন্ধানে তল্লাশি শুরু করেছে।1
- আবাস যোজনা সম্পর্কিত তথ্যের জন্য একটি টোল ফ্রি নম্বর উপলব্ধ করা হয়েছে।1
- মাত্র সামান্য বৃষ্টিতেই কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তারদের হোস্টেল সম্পূর্ণ জলের তলায় চলে গেছে। এই ঘটনা চিকিৎসকদের চরম দুর্দশার চিত্র তুলে ধরেছে। পোস্টটিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়েছে যে, যদি চিকিৎসকদের এমন অস্বাস্থ্যকর ও প্রতিকূল পরিবেশে বাস করতে হয়, তবে রোগীদের জন্য উন্নত এবং সুস্থ পরিষেবা আশা করা অত্যন্ত কঠিন। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, সে বিষয়ে জনসাধারণের মতামত জানতে চাওয়া হয়েছে।1
- 2026 সাল এসেও বর্ষা শুরু হওয়ার আগেই সাধারণ মানুষকে জল ও কাদায় যাতায়াত করতে হচ্ছে, যা চরম দুর্ভোগের কারণ। ভোটের আগে নেতারা অনেক প্রতিশ্রুতি দেন এবং দেশের মানুষ মনে করে যে তারা নেতা হয়ে উপকার করবে, কিন্তু সেই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়। এই পরিস্থিতি আবারও স্পষ্ট করে দেয় যে নেতারা কেবল নিজেদের স্বার্থ দেখেন, আর সাধারণ মানুষের কাজ হয়তো হয়, নয়তো আটকে থাকে, এভাবেই চলতে থাকে।2
- রাজ্যজুড়ে ভয় কাটিয়ে সাধারণ মানুষ যখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছেন এবং একের পর এক অভিযোগে শাসকদল চাপে রয়েছে, তখন মালদা থেকে চাকরির নামে প্রতারণার এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে। একজন প্রবীণ ব্যক্তি দাবি করেছেন যে, তার ছেলেকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একজন তৃণমূল নেতা তার কাছ থেকে ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ওই চাকরির ব্যবস্থা হয়নি এবং নেওয়া টাকাও ফেরত পাননি বৃদ্ধ। অভিযোগ আরও গুরুতর যে, টাকা ফেরত চাইতে গেলে ওই বৃদ্ধকে নাকি বারবার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে, এবং সাধারণ মানুষের মনে এখন একটাই প্রশ্ন— এই চাকরির নামে প্রতারণার বিচার কবে হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কবে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে? প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দুর্নীতি ও প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না এবং আইন তার নিজস্ব গতিতেই অভিযুক্তদের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে।2
- পোস্টটিতে জোরালো প্রশ্ন তোলা হয়েছে যে বাংলায় কি সত্যিই কোনো কার্যকর বিরোধী দলের অস্তিত্ব নেই, নাকি আসল বিরোধী হলো সাধারণ মানুষের নীরবতা। এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে, সমস্ত দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষকে নিজেদের কথা বলতে এবং নিজেদের আওয়াজ তোলার জন্য একটি স্পষ্ট ও জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- দুর্গাপুর সরকারি মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র বিপুল বর্মনকে মারধরের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)-এর সমর্থকদের বিরুদ্ধে। আক্রান্ত ছাত্রের দাবি, গত বুধবার রাতে ঝর্নাপল্লী এলাকায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে তাঁকে লোহার রড এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করা হয়। এই ঘটনার পর আহত ছাত্র দুর্গাপুর নিউ টাউনশিপ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন, যার ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এবিভিপি নেতা অচিন্ত শর্মা এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, হাসপাতালে যাওয়ার পথে তিনি কিছু ছাত্রকে নিজেদের মধ্যে বিবাদে জড়াতে দেখেন এবং সেই সময় বিপুল বর্মন ও তাঁদের সংগঠনের কয়েকজন সদস্য সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অচিন্ত শর্মা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেছিলেন বলেও জানান। তিনি আরও যোগ করেন যে, কলেজে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কার্যকলাপ হোক, তা তাঁরা চান না, এবং সে কারণেই তাঁদের সংগঠনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় একটি রাজনৈতিক চাপানউতোর সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে আক্রান্ত ছাত্রের অভিযোগ এবং অন্যদিকে এবিভিপি নেতৃত্বের পাল্টা দাবির মধ্যে কোনটি সত্য, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশিত হলে ঘটনার প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।1